আন্তর্জাতিক

মোজতবা খামেনির উত্থান ট্রাম্পের জন্য অশনি সংকেত?

তাবাস্সুম মার্চ ১২, ২০২৬ 0
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি।

ইরানের সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে মোজতবা খামেনির উত্থানকে মোটেও ইতিবাচকভাবে নিচ্ছেন না মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মোজতবাকে নিয়ে ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্য আন্তর্জাতিক মহলে বেশ শোরগোল ফেলে দিয়েছে।


প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার নিয়োগ নিশ্চিত হওয়ার আগেই মোজতবা খামেনিকে ‘লাইটওয়েট’ বা ‘অযোগ্য’ বলে আখ্যায়িত করেছেন। কূটনৈতিক ভাষায় কাউকে এভাবে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করা বেশ বিরল হলেও, ট্রাম্পের এই অবস্থানে পরিষ্কার যে তিনি এই নিয়োগের ব্যাপারে মোটেও আগ্রহী ছিলেন না।


পরবর্তীতে সরাসরি একটি প্রশ্নে ট্রাম্পকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, মোজতবা ক্ষমতায় থাকাকালীন তিনি কি নিজের জয় ঘোষণা করতে পারবেন? এর উত্তরে ট্রাম্প কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। 


বিষয়টি নিয়ে তার এই নীরবতা এবং আগের অবজ্ঞাসূচক মন্তব্য ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, ইরানের নতুন নেতৃত্বের সাথে ট্রাম্প প্রশাসনের সম্পর্ক এক কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে যাচ্ছে। মোজতবার এই 'অবাধ্য' ইমেজ বর্তমান মার্কিন প্রশাসনের জন্য বড় ধরনের উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Advertisement

আন্তর্জাতিক

View more
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল
অতিরিক্ত ডিজেল সরবরাহের অনুরোধ গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করছে ভারত

মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতায় বিশ্বজুড়ে যখন জ্বালানি নিরাপত্তার শঙ্কা বাড়ছে, ঠিক তখনই বাংলাদেশের জন্য স্বস্তির খবর নিয়ে এলো প্রতিবেশী দেশ ভারত। বাংলাদেশে অতিরিক্ত ডিজেল সরবরাহের জন্য ঢাকা যে অনুরোধ জানিয়েছিল, তা অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করছে নয়াদিল্লি। বৃহস্পতিবার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এই ইতিবাচক মনোভাবের কথা জানান। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের পাশাপাশি শ্রীলঙ্কা ও মালদ্বীপও একই ধরনের অনুরোধ করেছে। বর্তমানে ভারতের অভ্যন্তরীণ চাহিদা এবং শোধনাগারগুলোর সক্ষমতা যাচাই করে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ভারত ও বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদী জ্বালানি সহযোগিতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে জয়সওয়াল বলেন, ২০০৭ সাল থেকে ভারতের নুমালিগড় শোধনাগার থেকে বাংলাদেশে ডিজেল সরবরাহ করা হচ্ছে। ২০১৭ সালে দুই দেশের মধ্যে হওয়া আনুষ্ঠানিক চুক্তির অধীনে বর্তমানে সড়ক, রেল ও পাইপলাইনের মাধ্যমে এই সরবরাহ প্রক্রিয়া নিরবচ্ছিন্ন রয়েছে। সম্প্রতি ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সেই বৈঠকেই বাংলাদেশের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত জ্বালানির চাহিদা তুলে ধরা হয়। ভারতের এই ইতিবাচক সাড়া এ অঞ্চলের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ১২, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

লোহিত সাগরে মার্কিন রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ডে আগুন; আহত ২

মার্কিন রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড আর. ফোর্ড

বিশ্বের বৃহত্তম মার্কিন রণতরীতে ভয়াবহ আগুন: আহত ২

ছবি: সংগৃহীত।

আয়াতুল্লাহ: ইরানের জনগণ ও রাজনীতিতে এই পদবি কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?

ছবি: সংগৃহীত।
ড্রোন হামলার মুখে ইরাক থেকে সব সৈন্য ও কর্মী সরিয়ে নিচ্ছে ইতালি

ইরাকের কুর্দিস্তানে অবস্থিত একটি সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন হামলার ঘটনার পর সেখান থেকে সাময়িকভাবে নিজেদের সমস্ত সৈন্য ও কর্মী সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইতালি। বৃহস্পতিবার ইতালীয় সরকারের পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। মূলত ওই অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান নিরাপত্তা ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে দেশটি এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।   ইতালির প্রতিরক্ষা মন্ত্রী গুইডো ক্রোসেত্তো দেশটির সংবাদমাধ্যম টিজিওয়ান (TG1)-কে জানান, বুধবারের ওই ড্রোন হামলায় কেউ হতাহত হয়নি। তবে বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও স্পষ্ট করেছেন যে, এই সেনা প্রত্যাহারের পরিকল্পনাটি আগে থেকেই নির্ধারিত ছিল। তবে বুধবারের হামলার ঘটনাটি চলমান এই প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে চূড়ান্ত রূপ দিয়েছে।   বর্তমানে ইরাকি কুর্দিস্তানের ওই ঘাঁটি থেকে কর্মীদের সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মধ্যে ইতালির এই পিছু হটা এবং সেনা প্রত্যাহারের বিষয়টি বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।

তাবাস্সুম মার্চ ১২, ২০২৬ 0
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি।

মোজতবা খামেনির উত্থান ট্রাম্পের জন্য অশনি সংকেত?

ছবি: সংগৃহীত।

হরমুজ প্রণালীতে নরওয়ের পতাকাবাহী জাহাজ চলাচলে নিষেধাজ্ঞা

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। ফাইল ছবি: রয়টার্স

শহীদদের রক্তের বদলা নেওয়ার ঘোষণা মোজতবা খামেনির

ছবি: সংগৃহীত
হরমুজ প্রণালি বন্ধ: এশিয়ায় তীব্র জ্বালানি সংকট

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধের প্রভাবে হরমুজ প্রণালি দিয়ে সামুদ্রিক যান চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় চরম জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। পারস্য উপসাগরের এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথটি অবরুদ্ধ থাকায় এ অঞ্চলের দেশগুলো জ্বালানি ঘাটতি মোকাবিলায় হিমশিম খাচ্ছে। সংকট সামাল দিতে ফিলিপাইনে সপ্তাহে চার কর্মদিবস এবং থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনামে হোম অফিস ও ভ্রমণ সীমিত করার মতো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া মিয়ানমার সরকার এক দিন অন্তর গাড়ি চালানোর নীতি প্রবর্তন করেছে।   জ্বালানি আমদানিতে ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল এশীয় দেশগুলো বাজার স্থিতিশীল রাখতে সরাসরি হস্তক্ষেপ শুরু করেছে। থাইল্যান্ড ডিজেলে মূল্যসীমা নির্ধারণ করেছে এবং ভিয়েতনাম তাদের বিশেষ তহবিল থেকে অর্থ ব্যবহার করছে। মূলত ২০২৪ সালে হরমুজ প্রণালি দিয়ে পার হওয়া অপরিশোধিত তেলের ৮৪ শতাংশ এবং এলএনজির ৮৩ শতাংশেরই গন্তব্য ছিল এশিয়া। বর্তমানে সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় ফিলিপাইন, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া ও ব্রুনাইয়ের অর্থনীতি সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মুখে রয়েছে।   মজুদ পরিস্থিতির সীমাবদ্ধতা এই সংকটকে আরও ঘনীভূত করছে। ভিয়েতনামের কাছে মাত্র ২০ দিনের এবং ইন্দোনেশিয়ার কাছে ২১-২৩ দিনের জ্বালানি মজুদ রয়েছে। থাইল্যান্ড ও ফিলিপাইনের মজুদ কিছুটা বেশি হলেও তা দীর্ঘমেয়াদী সংকটের জন্য অপর্যাপ্ত। উত্তর-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর তুলনায় দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর জরুরি মজুদ অত্যন্ত সামান্য হওয়ায় বিকল্প উৎস খুঁজে পাওয়াও কঠিন হয়ে পড়েছে।   জ্বালানি সংকটের প্রভাবে এরই মধ্যে উৎপাদন ও রপ্তানি খাতে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। থাইল্যান্ড নির্দিষ্ট কিছু দেশ ছাড়া তেল রপ্তানি নিষিদ্ধ করেছে এবং চীনও রাষ্ট্রীয় কোম্পানিগুলোকে রপ্তানি স্থগিতের নির্দেশ দিয়েছে। কাঁচামাল সংকটে অনেক পেট্রোকেমিক্যাল কোম্পানি তাদের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করছে। বিশ্লেষকদের মতে, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে পরিস্থিতির উন্নতি না হলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি এবং উচ্চ মুদ্রাস্ফীতির কারণে এশিয়ার অর্থনীতি বড় ধরনের মন্দার মুখে পড়তে পারে।

তাবাস্সুম মার্চ ১২, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।

ইরানের পক্ষে লড়াইয়ে প্রস্তুত আরও দুই দেশের যোদ্ধারা

ছবি: সংগৃহীত

হরমুজ সংকটে অন্যদের রপ্তানি ব্যাহত, ইরানের তেল রপ্তানি প্রায় স্বাভাবিক

ছবি: সংগৃহীত

হরমুজে ভারতীয় ট্যাঙ্কার চলাচলে ইরানের অনুমতির দাবি

0 Comments