আন্তর্জাতিক

মার্কিন-ইসরাইল উত্তেজনার মধ্যে সমর্থনের জন্য পাকিস্তানকে ধন্যবাদ জানাল ইরান

তাবাস্সুম মার্চ ১৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে পাশে থাকার জন্য পাকিস্তানকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। সোমবার (১৬ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

 

উর্দু ভাষায় দেওয়া বার্তায় আরাগচি বলেন, মার্কিন ও ইসরাইলি হামলার মুখে ইরান ও ইরানি জনগণের প্রতি সংহতি এবং দৃঢ় সমর্থন জানানোয় পাকিস্তানের সরকার ও জনগণের প্রতি তিনি আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছেন।

 

এদিকে ইরানের সঙ্গে প্রতিবেশী কয়েকটি দেশের সম্পর্ক বর্তমানে টানাপোড়েনের মধ্যে রয়েছে। উপসাগরীয় অনেক দেশে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি থাকায় সেসব অঞ্চল ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। এর ফলে সৌদি আরব ও কাতারের মতো দেশের সঙ্গে তেহরানের সম্পর্কে কিছুটা তিক্ততা তৈরি হয়েছে।

 

অন্যদিকে পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকায় ইরানের সঙ্গে ইসলামাবাদের অবস্থান নিয়ে বিশ্লেষকদের মধ্যে কিছুটা সংশয় ছিল। তবে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাম্প্রতিক মন্তব্যে বোঝা যাচ্ছে, মার্কিন-সৌদি সমীকরণ পাকিস্তান ও ইরানের সম্পর্ককে বাধাগ্রস্ত করেনি।

 

উল্লেখ্য, গত ১২ মার্চ সৌদি আরবের যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে বৈঠকের উদ্দেশ্যে রিয়াদ সফর করেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। রিয়াদে যাওয়ার আগে তিনি ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানসহ দেশটির কয়েকজন নেতার সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন।

 

এছাড়া পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার গত সপ্তাহে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ে চীন, সৌদি আরব, কুয়েত ও ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে টেলিফোনে আলোচনা করেছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Advertisement

আন্তর্জাতিক

View more
ছবি: সংগৃহীত
ট্রাম্পের হুমকির কড়া জবাব যুক্তরাজ্যের

হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ মোতায়েন নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে যুক্তরাজ্য। ব্রিটিশ সরকার ট্রাম্পের এই আচরণকে ‘অত্যন্ত লেনদেনমুখী’ বা হিসেবী হিসেবে অভিহিত করেছে। ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের বারবার করা দাবির প্রেক্ষিতে যুক্তরাজ্যের পক্ষ থেকে দুই দেশের সম্পর্কের বিষয়ে এটি একটি অস্বাভাবিক ও সোজাসাপ্টা মূল্যায়ন।   ব্রিটিশ কর্ম ও পেনশন বিষয়ক মন্ত্রী প্যাট ম্যাকফ্যাডেন সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র অনুরোধ করলেই তাতে রাজি হতে যুক্তরাজ্য বাধ্য নয়। হরমুজ প্রণালি মুক্ত করতে জাহাজ সরবরাহ না করলে মিত্রদের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের প্রতিশোধ নেওয়ার হুমকির জবাবে তিনি বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্টের ‘বাগাড়ম্বর’ থেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোকে আলাদা করে দেখা জরুরি। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, এটি একটি লেনদেনমুখী প্রেসিডেন্সি এবং এই পরিস্থিতির মধ্য দিয়েই যুক্তরাজ্যকে পথ খুঁজে নিতে হবে।   পণ্য পরিবহনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই প্রণালিতে জাহাজ পাঠানোর পরিবর্তে যুক্তরাজ্য বর্তমানে মাইন অপসারণকারী ড্রোন পাঠানোর পরিকল্পনা করছে। ব্রিটিশ সরকারের মতে, ট্রাম্পের দাবি সরাসরি মেনে নিলে সংকট আরও ঘনীভূত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ট্রাম্পের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার চেষ্টা করলেও ইরান আক্রমণে সরাসরি সমর্থনের অভাব দেখে ট্রাম্প বারবার তার সমালোচনা করে আসছেন। এমনকি স্টারমারকে উদ্দেশ্য করে ট্রাম্প মন্তব্য করেছেন যে, তিনি ‘উইনস্টন চার্চিল নন’।   ডাউনিং স্ট্রিট নিশ্চিত করেছে যে, ইরানি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার বিরুদ্ধে কেবল রক্ষণাত্মক ব্যবস্থায় সমর্থন দেওয়ার এই অবস্থান আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ। রোববার দুই নেতার ফোনালাপে মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি ও হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করার গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা হলেও, যুদ্ধের প্রধান পক্ষ হতে চায় না বলে নিজেদের অবস্থানে অনড় রয়েছে যুক্তরাজ্য।

তাবাস্সুম মার্চ ১৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ইসলামী ব্যাংক আর কোনো দল বা পরিবারের হয়ে কাজ করবে না: গভর্নর

ছবি: সংগৃহীত

হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ পারাপারের বিনিময়ে ভারতের কাছে তিন ট্যাংকার ফেরত চাইল ইরান

ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন-ইসরাইল উত্তেজনার মধ্যে সমর্থনের জন্য পাকিস্তানকে ধন্যবাদ জানাল ইরান

লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে একটি বিমান উড্ডয়ন করছে | ছবি: সংগৃহীত
ইরান যুদ্ধের জেরে তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী, বাড়তে পারে বিমানের টিকিটের দাম

ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সামরিক সংঘাতের প্রভাব এখন আকাশপথেও পড়তে শুরু করেছে। এই যুদ্ধের কারণে অপরিশোধিত তেলের দাম দ্রুত বাড়ছে, ফলে বিশ্বজুড়ে বিমান সংস্থাগুলোর পরিচালন ব্যয়ও বেড়ে যাচ্ছে। এতে করে আন্তর্জাতিক বিমান ভাড়া বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে এবং যাত্রীদের জন্য সামনে বড় ধরনের ভোগান্তি তৈরি হতে পারে।     সিএনএন-এ প্রকাশিত আলেকজান্দ্রা স্কোরেস ও ক্রিস ইসিডোরের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, তেলের দাম বাড়ায় বিমান সংস্থাগুলোর জ্বালানি ব্যয় নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। একটি বিমানের মোট পরিচালন ব্যয়ের প্রায় ২০ থেকে ৩০ শতাংশই জ্বালানি খাতে ব্যয় হয়। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম যত বাড়ছে, তার প্রভাব টিকিটের দামেও পড়ার সম্ভাবনা বাড়ছে।   ইরান যুদ্ধের প্রভাবে অপরিশোধিত তেলের দাম প্রতি ব্যারেল প্রায় ১০০ ডলারে পৌঁছেছে। গত চার বছরের মধ্যে এই প্রথম তেলের দাম ১০০ ডলারের কাছাকাছি গেছে। ইউনাইটেড এয়ারলাইন্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্কট কিরবি সিএনবিসিকে জানিয়েছেন, তেলের দাম বাড়ার প্রভাব খুব দ্রুতই বিমানের ভাড়ায় পড়তে পারে এবং এয়ারলাইন্সগুলো তাদের ব্যবসায়িক কৌশলেও পরিবর্তন আনতে বাধ্য হচ্ছে।     এই যুদ্ধের কারণে শুধু তেলের বাজারই অস্থির হয়নি, বিমান চলাচলেও বড় ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে। বিমান চলাচল বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিরিয়ামের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত এই অঞ্চলে প্রায় ৫০ হাজার ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। নিরাপত্তা ঝুঁকি ও আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কায় অনেক বিমান সংস্থা লাভজনক রুটও বন্ধ করে দিচ্ছে। ফলে ফ্লাইটের সংখ্যা কমে যাওয়ায় বাজারে টিকিটের সংকট তৈরি হচ্ছে।   জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং আমেরিকান এয়ারলাইন্সের সাবেক নির্বাহী রব ব্রিটন বলেন, জ্বালানির দাম বাড়লে সাধারণত বিমান ভাড়াও বাড়ে। তার মতে, জ্বালানির দাম যে হারে বাড়ে, টিকিটের দামও প্রায় একই অনুপাতে বাড়তে পারে।     তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, জ্বালানির দাম বাড়লেই সব সময় বিমান সংস্থাগুলো পুরো বাড়তি খরচ যাত্রীদের ওপর চাপিয়ে দিতে পারে না। এভিয়েশন নিউজলেটার ‘ফ্রম দ্য ট্রে টেবিল’-এর লেখক জ্যাক গ্রিফ বলেন, ভাড়ার ওপর চাহিদা ও বাজার পরিস্থিতির বড় প্রভাব থাকে। অর্থনৈতিক পরিস্থিতি খারাপ হলে বা ভ্রমণের চাহিদা কমে গেলে বিমান সংস্থাগুলো সহজে ভাড়া বাড়াতে পারে না।   এদিকে তেলের উচ্চমূল্যের কারণে অনেক রুটে ফ্লাইট কমিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনাও করছে বিভিন্ন বিমান সংস্থা। বিশেষজ্ঞদের মতে, ফ্লাইট কমে গেলে বাজারে সিটের জোগান কমে যাবে এবং এর ফলে টিকিটের দাম আরও বাড়তে পারে।     বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই পরিস্থিতিতে যারা জুন বা জুলাই মাসে ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন, তারা আগে থেকেই টিকিট বুক করে রাখা ভালো। বিশেষ করে পরিবর্তনযোগ্য বা ফেরতযোগ্য টিকিট কিনলে পরে পরিস্থিতি বদলালে টিকিট পরিবর্তনের সুযোগ থাকবে।

তাবাস্সুম মার্চ ১৬, ২০২৬ 0
ফাইল ছবি

নেতানিয়াহুর মৃত্যু নিশ্চিত করে মোজতবা খামেনির পোস্টটি ভুয়া

ছবি: সংগৃহীত

ইরানের পর কি তুরস্ক লক্ষ্যবস্তু? ইসরায়েলকে ঘিরে উদ্বেগ আঙ্কারার

ছবি: সংগৃহীত

ট্রাম্পের আহ্বানে সাড়া নয়, ইরান যুদ্ধে জড়াবে না জার্মানি

ছবি: সংগৃহীত
ইরানের সঙ্গে সংঘাতে আহত ৩ হাজার ৩৬৯ ইসরায়েলি, গত ২৪ ঘণ্টায় ১৪২

ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের মধ্যে হামলায় এখন পর্যন্ত ৩ হাজার ৩৬৯ জন ইসরায়েলি আহত হয়েছেন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আহত হয়েছেন ১৪২ জন।   সোমবার ইসরায়েলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানিয়েছে। মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে আহতদের মধ্যে বেসামরিক নাগরিক ও সামরিক সদস্য—উভয়ই রয়েছেন।   স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সর্বশেষ নিহতের সংখ্যা উল্লেখ না করলেও এর আগে জানানো হয়েছিল, হামলায় অন্তত ১৫ জন ইসরায়েলি নিহত হয়েছেন।   গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা শুরু হওয়ার পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা তীব্র আকার ধারণ করে। এর জবাবে ইরান ইসরায়েলের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তু এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোতে পাল্টা হামলা চালিয়ে আসছে।   এদিকে ইরানপন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহও ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে হামলা অব্যাহত রেখেছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম জানিয়েছে।   সূত্র: আল–জাজিরা।

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ১৬, ২০২৬ 0
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। ফাইল ছবি: সংগৃহীত

যতদূর প্রয়োজন যুদ্ধ চালিয়ে যেতে প্রস্তুত ইরান: পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি

দুবাই বিমানবন্দর

ইরানি ড্রোন হামলার পর ৪ ঘণ্টা বন্ধ, ফের চালু দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর

পাকিস্তানে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযান: ৫ সন্ত্রাসী নিহত

পাকিস্তানে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযান: ৫ সন্ত্রাসী নিহত

0 Comments