সারাদেশ

দূষণের তালিকায় বিশ্বজুড়ে শীর্ষস্থানে রাজধানী

ঢাকার বাসিন্দাদের জন্য বড় দুঃসংবাদ: দূষণের তালিকায় বিশ্বজুড়ে শীর্ষস্থানে রাজধানী

আরাফাত ইবনে আব্দুল্লাহ ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬ 0
ঢাকা
ঢাকা

জলবায়ু পরিবর্তন এবং অনিয়ন্ত্রিত দূষণের কবলে পড়ে বসবাসের অযোগ্য হয়ে উঠছে বিশ্বের মেগাসিটিগুলো, যার মধ্যে ভয়াবহ সংকটে রয়েছে ঢাকা। শুক্রবার সকালে রাজধানীর বায়ুমান ‘বিপর্যয়কর’ পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য চরম উদ্বেগজনক। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ার (IQAir) ঢাকার এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) স্কোর রেকর্ড করেছে ৩২২। এই মানদণ্ড অনুযায়ী ঢাকার বাতাস বর্তমানে স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং জরুরি সতর্কতার দাবি রাখে।


 

বৈশ্বিক বায়ুদূষণের তালিকায় ঢাকা এখন শীর্ষ দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম। শুক্রবারের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার ওপরে ছিল কেবল পাকিস্তানের লাহোর, যার স্কোর রেকর্ড করা হয়েছে ৪০৪। তালিকার তৃতীয় ও চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে কলকাতা (২১২) ও দিল্লি (২০৮)। আইকিউএয়ার-এর মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর ৩০০ পার হলেই তা ‘বিপর্যয়কর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। ঢাকার স্কোর ৩২২ হওয়ায় সাধারণ মানুষের ফুসফুসে ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র দূষিত কণা প্রবেশের ঝুঁকি কয়েক গুণ বেড়ে গেছে, যা দীর্ঘমেয়াদী শ্বাসকষ্ট ও অন্যান্য রোগের কারণ হতে পারে।

 

পরিবেশবিদদের মতে, শুষ্ক মৌসুমে অপরিকল্পিত নির্মাণকাজ, যানবাহনের কালো ধোঁয়া এবং শহরের চারপাশের ইটভাটাগুলো বায়ুদূষণকে এই চরম অবস্থায় নিয়ে ঠেলে দিয়েছে। বিশেষ করে ভোরবেলা প্রাতঃভ্রমণে বের হওয়া মানুষ এবং কর্মজীবীরা সবচেয়ে বেশি স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে বাইরে বের হওয়ার সময় অবশ্যই মাস্ক ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। কার্যকর ও স্থায়ী কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে ঢাকার এই বায়ুমান পরিস্থিতি আগামী দিনগুলোতে আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো প্রকাশ: বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বণ্টনের খসড়া তালিকা

ঢাকা: দেশের সম্ভাব্য নতুন সরকার গঠনকে সামনে রেখে প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো সংবলিত একটি আনুষ্ঠানিক কমিউনিক্যে প্রকাশিত হয়েছে। এতে রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের দায়িত্ব বণ্টনের একটি খসড়া তালিকা তুলে ধরা হয়েছে।   কমিউনিক্যে বলা হয়েছে, এটি সরকারি নথি ও আনুষ্ঠানিক রেফারেন্সের উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করা একটি প্রস্তাবিত কাঠামো, যেখানে প্রতিষ্ঠিত সরকারি প্রোটোকল অনুযায়ী সম্ভাব্য নিয়োগ ও দায়িত্ব বণ্টনের বিষয়গুলো উল্লেখ রয়েছে।   প্রস্তাবিত দায়িত্ব বণ্টন অনুযায়ী—     •    রাষ্ট্রপতি: ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন     •    জাতীয় সংসদের স্পিকার: অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন / নিতাই রায় চৌধুরী     •    প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী: তারেক রহমান      •    স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর     •    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: সালাহউদ্দিন আহমেদ প্রতিমন্ত্রী: শহীদ উদ্দিন চৌধুরী (অ্যানি)     •    পররাষ্ট্রমন্ত্রী: আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী: ড. হুমায়ুন কবির     •    অর্থমন্ত্রী: ড. এ. বি. মির্জা আজিজুল ইসলাম / ড. রেজা কিবরিয়া (তালিকায় উল্লেখিত অনুযায়ী)     •    শিক্ষামন্ত্রী: আনাম এহসানুল হক মিলন, প্রতিমন্ত্রী: সাঈদ আল নোমান     •    আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী: মো. আসাদুজ্জামান     •    তথ্যমন্ত্রী: আন্দালিব রহমান পার্থ, প্রতিমন্ত্রী: ড. মাহদি আমিন     •    পরিকল্পনামন্ত্রী: ড. আব্দুল মঈন খান     •    বাণিজ্যমন্ত্রী: আব্দুল মুক্তাদির     •    শিল্পমন্ত্রী: আব্দুল আউয়াল মিন্টু     •    নৌপরিবহন মন্ত্রী: মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ     •    শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী: নজরুল ইসলাম খান     •    পানি সম্পদ মন্ত্রী: আসাদুল হাবিব দুলু     •    মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী: ফজলুর রহমান     •    সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী: আমানউল্লাহ আমান     •    সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী: জোনায়েদ সাকি     •    স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী: ড. এ. জেড. এম. জাহিদ হোসেন     •    যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী: আলী আজগর লবি     •    ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী: শামীম কায়সার লিংকন     •    বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী: আলতাফ হোসেন চৌধুরী     •    বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী: ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু     •    কৃষিমন্ত্রী: শামসুজ্জামান দুদু     •    গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী: মির্জা আব্বাস     •    ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী: নুরুল হক নুর     •    রেলপথমন্ত্রী: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়     •    জনপ্রশাসন মন্ত্রী: ড. ইসমাইল জাবিউল্লাহ     •    সমাজকল্যাণ মন্ত্রী: রুহুল কবির রিজভী     •    পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী: দীপেন দেওয়ান   কমিউনিক্যে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এটি একটি প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো—চূড়ান্ত ঘোষণা, নিয়োগ এবং শপথ গ্রহণ সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় প্রক্রিয়া অনুযায়ী সম্পন্ন হবে।

Advertisement

সারাদেশ

View more
ককটেল বিস্ফোরণে
চাঁদা না দেওয়ায় জুটমিল মালিকের বাড়িতে ককটেল বিস্ফোরণ

যশোরের অভয়নগরে চাঁদা না দেওয়ায় একটি জুটমিলের মালিকের বাড়িতে গভীর রাতে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার দিবাগত রাত ২টার দিকে উপজেলার নওয়াপাড়া গ্রামে রোমান জুটমিলের মালিক মোহাম্মদ আলীর বাসভবনে এই হামলা চালানো হয়। একুশে ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে যখন সারাদেশে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন চলছিল, ঠিক সেই সময়ে এই বিস্ফোরণের শব্দে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন অভয়নগর আর্মি ক্যাম্পের সদস্য ও থানা পুলিশ।   জুটমিল মালিকের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, একটি চিহ্নিত সন্ত্রাসী চক্র দীর্ঘদিন ধরে তাদের কাছে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করে আসছিল। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় ভয়ভীতি দেখানোর উদ্দেশ্যে এই পরিকল্পিত হামলা চালানো হয়েছে বলে তাদের ধারণা। বিস্ফোরণের সময় মোহাম্মদ আলী সপরিবারে ঢাকায় অবস্থান করছিলেন, ফলে বাড়িতে কেউ না থাকায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গভীর রাতে বিকট শব্দে এলাকা কেঁপে ওঠে এবং বাড়ির ভেতরে ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা যায়।   ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ ও সেনাবাহিনী জালের কাঠি এবং লাল টেপসহ ককটেল বিস্ফোরণের বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করেছে। অভয়নগর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জাহিদুল ইসলাম নিশ্চিত করেছেন যে, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তিনি জানান, শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে ফেরার পথেই তারা এই বিস্ফোরণের খবর পান এবং তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। এই নক্কারজনক ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

আরাফাত ইবনে আব্দুল্লাহ ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬ 0
ঢাকা

ঢাকার বাসিন্দাদের জন্য বড় দুঃসংবাদ: দূষণের তালিকায় বিশ্বজুড়ে শীর্ষস্থানে রাজধানী

আ. লীগ নেতার বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ, বিএনপি নেতাসহ আহত ৫

সংগৃহীত ছবি

নিত্যপণ্যের দ্রুত খালাসে সমন্বিত পদক্ষেপের কথা জানালেন অর্থমন্ত্রী

ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী।
রমজানে দাম নিয়ন্ত্রণে ব্যবসায়ীদের প্রতি ডিএমপি কমিশনারের আহ্বান

পবিত্র রমজান মাসে দ্রব্যমূল্য সহনীয় রাখা এবং খাদ্যপণ্যে ভেজাল রোধে ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী।   শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর চকবাজার থানাধীন মৌলভীবাজার ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দ ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এ আহ্বান জানান।   ডিএমপি কমিশনার বলেন, রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একইসঙ্গে খাদ্যপণ্যে কোনো ধরনের ভেজাল মেশানো যাবে না। এ বিষয়ে সবাইকে সজাগ ও সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন তিনি।   ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের ম্যাজিস্ট্রেটরা বাজার তদারকিতে অভিযান পরিচালনা করলে তাদের পূর্ণ সহযোগিতা করতে হবে। এতে বাজারে স্বচ্ছতা বজায় থাকবে এবং ভোক্তারা ন্যায্যমূল্যে পণ্য কিনতে পারবেন।   বৈঠকে ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার এস এন মো. নজরুল ইসলাম, মৌলভীবাজার ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দ, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ কর্মকর্তা এবং ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬ 0
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন | ছবি: সংগৃহীত

নকলের মতো মাদক ও দুর্নীতিমুক্তির যাত্রাও শুরু হবে কচুয়া থেকে: শিক্ষামন্ত্রী

ফাইল ছবি

বিশাল ঋণের বোঝা নিয়ে শুরু বিএনপি সরকারের পথচলা

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন

ডিএনসিসির মশক নিধন তালিকায় মৃত ব্যক্তি! তদারকিহীন ঢাকায় মশার রাজত্ব

ছবি: সংগৃহীত
জামিনে কারামুক্ত সাবেক আওয়ামী লীগ এমপি দবিরুল ইসলাম

গ্রেফতারের দেড় বছর পর জামিনে কারামুক্ত হয়েছেন ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা দবিরুল ইসলাম। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টা ১০ মিনিটে দিনাজপুর জেলা কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি। এর আগে একই দিন ঠাকুরগাঁওয়ের একটি আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন।   দিনাজপুর জেলা কারাগারের জেলার ফরহাদ সরকার সাবেক এই সংসদ সদস্যের কারামুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।   ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর জমি দখল ও চাঁদাবাজির মামলায় দবিরুল ইসলাম গ্রেফতার হন। একই মামলায় তার ছেলে এবং ওই আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম সুজনও গ্রেফতার হয়েছিলেন। তিনি বর্তমানে দিনাজপুর কারাগারেই রয়েছেন।   দবিরুলের পরিবারের সদস্যরা জানান, দীর্ঘদিন কারাবন্দী থাকায় তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় নেওয়া হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ, কারাগারে যথাযথ চিকিৎসার অভাবে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটেছে এবং হাঁটাচলা করার শক্তিও হারিয়ে ফেলেছেন তিনি।   এর আগে গত ৭ ফেব্রুয়ারি একই কারাগারে অসুস্থ হয়ে মারা যান ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য রমেশ চন্দ্র সেন।

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

হেলিকপ্টারে চড়ে চীনা কনের গ্রামে আগমন, দেখতে মানুষের ঢল

সংবাদ সম্মেলনে সড়ক পরিবহন, রেল ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। বৃহস্পতিবার সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ে। ছবি: সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সৌজন্যে

পরিবহনে চাঁদাবাজিকে ‘সমঝোতা’ বলে মন্ত্রী কি তবে বৈধতা দিলেন?

ছবি: সংগৃহীত

কুড়িগ্রামে মোটরসাইকেলের সঙ্গে সংঘর্ষে বিকল ট্রেন, ৫ ঘণ্টা বন্ধ রেল চলাচল

0 Comments