আন্তর্জাতিক

আরব আমিরাতে ইরানের ক্রমাগত হামলার নেপথ্যে আসল কারণ কী?

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ১৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
ছবি: সংগৃহীত।

মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে বইছে উত্তপ্ত হাওয়া। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাত লক্ষ্য করে প্রায় ২,০০০ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করেছে ইরান। মূলত আমিরাতের মেরুদণ্ড হিসেবে পরিচিত পরিবহন খাত এবং জ্বালানি অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে এই হামলাগুলো চালানো হচ্ছে। 


সোমবার দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে ড্রোন হামলার ফলে সৃষ্ট অগ্নিকাণ্ডে সাময়িকভাবে ফ্লাইট চলাচল বন্ধ হয়ে যায়, যা আন্তর্জাতিক আকাশপথে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটায়। শুধু বিমানবন্দরই নয়, অঞ্চলটির অন্যতম বৃহৎ তেল সংরক্ষণ কেন্দ্র ফুজাইরাহ বন্দরেও ড্রোন হামলায় আগুনের ঘটনা ঘটেছে।


আবুধাবির উপকণ্ঠে একটি চলন্ত গাড়িতে রকেট হামলায় এক ফিলিস্তিনি নাগরিকের মৃত্যু পরিস্থিতিকে আরও ঘোরালো করে তুলেছে। এছাড়া ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে দুবাইয়ের একটি বিলাসবহুল হোটেলেও হামলা চালানো হয়। বিবিসির সংবাদদাতা আজাদেহ মশিরি জানিয়েছেন, আরব আমিরাত মনে করছে তাদের অন্যায়ভাবে এই যুদ্ধে টেনে আনা হয়েছে। 


বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরান হয়তো ভাবছে এই চাপের মুখে আমিরাত সরকার যুক্তরাষ্ট্রকে যুদ্ধ বন্ধে বাধ্য করবে, কিন্তু বাস্তবতা হলো—এই ক্রমাগত হামলায় আমিরাতের কর্মকর্তারা এখন চরম ক্ষুব্ধ।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Advertisement

আন্তর্জাতিক

View more
আফগানিস্তানের তোরখাম সীমান্তের কাছে পাকিস্তান ও আফগানিস্তান বাহিনীর মধ্যে গুলি বিনিময়ের পর তালেবান সেনারা একটি গাড়িতে রকেট লঞ্চার লোড করছে
পাকিস্তান-আফগানিস্তানের কি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে গড়াচ্ছে?

প্রতিবেশী দুই দেশ পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সাম্প্রতিক সময়ে উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। সীমান্তে পাল্টাপাল্টি হামলা ও অভিযোগ–পাল্টা অভিযোগে পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে, যা পূর্ণাঙ্গ সংঘাতে রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।   সোমবার (১৬ মার্চ) আফগানিস্তান অভিযোগ করেছে, রাজধানী কাবুলে একটি মাদকাসক্তি চিকিৎসা কেন্দ্রে পাকিস্তানি বাহিনী বিমান হামলা চালিয়েছে। তালেবান সরকারের মুখপাত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় জানান, সন্ধ্যার দিকে এই হামলার ঘটনা ঘটে।   তালেবান সরকারের দাবি, পাকিস্তানের বিমান হামলায় চিকিৎসাধীন রোগীদের মধ্যে ব্যাপক হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। উপমুখপাত্র হামদুল্লাহ ফিতরাত জানিয়েছেন, এই হামলায় প্রায় ৪০০ জন নিহত এবং অন্তত ২৫০ জন আহত হয়েছেন।   তবে পাকিস্তান সরকার এ অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছে। দেশটির তথ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারা কোনো হাসপাতাল লক্ষ্য করে হামলা চালায়নি। বরং কাবুল ও পূর্বাঞ্চলীয় নানগারহার প্রদেশে সন্ত্রাসী কার্যক্রমে ব্যবহৃত অবকাঠামো লক্ষ্য করেই হামলা চালানো হয়েছে।   অন্যদিকে আফগানিস্তানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র শারাফাত জামান আমরখাইল আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমকে জানান, হামলার স্থানের আশপাশে কোনো সামরিক স্থাপনা ছিল না, যা ঘটনাটিকে আরও বিতর্কিত করে তুলেছে।   স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য অনুযায়ী, হামলার সময় কাবুলজুড়ে তীব্র বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। পরে আকাশে বিমান চলাচল এবং প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার শব্দও শোনা গেছে।   জাতিসংঘের আফগানিস্তান সহায়তা মিশনের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে দুই দেশের সীমান্তে নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে এখন পর্যন্ত অন্তত ৭৫ জন নিহত এবং ১৯৩ জন আহত হয়েছেন।   গত বছরের অক্টোবর মাসে উভয় দেশ একটি নাজুক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হলেও তা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। এরপর থেকে বিচ্ছিন্ন সংঘর্ষ চলতেই থাকে, যা এখন বড় ধরনের সামরিক উত্তেজনায় রূপ নিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, চলমান পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে না আনতে পারলে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সংঘাত পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে রূপ নিতে পারে, যা পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ১৭, ২০২৬ 0
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল

আরএসএস ও ‘র’-এর ওপর নিষেধাজ্ঞার সুপারিশ, মার্কিন প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান ভারতের

ছবি: সংগৃহীত।

আরব আমিরাতে ইরানের ক্রমাগত হামলার নেপথ্যে আসল কারণ কী?

ছবি: সংগৃহীত।

বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসে ড্রোন ও রকেট হামলা: কালো ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন গ্রিন জোন

ছবি: সংগৃহীত।
আবুধাবিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, পাকিস্তানি নাগরিক নিহত

সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবিতে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার সময় এর ধ্বংসাবশেষের আঘাতে এক পাকিস্তানি নাগরিক নিহত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার দেশটির সরকারি কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানায়, গত রাতে আবুধাবির আকাশে অনুপ্রবেশকারী একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রকে সফলভাবে ধ্বংস করে আমিরাতের প্রতিরক্ষা বাহিনী।  তবে দুর্ভাগ্যবশত, ক্ষেপণাস্ত্রটির খণ্ডিত অংশ নিচে আছড়ে পড়লে সেখানে অবস্থানরত ওই ব্যক্তি গুরুতর আহত হন এবং পরবর্তীতে তার মৃত্যু হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অত্যন্ত দক্ষতার সাথে হুমকিটি মোকাবিলা করেছে।  তবে জনবহুল এলাকায় এই ধ্বংসাবশেষ পতনের ফলে এই অনাকাঙ্ক্ষিত প্রাণহানির ঘটনাটি ঘটে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি এড়াতে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ১৭, ২০২৬ 0
যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড

৩০ ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে মার্কিন রণতরীর আগুন: ফ্লোরে ঘুমাচ্ছেন ৬০০ সেনা

ইরান ভারতের কাছে তিনটি ট্যাংকার জাহাজ ফেরত চাইল

ইরান ভারতের কাছে তিনটি ট্যাংকার জাহাজ ফেরত চাইল

হাসপাতালটিতে হাজারো মানুষ মাদকাসক্তির চিকিৎসা নিচ্ছিলেন বলেন জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা

কাবুলে হাসপাতালে বিমান হামলা শতাধিক হতাহতের অভিযোগ, দায় অস্বীকার পাকিস্তানের

আমিরাতের প্রধান বন্দরে ট্যাঙ্কার হামলার খবর
আমিরাতের প্রধান বন্দরে ট্যাঙ্কার হামলার খবর

মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলভুক্ত দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতের গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রবন্দর ফুজাইরাহের কাছাকাছি একটি তেলবাহী ট্যাঙ্কার জাহাজে হামলার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার ভোরে এ হামলার কথা নিশ্চিত করেছে ব্রিটিশ সংস্থা ইউকে মেরিটাইম ট্রেড অপারেশন (ইউকেএমটিও)।   ওমান উপসাগরের তীরে অবস্থিত ফুজাইরাহ বন্দর থেকে প্রায় ২৩ নটিক্যাল মাইল দূরে নোঙর করা অবস্থায় ট্যাঙ্কারটি হামলার শিকার হয় বলে জানানো হয়েছে।   ইউকেএমটিওর এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জাহাজটিতে কোনো বিস্ফোরক বস্তু আঘাত হেনেছে। তবে সেটি ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র নাকি অন্য কোনো ধরনের অস্ত্র ছিল—এ বিষয়ে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। হামলার ফলে জাহাজটির বড় ধরনের ক্ষতি হয়নি এবং কোনো হতাহতের খবরও পাওয়া যায়নি।   হরমুজ প্রণালির কাছাকাছি অবস্থিত ফুজাইরাহ সমুদ্রবন্দর সংযুক্ত আরব আমিরাতের জ্বালানি বাণিজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। দেশটির উল্লেখযোগ্য পরিমাণ তেল রপ্তানি এই বন্দর দিয়েই বিশ্ববাজারে পাঠানো হয়। তবে ইরানকে ঘিরে চলমান উত্তেজনা ও সংঘাত শুরুর পর থেকে বন্দরটির কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ১৭, ২০২৬ 0
তেলের বাজারে অস্থিরতা, এশিয়ায় দাম বাড়ছে দ্রুত

তেলের বাজারে অস্থিরতা, এশিয়ায় দাম বাড়ছে দ্রুত

ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তানে দোকানের ছাদ ধসে প্রাণ গেল ৮ নারীর

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি | সংগৃহীত

ইরানে হামলার পেছনে কিছু দেশের নীরব সমর্থন রয়েছে: দাবি ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

0 Comments