আন্তর্জাতিক

মধ্যপ্রাচ্য সংকট: কুয়েত ও ওমানের পাশে থাকার অঙ্গীকার মালয়েশিয়ার

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ১০, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা ও ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা নিরসনে এক উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক সংলাপে মিলিত হয়েছে মালয়েশিয়া, কুয়েত ও ওমান। 


সম্প্রতি কুয়েতের প্রধানমন্ত্রী শেখ আহমদ আব্দুল্লাহ আল-আহমাদ আল-সাবাহ এবং ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইয়িদ বদর আলবুসাইদির সাথে পৃথক ফোনালাপে এই সংহতি প্রকাশ করেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী।


আলোচনায় ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার চলমান সংঘাত থেকে উদ্ভূত আঞ্চলিক চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। কুয়েত ও ওমানের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা এবং অবকাঠামোগত ঝুঁকির বিষয়ে মালয়েশিয়ার পক্ষ থেকে পূর্ণ সমর্থন ও সহানুভূতি ব্যক্ত করা হয়েছে। বিশেষ করে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতা বজায় রাখতে ওমানের নিরলস কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ভূয়সী প্রশংসা করেছে মালয়েশিয়া।


উভয় দেশের সরকার সেখানে অবস্থানরত মালয়েশিয়ান নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে মালয়েশিয়া। বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে বিদেশি নাগরিকদের সুরক্ষায় কুয়েত ও ওমানের প্রতিশ্রুতিকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। 

 

আলোচনার শেষ পর্যায়ে সকল পক্ষকে সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানানো হয় এবং পবিত্র রমজানের বরকতে মুসলিম উম্মাহর ঐক্য ও দীর্ঘস্থায়ী শান্তি কামনার মধ্য দিয়ে সংলাপ শেষ হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Advertisement

আন্তর্জাতিক

View more
ছবি: সংগৃহীত
লেবাননে ইসরায়েলি আগ্রাসনে প্রতিদিন ১০ শিশু নিহত হচ্ছে

লেবানন জুড়ে ইসরায়েলি সামরিক অভিযানের তীব্রতা বৃদ্ধির সাথে সাথে দেশটিতে তৈরি হয়েছে এক চরম মানবিক সংকট। জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে শিউরে ওঠার মতো তথ্য। সংস্থাটি জানিয়েছে, লেবাননে চলমান এই সংঘাতের প্রতি দিন গড়ে ১০ জন করে শিশু প্রাণ হারাচ্ছে। ইউনিসেফের সোমবারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া এই ভয়াবহ হামলায় এ পর্যন্ত অন্তত ৮৩ জন শিশু নিহত হয়েছে। লেবাননের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ইউনিটের তথ্যমতে, এই অল্প কয়েক দিনে মোট নিহতের সংখ্যা ৫৭০ ছাড়িয়েছে।  ইরানের ওপর মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার পর হিজবুল্লাহর পাল্টা রকেট ছোঁড়াকে কেন্দ্র করে এই উত্তেজনার সূত্রপাত হলেও, এর চড়া মাশুল দিতে হচ্ছে সাধারণ বেসামরিক নাগরিকদের। লিটানি নদীর দক্ষিণ তীরের বিশাল এলাকা খালি করার জন্য ইসরায়েলি বাহিনীর নির্দেশের পর দেশটির প্রায় ১৩ শতাংশ মানুষ অর্থাৎ প্রায় ৭ লাখ ৬০ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে তিল ধারণের জায়গা নেই, যেখানে বিশেষ করে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও বয়স্করা অবর্ণনীয় কষ্টের শিকার হচ্ছেন।  মানবাধিকার কর্মীদের মতে, লেবাননে ইসরায়েলের এই সমরকৌশল গাজার ভয়াবহ ধ্বংসলীলার কথাই মনে করিয়ে দিচ্ছে। গাজার মতোই এখানেও বেসামরিক জনগণকে আতঙ্কিত করা এবং মানবিক সহায়তা কার্যক্রম ব্যাহত করার মতো কৌশল অবলম্বন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ১১, ২০২৬ 0
হোয়াইট হাউস

ইরানের সাথে যুদ্ধ: হোয়াইট হাউসের কাছে জনসম্মুখে ব্যাখ্যা দাবি মার্কিন আইনপ্রণেতাদের

কানাডার টরন্টোতে অবস্থিত মার্কিন কনসুলেট

মার্কিন কনসুলেটে অতর্কিত গুলিবর্ষণ: উত্তাল টরন্টো

ছবি: সংগৃহীত

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতার কাছে চিঠি: যে বার্তা দিলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী

মার্কিন বি-১ বি ল্যান্সার বোম্বার
ব্রিটিশ ঘাঁটিতে আরও মার্কিন বি-১ বোম্বার অবতরণ

যুক্তরাজ্যের আকাশসীমায় বাড়ছে মার্কিন যুদ্ধবিমানের আনাগোনা। গ্লুচেস্টারশায়ারের রয়্যাল এয়ার ফোর্স বা আরএএফ ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটিতে নতুন করে আরও তিনটি মার্কিন বি-১ বি ল্যান্সার বোম্বার অবতরণ করেছে।  ইরানের সাথে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই মোতায়েনকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন সামরিক বিশ্লেষকরা। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে ব্রিটিশ সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার পরই এই বি-১ বোম্বারগুলো যুক্তরাজ্যে পৌঁছাতে শুরু করে। লন্ডন এই পদক্ষেপকে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে একটি 'প্রতিরক্ষামূলক' অভিযান হিসেবে বর্ণনা করেছে। সামরিক সূত্র জানিয়েছে, গত শুক্রবার প্রথম একটি বি-১ ল্যান্সার বোম্বার এই ঘাঁটিতে অবতরণ করে। এরপর শনিবার আরও দুটি বিমান এসে পৌঁছায়।  বর্তমানে ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটিতে মার্কিন বোম্বারদের একটি শক্তিশালী বহর অবস্থান করছে, যা যেকোনো পরিস্থিতির মোকাবিলায় সক্ষম। বি-১ ল্যান্সার মূলত একটি সুপারসনিক কৌশলগত বোম্বার, যা বিশাল পরিমাণ অস্ত্র বহনে সক্ষম এবং দূরপাল্লার অভিযানে অত্যন্ত কার্যকর।

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ১১, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্য সংকট: কুয়েত ও ওমানের পাশে থাকার অঙ্গীকার মালয়েশিয়ার

ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন ও ইসরায়েলি গোয়েন্দা জালে বড় ধাক্কা: ইরানে ৩০ 'গুপ্তচর' আটক

ছবি: সংগৃহীত

ইরানের বিধ্বংসী হামলা: হাইপারসনিকের সঙ্গে যুক্ত হলো আরও তিন শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র

কিম জং উনের বোন কিম ইয়ো জং
সিউল-ওয়াশিংটন যৌথ মহড়া, 'ভয়াবহ পরিণতির' হুঁশিয়ারি উত্তর কোরিয়ার

যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার চলমান বার্ষিক যৌথ সামরিক মহড়াকে পূর্ব এশিয়ার স্থিতিশীলতা বিনাশের অপচেষ্টা হিসেবে অভিহিত করে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে উত্তর কোরিয়া। পিয়ংইয়ং সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, উত্তর কোরিয়ার সার্বভৌমত্বের দোরগোড়ায় এই ধরনের "পেশি প্রদর্শন" এবং উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের ফল "অকল্পনীয় ভয়াবহ" হতে পারে। মঙ্গলবার উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কেসিএনএ (KCNA) দেশটির প্রভাবশালী নেত্রী এবং কিম জং উনের বোন কিম ইয়ো জং-এর একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে। বিবৃতিতে তিনি সাফ জানিয়ে দেন, "শত্রুপক্ষ যেন আমাদের ধৈর্য, ইচ্ছা এবং সক্ষমতা পরীক্ষা করার দুঃসাহস না দেখায়।" সোমবার থেকে শুরু হওয়া ১০ দিনব্যাপী এই ‘ফ্রিডম শিল্ড’ (Freedom Shield) মহড়ায় প্রায় ১৮,০০০ মার্কিন ও দক্ষিণ কোরীয় সেনা অংশ নিচ্ছে। যদিও সিউল এবং ওয়াশিংটন একে দীর্ঘদিনের প্রথাগত এবং রক্ষণাত্মক মহড়া হিসেবে দাবি করে আসছে, তবে উত্তর কোরিয়া একে সরাসরি যুদ্ধের প্রস্তুতি হিসেবে দেখছে। কিম ইয়ো জং তার বিবৃতিতে আরও বলেন, "সম্প্রতি বিশ্বের ভূ-রাজনৈতিক সংকট এবং জটিল পরিস্থিতি প্রমাণ করে যে, শত্রুপক্ষ যখন যুদ্ধের ময়দানে মহড়া দেয়, তখন রক্ষণাত্মক বা আক্রমণাত্মক প্রস্তুতির মধ্যে কোনো পার্থক্য থাকে না।" বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বর্তমান মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি এবং ইরানের ওপর মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার প্রেক্ষাপটকে ইঙ্গিত করেই তিনি এই মন্তব্য করেছেন। দক্ষিণ কোরিয়ার একীকরণ মন্ত্রণালয়ের (Unification Ministry) একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, কিম ইয়ো জং-এর এবারের বিবৃতির ভাষা গতানুগতিক হুমকির চেয়ে কিছুটা সংযত। এতে সরাসরি পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের হুমকি দেওয়া হয়নি বা সরাসরি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাম ধরে আক্রমণ করা হয়নি। ধারণা করা হচ্ছে, বর্তমান আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে উত্তর কোরিয়া কেবল নির্দিষ্ট এই মহড়াকে কেন্দ্র করেই তাদের প্রতিক্রিয়া সীমাবদ্ধ রেখেছে। উল্লেখ্য, ১৯৫৩ সালের পর থেকে উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া প্রযুক্তিগতভাবে এখনো যুদ্ধাবস্থায় রয়েছে, কারণ তাদের মধ্যে কোনো স্থায়ী শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি। গত বছর কিম জং উন ঘোষণা করেছিলেন যে, উত্তর কোরিয়া আর দক্ষিণ কোরিয়ার সাথে পুনর্মিলনের চেষ্টা করবে না, যা উপদ্বীপে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ১০, ২০২৬ 0
ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।

নেতানিয়াহু মৃত্যুর গুজবের পর প্রকাশ্যে না এসে বার্তা পাঠালেন

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহহবাজ শরিফ।

৪ দিনের কর্মসপ্তাহে পাকিস্তানে এমপিদের বেতন ২৫% কাটা

ছবি: সংগৃহীত।

মধ্যপ্রাচ্যের সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে হয়রানি ও আটকের শিকার সাংবাদিকরা

0 Comments