আন্তর্জাতিক

যুদ্ধকৌশলে পরিবর্তন, ভারী পেলোডের মিসাইল ব্যবহারের ঘোষণা ইরানের

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ১১, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের চলমান সংঘাতের মধ্যে যুদ্ধকৌশলে বড় পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছে তেহরান। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর অ্যারোস্পেস ফোর্সের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাজিদ মুসাভি জানিয়েছেন, এখন থেকে এক হাজার কেজি বা তার বেশি পেলোড বহনে সক্ষম মিসাইল ব্যবহারকে অগ্রাধিকার দেবে ইরান।

 

রোববার দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি বলেন, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ইরান যুদ্ধক্ষেত্রে মিসাইলের সংখ্যা কমিয়ে তাদের ধ্বংসক্ষমতা বাড়ানোর কৌশল গ্রহণ করছে। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এ কৌশলের ফলে প্রতিপক্ষের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার ওপর চাপ বাড়তে পারে।

 

যুদ্ধের শুরুতে ইরান তুলনামূলক কম খরচের শাহেদ-১৩৬ ড্রোন ব্যবহার করে শত্রুপক্ষের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যস্ত রাখার কৌশল নেয়। এতে একসঙ্গে বিপুল সংখ্যক ড্রোন ও মিসাইল নিক্ষেপ করে প্রতিপক্ষকে প্রতিরক্ষা মিসাইল ব্যবহার করতে বাধ্য করা হয়।

 

তবে বর্তমানে তেহরান খোররামশাহর-৪ বা খাইবারের মতো ভারী ব্যালিস্টিক মিসাইল ব্যবহারে বেশি জোর দিচ্ছে। এসব মিসাইল উচ্চগতিসম্পন্ন এবং মাঝপথে গতিপথ পরিবর্তনের সক্ষমতা রাখে বলে দাবি করা হয়েছে, যা উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে।

 

সামরিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এক টন বিস্ফোরক বহনকারী মিসাইল লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম হলে তা বড় ধরনের সামরিক অবকাঠামো অচল করে দিতে পারে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Advertisement

আন্তর্জাতিক

View more
ইরানের হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ২০০ সেনা আহত, নিহত সাত

চলমান ইরান–যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতে ইরানের সাম্প্রতিক হামলায় এখন পর্যন্ত প্রায় ২০০ মার্কিন সেনা আহত হয়েছেন। এছাড়া এ পর্যন্ত সাত সেনার মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে।   বার্তাসংস্থা রয়টার্স মঙ্গলবার দুটি সূত্রের বরাতে এই তথ্য প্রকাশ করেছে। উল্লেখযোগ্য, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এখনও এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য প্রদান করেনি। রয়টার্সের প্রতিবেদনে দেখা গেছে, আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত হতাহতের সংখ্যা কম হলেও বাস্তবে আহত সেনার সংখ্যা অনেক বেশি।   যুদ্ধের এই পর্যায়ে এ ধরনের আহত ও নিহতের সংখ্যা মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি করেছে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা সতর্ক করেছেন, সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা সংকটের সম্ভাবনা বাড়তে পারে।

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ১১, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ইরান হরমুজ প্রণালীতে মাইন বসানো শুরু করল, নৌ চলাচলে সতর্কতা জারি

ছবি: সংগৃহীত

ইরান সংঘাত দীর্ঘায়িত করতে চায় না ইসরায়েল

ছবি: সংগৃহীত

এক সপ্তাহে দ্বিতীয়বার পুতিন–পেজেশকিয়ান ফোনালাপ, মধ্যপ্রাচ্য সংকট নিয়ে আলোচনা

ছবি: সংগৃহীত
যুদ্ধকৌশলে পরিবর্তন, ভারী পেলোডের মিসাইল ব্যবহারের ঘোষণা ইরানের

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের চলমান সংঘাতের মধ্যে যুদ্ধকৌশলে বড় পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছে তেহরান। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর অ্যারোস্পেস ফোর্সের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাজিদ মুসাভি জানিয়েছেন, এখন থেকে এক হাজার কেজি বা তার বেশি পেলোড বহনে সক্ষম মিসাইল ব্যবহারকে অগ্রাধিকার দেবে ইরান।   রোববার দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি বলেন, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ইরান যুদ্ধক্ষেত্রে মিসাইলের সংখ্যা কমিয়ে তাদের ধ্বংসক্ষমতা বাড়ানোর কৌশল গ্রহণ করছে। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এ কৌশলের ফলে প্রতিপক্ষের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার ওপর চাপ বাড়তে পারে।   যুদ্ধের শুরুতে ইরান তুলনামূলক কম খরচের শাহেদ-১৩৬ ড্রোন ব্যবহার করে শত্রুপক্ষের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যস্ত রাখার কৌশল নেয়। এতে একসঙ্গে বিপুল সংখ্যক ড্রোন ও মিসাইল নিক্ষেপ করে প্রতিপক্ষকে প্রতিরক্ষা মিসাইল ব্যবহার করতে বাধ্য করা হয়।   তবে বর্তমানে তেহরান খোররামশাহর-৪ বা খাইবারের মতো ভারী ব্যালিস্টিক মিসাইল ব্যবহারে বেশি জোর দিচ্ছে। এসব মিসাইল উচ্চগতিসম্পন্ন এবং মাঝপথে গতিপথ পরিবর্তনের সক্ষমতা রাখে বলে দাবি করা হয়েছে, যা উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে।   সামরিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এক টন বিস্ফোরক বহনকারী মিসাইল লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম হলে তা বড় ধরনের সামরিক অবকাঠামো অচল করে দিতে পারে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ১১, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

লেবাননে ইসরায়েলি আগ্রাসনে প্রতিদিন ১০ শিশু নিহত হচ্ছে

হোয়াইট হাউস

ইরানের সাথে যুদ্ধ: হোয়াইট হাউসের কাছে জনসম্মুখে ব্যাখ্যা দাবি মার্কিন আইনপ্রণেতাদের

কানাডার টরন্টোতে অবস্থিত মার্কিন কনসুলেট

মার্কিন কনসুলেটে অতর্কিত গুলিবর্ষণ: উত্তাল টরন্টো

ছবি: সংগৃহীত
ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতার কাছে চিঠি: যে বার্তা দিলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ইরানের নবনিযুক্ত সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনেইকে একটি বিশেষ পত্র পাঠিয়েছেন। এই পত্রে তিনি ইরানের প্রাক্তন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেইর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন। শোকবার্তার পাশাপাশি শাহবাজ শরিফ দুই দেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্কের বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব ব্যক্ত করেছেন। তিনি পত্রে উল্লেখ করেন যে, মোজতবা খামেনেইর দূরদর্শী নেতৃত্বে ইরান আগামী দিনগুলোতে শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং উত্তরোত্তর সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে।  পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন যে, নতুন এই নেতৃত্ব কেবল ইরানের অভ্যন্তরীণ উন্নয়নই নয়, বরং আঞ্চলিক মর্যদা বৃদ্ধিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ১১, ২০২৬ 0
মার্কিন বি-১ বি ল্যান্সার বোম্বার

ব্রিটিশ ঘাঁটিতে আরও মার্কিন বি-১ বোম্বার অবতরণ

ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্য সংকট: কুয়েত ও ওমানের পাশে থাকার অঙ্গীকার মালয়েশিয়ার

ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন ও ইসরায়েলি গোয়েন্দা জালে বড় ধাক্কা: ইরানে ৩০ 'গুপ্তচর' আটক

0 Comments