আন্তর্জাতিক

পশ্চিমবঙ্গে ভোট গ্রহণ দু'দফায়, যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো জানা প্রয়োজন

তাবাস্সুম মার্চ ১৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
ছবি: সংগৃহীত।

জল্পনার অবসান ঘটিয়ে পশ্চিমবঙ্গসহ দেশের চার রাজ্য ও একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের নির্বাচনী তফশিল ঘোষণা করল ভারতের নির্বাচন কমিশন। রোববার দিল্লির বিজ্ঞান ভবনে আয়োজিত এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার জানান, পশ্চিমবঙ্গে এবারের বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে মাত্র দুই দফায়। আগামী ২৩শে এপ্রিল এবং ২৯শে এপ্রিল ভোটগ্রহণ করা হবে এবং আগামী ৪ঠা মে জানা যাবে বাংলার মসনদে কে বসছেন।


উল্লেখ্য, ২০২১ সালের নির্বাচনে আট দফায় ভোট হলেও এবার নজিরবিহীনভাবে তা কমিয়ে আনা হয়েছে। কমিশনারের মতে, প্রক্রিয়ার সুবিধার্থেই এই সিদ্ধান্ত। একইসাথে আসাম, কেরালা, তামিলনাড়ু ও পন্ডিচেরিতেও ভোটের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে।


এক নজরে ভোটের তফশিল:
প্রথম দফা (২৩শে এপ্রিল): উত্তরবঙ্গ ও জঙ্গলমহলসহ মোট ১৫টি জেলায় ভোট। জেলাগুলো হলো— কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং, কালিম্পং, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদা, মুর্শিদাবাদ, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া ও ঝাড়গ্রাম।


দ্বিতীয় দফা (২৯শে এপ্রিল): দক্ষিণবঙ্গের গুরুত্বপূর্ণ জেলাগুলোতে ভোট। জেলাগুলো হলো— কলকাতা, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগণা, হাওড়া, হুগলি, নদীয়া এবং পূর্ব বর্ধমান।


ফলাফল: ৪ঠা মে।


ভোটের আগে 'ভোটার তালিকা' কাঁটা
নির্বাচন ঘোষণা হলেও পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) নিয়ে বিতর্ক এখনো থামেনি। কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৬০ লক্ষ ৬ হাজার ৬৭৫ জন ভোটারের নাম বর্তমানে 'বিবেচনাধীন' অবস্থায় রয়েছে। হাইকোর্ট নিযুক্ত বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তারা এই তালিকা খতিয়ে দেখছেন। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার আশ্বস্ত করেছেন যে, "কোনো বৈধ ভোটারের নাম বাদ যাবে না, আবার কোনো অবৈধ নাম তালিকায় থাকবে না।" ভোট গ্রহণের আগে পর্যন্ত যাদের নাম নিষ্পত্তি হবে, তারা ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।


লড়াই যখন অস্তিত্বের ও পরিবর্তনের
২০২৬-এর এই নির্বাচন তৃণমূল কংগ্রেসের জন্য যেমন ক্ষমতা ধরে রাখার চ্যালেঞ্জ, তেমনই বিজেপির জন্য এটি মহাকরণ দখলের লড়াই। একদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'লক্ষ্মীর ভাণ্ডার', 'কন্যাশ্রী' ও ডিএ বৃদ্ধির মতো জনমুখী প্রকল্প; অন্যদিকে বিজেপির তোলা 'দুর্নীতি', 'নারী নিরাপত্তা' ও 'পরিবর্তন'-এর ডাক— দুই শিবিরের প্রচারেই এখন উত্তপ্ত বঙ্গ রাজনীতি। ব্রিগেডের সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আক্রমণ এবং তৃণমূলের পাল্টা হুঙ্কার আসন্ন নির্বাচনকে এক অন্য মাত্রা দিয়েছে।


২৯৪ আসনের এই বিধানসভায় ম্যাজিক ফিগার ১৪৮। শেষ পর্যন্ত বাংলার জনতা কাকে বেছে নেয়, এখন সেটাই দেখার।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Advertisement

আন্তর্জাতিক

View more
ছবি: সংগৃহীত
ইসরায়েলে আঘাত হানতে প্রথমবার ব্যবহৃত হলো ইরানের দূরপাল্লার ‘সিজ্জিল’ ক্ষেপণাস্ত্র

ইসরায়েলের বিভিন্ন কৌশলগত লক্ষ্যবস্তুতে বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি করেছে ইরান। দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, রোববার পরিচালিত এই হামলায় প্রথমবারের মতো দূরপাল্লার ‘সিজ্জিল’ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে।   আইআরজিসি এক বিবৃতিতে জানায়, এই হামলা তাদের ঘোষিত ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৪’-এর অংশ এবং এটি প্রতিশোধমূলক অভিযানের ৫৪তম ধাপ। অভিযানে ইসরায়েলের সামরিক ও প্রতিরক্ষা খাতের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো এবং সেনাবাহিনীর সমাবেশস্থলগুলো লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়।   ইরানের দাবি অনুযায়ী, সিজ্জিল একটি কঠিন জ্বালানিচালিত দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র, যা দ্রুতগতিসম্পন্ন এবং অল্প সময়ের মধ্যে উৎক্ষেপণ করা সম্ভব। ফলে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য এটি শনাক্ত ও প্রতিরোধ করা তুলনামূলকভাবে কঠিন বলে মনে করা হয়।   এ ছাড়া হামলায় ইরান তাদের ভাণ্ডারের আরও কয়েক ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে বলে দাবি করেছে। এর মধ্যে রয়েছে খোররামশহর, খায়বার-শেকান, কদর ও এমাদ ক্ষেপণাস্ত্র।   আইআরজিসি বলছে, এই সম্মিলিত হামলার ফলে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বড় ধরনের চাপের মুখে পড়েছে এবং কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।   তবে হামলার বিষয়ে ইসরায়েলের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের হামলা মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে এবং আঞ্চলিক সংঘাত দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি করেছে।

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ১৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

যুদ্ধের মধ্যে ইরানে ঔষধ-খাবার সহায়তা পাঠাল তুর্কমেনিস্তান

ছবি: সংগৃহীত

যুদ্ধবিরতির কোনো প্রস্তাব দিইনি: ট্রাম্পের দাবিকে নাকচ করলেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত।

ইস্তাম্বুলে মার্কিন কনস্যুলেটের সামনে বিশাল বিক্ষোভ: যুদ্ধবিরোধী স্লোগান

ছবি: সংগৃহীত
কফির কাপ হাতে মৃত্যু জল্পনা ওড়ালেন নেতানিয়াহু!

গত কয়েকদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়েছিল একটি খবর—ইরানের হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। তবে সব জল্পনা আর গুজবকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিয়ে এবার সশরীরে ক্যামেরার সামনে হাজির হলেন তিনি। হাতে কফির কাপ নিয়ে অত্যন্ত হাস্যোজ্জ্বল ভঙ্গিতে জানিয়ে দিলেন, তিনি বহাল তবিয়তে আছেন। সম্প্রতি এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেলে একটি ভিডিও বার্তায় নেতানিয়াহু বিদ্রূপের সুরে বলেন, "আমি কফির জন্য মরতেও রাজি, আবার দেশের জন্যও মরতে রাজি।" গত শুক্রবার নেতানিয়াহুর একটি সংবাদ সম্মেলনের ভিডিও ঘিরে বিতর্কের সূত্রপাত হয়। নেটিজেনদের একাংশ দাবি করেন, ভিডিওটির একটি বিশেষ মুহূর্তে নেতানিয়াহুর ডান হাতে ছয়টি আঙুল দেখা যাচ্ছে। মুহূর্তেই ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ে যে, আসল নেতানিয়াহু আর বেঁচে নেই এবং এই ভিডিওটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা ‘এআই’ (AI) ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে। রবিবার সকালে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে বিষয়টি অস্বীকার করা হলেও এবার খোদ নেতানিয়াহু নিজেই মুখ খুললেন। নতুন ভিডিও বার্তায় তিনি কেবল কথা বলেই ক্ষান্ত হননি, বরং ক্যামেরার সামনে নিজের দুই হাত নাড়িয়ে স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে গত ভিডিওটি নিয়ে ওঠা জল্পনা ছিল সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। যুদ্ধের উত্তপ্ত পরিস্থিতির মাঝেও তাঁর এমন নাটকীয় উপস্থিতি আন্তর্জাতিক মহলে বেশ সাড়া ফেলেছে।

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ১৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

মোজতবা খামেনি সুস্থ ও রাষ্ট্র পরিচালনায় সক্রিয়: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত।

পশ্চিমবঙ্গে ভোট গ্রহণ দু'দফায়, যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো জানা প্রয়োজন

ছবি: সংগৃহীত।

রণক্ষেত্র কান্দাহার: পাক বিমান হামলার পর পাল্টা আঘাত তালিবানের

ছবি: সংগৃহীত।
গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলা: অন্তঃসত্ত্বা নারীসহ একই পরিবারের চারজন নিহত

অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর নির্বিচার হামলা অব্যাহত রয়েছে। মধ্য গাজায় একটি আবাসিক ভবনে চালানো সাম্প্রতিক বিমান হামলায় একই পরিবারের চার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে একজন অন্তঃসত্ত্বা নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মধ্য গাজার একটি জনবহুল এলাকায় কোনো সতর্কতা ছাড়াই ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান থেকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়। এতে মুহূর্তের মধ্যে ধসে পড়ে একটি বহুতল ভবন। ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে একই পরিবারের বাবা, অন্তঃসত্ত্বা মা এবং তাদের দুই সন্তানের মরদেহ উদ্ধার করেছেন উদ্ধারকর্মীরা। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, হামলার সময় পরিবারটি বাড়িতেই অবস্থান করছিল। ভয়াবহ এই বিস্ফোরণে আশপাশের আরও বেশ কিছু ঘরবাড়ি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় আল-আকসা শহীদ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক, ফলে নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছে, ইসরায়েল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বেসামরিক এলাকাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের ওপর এই ধরনের হামলা যুদ্ধাপরাধের শামিল। অন্যদিকে, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে এই নির্দিষ্ট হামলা সম্পর্কে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে তারা নিয়মিত দাবি করে আসছে যে, হামাসের গোপন আস্তানা লক্ষ্য করেই এই অভিযানগুলো চালানো হয়। গত কয়েক মাস ধরে চলা এই রক্তক্ষয়ী সংঘাত গাজায় এক ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয় সৃষ্টি করেছে। আন্তর্জাতিক মহল থেকে বারবার যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানানো হলেও মাঠ পর্যায়ে পরিস্থিতির কোনো উন্নতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। এই ঘটনায় ওই এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং স্থানীয় ফিলিস্তিনিদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।

তাবাস্সুম মার্চ ১৫, ২০২৬ 0
জাপানের সাবেক তারকা ফুটবলার কিসুকে হোন্ডা।

ইরানকে সমর্থন করে মার্কিন চুক্তি হারালেন হোন্ডা

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।

জাহাজ চলাচলে ইরানের সঙ্গে বেশ কিছু দেশের যোগাযোগ

কুয়েতের আলি আল সালেম বিমানঘাঁটি।

কুয়েতে ড্রোন হামলায় ইতালীর যুদ্ধবিমান ধ্বংস

0 Comments