জাতীয়

আরও ৭ জেলায় চালু হচ্ছে ‘ই-বেইলবন্ড’

বিচারব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন: আরও ৭ জেলায় চালু হচ্ছে ‘ই-বেইলবন্ড’

আরাফাত ইবনে আব্দুল্লাহ মার্চ ৭, ২০২৬ 0
আইন মন্ত্রণালয়
আইন মন্ত্রণালয়

বিচারপ্রার্থীদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি লাঘব এবং জামিননামা জালিয়াতি রোধে দেশের বিচার বিভাগে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। সফল পরীক্ষামূলক কার্যক্রমের পর এবার তৃতীয় ধাপে দেশের আরও সাতটি জেলায় ডিজিটাল জামিননামা বা ‘ই-বেইলবন্ড’ পদ্ধতি চালু করতে যাচ্ছে আইন মন্ত্রণালয়।


সেবার আওতায় আসা নতুন জেলাগুলো হলো: বগুড়া, ঝিনাইদহ, যশোর, মাগুরা, রাজশাহী, নাটোর ও কুষ্টিয়া।


আইন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আগামী এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ থেকেই এসব জেলায় আনুষ্ঠানিকভাবে এই কার্যক্রম শুরু হতে পারে। ইতিপূর্বে দেশের ৯টি জেলায় এই পদ্ধতি চালু করে অভাবনীয় সাফল্য পাওয়া গেছে। সরকারি তথ্যমতে, এ পর্যন্ত ১৯ হাজার ১৮৫ জন বিচারপ্রার্থী সরাসরি এই ডিজিটাল সেবার সুফল ভোগ করেছেন।


ভোগান্তি ও জালিয়াতির অবসান
প্রচলিত পদ্ধতিতে আদালত থেকে জামিন মঞ্জুর হওয়ার পর সেই নথি বা বেইলবন্ড কারাগারে পৌঁছাতে কয়েক দিন সময় লেগে যেত। মাঝপথে আইনজীবী, ক্লার্ক বা পিয়নের মাধ্যমে ফাইল আদান-প্রদানে যেমন সময়ক্ষেপণ হতো, তেমনি মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য ও জামিননামা জালিয়াতির ঝুঁকিও থাকত প্রবল।


নতুন এই ডিজিটাল পদ্ধতিতে বিচারক অনলাইনে স্বাক্ষর করার সাথে সাথেই বেইলবন্ড স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংশ্লিষ্ট কারাগারে পৌঁছে যায়। আগে যেখানে একটি জামিননামা সম্পন্ন করতে ১৩টি ধাপ পার হতে হতো, এখন ‘ই-বেইলবন্ড’ পদ্ধতিতে মাত্র তিনটি প্রধান ধাপেই আসামি মুক্তি পাচ্ছেন। এতে করে জামিন পাওয়ার পর আসামিকে আর অনর্থক অতিরিক্ত সময় কারাগারে থাকতে হচ্ছে না।


আইনি কাঠামো ও আধুনিকায়ন
বিচার ব্যবস্থাকে স্বচ্ছ ও আধুনিক করতে ইতোমধ্যে ‘দ্য কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিউর (সেকেন্ড অ্যামেন্ডমেন্ট) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারির মাধ্যমে অনলাইনে বেইলবন্ড দাখিলের আইনি বিধান যুক্ত করা হয়েছে। আইন ও বিচার বিভাগের সচিব লিয়াকত আলী মোল্লার সভাপতিত্বে সম্প্রতি সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোর বিচারক ও আইনজীবী নেতাদের সাথে এ বিষয়ে ভার্চুয়াল মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।


আইন ও বিচার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. খাদেম উল কায়েস জানান, জনবান্ধব বিচার ব্যবস্থা গড়ে তুলতে নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত আইনমন্ত্রীর নির্দেশনায় দ্রুততম সময়ের মধ্যে সারা দেশে এই কার্যক্রম বিস্তৃত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগ সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের বিচার বিভাগে ডিজিটাল রূপান্তর আরও ত্বরান্বিত হবে এবং সাধারণ মানুষের বিচার পাওয়ার পথ হবে কণ্টকমুক্ত।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Advertisement

জাতীয়

View more
আইন মন্ত্রণালয়
বিচারব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন: আরও ৭ জেলায় চালু হচ্ছে ‘ই-বেইলবন্ড’

বিচারপ্রার্থীদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি লাঘব এবং জামিননামা জালিয়াতি রোধে দেশের বিচার বিভাগে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। সফল পরীক্ষামূলক কার্যক্রমের পর এবার তৃতীয় ধাপে দেশের আরও সাতটি জেলায় ডিজিটাল জামিননামা বা ‘ই-বেইলবন্ড’ পদ্ধতি চালু করতে যাচ্ছে আইন মন্ত্রণালয়। সেবার আওতায় আসা নতুন জেলাগুলো হলো: বগুড়া, ঝিনাইদহ, যশোর, মাগুরা, রাজশাহী, নাটোর ও কুষ্টিয়া। আইন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আগামী এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ থেকেই এসব জেলায় আনুষ্ঠানিকভাবে এই কার্যক্রম শুরু হতে পারে। ইতিপূর্বে দেশের ৯টি জেলায় এই পদ্ধতি চালু করে অভাবনীয় সাফল্য পাওয়া গেছে। সরকারি তথ্যমতে, এ পর্যন্ত ১৯ হাজার ১৮৫ জন বিচারপ্রার্থী সরাসরি এই ডিজিটাল সেবার সুফল ভোগ করেছেন। ভোগান্তি ও জালিয়াতির অবসান প্রচলিত পদ্ধতিতে আদালত থেকে জামিন মঞ্জুর হওয়ার পর সেই নথি বা বেইলবন্ড কারাগারে পৌঁছাতে কয়েক দিন সময় লেগে যেত। মাঝপথে আইনজীবী, ক্লার্ক বা পিয়নের মাধ্যমে ফাইল আদান-প্রদানে যেমন সময়ক্ষেপণ হতো, তেমনি মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য ও জামিননামা জালিয়াতির ঝুঁকিও থাকত প্রবল। নতুন এই ডিজিটাল পদ্ধতিতে বিচারক অনলাইনে স্বাক্ষর করার সাথে সাথেই বেইলবন্ড স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংশ্লিষ্ট কারাগারে পৌঁছে যায়। আগে যেখানে একটি জামিননামা সম্পন্ন করতে ১৩টি ধাপ পার হতে হতো, এখন ‘ই-বেইলবন্ড’ পদ্ধতিতে মাত্র তিনটি প্রধান ধাপেই আসামি মুক্তি পাচ্ছেন। এতে করে জামিন পাওয়ার পর আসামিকে আর অনর্থক অতিরিক্ত সময় কারাগারে থাকতে হচ্ছে না। আইনি কাঠামো ও আধুনিকায়ন বিচার ব্যবস্থাকে স্বচ্ছ ও আধুনিক করতে ইতোমধ্যে ‘দ্য কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিউর (সেকেন্ড অ্যামেন্ডমেন্ট) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারির মাধ্যমে অনলাইনে বেইলবন্ড দাখিলের আইনি বিধান যুক্ত করা হয়েছে। আইন ও বিচার বিভাগের সচিব লিয়াকত আলী মোল্লার সভাপতিত্বে সম্প্রতি সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোর বিচারক ও আইনজীবী নেতাদের সাথে এ বিষয়ে ভার্চুয়াল মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আইন ও বিচার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. খাদেম উল কায়েস জানান, জনবান্ধব বিচার ব্যবস্থা গড়ে তুলতে নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত আইনমন্ত্রীর নির্দেশনায় দ্রুততম সময়ের মধ্যে সারা দেশে এই কার্যক্রম বিস্তৃত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগ সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের বিচার বিভাগে ডিজিটাল রূপান্তর আরও ত্বরান্বিত হবে এবং সাধারণ মানুষের বিচার পাওয়ার পথ হবে কণ্টকমুক্ত।

আরাফাত ইবনে আব্দুল্লাহ মার্চ ৭, ২০২৬ 0
ঈদ উপলক্ষে ব্রয়লারের দাম ২০০ টাকা ছাড়াল, মসলার দাম চড়া

ঈদ উপলক্ষে ব্রয়লারের দাম ২০০ টাকা ছাড়াল, মসলার দাম চড়া

ঢাকায় কূটনীতিকদের সম্মানে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে কথা বলছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সংগৃহীত ছবি

সব স্তরে দুর্নীতি দমনে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

ছবি: সংগৃহীত।

গ্যাস সংকটে চার ইউরিয়া কারখানা ১৫ দিনের জন্য বন্ধ

সংসদ সদস্যদের প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
সংসদ সদস্যদের প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন ১২ মার্চ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এ অধিবেশনকে সামনে রেখে দলীয় সংসদ সদস্যদের প্রস্তুত করতে দুই দিনব্যাপী একটি প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করেছে বিএনপি। বিশেষ করে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য এবং নতুন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপদেষ্টাদের সংসদীয় কার্যক্রম সম্পর্কে ধারণা দেওয়াই এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।   শুক্রবার (৬ মার্চ) সকালে গুলশানে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে কর্মশালাটির উদ্বোধন করেন দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান এই প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অংশ নিয়ে দলের সংসদ সদস্যদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা ভাগাভাগি করছেন।   উদ্বোধনী পর্বে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য আব্দুল মঈন খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ এবং এজেডএম জাহিদ হোসেনসহ দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। কর্মশালায় তার কন্যা জাইমা রহমানও উপস্থিত ছিলেন।   দলীয় নেতারা জানান, কর্মশালায় সংসদের নিয়ম-কানুন, আচরণবিধি, বিল প্রণয়ন ও পর্যালোচনার পদ্ধতি, বাজেট সংক্রান্ত নথি বিশ্লেষণ এবং সংসদীয় স্থায়ী কমিটির কাজের ধরনসহ নানা বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি অভিজ্ঞ সংসদ সদস্যরা তাদের বাস্তব অভিজ্ঞতা নতুনদের সঙ্গে ভাগ করে নিচ্ছেন। এর মাধ্যমে সরকারের কার্যক্রমকে আরও দক্ষ ও কার্যকর করার লক্ষ্য রাখা হয়েছে।   রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন আহ্বান করেন। তার ঘোষণানুযায়ী, ১২ মার্চ সকাল ১১টায় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হবে। সেই অধিবেশনকে সামনে রেখেই নবনির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের প্রস্তুত করতে এই নিবিড় প্রশিক্ষণ আয়োজন করা হয়েছে।   কর্মশালায় প্রশিক্ষক হিসেবে সাবেক আমলা, শিক্ষাবিদ ও সাবেক সংসদ সদস্যরা উপস্থিত রয়েছেন। তারা সংসদীয় কার্যপ্রণালী, বিল ও বাজেট প্রক্রিয়া এবং স্থায়ী কমিটির ভূমিকা নিয়ে অংশগ্রহণকারীদের ধারণা দিচ্ছেন।   দুই দিনের এই কর্মশালার কার্যক্রম বিভিন্ন সেশনে ভাগ করা হয়েছে। প্রথম দিনের সকালে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপদেষ্টারা অংশ নেন। বিকেলে রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা ও ফরিদপুর বিভাগের কিছু সংসদ সদস্য উপস্থিত থাকবেন। পরদিন শনিবার সকালে ঢাকা জেলা, ময়মনসিংহ, ফরিদপুর ও ঢাকা বিভাগের বাকি সদস্যরা অংশ নেবেন এবং বিকেলে সিলেট, কুমিল্লা ও চট্টগ্রাম বিভাগের সংসদ সদস্যরা কর্মশালায় যোগ দেবেন।   ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি থেকে মোট ২০৯ জন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১৪৬ জনই প্রথমবারের মতো সংসদে এসেছেন। ফলে সংসদীয় কার্যপ্রণালী সম্পর্কে নতুন সদস্যদের প্রস্তুত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।   বিএনপির এক জ্যেষ্ঠ নেতা জানান, কর্মশালায় সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডার উত্থাপনের পদ্ধতি, বিল প্রণয়ন ও তা নিয়ে আলোচনায় অংশ নেওয়ার নিয়ম, নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকার সমস্যা সংসদে তুলে ধরার কৌশল এবং রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আলোচনার বিষয়বস্তু নিয়ে নির্দেশনা দেওয়া হবে। পাশাপাশি সংসদ অধিবেশনে সদস্যদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হবে।   দলীয় সূত্রে আরও জানা গেছে, নির্বাচনি ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সংসদ সদস্যদের সক্রিয় ভূমিকা রাখার বিষয়ে কর্মশালায় আলোচনা হচ্ছে। স্থানীয় উন্নয়ন তদারকি, নীতিমালা বাস্তবায়ন এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের ওপর জোর দেওয়া হতে পারে।   এছাড়া মন্ত্রীদের জন্য দুর্নীতি প্রতিরোধ, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং সরকারি কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার বিভিন্ন কৌশল নিয়েও আলোচনা করা হচ্ছে এই প্রশিক্ষণে।

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ৬, ২০২৬ 0
ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জাতীয় পাট দিবস ভাষণ দিচ্ছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন

হাজারো প্রাণের বিনিময়ে গণতন্ত্রের ধারায় ফিরেছে বাংলাদেশ: রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন

ছবি: সংগৃহীত

জামালপুরে স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ, স্বামী গ্রেফতার

ইতিকাফ এর ফজিলত, নিয়ম, ও শর্ত সমূহ

বৃহস্পতিবার থেকে ইতিকাফ, বসার আগে জেনে নিন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো

ছবি সংগৃহীত
বিমানে যেসব জিনিস নিষিদ্ধ ও অনুমোদিত

বিমান ভ্রমণের দিনটা অনেকের কাছেই আনন্দের। পরিবারকে বিদায় জানানো, নতুন গন্তব্যে যাত্রার প্রস্তুতি- সবকিছুই যেন এক আবেগময় মুহূর্ত। কিন্তু সেই আনন্দের মুহূর্তই অনেক সময় ভ্রমণ প্রস্তুতির ছোট ভুলের কারণে ঝুঁকিতে পড়ে যেতে পারে। তাই যাত্রার আগে জানতে হবে কী নেওয়া যাবে আর কী নেওয়া যাবে না।   রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর–এ নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করতে কর্তৃপক্ষ নতুন নির্দেশনা দিয়েছে। বিমান ভ্রমণ নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল রাখতে যাত্রীদের লাগেজ ও বহনযোগ্য জিনিসপত্রের ওপর বিশেষ বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।   কেবিন ও চেক-ইন ব্যাগেজে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ জিনিস সংকুচিত গ্যাস, দাহ্য গ্যাস, অক্সিজেন সিলিন্ডার, বিস্ফোরক, গোলাবারুদ, আতশবাজি, ক্ষয়কারী পদার্থ যেমন অ্যাসিড, পারদ, তেজস্ক্রিয় ও সংক্রামক পদার্থ, ধারালো অস্ত্র, ছুরি, কাঁচি, বন্দুক বা অস্ত্রের প্রতিরূপ, অপ্রীতিকর গন্ধযুক্ত বস্তু।   কেবিন ব্যাগেজে সীমিত পরিমাণে বহনযোগ্য (সাধারণত ১০০ মিলি পর্যন্ত) পানীয়, শ্যাম্পু, ক্রিম, টুথপেস্ট, হেয়ার জেল, স্প্রে, মধু বা তরল খাদ্য, তরল, জেল বা অ্যারোসল হলে স্বচ্ছ ও পুনঃসিলযোগ্য প্লাস্টিক ব্যাগে রাখতে হবে।   মূল্যবান জিনিস কোথায় রাখবেন IndiGo–এর নির্দেশনা অনুযায়ী- ওষুধ, টাকা, ক্যামেরা, ইলেকট্রনিক ডিভাইস এগুলো কেবিন ব্যাগেজে রাখা ভালো, কারণ এয়ারলাইন কর্তৃপক্ষ এসবের দায় নেয় না। অনুমোদিত জিনিস (সঠিক প্যাকিং সাপেক্ষে) শুকনো খাবার, শুকনো ফল, মোবাইল, ল্যাপটপ ও চার্জার, স্বর্ণ/রূপার গয়না (প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সহ), ভাঁজযোগ্য বেবি স্ট্রলার, ড্রোন ক্যামেরা (ব্যাটারি ≤ ১৬০ Wh) বিশেষ সীমাবদ্ধতা পাওয়ার ব্যাংক ব্যাটারির ক্ষমতা ১৬০ Wh-এর বেশি নয়, অস্ত্র বহনের ক্ষেত্রে বৈধ লাইসেন্স ও কর্তৃপক্ষের অনুমতি প্রয়োজন, ব্যক্তিগত অস্ত্র পরিবহনে হ্যান্ডলিং চার্জ প্রযোজ্য হতে পারে।  সন্দেহজনক বা নিষিদ্ধ জিনিস বহন করবেন না, লাগেজ সঠিকভাবে প্যাক করুন, বিমানবন্দর নিরাপত্তা নির্দেশনা মেনে চলুন

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ৬, ২০২৬ 0
ফাইল ছবি

ছুটির দিনেও ভয়াবহ বায়ুদূষণ ঢাকায়, বিশ্বের দূষিত নগরীর তালিকায় দ্বিতীয়

এআই প্রযুক্তিতে তৈরি প্রতীকী ছবি

উত্তরায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, শিশু-নারীসহ দগ্ধ ১০

ছবি: সংগৃহীত

ডিএনসিসির তহবিল সংক্রান্ত বিভ্রান্তি দূরীকরণে প্রশাসকের বক্তব্য

0 Comments