জাতীয়

টানা দ্বিতীয় দফা বাড়ল সোনার দাম, ভরি ছাড়াল ২ লাখ ৭০ হাজার টাকা

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ১১, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

দেশের বাজারে আবারও বেড়েছে স্বর্ণের দাম। টানা দ্বিতীয় দিনের মতো মূল্যবান এই ধাতুর দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভালো মানের (২২ ক্যারেট) এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৭০ হাজার ৪৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।


 
বুধবার (১১ মার্চ) সকালে বাজুস এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়। নতুন দাম একই দিন সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।


 
বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।


 
নতুন নির্ধারিত দামে দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট সোনা কিনতে খরচ পড়বে ২ লাখ ৭০ হাজার ৪৩০ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ১২৪ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ২১ হাজার ২৬৬ টাকা।


 
অন্যদিকে সনাতন পদ্ধতির সোনার প্রতি ভরির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৮০ হাজার ৬১৭ টাকা।


 
সোনার পাশাপাশি রুপার দামও বাড়িয়েছে বাজুস। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভরিতে ১৭৫ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেট রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৭০৭ টাকা।


 
এছাড়া ২১ ক্যারেট রুপার প্রতি ভরি ৬ হাজার ৪১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেট রুপার প্রতি ভরি ৫ হাজার ৪৮২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার প্রতি ভরি ৪ হাজার ৮২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।


 
বাজুস জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারের দাম ও স্থানীয় বাজার পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে সময় অনুযায়ী স্বর্ণ ও রুপার দাম সমন্বয় করা হয়ে থাকে।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Advertisement

জাতীয়

View more
ডিজেলবাহী জাহাজ
জ্বালানি সরবরাহে স্বস্তি: চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়ছে একের পর এক ডিজেলবাহী জাহাজ

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল, তার মধ্যেই স্বস্তির খবর দিয়েছে জ্বালানি খাত। অল্প সময়ের ব্যবধানে দ্বিতীয় ডিজেলবাহী জাহাজ দেশে পৌঁছেছে, যা দেশের জ্বালানি মজুত পরিস্থিতিতে কিছুটা স্বস্তি আনবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।   বন্দর সূত্রে জানা গেছে, সিঙ্গাপুর থেকে আমদানি করা প্রায় ২৭ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল বহনকারী ‘লিয়ান হুয়ান হু’ নামের একটি ট্যাংকার মঙ্গলবার (১০ মার্চ) চট্টগ্রাম বন্দরে নোঙর করে। জাহাজটি ভেড়ার পর একই দিন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে ডিজেল খালাসের কাজ শুরু হয়।   এর আগে সোমবার (৯ মার্চ) ‘শিউ চি’ নামের আরেকটি ট্যাংকার প্রায় ২৭ হাজার ২০৪ মেট্রিক টন ডিজেল নিয়ে একই বন্দরে পৌঁছেছিল। পরপর দুটি চালান আসায় দেশের জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতিতে কিছুটা স্বস্তি ফিরে আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।   বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে আরও তিনটি ডিজেলবাহী জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। এর মধ্যে ‘এসপিটি থেমিস’ নামের একটি ট্যাংকার ১২ মার্চ প্রায় ৩০ হাজার ৪৮৪ মেট্রিক টন ডিজেল নিয়ে বন্দরে ভিড়বে। এছাড়া ১৩ মার্চ ‘র‍্যাফেলস সামুরাই’ এবং ১৫ মার্চ ‘চাং হাং হং তু’ নামের আরও দুটি জাহাজ বন্দরে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।   প্রতিটি জাহাজেই আনুমানিক ৩০ হাজার মেট্রিক টন করে ডিজেল থাকবে। সব মিলিয়ে পাঁচটি ট্যাংকার থেকে প্রায় ১ লাখ ৪৪ হাজার ২০৫ মেট্রিক টন পরিশোধিত ডিজেল দেশে যুক্ত হবে।   বিপিসির হিসাব অনুযায়ী, এই পরিমাণ জ্বালানি বর্তমান ব্যবহারের ধারা ধরে প্রায় ১২ দিনের চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম। তবে বৈশ্বিক বাজারের অনিশ্চয়তার কারণে গত ৮ মার্চ থেকে প্রতিদিনের সরবরাহ কমিয়ে প্রায় ৯ হাজার মেট্রিক টনে নামিয়ে আনা হয়েছে।   সরবরাহ সীমিত রাখার এই নীতি অব্যাহত থাকলে নতুন চালান দিয়ে প্রায় ১৬ দিনের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হবে। বর্তমানে দেশের বিদ্যমান মজুত দিয়ে আরও ১৬ থেকে ১৭ দিনের জ্বালানি চাহিদা মেটানো যাবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।   ফলে নতুন চালানগুলো যুক্ত হলে দেশে প্রায় এক মাসের ডিজেল চাহিদা পূরণের মতো মজুত নিশ্চিত হতে পারে।   বিপিসির বাণিজ্যিক ও অপারেশন বিভাগের কর্মকর্তা মাসুদ পারভেজ জানান, যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। প্রথম জাহাজ পৌঁছানোর পরপরই খালাস শুরু করা হয়েছে এবং দ্বিতীয় জাহাজের কাজও চলছে। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী বাকি জাহাজগুলো পৌঁছালে পরিস্থিতি আরও স্থিতিশীল হবে।

আরাফাত ইবনে আব্দুল্লাহ মার্চ ১১, ২০২৬ 0
ওসমান হাদি

হাদি হত্যা রহস্যে নতুন অধ্যায়, ভারত থেকে ফিরছে আটক দুইজন

ছবি: সংগৃহীত

স্বীকৃতি ছাড়াই ‘বিরোধী দলীয় নেতা’? শফিকুর রহমানকে ঘিরে সাংবিধানিক প্রশ্ন

ছবি: সংগৃহীত

টানা দ্বিতীয় দফা বাড়ল সোনার দাম, ভরি ছাড়াল ২ লাখ ৭০ হাজার টাকা

পত্রিকা
পত্রিকা: ‘জুলাই সনদ ও রাষ্ট্রপতির ভাষণ ঘিরে উত্তপ্ত হতে পারে সংসদ’

আজকের পত্রিকার শিরোনামগুলোতে যুদ্ধের প্রভাব, বাণিজ্য, বিচারব্যবস্থা ও নিরাপত্তা ইস্যু   ঢাকা থেকে প্রকাশিত বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকার আজকের শিরোনামগুলোতে উঠে এসেছে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রভাব, ফ্লাইট বাতিল, আদালতে টাকা চাওয়ার অভিযোগ, কঙ্কাল চোরাচালান, পোশাক রফতানিতে চাপ, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি, আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্সে অনিয়ম এবং ভুয়া পাইলটের মতো নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। নিচে আজকের উল্লেখযোগ্য কয়েকটি পত্রিকার প্রধান সংবাদ তুলে ধরা হলো-   নয়া দিগন্ত পত্রিকা: ‘জুলাই সনদ ও রাষ্ট্রপতির ভাষণ ঘিরে উত্তপ্ত হতে পারে সংসদ’     জুলাই–আগস্ট গণ–অভ্যুত্থানের পর নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় বৃহস্পতিবার শুরু হচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন। তবে শুরু থেকেই অধিবেশন উত্তপ্ত হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।   গণভোটে পাস হওয়া জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন ও রাষ্ট্রপতির ভাষণকে কেন্দ্র করে সংসদে ওয়াকআউটও করতে পারেন জামায়াত–এনসিপি জোটের সংসদ সদস্যরা।   সংসদ সচিবালয় জানিয়েছে, প্রথম অধিবেশনে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন, স্পিকার প্যানেল গঠন এবং রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হবে।   ডেপুটি স্পিকার পদে প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর একজনকে মনোনয়নের প্রস্তাব দিয়েছে সরকারদলীয় বিএনপি। তবে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকারের অবস্থান দেখে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানিয়েছে দলটি।   এবারের অধিবেশনকে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের প্রশ্ন। গণভোটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নতুন সংসদকে প্রথম ছয় মাস সংবিধান সংস্কার পরিষদ হিসেবেও কাজ করার কথা রয়েছে।   এ নিয়ে শপথ গ্রহণকে ঘিরে ইতোমধ্যেই রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে, কারণ বিএনপি জোটের সংসদ সদস্যরা এখনো সংস্কার পরিষদের শপথ নেননি, যদিও জামায়াত জোটের সদস্যরা দুই ধরনের শপথই গ্রহণ করেছেন।   সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রথম দিনের পর সাপ্তাহিক ছুটির কারণে কার্যক্রম ১৫ ও ১৬ মার্চ চলবে। এরপর ঈদুল ফিতর উপলক্ষে অধিবেশন প্রায় ১৩ দিনের জন্য মুলতবি থাকতে পারে এবং ২৯ মার্চ আবার অধিবেশন শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।    যুগান্তর পত্রিকা: ‘যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি- বছরে ১৩২৭ কোটি টাকা হারানোর শঙ্কা: সিপিডি’   বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত বাণিজ্য চুক্তি কার্যকর হলে বছরে প্রায় ১ হাজার ৩২৭ কোটি টাকার আমদানি শুল্ক রাজস্ব হারানোর আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)। মঙ্গলবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে সিপিডির কার্যালয়ে ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেট নিয়ে আয়োজিত এক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে এ তথ্য তুলে ধরা হয়।   ব্রিফিংয়ে সিপিডির বিশেষ ফেলো ড. মোস্তাফিজুর রহমান বক্তব্য দেন এবং মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ‘অ্যাগ্রিমেন্ট অন রেসিপ্রোকাল ট্রেড’ চুক্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা প্রায় সাড়ে চার হাজার পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা দিতে হবে। পাশাপাশি আগামী পাঁচ থেকে দশ বছরের মধ্যে আরও ২ হাজার ২১০টি পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।   সিপিডির মতে, এসব পণ্য থেকে বর্তমানে সরকারের উল্লেখযোগ্য পরিমাণ রাজস্ব আসে। ফলে চুক্তি কার্যকর হলে এই আয় কমে যেতে পারে। এছাড়া একতরফাভাবে শুল্কমুক্ত সুবিধা দেওয়া বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) নীতিমালার সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে এবং এতে অন্য দেশগুলোকেও একই সুবিধা দেওয়ার চাপ তৈরি হতে পারে।   মানবজমিন পত্রিকা: ‘যুদ্ধের জেরে ৩৬৭ ফ্লাইট বাতিল’     মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের প্রভাবে আন্তর্জাতিক আকাশপথে বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে। এ পরিস্থিতিতে বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের ৩৬৭টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। ১০ মার্চ একদিনেই অন্তত ৩২টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে কুয়েত এয়ারওয়েজ, এয়ার অ্যারাবিয়া, গালফ এয়ার, কাতার এয়ারওয়েজ, এমিরেটস, জাজিরা, ফ্লাই দুবাই, বিমান বাংলাদেশ ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট। তবে একই সময়ে মোট ৩২৫টি ফ্লাইট পরিচালনা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।   এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির কারণে অনেক প্রবাসী বাংলাদেশি ভিসা জটিলতা ও যাতায়াত অনিশ্চয়তায় পড়েছেন। আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশে ফিরতে পারবেন কি না, তা নিয়ে উদ্বেগে রয়েছেন অনেকেই।   প্রথম আলো পত্রিকা: ‘টাকা চাওয়ার অভিযোগে তদন্ত শুরু’     জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের এক মামলার আসামিকে জামিন পাইয়ে দেওয়ার জন্য এক কোটি টাকা দাবি করার অভিযোগে তদন্ত শুরু করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন দল। এ ঘটনায় চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি তথ্যানুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয়েছে।   প্রথম আলো ও নেত্র নিউজের এক যৌথ অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, মামলার এক আসামিকে জামিন পাইয়ে দিতে একজন প্রসিকিউটর এক কোটি টাকা দাবি করেছেন। প্রতিবেদন প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হলে তদন্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিশ্লেষকদের মতে, জামিনের জন্য টাকা চাওয়ার মতো অভিযোগ বিচারব্যবস্থার ওপর জনসাধারণের আস্থায় প্রভাব ফেলতে পারে। তাই এ বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত জরুরি।   নিউ এইজ পত্রিকা: ‘কবরস্থান থেকে কঙ্কাল বিক্রি—ডেন্টাল শিক্ষার্থীসহ ৪ জন গ্রেপ্তার’     ঢাকায় কবরস্থান থেকে মানুষের কঙ্কাল সংগ্রহ করে অনলাইনে বিক্রির অভিযোগে দুই ডেন্টাল শিক্ষার্থীসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযানে তাদের কাছ থেকে ৪৭টি মানব খুলি ও বিপুল পরিমাণ মানব অস্থি উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।   ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার মোহাম্মদ ইবনে মিজান জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে মনিপুরি পাড়া ও উত্তরা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। তদন্তকারীদের মতে, তারা দেশজুড়ে সক্রিয় একটি সংগঠিত কঙ্কাল পাচার চক্রের সদস্য।   বণিক বার্তা পত্রিকা: ‘মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে ইউরোপে পোশাক রফতানিতে চাপ’     মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে লোহিত সাগর ও সুয়েজ খালসহ গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক রুটে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় বাংলাদেশের রফতানিমুখী শিল্প, বিশেষ করে পোশাক খাতের ওপর চাপ বাড়ছে। খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, অনেক ক্ষেত্রে জরুরি সরবরাহের জন্য পোশাক আকাশপথে ইউরোপে পাঠানো হয়। কিন্তু সংঘাতের কারণে মধ্যপ্রাচ্যের বেশিরভাগ আকাশসীমা বন্ধ থাকায় সরবরাহ শৃঙ্খলে বিঘ্ন তৈরি হয়েছে।   আজকের পত্রিকা: ‘৮ হাজার আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স স্বরাষ্ট্রের সম্মতি ছাড়াই’     ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনাপত্তিপত্র ছাড়াই অন্তত ৮ হাজার ১৭৩টি আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়। এসব লাইসেন্সের অধিকাংশই রাজনৈতিক নেতা–কর্মী ও তাদের স্বজনদের নামে দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। বর্তমানে বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।   দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকা: ‘জ্বালানির বিকল্প উৎস খুঁজছে সরকার’     মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্নের আশঙ্কা মাথায় রেখে বিকল্প জ্বালানি উৎস খুঁজছে সরকার। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী আনিন্দ্য ইসলাম অমিত জানিয়েছেন, মার্চ মাসের জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে এবং এপ্রিল–মে মাসের জন্যও প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।   কালের কণ্ঠ পত্রিকা: ‘বিমানে চার ‘ভুয়া’ পাইলটের অভিযোগ’     জাতীয় পতাকাবাহী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সে চারজন পাইলটের বিরুদ্ধে যোগ্যতা জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। অভ্যন্তরীণ তদন্তে দেখা গেছে, কেউ প্রয়োজনীয় উড়ানঘণ্টা পূরণ না করেই লাইসেন্স পেয়েছেন, আবার কেউ লগবুকে একই উড়ান সময় দুইবার দেখিয়ে ঘণ্টা বাড়িয়েছেন। অভিযোগ প্রমাণিত হলে আন্তর্জাতিক এভিয়েশন সংস্থাগুলোর নজরদারি বা নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ১১, ২০২৬ 0
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

বিদ্যুৎ ও তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে, দাম বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা নেই: প্রতিমন্ত্রী

ফাইল ছবি

ঈদুল ফিতরের আগে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বোনাস

শেখ রাকিবুজ্জামান ও আয়েশা সিদ্দিকা অন্যন্যা

মিরপুরে বাণিজ্যিক ভবনে অগ্নিকাণ্ড: নিহত দুইজনই বিমানবাহিনীর সদস্য

ছবি: সংগৃহীত
এসি চালানো শিখতে গণপূর্তের আট কর্মকর্তার যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণ

সেন্ট্রাল এয়ার কন্ডিশনিং সিস্টেম ব্যবস্থাপনা শেখার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন গণপূর্ত অধিদপ্তরের শীর্ষ আট কর্মকর্তা। তাদের মধ্যে প্রকল্পটির প্রকল্প পরিচালকও রয়েছেন। তবে এই সফর ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠেছে, বিশেষ করে সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের অগ্রগতি ও সফরের খরচের উৎস নিয়ে।   সরকারি নথি অনুযায়ী, কর্মকর্তাদের এই সফরের অফিসিয়াল নাম দেওয়া হয়েছে ‘হিটিং, ভেন্টিলেশন অ্যান্ড এয়ার কন্ডিশনিং (এইচভিএসি) সিস্টেম ট্রেনিং’। তিন দফা সময় পরিবর্তনের পর অবশেষে আগামী ১৫ মার্চ থেকে ১৯ মার্চ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে প্রশিক্ষণের সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে।   তবে যে প্রকল্পের অর্থে এই সফর, তার বাস্তব অগ্রগতি নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। আটটি বিভাগীয় শহরে ক্যানসার, কিডনি ও হৃদরোগ চিকিৎসা কেন্দ্র স্থাপনের প্রকল্পটি ২০১৯ সালে শুরু হয়। প্রথমে প্রকল্প ব্যয় ছিল ২ হাজার ৩৮৮ কোটি টাকা, পরে তা বাড়িয়ে ৩ হাজার ৪৪৩ কোটি টাকা করা হয়। তবুও প্রকল্পটির অগ্রগতি সন্তোষজনক নয় বলে বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।   আরও একটি বিষয় নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে- যে এইচভিএসি সিস্টেম সম্পর্কে প্রশিক্ষণ নিতে কর্মকর্তারা যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন, সেই কাজ ইতোমধ্যে প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে প্রশিক্ষণের প্রয়োজনীয়তা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন সংশ্লিষ্টরা।   নথিপত্রে দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সেন্ট্রাল এয়ার কন্ডিশনিং সিস্টেম সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ডানহাম-বুশ কর্মকর্তাদের সফরের যাবতীয় খরচ বহন করবে। প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বজুড়ে চিলার ও এইচভিএসি সিস্টেম সরবরাহ করে থাকে এবং বাংলাদেশেও বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে তাদের সিস্টেম ব্যবহৃত হচ্ছে।   সমালোচকদের মতে, সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের অর্থায়নে সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ সফর করলে স্বার্থসংঘাতের প্রশ্ন উঠতে পারে। এতে সরবরাহ করা প্রযুক্তির মান যাচাই বা ভবিষ্যৎ সিদ্ধান্তে নিরপেক্ষতা নিয়ে সংশয় তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।   যেসব কর্মকর্তা সফরে যাচ্ছেন তারা হলেন- গণপূর্ত অধিদপ্তরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (ই/এম) আশরাফুল হক, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (সিভিল) কাজী মো. ফিরোজ হোসেন, প্রকল্প পরিচালক ড. মো. তৌফিক হাসান ফিরোজ, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ড. মো. আশরাফুল ইসলাম, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের ডেপুটি সেক্রেটারি মো. নাজমুল আলম, নির্বাহী প্রকৌশলী রাজু আহমেদ, নির্বাহী স্থপতি সিদ্দিকা নাসরিন সুলতানা এবং উপবিভাগীয় প্রকৌশলী রিসালাত বারি।   এদের মধ্যে কয়েকজন কর্মকর্তা সরাসরি হাসপাতাল নির্মাণ প্রকল্পের কাজের সঙ্গে যুক্ত নন বলেও জানা গেছে। এমনকি নির্মাণ-পরবর্তী রক্ষণাবেক্ষণেও তাদের সম্পৃক্ত থাকার সুযোগ সীমিত। এ বিষয়টিও আলোচনার জন্ম দিয়েছে।   এ প্রসঙ্গে গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী রাজু আহমেদ বলেন, নির্মাণকাজ শেষে অর্জিত জ্ঞান ব্যবহার করতেই কর্মকর্তারা প্রশিক্ষণে যাচ্ছেন। ভবিষ্যতে এইচভিএসি সিস্টেমের রক্ষণাবেক্ষণে সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগবে।   অন্যদিকে গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী বলেন, উন্নত দেশের প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণ প্রকৌশলীদের দক্ষতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।   তবে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, বিষয়টি তার জানা নেই। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে বলেও জানান তিনি। তথ্য সূত্র: কালবেলা

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ১০, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

নারীদের হাতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’: নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করলেন তারেক রহমান

ছবি: সংগৃহীত

ছাত্রদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘিরে জোর আলোচনা, সভাপতি–সম্পাদক পদে একাধিক নেতা আলোচনায়

দীর্ঘ লাইনে তেলের জন্য অপেক্ষা, সরবরাহ হচ্ছে মাত্র নির্ধারিত পরিমাণ

দীর্ঘ লাইনে তেলের জন্য অপেক্ষা, সরবরাহ হচ্ছে মাত্র নির্ধারিত পরিমাণ

0 Comments