অর্থনীতি

তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১৫০ ডলারে পৌঁছাতে পারে

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের চলমান সামরিক অভিযানের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এতে বিশ্ববাজারে তেলের দাম ব্যাপকভাবে বেড়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছেন জ্বালানি অর্থনীতিবিদ এড হির্স।

 

ইউনিভার্সিটি অব হিউস্টনের এই অধ্যাপক আল জাজিরাকে বলেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন যদি অর্ধেকও বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে একসময় তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ১৫০ ডলার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। মার্কিন নৌবাহিনী যদি ওই প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী ট্যাংকারগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারে, তবে এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

 

হির্স জানান, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি বাজারেও এর প্রভাব ইতোমধ্যে দেখা যাচ্ছে। হামলার প্রথম দিনেই এলএনজির দাম ৪০ শতাংশের বেশি বেড়ে গেছে। সোমবার ও মঙ্গলবারের মধ্যে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।

 

তিনি আরও বলেন, ডিজেলের দামও অস্বাভাবিকভাবে বাড়ছে। গ্যাসনির্ভর অনেক দেশ এখন বিপুল পরিমাণ পেট্রোলিয়াম মজুত করতে শুরু করেছে, যার ফলে যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি অঙ্গরাজ্যের ভবিষ্যৎ জ্বালানি অর্ডারেও প্রভাব পড়ছে।

 

হির্স সতর্ক করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইংল্যান্ড অঞ্চলের অঙ্গরাজ্যগুলো এই পরিস্থিতিতে বড় ধরনের প্রভাবের মুখে পড়তে পারে। এতে দেশটির অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও চাপ তৈরি হতে পারে, বিশেষ করে আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর চাপ বাড়তে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Advertisement

অর্থনীতি

View more
ছবি: সংগৃহীত
তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১৫০ ডলারে পৌঁছাতে পারে

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের চলমান সামরিক অভিযানের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এতে বিশ্ববাজারে তেলের দাম ব্যাপকভাবে বেড়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছেন জ্বালানি অর্থনীতিবিদ এড হির্স।   ইউনিভার্সিটি অব হিউস্টনের এই অধ্যাপক আল জাজিরাকে বলেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন যদি অর্ধেকও বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে একসময় তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ১৫০ ডলার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। মার্কিন নৌবাহিনী যদি ওই প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী ট্যাংকারগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারে, তবে এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।   হির্স জানান, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি বাজারেও এর প্রভাব ইতোমধ্যে দেখা যাচ্ছে। হামলার প্রথম দিনেই এলএনজির দাম ৪০ শতাংশের বেশি বেড়ে গেছে। সোমবার ও মঙ্গলবারের মধ্যে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।   তিনি আরও বলেন, ডিজেলের দামও অস্বাভাবিকভাবে বাড়ছে। গ্যাসনির্ভর অনেক দেশ এখন বিপুল পরিমাণ পেট্রোলিয়াম মজুত করতে শুরু করেছে, যার ফলে যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি অঙ্গরাজ্যের ভবিষ্যৎ জ্বালানি অর্ডারেও প্রভাব পড়ছে।   হির্স সতর্ক করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইংল্যান্ড অঞ্চলের অঙ্গরাজ্যগুলো এই পরিস্থিতিতে বড় ধরনের প্রভাবের মুখে পড়তে পারে। এতে দেশটির অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও চাপ তৈরি হতে পারে, বিশেষ করে আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর চাপ বাড়তে পারে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৫, ২০২৬ 0
আরামকো তেল শোধনাগার

আরামকো তেল শোধনাগারে ইরানের ড্রোন হামলা: বিশ্ববাজারে জ্বালানি সংকটের শঙ্কা

ছবি সংগৃহীত

ইরান ইস্যুতে তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী, এশীয়ার শেয়ারবাজারে ধস

ফাইল ফটো

তারল্য সংকট, ন্যাশনাল ব্যাংককে ১,০০০ কোটি টাকা দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

ছবি: সংগৃহীত
ব্যাংকিং খাতে সরাসরি অভিজ্ঞতা ছাড়াই গভর্নর নিয়োগ, আলোচনায় মোস্তাকুর রহমান

দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন গভর্নর হিসেবে মোস্তাকুর রহমানের নিয়োগ আর্থিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে। তার প্রকাশিত জীবনবৃত্তান্ত অনুযায়ী, তিনি একজন কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্ট (CMA) এবং ৩৩ বছরেরও বেশি পেশাগত অভিজ্ঞতার অধিকারী।   ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান বিভাগ থেকে বি.কম (অনার্স) ও মাস্টার্স সম্পন্ন করা মোস্তাকুর রহমান দীর্ঘ সময় ধরে কর্পোরেট ফাইন্যান্স, রপ্তানি অর্থনীতি, প্রাতিষ্ঠানিক গভর্ন্যান্স এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনা খাতে কাজ করেছেন। তিনি বিজিএমইএ, রিহ্যাব, এটাব ও ঢাকা চেম্বারসহ বিভিন্ন শিল্প ও বাণিজ্য সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং গুরুত্বপূর্ণ কমিটিতে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া তিনি বাংলাদেশ ব্যাংক ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জসহ বিভিন্ন নিয়ন্ত্রক সংস্থার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে বলে সিভিতে উল্লেখ আছে।   তবে জীবনবৃত্তান্তে সরাসরি বাণিজ্যিক ব্যাংক পরিচালনা বা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে দায়িত্ব পালনের স্পষ্ট অভিজ্ঞতার উল্লেখ নেই। এ কারণে ব্যাংকিং খাতে তার প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা ও প্রশ্ন উঠেছে।   অর্থনীতিবিদদের একাংশ মনে করছেন, আর্থিক শাসন, নিয়ন্ত্রক কাঠামো, ঝুঁকি তদারকি ও ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্টে তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালনে সহায়ক হতে পারে। অন্যদিকে সমালোচকদের মতে, সরাসরি ব্যাংকিং খাতে অভিজ্ঞতার অভাব নীতিনির্ধারণ ও সংকট মোকাবিলায় চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।   নতুন গভর্নরের সামনে এখন মূল চ্যালেঞ্জ হবে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ব্যবস্থাপনা এবং ব্যাংকিং খাতে সুশাসন জোরদার করা। আর্থিক খাতের অংশীজনরা আশা করছেন, তার নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় ব্যাংক স্থিতিশীলতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

শাহারিয়া নয়ন ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬ 0
বাংলাদেশি মুরগি ও ডিম আমদানি বন্ধ করল সৌদি আরব

বাংলাদেশি মুরগি ও ডিম আমদানি বন্ধ করল সৌদি আরব

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে কার্যকর ১০% বৈশ্বিক শুল্ক

ফাইল ছবি

ফেব্রুয়ারির ২৩ দিনে ২৫৬ কোটি ডলারের বেশি রেমিট্যান্স পাঠালেন প্রবাসীরা

ছয় মাসে রাজস্ব ঘাটতি ৬০ হাজার কোটি টাকা
ছয় মাসে রাজস্ব ঘাটতি ৬০ হাজার কোটি টাকা

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে ক্ষমতায় আসার পর বিএনপি এখন সরকারের দায়িত্ব নিয়েছে।   তবে ক্ষমতায় যাওয়ার আগে থেকেই দেশের অর্থনীতির দুর্বলতা স্পষ্ট ছিল। ব্যবসা-বাণিজ্যে ধীরগতি, বিনিয়োগে কমতি এবং ব্যাংকিং খাতে অস্থিরতা সহ উচ্চ সুদের হার পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে।   পুঁজিবাজারে এখনও ভরসার অভাব রয়েছে, আইন-শৃঙ্খলার পরিস্থিতি অনিশ্চিত এবং কর্মসংস্থান সংকুচিত। এসব কারণে সরকারের কোষাগারও চাপের মুখে।   জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই–জানুয়ারি সময়ে রাজস্ব ঘাটতি ৬০ হাজার কোটি টাকার ওপরে পৌঁছেছে। নির্ধারিত লক্ষ্য ছিল প্রায় ২ লাখ ৮৩ হাজার কোটি টাকা, তবে আয়কর, আমদানি শুল্ক ও ভ্যাট খাতে ঘাটতি হয়েছে।   আয়কর খাত: লক্ষ্য ১ লাখ ৩ হাজার ৯৮০ কোটি, আদায় মাত্র ৭৫ হাজার কোটি টাকা। আমদানি শুল্ক: লক্ষ্য ৭৮ হাজার কোটি, আদায় ৬২ হাজার কোটি টাকা। ভ্যাট: লক্ষ্য এক লাখ ১ হাজার কোটি, আদায় ৮৫ হাজার কোটি টাকা।   বিশ্লেষকরা মনে করছেন, রাজস্ব আয়ের এই ঘাটতি নির্বাচিত সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে। ব্যবসায়ীরা বর্তমানে বিনিয়োগে সংযমী, সরকারি প্রকল্পও স্থবির। উচ্চ মূল্যস্ফীতি এবং মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়ায় ভ্যাট আদায়ও প্রভাবিত হয়েছে।   বাংলাদেশ কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বলেছেন, “ব্যবসা-বাণিজ্যের সম্প্রসারণ ছাড়া রাজস্ব বাড়ানো কঠিন। আইন-শৃঙ্খলা, বিদ্যুৎ-জ্বালানি ও করনীতি স্থিতিশীল না হলে বড় বিনিয়োগ আশা করা যায় না।”   সরকারি তথ্য অনুযায়ী, মানুষের আয় বৃদ্ধি পাচ্ছে না এবং জানুয়ারি মাসে মূল্যস্ফীতি ৮.৫৮ শতাংশ। বাসাভাড়া, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা খাতে ব্যয়ের চাপ বেড়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উচ্চ সুদের হারও এখন পর্যন্ত কাঙ্ক্ষিত ফলাফল দিতে পারেনি। অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের জন্য ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং রাজস্ব আদায়ের স্থিতিশীলতা এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

নিলুফা ইয়াসমিন ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬ 0
নির্ধারিত দামে সার নেই, বোরো চাষে ব্যয় বাড়ার আশঙ্কা

নির্ধারিত দামে সার নেই, বোরো চাষে ব্যয় বাড়ার আশঙ্কা

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।

খলিলুর রহমান পেলেন দিল্লি সফরের আমন্ত্রণ

ছবি: সংগৃহীত।

সরকার চাইলে তিস্তা প্রকল্পে কাজ শুরু করবে চীন: রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন

0 Comments