রাজনীতি

ডাক্তার-পুলিশ বলছে প্রাথমিক আলামত পাওয়া যায়নি, অধিকতর তদন্ত চলছে

হাতিয়ায় শাপলা কলিতে ভোট দেওয়ায় ধর্ষণের অভিযোগ

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬ 0
ভুক্তভোগী করা ওই নারী হাসপাতালে
ভুক্তভোগী করা ওই নারী হাসপাতালে

নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার চানন্দী ইউনিয়নের একটি আশ্রয়ণ প্রকল্পে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ‘শাপলা কলি’ প্রতীকে ভোট দেওয়ার জেরে এক গৃহবধূকে (৩২) নিজ ঘরে ধর্ষণ ও সপরিবারে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী ওই নারী বর্তমানে নোয়াখালী ২৫০ শয্যা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। বিষয়টি নিয়ে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে জেলাজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়।

 

ভাইরাল ভিডিওতে ওই নারী দাবি করেন, গত বৃহস্পতিবার নির্বাচনের দিন থেকেই তাঁকে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। শুক্রবার রাতে ‘কালা এমরান’, ‘রহমান’ ও ‘রুবেল’ নামে তিন ব্যক্তি তাঁর ঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকে। তাঁর স্বামীকে পাশের রুমে আটকে রেখে রহমান তাঁকে ধর্ষণ করে এবং কালা এমরান দরজায় পাহারা দেয়। অভিযুক্তরা এ সময় ‘এনসিপি (জাতীয় নাগরিক পার্টি) করার স্বাদ মিটিয়ে দেওয়ার’ হুমকি দেয়। পরদিন সওকালে পুনরায় ১০-১২ জন এসে তাঁদের বাড়িঘর ভাঙচুর করে এবং তাঁকে ও তাঁর স্বামীকে টেনে-হিঁচড়ে বের করে মারধর করে বলে জানান তিনি।

 

এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে ওই আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদ এক ভিডিও বার্তায় বলেন, “হাতিয়াতে শাপলা কলিতে ভোট দেওয়ার অপরাধে ধর্ষণের মতো জঘন্য ঘটনা ঘটেছে। ২০১৮ সালেও একইভাবে এক নারীকে হেনস্তা করা হয়েছিল। আমি সরকারকে বলব, অবিলম্বে হাতিয়াতে সেনাবাহিনী মোতায়েন করে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযান চালাতে হবে এবং দোষীদের কঠোর শাস্তি দিতে হবে।”

 

এদিকে, প্রধান অভিযুক্ত এমরান সকল অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে প্যারালাইসিসে ভুগছেন এবং বর্তমানে থেরাপি নিচ্ছেন। তিনি বলেন, “আমি ষড়যন্ত্রের শিকার। আমি ভোটের দিনই নিজের বাড়িতে চলে এসেছি। সঠিক তদন্ত হলে আমি নির্দোষ প্রমাণিত হব।”

 

ঘটনার তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তারা ভিন্ন তথ্য দিচ্ছেন। চানন্দী ইউনিয়ন পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই মোরশেদ ও তদন্ত কর্মকর্তা এএসআই শহীদ জানান, ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রতিবেশীদের সাথে কথা বলে ওই নারীকে মারধরের সত্যতা পাওয়া গেছে। তবে ধর্ষণের বিষয়টি প্রাথমিকভাবে প্রতিবেশী বা তদন্তে প্রমাণিত হয়নি।

 

নোয়াখালী ২৫০ শয্যা হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) রাজিব আহমেদ চৌধুরী জানান, ওই নারী প্রথমে ‘মারধরের রোগী’ হিসেবে ভর্তি হয়েছিলেন। ভর্তির দুই ঘণ্টা পর তিনি ধর্ষণের দাবি তোলেন। আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে এবং লেডি পুলিশের উপস্থিতিতে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পরেই ধর্ষণের বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে। আপাতত তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে।

 

নির্বাচন পরবর্তী এই অভিযোগ হাতিয়ার রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিবেশকে আবারও উত্তপ্ত করে তুলেছে। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

জনপ্রিয় সংবাদ
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের বিমানবাহী রণতরী কিছুই না; মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা

মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন।   পার্সটুডে- মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন।   মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা স্কট রিটার সতর্ক করে বলেছেন যে পশ্চিমারা সর্বদা তার গুপ্তচর সংস্থাগুলির মাধ্যমে ইরানের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক ভিত্তি ধ্বংস করতে চাইছে এবং অপর্যাপ্তভাবে নিয়ন্ত্রিত তথ্য-যোগাযোগ রুট ব্যবহার করে কিছু ইরানিকে তাদের এজেন্ট নিয়োগ করেছে।   ক্ষেপণাস্ত্র ইরানের জন্য একটি পছন্দসই আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয় পার্সটুডে অনুসারে, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরিসর সীমিত করার বিষয়ে মার্কিন কর্মকর্তাদের বক্তব্যের কথা উল্লেখ করে রিটার ব্যাখ্যা করেছেন যে এই শর্তটি বাস্তবে "নিরস্ত্রীকরণ" এবং ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের কাছ থেকে "কৌশলগত আত্মহত্যার" অনুরোধের সমতুল্য। তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে ক্ষেপণাস্ত্র শুধুমাত্র ইরানের জন্য একটি কাঙ্ক্ষিত আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয়, বরং প্রতিরোধ ও বেঁচে থাকার মেরুদণ্ড এবং এই স্তম্ভটি অপসারণকারী যেকোনো চেষ্টো ইরানকে অরক্ষিত করে তুলবে। তিনি যুক্তি দেন যে ইরান যদি তার ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা এতটাই কমিয়ে দেয় যে তারা আর ইসরায়েলে আঘাত করতে পারবে না, তাহলে ইসরায়েল প্রতিশোধের ভয় ছাড়াই ইরানে আক্রমণ করবে।   ইরানের সাথে যুদ্ধ নীতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অক্ষমতা আমেরিকান বিশ্লেষক স্পষ্ট করে বলেন যে ইরানের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ এড়ানোর মূল কারণ কৌশলগত অক্ষমতা। তিনি বলেন, যেকোনও সামরিক আক্রমণ ইরানকে এমন প্রতিক্রিয়ার দিকে ঠেলে দেবে যা একই সাথে মার্কিন বাহিনী এবং স্বার্থের জন্য গুরুতর ক্ষতি বয়ে আনতে পারে। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে এই ধরনের পরিবেশে ইরানের সাথে যুদ্ধ কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কৌশলগত সুবিধাতো আনবেই না বরং ট্রাম্পের জন্য একটি অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিপর্যয়ও হতে পারে। ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কেবল ইসরায়েলের স্বার্থ রক্ষার জন্য।   আলোচনা একটি ফাঁদ সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা পরামর্শ দেন যে ইরানের উচিত দুর্বলতা থেকে নয়, বরং ওয়াশিংটনে রাজনৈতিক অজুহাতের পথ বন্ধ করার জন্য আলোচনায় প্রবেশ করা। তবে, রিটার সতর্ক করে দেন যে ইরানি কর্মকর্তাদের সর্বদা ধরে নেওয়া উচিত যে আলোচনা "একটি ফাঁদ"। কূটনীতির মাধ্যম বজায় রেখে, ইরানের উচিত তার সামরিক ও গোয়েন্দা যন্ত্রপাতিকে পূর্ণ সতর্ক রাখা । স্কট রিটার সাম্প্রতিক নৌ সংঘর্ষকে আমেরিকার শ্রেষ্ঠত্ব বা আগ্রাসনের লক্ষণ হিসেবে নয়, বরং ইরানের প্রবেশাধিকার-বিরোধী এবং আঞ্চলিক-বিরোধী ক্ষমতার প্রতি ওয়াশিংটনের কৌশলগত ভয়ের প্রতিফলন। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে ইরানের নতুন প্রজন্মের নির্ভুল, কৌশলগত এবং হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের সামনে মার্কিন বিমানবাহী রণতরীগুলি "অপ্রচলিত" সিস্টেমে পরিণত হয়েছে।   প্রধান হুমকি: ভেতর থেকে পতনের জন্য মানসিক যুদ্ধ অবশেষে, স্কট রিটার "মানসিক যুদ্ধ" নামক একটি ধারণার কথা উল্লেখ করেছেন; এমন একটি যুদ্ধ যেখানে, তিনি যুক্তি দেন, সরাসরি সামরিক সংঘাতের চেয়ে অনেক বেশি বিপজ্জনক, কারণ এর লক্ষ্য হল একটি গুলি না চালিয়েও একটি সমাজকে ভেতর থেকে ধ্বংস করা

Advertisement

রাজনীতি

View more
দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে আলোচনায় মির্জা ফখরুল
দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে আলোচনায় মির্জা ফখরুল

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর সরকার গঠনের প্রক্রিয়ার পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদগুলো নিয়েও ব্যস্ত সময় পার করছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।   রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন সবচেয়ে আলোচিত বিষয়—দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি কে হতে যাচ্ছেন?   দলীয় নির্ভরযোগ্য সূত্রের দাবি, রাষ্ট্রপতি পদে আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে দলীয় চেয়ারম্যান তারেক রহমান-কে শুভেচ্ছা জানানোর পর থেকেই তাকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন দেওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।   বর্তমানে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের নির্বাচিত সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করা মির্জা ফখরুল দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির মহাসচিবের দায়িত্বে আছেন।   পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি, আপসহীন অবস্থান এবং দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার কারণে বিশ্লেষকদের মতে, রাষ্ট্রপতির মতো সাংবিধানিক পদের জন্য তিনি একজন গ্রহণযোগ্য প্রার্থী হতে পারেন।   সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, আগামী মঙ্গলবার সকালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ পাঠ করাবেন। একই দিন বিকেলে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় প্রধানমন্ত্রী ও নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ গ্রহণের সম্ভাব্য আয়োজন রয়েছে।   সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়ান—ফলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন এখন বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।   ১৯৪৮ সালের ২৬ জানুয়ারি ঠাকুরগাঁও জেলায় জন্মগ্রহণ করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক সম্পন্ন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৭২ সালে বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে শিক্ষা ক্যাডারে যোগ দেন এবং বিভিন্ন সরকারি কলেজে অর্থনীতির অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।   ছাত্র রাজনীতি থেকে উঠে আসা এই নেতা ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থানে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। পরবর্তী সময়ে সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনসহ দীর্ঘ সময় ধরে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে যুক্ত আছেন। ২০১৬ সালে মহাসচিব নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে তিনি দলটির ইতিহাসে দীর্ঘমেয়াদি দায়িত্ব পালনকারী নেতাদের একজন হিসেবে পরিচিতি পান।   গণতন্ত্র, নিরপেক্ষ নির্বাচন ও নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে দীর্ঘদিন সক্রিয় থাকা এই রাজনীতিক রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পেলে তা দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নতুন বার্তা বহন করতে পারে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অভিমত।

নিলুফা ইয়াসমিন ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬ 0
ছাত্রদল সভাপতি

জামায়াত-শিবির নিয়ে এবার বিস্ফোরক পোস্ট ছাত্রদল সভাপতির

ভুক্তভোগী করা ওই নারী হাসপাতালে

হাতিয়ায় শাপলা কলিতে ভোট দেওয়ায় ধর্ষণের অভিযোগ

১৯ আসনের মধ্যে ১৮ টিতেই বিএনপি প্রার্থীরা নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করেছেন

মন্ত্রিসভায় স্থান পাবেন শ্বশুরের এলাকার এমপিরা

সংবাদ সম্মেলনে তারেক রহমান
স্বাক্ষরিত জুলাই সনদের ভিত্তিতে সংস্কার করব

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে দেশি-বিদেশি সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের বলরুমে আয়োজিত এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই বিজয়কে গণতন্ত্রের জন্য আত্মত্যাগকারী জনগণের প্রতি উৎসর্গ করেন এবং ঘোষণা দেন— "আজ থেকে আমরা সবাই স্বাধীন।"   তারেক রহমান তাঁর বক্তব্যে রাষ্ট্র মেরামতের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, "বিএনপি দেশের মানুষের জন্য ৩১ দফার যে রূপরেখা দিয়েছিল, আমরা তা বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। জুলাই সনদের অঙ্গীকারগুলোও আমরা পর্যায়ক্রমে পূরণ করব। ফ্যাসিবাদের রেখে যাওয়া ভঙ্গুর অর্থনীতি এবং অকার্যকর প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুনর্গঠন করাই হবে আমাদের নতুন সরকারের প্রধান চ্যালেঞ্জ।"   সংবাদ সম্মেলনে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি অত্যন্ত স্পষ্টভাবে জানান, "আমাদের পররাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তি হবে 'বাংলাদেশ ফার্স্ট'। দেশের এবং দেশের মানুষের স্বার্থ বজায় রেখে আমরা বিশ্বের প্রতিটি রাষ্ট্রের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখব।" এছাড়া আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার স্বার্থে সার্ক (SAARC) পুনরুজ্জীবনের বিষয়েও তিনি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।   ভোট পরবর্তী সহিংসতা রোধে তাঁর কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, "নির্বাচনে হার-জিত থাকবেই, কিন্তু কোনো অবস্থাতেই প্রতিশোধ বা প্রতিহিংসার রাজনীতি বরদাস্ত করা হবে না। আইনের শাসন সবার জন্য সমান। আমি সারা দেশে আমাদের নেতাকর্মীদের শান্ত থাকার নির্দেশ দিয়েছি। আমরা বিজয় মিছিল না করে আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায়ের মাধ্যমে এই জয় উদযাপন করেছি।"   নির্বাচনে ২০০-এর বেশি আসন পাওয়ার নেপথ্যে কোনো ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ ছিল কি না—এমন এক প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান তাঁর রাজনৈতিক দূরদর্শিতার পরিচয় দিয়ে বলেন, "জনগণকে কনভিন্স করা এবং তাঁদের আস্থায় নিয়ে আসাটাই ছিল আমাদের একমাত্র ইঞ্জিনিয়ারিং। আমরা সেই লক্ষ্য অর্জনে সফল হয়েছি।"   সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনা এবং বিচার প্রক্রিয়া সম্পর্কে তিনি জানান, এটি সম্পূর্ণ আদালতের এখতিয়ার এবং সরকার এখানে কোনো হস্তক্ষেপ করবে না। সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের স্থায়ী কমিটির জ্যেষ্ঠ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। দীর্ঘ ২০ বছর পর বিএনপির এই রাজকীয় প্রত্যাবর্তন এবং তারেক রহমানের দায়িত্বশীল বক্তব্য আগামীর এক স্থিতিশীল ও মানবিক বাংলাদেশের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

৩০ আসনে ভোট পুনর্গণনার দাবি জামায়াতের, নেওয়া হচ্ছে আইনি পদক্ষেপ

ভোট প্রদান করে সারজিস আলম ছবি তুলছেন। ছবি: সংগৃহীত

‘শাপলা কলি’ হারেনি, পরিকল্পিত কারচুপি করা হয়েছে’: সারজিস আলম

আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। ছবি: সংগৃহীত

নির্বাচনে পরাজিত এক প্রার্থীর বিরুদ্ধে ক্রীড়াঙ্গনে বাধার অভিযোগ এনসিপি মুখপাত্রের

নির্বাচনে হারলেও সিনেটে যাওয়ার পথে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনে বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থী মির্জা আব্বাসের কাছে মাত্র ৫ হাজার ২০৯ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হলেও আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। নির্বাচনি মাঠে এই পরাজয় তার রাজনৈতিক যাত্রার শেষ নয়, বরং নতুন রাজনৈতিক সমীকরণে তার সামনে খুলে গেছে একাধিক সম্ভাবনার দুয়ার।   ‘জুলাই সনদ’ ও সাম্প্রতিক গণভোটের বিধান অনুযায়ী বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে একটি উচ্চকক্ষ বা সিনেট গঠিত হতে যাচ্ছে। প্রস্তাবিত ১০০ সদস্যের এই উচ্চকক্ষে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রাপ্ত মোট ভোটের শতকরা হারের ভিত্তিতে সদস্য মনোনয়নের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের প্রাথমিক তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এনসিপি এবারের নির্বাচনে ৩০টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সারা দেশে মোট ২২ লাখ ৬৯ হাজার ৬৩১ ভোট সংগ্রহ করেছে, যা মোট সংগৃহীত ভোটের প্রায় ৩ দশমিক ২১ শতাংশ।   এই গাণিতিক হিসাব অনুযায়ী উচ্চকক্ষে এনসিপির অন্তত তিনটি আসন পাওয়ার জোরালো সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। দলীয় একাধিক সূত্র জানিয়েছে, সম্ভাব্য তিন সদস্যের তালিকায় সবার ওপরে রয়েছেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। দলের প্রধান মুখ হওয়া এবং ঢাকা-৮ আসনে উল্লেখযোগ্য জনসমর্থন পাওয়ার কারণে তাকে নীতিনির্ধারণী এই উচ্চকক্ষে পাঠানোর বিষয়ে দলে একধরনের ঐকমত্য তৈরি হয়েছে।   এ বিষয়ে এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সংগঠক সাদিয়া ফারজানা গণমাধ্যমকে বলেন, উচ্চকক্ষে মনোনয়নের বিষয়ে জোট ও দলের ভেতরে বিস্তারিত আলোচনা চলছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে নাম ঘোষণা করা হবে। তিনি আরও বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তরুণ নেতৃত্বকে এগিয়ে আনার প্রয়োজনীয়তার ওপর দল বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।   রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সংসদ নির্বাচনে অল্প ব্যবধানে পরাজয়ের পরও উচ্চকক্ষে সম্ভাব্য মনোনয়ন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎকে আরও শক্তিশালী করতে পারে।

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬ 0
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান

ইসি, নতুন সরকার ও বিএনপির প্রতি যে আহ্বান জামায়াত আমিরের

তারেক রহমান

মানুষের স্বার্থ ঠিক রেখে আমাদের পররাষ্ট্রনীতি ঠিক করবো

বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর আমির ডা.শফিকুর রহমান

ফল মেনে শক্তিশালী বিরোধী দল গড়ার ঘোষণা জামায়াতের

0 Comments