রাজনীতি

ছাত্রদল সভাপতি রাকিবের দৌড়ানো নিয়ে সারজিসের কড়া মন্তব্য

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬ 0
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম

প্রধানমন্ত্রীর গাড়ির পেছনে ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিবের দৌড়ানোর ঘটনা নিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, এ দৃশ্য তাকে গভীরভাবে কষ্ট দিয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর কৃষিবিদ ইন্সটিটিউশনে জাতীয় ছাত্রশক্তির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

 

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অমর একুশে বইমেলা উদ্বোধনে যাওয়ার সময় ছাত্রদলের ভাষ্যমতে, অভ্যুত্থানের একটি সেক্টরের কমান্ডার হিসেবে পরিচিত রাকিবুল ইসলাম রাকিবকে গাড়ির পেছনে দৌড়াতে দেখা যায়। এ দৃশ্য তার কাছে দুঃখজনক বলে উল্লেখ করেন সারজিস আলম।

 

তিনি আরও বলেন, রাকিবের নেতৃত্বে দেশে লাখ লাখ ছাত্র রয়েছে। এমন একজন নেতাকে যেভাবে দৌড়াতে দেখা গেছে, তা তিনি অতীতের রাজনৈতিক বাস্তবতায়ও দেখেননি বলে মন্তব্য করেন। একই সঙ্গে ছাত্রদল নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ছাত্র রাজনীতির সংস্কৃতিতে নতুন একটি মানদণ্ড স্থাপন করতে হবে, যা দেশের ভবিষ্যৎ ছাত্র রাজনীতির দিকনির্দেশনা দেবে।

 

অনুষ্ঠানে ছাত্রশক্তির সভাপতি জাহিদ আহসানের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আবু বাকের মজুমদারের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। এ ছাড়া বক্তব্য দেন এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, যুগ্ম সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল আমিন, যুবশক্তির আহ্বায়ক এডভোকেট তারিকুল ইসলাম এবং ছাত্রশক্তির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক আল আমিন সরকারসহ অন্যান্য নেতারা।

জনপ্রিয় সংবাদ
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো প্রকাশ: বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বণ্টনের খসড়া তালিকা

ঢাকা: দেশের সম্ভাব্য নতুন সরকার গঠনকে সামনে রেখে প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো সংবলিত একটি আনুষ্ঠানিক কমিউনিক্যে প্রকাশিত হয়েছে। এতে রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের দায়িত্ব বণ্টনের একটি খসড়া তালিকা তুলে ধরা হয়েছে।   কমিউনিক্যে বলা হয়েছে, এটি সরকারি নথি ও আনুষ্ঠানিক রেফারেন্সের উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করা একটি প্রস্তাবিত কাঠামো, যেখানে প্রতিষ্ঠিত সরকারি প্রোটোকল অনুযায়ী সম্ভাব্য নিয়োগ ও দায়িত্ব বণ্টনের বিষয়গুলো উল্লেখ রয়েছে।   প্রস্তাবিত দায়িত্ব বণ্টন অনুযায়ী—     •    রাষ্ট্রপতি: ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন     •    জাতীয় সংসদের স্পিকার: অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন / নিতাই রায় চৌধুরী     •    প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী: তারেক রহমান      •    স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর     •    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: সালাহউদ্দিন আহমেদ প্রতিমন্ত্রী: শহীদ উদ্দিন চৌধুরী (অ্যানি)     •    পররাষ্ট্রমন্ত্রী: আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী: ড. হুমায়ুন কবির     •    অর্থমন্ত্রী: ড. এ. বি. মির্জা আজিজুল ইসলাম / ড. রেজা কিবরিয়া (তালিকায় উল্লেখিত অনুযায়ী)     •    শিক্ষামন্ত্রী: আনাম এহসানুল হক মিলন, প্রতিমন্ত্রী: সাঈদ আল নোমান     •    আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী: মো. আসাদুজ্জামান     •    তথ্যমন্ত্রী: আন্দালিব রহমান পার্থ, প্রতিমন্ত্রী: ড. মাহদি আমিন     •    পরিকল্পনামন্ত্রী: ড. আব্দুল মঈন খান     •    বাণিজ্যমন্ত্রী: আব্দুল মুক্তাদির     •    শিল্পমন্ত্রী: আব্দুল আউয়াল মিন্টু     •    নৌপরিবহন মন্ত্রী: মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ     •    শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী: নজরুল ইসলাম খান     •    পানি সম্পদ মন্ত্রী: আসাদুল হাবিব দুলু     •    মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী: ফজলুর রহমান     •    সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী: আমানউল্লাহ আমান     •    সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী: জোনায়েদ সাকি     •    স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী: ড. এ. জেড. এম. জাহিদ হোসেন     •    যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী: আলী আজগর লবি     •    ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী: শামীম কায়সার লিংকন     •    বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী: আলতাফ হোসেন চৌধুরী     •    বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী: ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু     •    কৃষিমন্ত্রী: শামসুজ্জামান দুদু     •    গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী: মির্জা আব্বাস     •    ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী: নুরুল হক নুর     •    রেলপথমন্ত্রী: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়     •    জনপ্রশাসন মন্ত্রী: ড. ইসমাইল জাবিউল্লাহ     •    সমাজকল্যাণ মন্ত্রী: রুহুল কবির রিজভী     •    পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী: দীপেন দেওয়ান   কমিউনিক্যে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এটি একটি প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো—চূড়ান্ত ঘোষণা, নিয়োগ এবং শপথ গ্রহণ সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় প্রক্রিয়া অনুযায়ী সম্পন্ন হবে।

Advertisement

রাজনীতি

View more
এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
গণঅভ্যুত্থান করল ছাত্ররা, সুফল নিচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলো: নাহিদ ইসলাম

চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে ছাত্রদের রক্ত আর আত্মত্যাগের ফসল এখন বিভিন্ন রাজনৈতিক দল নিজেদের করে নিচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, অভ্যুত্থানে ছাত্রদের অবদান সবচেয়ে বেশি থাকলেও বারবার তাদের সাথে প্রতারণা করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার রাজধানীর খামারবাড়িতে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে ‘জাতীয় ছাত্রশক্তি’র প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।   সংস্কার পরিষদের শপথ গ্রহণ নিয়ে চলমান অচলাবস্থার কড়া সমালোচনা করে নাহিদ ইসলাম বলেন, নির্ধারিত দিনে শপথ না নেওয়া জনাদেশের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, "যদি সংস্কার পরিষদের শপথ না হয়, তবে এই জাতীয় সংসদের কোনো মূল্য থাকে না।" তার মতে, জনগণ কেবল ক্ষমতার পরিবর্তন নয়, বরং স্বৈরাচারী কাঠামোর আমূল সংস্কারের জন্যই ভোট দিয়েছে। কিন্তু বর্তমান সরকার বিচার, সংস্কার এবং অর্থনৈতিক প্রশ্নে জনআকাঙ্ক্ষার বিপরীতে হাঁটছে। বিচার প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলামকে অপসারণ করায় জনমনে সন্দেহ দানা বাঁধছে। এছাড়া ঋণখেলাপিদের পুনর্বাসনের অভিযোগ তুলে বর্তমান সরকারের তীব্র সমালোচনা করেন এই নেতা। নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, সংসদে যদি গঠনমূলক আলোচনার পরিবেশ না থাকে, তবে ছাত্র-জনতা আবারো রাজপথে নামতে বাধ্য হবে। এজন্য তিনি প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানান এবং অবিলম্বে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদে যোগ্য ব্যক্তিকে নিয়োগের দাবি জানান।

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬ 0
জাতীয় ছাত্রশক্তির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে এনসিপি আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম

বিচার প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করছে বিএনপি: নাহিদ ইসলাম

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম

ছাত্রদল সভাপতি রাকিবের দৌড়ানো নিয়ে সারজিসের কড়া মন্তব্য

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। ফাইল ছবি

রাষ্ট্রপতি অপসারণের দাবিতে আইনি নোটিশ, ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

ছবি: সংগৃহীত
শুনলাম আমার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল হবে, স্বাগতম: নাসীরুদ্দিন পাটোয়ারী

অরাজনৈতিক ক্যাম্পাস বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) গিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন—এমন অভিযোগ তুলেছেন ছাত্রলীগের হাতে নিহত আবরার ফাহাদের ভাই আবরার ফাইয়াজ। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাল্টাপাল্টি বক্তব্যও দিয়েছেন দু’জন।   বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে বুয়েটে তারাবির নামাজ আদায় করতে যান নাসিরুদ্দিন। অভিযোগ রয়েছে, তার উপস্থিতিতে সেখানে রাজনৈতিক স্লোগান দেওয়া হয়। বিষয়টি নিয়ে আবরার ফাইয়াজসহ কয়েকজন শিক্ষার্থী আপত্তি জানান।   ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে আবরার ফাইয়াজ লেখেন, “বুয়েটের আজকের এই ছাত্র-রাজনীতিমুক্ত ক্যাম্পাস দুইটি প্রাণের বিনিময়ে পাওয়া। শত শত শিক্ষার্থীর দিন-রাত পরিশ্রমের ফল এটি। নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী ভাই জানতেন কি না যে বুয়েট এলাকায় রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনের সুযোগ নেই, তা আমি জানি না। তবে এখানে এসে তার কী লাভ হলো, সেটিও বুঝতে পারছি না।”   তিনি আরও লেখেন, “নামাজ পড়তে আসা কোনো সমস্যা নয়। কিন্তু নামাজের পর স্লোগান বা মিছিলের প্রয়োজন নেই। এসব কাজ দেশের যেকোনো মসজিদেই করা যায়। উনার এই উপস্থিতি যে কতটা ক্ষতি করেছে, তা বুঝতে সময় লাগবে।”   এই অভিযোগের জবাবে নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী নিজের ফেসবুক পোস্টে বলেন, “বুয়েটের কয়েকজন ভাইয়ের আমন্ত্রণে আমি সেখানে তারাবির নামাজ আদায় করতে যাই। সেখানে গিয়ে জানানো হয়, অরাজনৈতিক ক্যাম্পাসে কোনো বক্তব্য দেওয়া যাবে না। আমি তা সম্মানের সঙ্গে মেনে নিই এবং নামাজ শেষে চলে যাওয়ার কথা জানাই।”   তিনি আরও জানান, নামাজ শেষে বের হওয়ার সময়ও তাকে মিডিয়া ব্রিফিং না করার অনুরোধ জানানো হয়, সেটিও তিনি মেনে নেন। সেখানে তিনি শুধু শহীদ আবরার ফাহাদ ও শহীদ ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তার রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করেন। পরে পলাশীতে গিয়ে প্রেস ব্রিফিং করেন। ওই সময় কয়েকজন “ইনকিলাব জিন্দাবাদ” স্লোগান দিলে তিনি নিজেই তাদের থামিয়ে দেন বলে দাবি করেন।   নাসিরুদ্দিন বলেন, “অরাজনৈতিক বুয়েটের সিদ্ধান্তকে আমি সর্বোচ্চ সম্মান করি এবং আমার আচরণে তা প্রমাণের চেষ্টা করেছি। যদি আমার এই কাজকে অপরাধ মনে করা হয়, তবে আপনারা শাস্তি দিতে পারেন। আমি তা মেনে নেব।”   শেষে তিনি সবাইকে দোয়ায় রাখার অনুরোধ জানিয়ে বিদায় জানান।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

দেশের প্রশ্নে আমরা সীমান্ত বাহিনীকে আরও আধুনিক ও সুসংহত করব : প্রধানমন্ত্রী

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম ও বাণিজ্যসচিব মাহবুবুর রহমানের সঙ্গে এক বৈঠকে দেশের বিশিষ্ট শিল্পপতি, ব্যবসায়ী ও গবেষকেরা। আজ বুধবার ঢাকায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে। ছবি : বাণিজ্য মন্ত্রণালয়

যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্যচুক্তি কৌশলগতভাবে পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন

ছবি: সংগৃহীত

আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের গ্রেফতার দেখানো নিয়ে রাজশাহী পুলিশের 'বিশেষ নির্দেশনা'

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-র আমির ডা. শফিকুর রহমান । ফাইল ছবি
বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট পায়নি, ফল ‘কৌশলে’ নেওয়া হয়েছে: জামায়াত আমির

নির্বাচনে ব্যাপক অনিয়ম ও ফলাফল প্রভাবিত করার অভিযোগ তুলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর আমির ডা. শফিকুর রহমান দাবি করেছেন, ক্ষমতাসীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের প্রত্যক্ষ ভোটে ক্ষমতায় আসেনি; বরং বিভিন্ন কৌশল ও ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’-এর মাধ্যমে ফল নিজেদের পক্ষে নিয়েছে।   বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মনিপুর উচ্চবিদ্যালয়ে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মানে আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।   ডা. শফিকুর রহমান বলেন, স্বাধীনতার ৫৪ বছরেও ইসলামি আদর্শভিত্তিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়নি। তাঁর দাবি, এবারের নির্বাচনে বিশেষ করে তরুণরা পরিবর্তনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল এবং সংস্কারের পক্ষে উল্লেখযোগ্য সমর্থন দেখা গেছে, যা জনগণের মনোভাবের প্রতিফলন।   নির্বাচনী অনিয়মের প্রসঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা, ফলাফল ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ এবং বিভিন্ন কৌশল প্রয়োগের মাধ্যমে ভোটের চিত্র বদলে দেওয়া হয়েছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে তাঁদের দলের এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তবে ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি মোকাবিলায় দল শক্ত অবস্থান নেবে বলেও জানান।   স্বল্প আসন পেয়েও সংসদে যাওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, যে পরিমাণ ভোটের স্বীকৃতি মিলেছে, তার মর্যাদা রক্ষায় তাঁরা সংসদে যোগ দিয়েছেন। সেখানে দলীয় স্বার্থ নয়, জনগণের অধিকার ও দাবি তুলে ধরাই তাঁদের লক্ষ্য।   সরকারের কিছু সিদ্ধান্তের প্রশংসা করে জামায়াত আমির বলেন, এমপি-মন্ত্রীদের সরকারি প্লট ও করমুক্ত গাড়ির সুবিধা না নেওয়ার ঘোষণা তাঁরাই আগে দিয়েছিলেন। একইসঙ্গে প্রবাসী আয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মীদের মরদেহ রাষ্ট্রীয় খরচে দেশে আনার সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেন।   ঢাকা-১৫ (মিরপুর-কাফরুল) এলাকার ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের প্রতি রমজানে চাঁদাবাজি বন্ধের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কেউ চাঁদা দাবি করলে তা না দিতে এবং বাধা এলে দলকে অবহিত করতে। ভবিষ্যতে মাসে অন্তত একদিন জনগণের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়ের পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

শাহারিয়া নয়ন ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬ 0
চাঁদাবাজির প্রতিবাদে রাজধানীর ফার্মগেট এলাকায় তেজগাঁও কলেজের সামনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উদ্যোগে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়েছে

ফার্মগেটে চাঁদাবাজির প্রতিবাদে এনসিপির বিক্ষোভ, হামলার অভিযোগ ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে

জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরীর দক্ষিণ কার্যালয়ের হলরুমে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন দলের জেনারেল সেক্রেটারি মিয়া গোলাম পরওয়ার। ছবি: জামায়াতের সৌজন্যে

স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি: মিয়া গোলাম পরওয়ার

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

ইঞ্জিনিয়ারিং ও কায়দা করে ক্ষমতায় এসেছে বিএনপি, অভিযোগ জামায়াত আমিরের

0 Comments