আমেরিকা

সপ্তাহে ইরানে হামলায় ১১ বিলিয়ন ডলার খরচ, কিন্তু স্বাস্থ্যসেবায় অর্থ নেই — সিনেটর এলিজাবেথ ওয়ারেন

নুরুল্লাহ সাইদ মার্চ ১৫, ২০২৬ 0
ফাইল ফটো: মার্কিন সিনেটর এলিজাবেথ ওয়ারেন
ফাইল ফটো: মার্কিন সিনেটর এলিজাবেথ ওয়ারেন

ইরানে সামরিক হামলায় বিপুল অর্থ ব্যয়ের অভিযোগ তুলে যুক্তরাষ্ট্রের নীতির সমালোচনা করেছেন মার্কিন সিনেটর এলিজাবেথ ওয়ারেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, এক সপ্তাহে ইরানে বোমা হামলায় ১১ বিলিয়ন ডলারের বেশি খরচ করা হয়েছে, অথচ দেশের কোটি কোটি মানুষের স্বাস্থ্যসেবার জন্য পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে না।

 

ওয়ারেন বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ৮২ মিলিয়ন মানুষ চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে হিমশিম খাচ্ছেন, কিন্তু সরকার সামরিক অভিযানে বিপুল অর্থ ব্যয় করছে। তার মতে, এটি সরকারের অগ্রাধিকারের বিষয়, যেখানে জনগণের মৌলিক প্রয়োজনের চেয়ে যুদ্ধ ব্যয় বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে।

 

তিনি আরও বলেন, সরকারের সিদ্ধান্তে স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে যে স্বাস্থ্যসেবার মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে অর্থ দেওয়ার পরিবর্তে সামরিক কর্মকাণ্ডে বেশি অর্থ ব্যয় করা হচ্ছে।

 

ওয়ারেনের এই মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা তৈরি করেছে। বিষয়টি নিয়ে ট্রাম্প সমর্থক ও সমালোচকদের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়েছে। তবে এ বিষয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প বা তার ঘনিষ্ঠ মহলের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Advertisement

আমেরিকা

View more
ইরান যুদ্ধে নিহত মার্কিন সেনাদের ছবি ব্যবহার করে অর্থ সংগ্রহ, ট্রাম্পের পিএসি ঘিরে বিতর্ক
ইরান যুদ্ধে নিহত মার্কিন সেনাদের ছবি ব্যবহার করে অর্থ সংগ্রহ, ট্রাম্পের পিএসি ঘিরে বিতর্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাজনৈতিক অ্যাকশন কমিটি (PAC) পাঠানো একটি তহবিল সংগ্রহের ইমেইল ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রে বিতর্ক শুরু হয়েছে। ওই ইমেইলে নিহত ছয় মার্কিন সেনাসদস্যকে সম্মান জানাতে অনুষ্ঠিত ‘ডিগনিফায়েড ট্রান্সফার’ অনুষ্ঠানের ছবি ব্যবহার করে দাতাদের কাছে অর্থ চাওয়া হয় এবং বিনিময়ে প্রেসিডেন্টের “ব্যক্তিগত জাতীয় নিরাপত্তা ব্রিফিং” পাওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।     প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট “নেভার সারেন্ডার” নামের কমিটি পাঠানো ইমেইলে একটি সদস্যপদ কর্মসূচির প্রচার করা হয়, যেখানে বলা হয় যারা অনুদান দেবেন তারা সরাসরি প্রেসিডেন্টের কাছ থেকে জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত আপডেট পাবেন। ইমেইলে লেখা ছিল, সদস্যরা “আমার ব্যক্তিগত জাতীয় নিরাপত্তা ব্রিফিং পাবেন, যেখানে দেশের হুমকি সম্পর্কে সরাসরি তথ্য থাকবে।”     ইমেইলে ব্যবহৃত ছবিটি ছিল ডেলাওয়্যারের ডোভার বিমানঘাঁটিতে নিহত ছয় সেনাসদস্যের মরদেহ দেশে আনার সময় অনুষ্ঠিত সামরিক সম্মাননা অনুষ্ঠানের, যা যুক্তরাষ্ট্রে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ একটি আনুষ্ঠানিকতা হিসেবে বিবেচিত হয়।     এই ঘটনায় ডেমোক্র্যাট রাজনীতিবিদ ও সাবেক সেনাসদস্যদের সংগঠনগুলো তীব্র সমালোচনা করেছে। তাদের অভিযোগ, নিহত সেনাদের স্মৃতিকে ব্যবহার করে অর্থ সংগ্রহ করা অনৈতিক এবং অসম্মানজনক। কিছু সমালোচক এটিকে “মৃত সেনাদের দিয়ে প্রচারণা চালানো” বলেও মন্তব্য করেছেন।     এদিকে হোয়াইট হাউস বা ট্রাম্পের দপ্তর থেকে বিষয়টি নিয়ে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি, তবে বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ১৫, ২০২৬ 0
ফাইল ফটো: মার্কিন সিনেটর এলিজাবেথ ওয়ারেন

সপ্তাহে ইরানে হামলায় ১১ বিলিয়ন ডলার খরচ, কিন্তু স্বাস্থ্যসেবায় অর্থ নেই — সিনেটর এলিজাবেথ ওয়ারেন

ইরাকে মার্কিন বিমান দুর্ঘটনায় নিহত ৬ সেনাসদস্যের পরিচয় প্রকাশ

ইরাকে মার্কিন বিমান দুর্ঘটনায় নিহত ৬ সেনাসদস্যের পরিচয় প্রকাশ

ছবি: সংগৃহীত

হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তায় চীন-জাপান-যুক্তরাজ্যসহ ৫ দেশকে পাশে চায় ট্রাম্প

ছবি: সংগৃহীত
যে কারণে সংবাদমাধ্যমকে দোষারোপ করলেন ট্রাম্প

ইরানকে ঘিরে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই মার্কিন সংবাদমাধ্যমের ওপর তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি অভিযোগ করেছেন, কিছু সংবাদমাধ্যম এমনভাবে খবর প্রকাশ করছে যেন তারা যুক্তরাষ্ট্রের পরাজয় দেখতে চায়।   এর আগে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুই মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানায়, সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে অবস্থানরত পাঁচটি মার্কিন বিমান ইরানি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।   তবে এই দাবি সরাসরি নাকচ করে দেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, কয়েকদিন আগে ওই ঘাঁটিতে হামলা হলেও বিমানগুলো ধ্বংস বা গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি।   ট্রাম্পের ভাষ্য অনুযায়ী, পাঁচটি বিমানের মধ্যে চারটির প্রায় কোনো ক্ষতি হয়নি এবং সেগুলো ইতোমধ্যেই আবার উড্ডয়নের জন্য প্রস্তুত। আর একটি বিমানে তুলনামূলক কিছুটা বেশি ক্ষতি হয়েছে, তবে সেটিও দ্রুত মেরামত করে আকাশে ওড়ানোর প্রস্তুতি চলছে।   এ প্রসঙ্গে ট্রাম্প আরও অভিযোগ করেন, কিছু গণমাধ্যম ইচ্ছাকৃতভাবে এমন খবর প্রকাশ করছে যাতে মনে হয় যুক্তরাষ্ট্র বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছে। তার দাবি, বাস্তবতা ভিন্ন হলেও মিডিয়া এমন একটি চিত্র তুলে ধরছে যেন যুক্তরাষ্ট্র এই যুদ্ধে হেরে যাচ্ছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

উপসাগরীয় দেশগুলো ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামছে—মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দাবি

মার্কিন ভিসা

ভিসায় বড় পরিবর্তন: মার্কিন দূতাবাসের জরুরি সতর্কবার্তা

যুক্তরাষ্ট্রে সংঘবদ্ধ ডাকাতি বেড়েই চলেছে, এক মিনিটে ১৭ লাখ ডলারের গয়না লুট

যুক্তরাষ্ট্রে সংঘবদ্ধ ডাকাতি বেড়েই চলেছে, এক মিনিটে ১৭ লাখ ডলারের গয়না লুট

ট্রাম্পের নির্দেশে ইরানের প্রধান তেলকেন্দ্র খার্গ দ্বীপে মার্কিন হামলা
ট্রাম্পের নির্দেশে ইরানের প্রধান তেলকেন্দ্র খার্গ দ্বীপে মার্কিন হামলা

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ট ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন যে তার নির্দেশে যুক্তরাষ্ট্রের ইউনাইটেড স্টেট সেন্ট্রাল কম্যান্ড ইরানের প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপে সামরিক হামলা চালিয়েছে। হোয়াইট হাউস সূত্রে জানানো হয়েছে, এই হামলায় দ্বীপে অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়।   প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ইরানের সামরিক তৎপরতা এবং আন্তর্জাতিক জলপথে হুমকির প্রেক্ষিতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, প্রয়োজনে যুক্তরাষ্ট্র আরও কঠোর সামরিক ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত রয়েছে।   খার্গ দ্বীপ ইরানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তেল রপ্তানি কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। দেশটির অধিকাংশ অপরিশোধিত তেল এই দ্বীপের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহ করা হয়। ফলে এই স্থানে হামলার ঘটনাকে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার বড় ধরনের বৃদ্ধি হিসেবে দেখা হচ্ছে।   সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, পারস্য উপসাগরে অবস্থিত এই দ্বীপটি কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এর কাছেই রয়েছে হরমুজ প্রণালী, যা বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ।   এদিকে হামলার পর ইরানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া এখনো জানানো হয়নি, তবে পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে এবং অঞ্চলজুড়ে নতুন করে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা বাড়ছে।

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ১৪, ২০২৬ 0
হরমুজে হামলা চললে ইরানের জ্বালানি বাণিজ্য ধ্বংসের হুমকি ট্রাম্পের

হরমুজে হামলা চললে ইরানের জ্বালানি বাণিজ্য ধ্বংসের হুমকি ট্রাম্পের

ছবি: সংগৃহীত

ট্রাম্পের আসন্ন বিপদ ‘এপস্টেইন ফাইল’

ছবি: সংগৃহীত

ইরান যুদ্ধ কংগ্রেসের মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে

0 Comments