আন্তর্জাতিক

কুয়েতে ড্রোন হামলায় ইতালীর যুদ্ধবিমান ধ্বংস

তাবাস্সুম মার্চ ১৫, ২০২৬ 0
কুয়েতের আলি আল সালেম বিমানঘাঁটি।
কুয়েতের আলি আল সালেম বিমানঘাঁটি।

কুয়েতের আলি আল সালেম বিমানঘাঁটিতে এক ভয়াবহ ড্রোন হামলায় ইতালীয় বিমান বাহিনীর একটি গুরুত্বপূর্ণ রিমোটলি পাইলটেড এয়ারক্রাফট বা ড্রোন ধ্বংস হয়েছে। 


ইতালির চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল লুসিয়ানো পোর্তোলানো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।


আক্রমণের শিকার এই বিমানঘাঁটিটি যুক্তরাষ্ট্র এবং ইতালীয় বাহিনীর যৌথ ব্যবহারের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। জেনারেল পোর্তোলানো জানান, ধ্বংস হওয়া বিমানটি ওই অঞ্চলে সামরিক কার্যক্রম এবং অপারেশনাল ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্য একটি অপরিহার্য সম্পদ ছিল। 


তবে স্বস্তির বিষয় হলো, হামলায় কোনো ইতালীয় সেনার প্রাণহানি ঘটেনি এবং বর্তমানে সেখানে অবস্থানরত সকল কর্মীরা নিরাপদ রয়েছেন।


নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কায় গত কয়েকদিন ধরেই ওই ঘাঁটিতে ইতালীয় সেনাদের সংখ্যা কমিয়ে আনা হয়েছিল। বর্তমানে যারা সেখানে অবস্থান করছেন, তারা কেবল অত্যন্ত জরুরি এবং অপরিহার্য দায়িত্বগুলো পালন করছেন। 


ইতালির প্রতিরক্ষা দপ্তর এবং জয়েন্ট অপারেশন হেডকোয়ার্টার সার্বক্ষণিক পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে এবং মাঠ পর্যায়ের কন্টিনজেন্টগুলোর সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Advertisement

আন্তর্জাতিক

View more
ছবি: সংগৃহীত।
ইস্তাম্বুলে মার্কিন কনস্যুলেটের সামনে বিশাল বিক্ষোভ: যুদ্ধবিরোধী স্লোগান

তুরস্কের বাণিজ্যিক রাজধানী ইস্তাম্বুলে অবস্থিত মার্কিন কনস্যুলেটের সামনে এক বিশাল যুদ্ধবিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা এবং মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির প্রতিবাদে হাজার হাজার মানুষ এই বিক্ষোভে শামিল হন। বিক্ষোভকারীরা 'যুদ্ধ নয়, শান্তি চাই' এবং 'ন্যাটো ত্যাগ করো, সামরিক ঘাঁটি বন্ধ করো'—এ ধরনের বিভিন্ন স্লোগান সংবলিত ব্যানার ও ফেস্টুন প্রদর্শন করেন। বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে ইরান ও ইসরায়েলকে কেন্দ্র করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অবস্থানের কড়া সমালোচনা করা হয় এই সমাবেশ থেকে। সমাবেশে উপস্থিত বক্তারা বলেন, যুদ্ধের দামামা বাজিয়ে সাধারণ মানুষের জীবন বিপন্ন করার অধিকার কোনো রাষ্ট্রের নেই। তারা অবিলম্বে মার্কিন প্রশাসনকে এই অস্থিরতা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান। বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে কনস্যুলেট এলাকায় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলে তুর্কি পুলিশ। তবে কোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই শান্তিপূর্ণভাবে এই বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, তুরস্কের সাধারণ জনগণের মধ্যে মার্কিন বিরোধী মনোভাব এবং শান্তি কামনার এই বহিঃপ্রকাশ আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ১৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

কফির কাপ হাতে মৃত্যু জল্পনা ওড়ালেন নেতানিয়াহু!

ছবি: সংগৃহীত

মোজতবা খামেনি সুস্থ ও রাষ্ট্র পরিচালনায় সক্রিয়: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত।

পশ্চিমবঙ্গে ভোট গ্রহণ দু'দফায়, যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো জানা প্রয়োজন

ছবি: সংগৃহীত।
রণক্ষেত্র কান্দাহার: পাক বিমান হামলার পর পাল্টা আঘাত তালিবানের

ডুরান্ড লাইন পেরিয়ে আফগান সীমান্তে ফের চরম সংঘাত শুরু হয়েছে পাকিস্তান ও তালিবান বাহিনীর মধ্যে। শনিবার রাতভর আফগানিস্তানের কান্দাহারে পাকিস্তানি বিমান বাহিনীর ভয়াবহ বোমাবর্ষণের পর পাল্টা জবাবে পাকিস্তানের ওয়াজিরিস্তানে একটি সেনা ক্যাম্প গুঁড়িয়ে দেওয়ার দাবি করেছে তালিবান প্রশাসন। সীমান্ত জুড়ে এই পাল্টাপাল্টি হামলায় দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। ইসলামাবাদ সূত্র অনুযায়ী, সীমান্তে সক্রিয় জঙ্গিঘাঁটি নির্মূল করতেই এই বিশেষ অভিযান চালানো হয়েছে। পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার দাবি করেছেন, কান্দাহারে রাতভর অভিযানে বেশ কিছু জঙ্গি আস্তানা ধ্বংস করা হয়েছে এবং একাধিক সন্ত্রাসীকে খতম করা হয়েছে। পাকিস্তানের অভিযোগ, আফগান মাটি ব্যবহার করে তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান (TTP) ক্রমাগত সীমান্ত এলাকায় হামলা চালাচ্ছে। অন্যদিকে, হামলার সত্যতা নিশ্চিত করে তালিবান সরকারের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ জানিয়েছেন, পাকিস্তানি হামলায় একটি পুনর্বাসন কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এই আগ্রাসন মুখ বুজে সহ্য করেনি আফগান বাহিনীও। আফগান প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের দাবি, পাকিস্তানের হামলার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া হিসেবে উত্তর ওয়াজিরিস্তানে অবস্থিত একটি পাকিস্তানি সেনা ক্যাম্প লক্ষ্য করে পাল্টা গোলাবর্ষণ করা হয়, যাতে ক্যাম্পটি পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়েছে। উল্লেখ্য, গত মাস থেকেই দুই দেশের সীমান্ত পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ। ২৬শে ফেব্রুয়ারি রাতে আফগান ফৌজের পালটা হামলায় পাকিস্তানের ৫৫ জন জওয়ানের মৃত্যু এবং ১২টি পাক পোস্ট দখলের দাবি করেছিল তালিবান। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই কান্দাহারে এই বিমান হামলা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলল। সীমান্ত এলাকায় এখন থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং দুই পক্ষই অতিরিক্ত সৈন্য মোতায়েন করেছে।

তাবাস্সুম মার্চ ১৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।

গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলা: অন্তঃসত্ত্বা নারীসহ একই পরিবারের চারজন নিহত

জাপানের সাবেক তারকা ফুটবলার কিসুকে হোন্ডা।

ইরানকে সমর্থন করে মার্কিন চুক্তি হারালেন হোন্ডা

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।

জাহাজ চলাচলে ইরানের সঙ্গে বেশ কিছু দেশের যোগাযোগ

কুয়েতের আলি আল সালেম বিমানঘাঁটি।
কুয়েতে ড্রোন হামলায় ইতালীর যুদ্ধবিমান ধ্বংস

কুয়েতের আলি আল সালেম বিমানঘাঁটিতে এক ভয়াবহ ড্রোন হামলায় ইতালীয় বিমান বাহিনীর একটি গুরুত্বপূর্ণ রিমোটলি পাইলটেড এয়ারক্রাফট বা ড্রোন ধ্বংস হয়েছে।  ইতালির চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল লুসিয়ানো পোর্তোলানো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। আক্রমণের শিকার এই বিমানঘাঁটিটি যুক্তরাষ্ট্র এবং ইতালীয় বাহিনীর যৌথ ব্যবহারের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। জেনারেল পোর্তোলানো জানান, ধ্বংস হওয়া বিমানটি ওই অঞ্চলে সামরিক কার্যক্রম এবং অপারেশনাল ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্য একটি অপরিহার্য সম্পদ ছিল।  তবে স্বস্তির বিষয় হলো, হামলায় কোনো ইতালীয় সেনার প্রাণহানি ঘটেনি এবং বর্তমানে সেখানে অবস্থানরত সকল কর্মীরা নিরাপদ রয়েছেন। নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কায় গত কয়েকদিন ধরেই ওই ঘাঁটিতে ইতালীয় সেনাদের সংখ্যা কমিয়ে আনা হয়েছিল। বর্তমানে যারা সেখানে অবস্থান করছেন, তারা কেবল অত্যন্ত জরুরি এবং অপরিহার্য দায়িত্বগুলো পালন করছেন।  ইতালির প্রতিরক্ষা দপ্তর এবং জয়েন্ট অপারেশন হেডকোয়ার্টার সার্বক্ষণিক পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে এবং মাঠ পর্যায়ের কন্টিনজেন্টগুলোর সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করছে।

তাবাস্সুম মার্চ ১৫, ২০২৬ 0
হাউজ মাইনোরিটি লিডার হাকিম জেফরিস।

ট্রাম্পের যুদ্ধের ক্ষমতা সীমিত করতে প্রতিনিধি পরিষদে ভোটাভুটির ঘোষণা

ছবি: সংগৃহীত।

ইরান যুদ্ধের প্রভাবে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানি তেলের দামে রেকর্ড লাফ: সংকটে বিশ্ব অর্থনীতি

ছবি: সংগৃহীত।

কুয়েতে ইতালীর সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা

0 Comments