রাজনীতি

মোহাম্মদপুরে বিএনপি কার্যালয়ে ছাত্রদল নেতাকর্মীদের হামলা-ভাঙচুর

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে একটি বিএনপি কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ উঠেছে, কার্যালয় দখলকে কেন্দ্র করে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা এ হামলা চালিয়েছেন।

 

হামলার সময় বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের ছবি ভাঙচুর করা হয়।

 

শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মোহাম্মদপুর থানাধীন ঢাকা উদ্যান মেইন রোডে, বিট অফিসের বিপরীতে অবস্থিত ১০০ নম্বর ওয়ার্ডের আওতাধীন ঢাকা উদ্যান দক্ষিণ ইউনিট বিএনপি কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

 

এ ঘটনায় ১০০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির ইউনিট সভাপতি ইউসুফ আলী বাদী হয়ে মোহাম্মদপুর থানায় একটি এজাহার দায়ের করেছেন। এতে মোহাম্মদপুর থানা ছাত্রদলের আহ্বায়ক বসির উল্লাহ, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আনিছুল হক টিপু, যুগ্ম আহ্বায়ক পারভেজসহ ছাত্রদল কর্মী আরিফ, নয়ন ও মিরাজের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও ২০–২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।

 

এজাহারে বলা হয়, অভিযুক্তরা অতর্কিতভাবে বিএনপি কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করেন। এ সময় কার্যালয়ের আসবাবপত্র ভেঙে ফেলা হয় এবং দলীয় শীর্ষ নেতাদের ছবি নষ্ট করা হয়। এতে আনুমানিক ৫০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়। ভাঙচুরের পর অভিযুক্তরা আরও লোকজন নিয়ে বিজয় মিছিল করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

 

স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, বিকেলে হঠাৎ ৫০–৬০ জনের একটি দল এসে কার্যালয়ে হামলা চালায় এবং পরে মিছিল বের করে।

অভিযোগের বিষয়ে মোহাম্মদপুর থানা ছাত্রদলের আহ্বায়ক বসির উল্লাহ বলেন, ঘটনার সময় তিনি তেজগাঁও এলাকায় একটি ইফতার মাহফিলে ছিলেন। তাঁর নাম ব্যবহার করে কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, সে বিষয়ে তিনি অবগত নন। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তিনি ঘটনাস্থলে যাচ্ছেন বলেও জানান।

 

এ বিষয়ে তেজগাঁও বিভাগের মোহাম্মদপুর জোনের সহকারী কমিশনার (এসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, তারা একটি এজাহার পেয়েছেন এবং বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

Advertisement

রাজনীতি

View more
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের আমির মামুনুল হক। ফাইল ছবি
সরকারের কাঁধে শেখ হাসিনার ভূত চেপেছে: মামুনুল হক

বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিরুদ্ধে জনগণকে অপমান করার অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের আমির মাওলানা মামুনুল হক। সোমবার (১৩ এপ্রিল ২০২৬) দুপুরে রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন (আইইডিবি) মিলনায়তনে ১১ দলীয় জোটের এক সেমিনারে সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, "বর্তমান সরকারের কাঁধে শেখ হাসিনার ভূত চেপেছে।"   ‘গণভোটের রায়ের বিরুদ্ধে সরকার: সংকটের মুখোমুখি দেশ’ শীর্ষক এই সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। মামুনুল হক তাঁর বক্তব্যে বলেন, শেখ হাসিনার ১৫ বছরের শাসনকাল ছিল জনগণকে নিয়ে উপহাস ও অপমানের ইতিহাস। তিনি প্রশ্ন তোলেন, বর্তমান সরকারও কেন জনগণের মতামতকে গুরুত্ব না দিয়ে তাদের ‘মূর্খ’ সাব্যস্ত করার মাস্টার সেজে বসেছে।   স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সাম্প্রতিক কিছু মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করে মামুনুল হক বলেন, "সংসদে দাঁড়িয়ে গোটা দেশের জনগণকে মাস্টার সেজে সংবিধান শেখানোর চেষ্টা করবেন না। দাম্ভিকতার একটা সীমা থাকা উচিত।" তিনি হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, জনগণকে অপমান করার এই প্রবণতা শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদেরই পুনরাবৃত্তি, যা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ১৩, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

সংসদ থেকে বিরোধী দলের ওয়াকআউট; 'জুলাই স্মৃতি জাদুঘর বিল' পাশের প্রতিবাদ

শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল

শেরপুর-৩ আসনে বিপুল ভোটে জয়ী বিএনপির মাহমুদুল হক রুবেল

ছবি: সংগৃহীত

‘একাত্তরে কার কী ভূমিকা ছিল তা আল্লাহ ভালো জানেন’: সংসদে জামায়াত আমির

ছবি: সংগৃহীত
‘বিএনপি কি আরেকটা আওয়ামী লীগ হওয়ার চেষ্টা করছে?’: সংসদে হান্নান মাসুদের তীব্র আক্রমণ

স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনতে সংসদে উত্থাপিত নতুন বিলের তীব্র সমালোচনা করেছেন এনসিপির সংসদ সদস্য হান্নান মাসুদ। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে ‘স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) (সংশোধন) বিল-২০২৬’ উত্থাপনের পর তিনি অভিযোগ করেন, সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে বিএনপি বর্তমানে ‘আরেকটা আওয়ামী লীগ’ হয়ে ওঠার চেষ্টা করছে।   হান্নান মাসুদ বলেন, “এই বিলের মাধ্যমে স্থানীয় প্রশাসনের পিঠে ছুরিকাঘাত করা হচ্ছে। এটি বিএনপির নিজস্ব ৩১ দফারও পরিপন্থী। সেখানে স্পষ্ট ছিল নির্বাচিত প্রতিনিধিকে অপসারণ করা হবে না, কিন্তু আজ বিশেষ পরিস্থিতির দোহাই দিয়ে মেয়র-কাউন্সিলরদের গলার কাঁটা বানানো হচ্ছে।” তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন, এই আইনের মাধ্যমে নির্বাচিতদের সরিয়ে মন্ত্রী-এমপিদের সন্তানদের প্রশাসক হিসেবে বসানোর পাঁয়তারা চলছে।   বগুড়া ও শেরপুর নির্বাচনে অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ তুলে তিনি আরও বলেন, “আওয়ামী লীগ যেভাবে চুরি করে হজম করতে পেরেছিল, বিএনপি তা পারবে না। দয়া করে আওয়ামী লীগের দেখানো পথে হাঁটবেন না।” বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় সংক্রান্ত অধ্যাদেশ বাতিলেরও কঠোর সমালোচনা করেন তিনি।   হান্নান মাসুদের বক্তব্যের সময় সরকারি দলের সদস্যরা হইচই করলেও তিনি বিলটিকে গণতান্ত্রিক ইতিহাসের একটি ‘কালো আইন’ হিসেবে অভিহিত করেন এবং এটি পাস হলে স্থানীয় গণতন্ত্রকে গলা টিপে হত্যা করা হবে বলে সতর্ক করেন।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ৯, ২০২৬ 0
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। ফাইল ছবি

মনোনয়ন না দেওয়ায় সংসদে বিএনপিকে রুমিন ফারহানার ধন্যবাদ

ছবি: সংগৃহীত

‘অনলাইন ক্যাপ্টেন’- দুই শব্দে কটাক্ষ, সারজিসের রহস্যময় পোস্ট ঘিরে আলোচনা

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ‘রেসিপ্রোক্যাল ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট’ বাতিলের দাবি গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের

ছবি: সংগৃহীত
বিএনপির বিরুদ্ধে সংকট সৃষ্টির অভিযোগ জামায়াত সেক্রেটারি পরওয়ারের

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার অভিযোগ করেছেন, বিএনপি সরকার গঠন করেই দেশে নতুন রাজনৈতিক সংকট তৈরি করেছে। তিনি সরকারকে সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, জুলাই আন্দোলনের শহীদদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে বর্তমান সংসদ গঠিত হয়েছে, তাই দিল্লির প্রেসক্রিপশনে দেশের ভেতরে বিভেদ সৃষ্টি না করে ‘জুলাই সনদের’ ভিত্তিতে জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলুন।   সোমবার (৬ এপ্রিল) বিকেলে বগুড়া সদরের বাঘোপাড়া শহীদ দানেশ উদ্দিন স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে এক উপ-নির্বাচনী গণসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বগুড়া-৬ (সদর) আসনে জামায়াতসহ ১১ দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী আবিদুর রহমান সোহেলের সমর্থনে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়।   মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, “জুলাই আন্দোলনে ছাত্র-জনতা একটি বৈষম্যহীন ও মানবিক বাংলাদেশ চেয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী নিজে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে বলেছিলেন, কিন্তু এখন সেই পাঁচ কোটি ভোটারের ম্যান্ডেট অস্বীকার করে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করছেন। অন্তর্বর্তী সরকারের গণভোট আদেশ বাতিল করা জাতির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতার শামিল।” তিনি আরও যোগ করেন, শেখ হাসিনা যেভাবে ক্ষমতা আঁকড়ে ধরতে চেয়েছিলেন, বিএনপিও সব প্রতিষ্ঠানে নিজেদের খবরদারি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে।   বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এনসিপির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেন, “বিএনপি তাদের নিজেদের দেওয়া ‘৩১ দফা’র সঙ্গেই প্রতারণা করছে। তারা মুখে সংবিধান সংস্কারের কথা বলে ক্ষমতায় এসে এখন গণভোটের রায় মানতে চাইছে না।” তিনি আরও অভিযোগ করেন, সরকার চাটুকারদের ভিসি নিয়োগ দিয়ে শিক্ষা ব্যবস্থা এবং ঋণখেলাপিকে গভর্নর বানিয়ে দেশের অর্থনীতি ধ্বংস করছে।   সমাবেশে উপস্থিত নেতারা আসন্ন উপ-নির্বাচনে প্রশাসনকে নিরপেক্ষ থাকার আহ্বান জানান এবং ভোটারদের ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে ভোট দিয়ে বৈষম্যমুক্ত রাষ্ট্র গড়ার লড়াইয়ে শামিল হওয়ার অনুরোধ করেন। বিকেলে শহরের শহীদ খোকন পার্কেও জামায়াতের আরেকটি বিশাল নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ৬, ২০২৬ 0
ইডেন মহিলা কলেজ শাখার সাবেক সভাপতি তামান্না জেসমিন রিভা | ছবি: সংগৃহীত

ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি রিভার জামিন মঞ্জুর

রাজধানীর গুলিস্তানে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের এখন চরম দুর্দশা। আগুন লাগিয়ে দেওয়ার পর লুটপাট চালানো হয় ভবনটিতে। এখন নিচতলায় প্রস্রাব করেন পথচলতি মানুষ। ওপরের তলাগুলোতে থাকেন ভবঘুরে অনেকে । ছবি: সংগৃহীত

আওয়ামী লীগের রাজনীতি নিষিদ্ধ থাকছে, এর প্রভাব কেমন হবে

বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্য। ছবি: সংগৃহীত

গণভোটের রায় বাস্তবায়নে জামায়াতসহ ১১ দলের বিক্ষোভ; রাজপথে বিরোধী দল

0 Comments