আন্তর্জাতিক

বিশ্বের বৃহত্তম মার্কিন রণতরীতে ভয়াবহ আগুন: আহত ২

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ১২, ২০২৬ 0
মার্কিন রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড আর. ফোর্ড
মার্কিন রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড আর. ফোর্ড

লোহিত সাগরে অবস্থানরত মার্কিন নৌবাহিনীর সর্বাধুনিক এবং বিশ্বের বৃহত্তম পরমাণু শক্তিচালিত বিমানবাহী রণতরী ‘ইউএসএস জেরাল্ড আর. ফোর্ড’ (USS Gerald R. Ford)-এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার মার্কিন নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডে দুই জন নৌ-সেনা আহত হয়েছেন।


ইউএস নেভাল ফোর্সেস সেন্ট্রাল কমান্ড (৫ম ফ্লিট) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) এক বিবৃতিতে জানায়, ১২ মার্চ রণতরীটির প্রধান লন্ড্রি রুমে (কাপড় ধোয়ার স্থান) আগুনের সূত্রপাত হয়। তবে দ্রুততম সময়ের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন জাহাজের কর্মীরা।


নৌবাহিনী স্পষ্ট করেছে যে, এই অগ্নিকাণ্ড কোনো যুদ্ধকালীন হামলা বা শত্রুদেশের আক্রমণের কারণে ঘটেনি। এটি একটি দুর্ঘটনাজনিত ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, "আগুনের কারণ যুদ্ধ-সংশ্লিষ্ট নয় এবং এটি বর্তমানে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। জাহাজের প্রপালশন প্ল্যান্ট (ইঞ্জিন কক্ষ) বা গুরুত্বপূর্ণ কোনো যন্ত্রাংশের ক্ষতি হয়নি।"


আহত দুই নৌ-সেনার অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল এবং তারা জাহাজে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের আঘাত গুরুতর নয় বলে জানানো হয়েছে।


বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’-র সমর্থনে লোহিত সাগরে মোতায়েন রয়েছে ইউএসএস জেরাল্ড আর. ফোর্ড। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলেও রণতরীটি বর্তমানে সম্পূর্ণ সচল (Fully Operational) রয়েছে এবং এর সামরিক কার্যক্রমে কোনো বিঘ্ন ঘটেনি বলে পেন্টাগন জানিয়েছে।


২০১৭ সালে কমিশন লাভ করা এই রণতরীটি মার্কিন নৌবাহিনীর প্রযুক্তির এক অনন্য নিদর্শন। প্রায় ৫ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে নির্মিত এই জাহাজটি বর্তমানে ওই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক শক্তির অন্যতম প্রধান ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে। ঘটনার বিস্তারিত কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু করেছে মার্কিন নৌ কর্তৃপক্ষ।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Advertisement

আন্তর্জাতিক

View more
ছবি: সংগৃহীত
হাদি হত্যার আসামিদের ফেরত পাঠানো নিয়ে ভারতের অবস্থান স্পষ্ট করলেন রণধীর জয়সওয়াল

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশ সংশ্লিষ্ট একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মুখ খুলেছেন মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল।  বৃহস্পতিবারের এই ব্রিফিংয়ে শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার আসামিদের হস্তান্তর, ডিজিএফআই প্রধানের ভারত সফর এবং বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে ভারতের বর্তমান অবস্থান উঠে আসে। হাদি হত্যা মামলার আসামিদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো কিংবা বাংলাদেশি তদন্ত কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেওয়া সংক্রান্ত প্রশ্নের সরাসরি উত্তর এড়িয়ে যান জয়সওয়াল। তিনি জানান, এই বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকার ইতোমধ্যে যে বিবৃতি দিয়েছে, তার বাইরে নতুন করে বলার কিছু নেই। অর্থাৎ, বিষয়টি বর্তমানে আইনি বা রাজ্য সরকারের প্রক্রিয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছে। এদিকে, বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) প্রধানের ভারত সফর প্রসঙ্গে তিনি নিশ্চিত করেন যে, তিনি ভারতে এসেছিলেন। রাইসিনা ডায়ালগের ফাঁকে ভারতীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাঁর সৌজন্য সাক্ষাৎ বা আলোচনা হয়ে থাকতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন। সবচেয়ে আশাব্যঞ্জক তথ্য উঠে এসেছে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে। মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ ভারত থেকে অতিরিক্ত ডিজেল সরবরাহের যে অনুরোধ জানিয়েছে, তা বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করছে মোদী সরকার। জয়সওয়াল জানান, বাংলাদেশ ছাড়াও শ্রীলঙ্কা ও মালদ্বীপ একই ধরণের অনুরোধ করেছে। ভারতের নিজস্ব চাহিদা এবং শোধনাগারের সক্ষমতা যাচাই করে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ২০০৭ সাল থেকে নুমালিগড় শোধনাগার হয়ে সড়ক, রেল ও পাইপলাইনের মাধ্যমে বাংলাদেশে জ্বালানি সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে। ২০১৭ সালের দ্বিপাক্ষিক চুক্তির ধারাবাহিকতায় এই সুসম্পর্ক বজায় রাখতে ভারত ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে বলে তিনি আশ্বাস দেন। গত বুধবার ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা এবং বাংলাদেশের জ্বালানি মন্ত্রীর বৈঠকেও এই সহযোগিতার বিষয়টি গুরুত্ব পায়।

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ১২, ২০২৬ 0
ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি

হরমুজ প্রণালি বন্ধ রাখার ঘোষণা ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল

অতিরিক্ত ডিজেল সরবরাহের অনুরোধ গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করছে ভারত

ছবি: সংগৃহীত

লোহিত সাগরে মার্কিন রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ডে আগুন; আহত ২

মার্কিন রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড আর. ফোর্ড
বিশ্বের বৃহত্তম মার্কিন রণতরীতে ভয়াবহ আগুন: আহত ২

লোহিত সাগরে অবস্থানরত মার্কিন নৌবাহিনীর সর্বাধুনিক এবং বিশ্বের বৃহত্তম পরমাণু শক্তিচালিত বিমানবাহী রণতরী ‘ইউএসএস জেরাল্ড আর. ফোর্ড’ (USS Gerald R. Ford)-এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার মার্কিন নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডে দুই জন নৌ-সেনা আহত হয়েছেন। ইউএস নেভাল ফোর্সেস সেন্ট্রাল কমান্ড (৫ম ফ্লিট) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) এক বিবৃতিতে জানায়, ১২ মার্চ রণতরীটির প্রধান লন্ড্রি রুমে (কাপড় ধোয়ার স্থান) আগুনের সূত্রপাত হয়। তবে দ্রুততম সময়ের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন জাহাজের কর্মীরা। নৌবাহিনী স্পষ্ট করেছে যে, এই অগ্নিকাণ্ড কোনো যুদ্ধকালীন হামলা বা শত্রুদেশের আক্রমণের কারণে ঘটেনি। এটি একটি দুর্ঘটনাজনিত ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, "আগুনের কারণ যুদ্ধ-সংশ্লিষ্ট নয় এবং এটি বর্তমানে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। জাহাজের প্রপালশন প্ল্যান্ট (ইঞ্জিন কক্ষ) বা গুরুত্বপূর্ণ কোনো যন্ত্রাংশের ক্ষতি হয়নি।" আহত দুই নৌ-সেনার অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল এবং তারা জাহাজে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের আঘাত গুরুতর নয় বলে জানানো হয়েছে। বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’-র সমর্থনে লোহিত সাগরে মোতায়েন রয়েছে ইউএসএস জেরাল্ড আর. ফোর্ড। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলেও রণতরীটি বর্তমানে সম্পূর্ণ সচল (Fully Operational) রয়েছে এবং এর সামরিক কার্যক্রমে কোনো বিঘ্ন ঘটেনি বলে পেন্টাগন জানিয়েছে। ২০১৭ সালে কমিশন লাভ করা এই রণতরীটি মার্কিন নৌবাহিনীর প্রযুক্তির এক অনন্য নিদর্শন। প্রায় ৫ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে নির্মিত এই জাহাজটি বর্তমানে ওই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক শক্তির অন্যতম প্রধান ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে। ঘটনার বিস্তারিত কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু করেছে মার্কিন নৌ কর্তৃপক্ষ।

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ১২, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।

আয়াতুল্লাহ: ইরানের জনগণ ও রাজনীতিতে এই পদবি কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?

ছবি: সংগৃহীত।

ড্রোন হামলার মুখে ইরাক থেকে সব সৈন্য ও কর্মী সরিয়ে নিচ্ছে ইতালি

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি।

মোজতবা খামেনির উত্থান ট্রাম্পের জন্য অশনি সংকেত?

ছবি: সংগৃহীত।
হরমুজ প্রণালীতে নরওয়ের পতাকাবাহী জাহাজ চলাচলে নিষেধাজ্ঞা

মধ্যপ্রাচ্যের কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালীতে নিজেদের পতাকাবাহী সকল ধরনের জাহাজ চলাচল নিষিদ্ধ করেছে নরওয়ে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে বলে জানিয়েছে দেশটির সামুদ্রিক কর্তৃপক্ষ। সম্প্রতি এই অঞ্চলে বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর ক্রমবর্ধমান হামলার ঝুঁকি এবং ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা বৃদ্ধির প্রেক্ষিতেই এমন কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ওসলো।  নরওয়ের সামুদ্রিক কর্তৃপক্ষ এক জরুরি বার্তায় জানিয়েছে, বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি নরওয়েজীয় পতাকাবাহী জাহাজগুলোর জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। বিশেষ করে পারস্য উপসাগর এবং ওমান উপসাগরের মধ্যবর্তী এই সরু প্রণালীতে জাহাজগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এই মুহূর্তে প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। উল্লেখ্য, বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের এক-ষষ্ঠাংশ এবং এলএনজির এক-তৃতীয়াংশ এই হরমুজ প্রণালী দিয়ে পরিবাহিত হয়। নরওয়ের এই সিদ্ধান্তের ফলে বিশ্বজুড়ে পণ্য ও জ্বালানি পরিবহনে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

তাবাস্সুম মার্চ ১২, ২০২৬ 0
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। ফাইল ছবি: রয়টার্স

শহীদদের রক্তের বদলা নেওয়ার ঘোষণা মোজতবা খামেনির

ছবি: সংগৃহীত

হরমুজ প্রণালি বন্ধ: এশিয়ায় তীব্র জ্বালানি সংকট

ছবি: সংগৃহীত।

ইরানের পক্ষে লড়াইয়ে প্রস্তুত আরও দুই দেশের যোদ্ধারা

0 Comments