অপরাধ

শেখ হাসিনাকে ফেরাতে যে পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬ 0
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ

জুলাই অভ্যুত্থানকেন্দ্রিক মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে দেশে ফিরিয়ে আনতে আগের সরকারের শুরু করা কূটনৈতিক ও আইনি প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছে নবনির্বাচিত সরকার। বৃহস্পতিবার দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে নবনিযুক্ত পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ এ কথা জানান।

 

শেখ হাসিনাকে ফেরানোর বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই প্রক্রিয়াটি চলমান এবং আগের মতোই সক্রিয় থাকবে। ভারতের সঙ্গে বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক ইস্যুগুলো নিয়েও নিয়মিত আলোচনা অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।

 

জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে পররাষ্ট্রনীতি পরিচালনার ওপর জোর দিয়ে শামা ওবায়েদ বলেন, বাংলাদেশ এখন থেকে নিজস্ব স্বার্থ সুরক্ষায় দৃঢ় অবস্থান নেবে। তিনি উল্লেখ করেন, দীর্ঘ সময় পর দেশে একটি গণতান্ত্রিক সরকার আসায় পররাষ্ট্রনীতিতে দৃশ্যমান পরিবর্তন আসবে এবং সব রাষ্ট্রের সঙ্গে মেরুদণ্ড সোজা করে যোগাযোগ ও বন্ধুত্ব বজায় রাখা হবে।

 

তিনি আরও বলেন, কোনো বিশেষ দেশের প্রতি নতজানু না হয়ে শক্ত অবস্থানে থেকে দ্বিপাক্ষিক ও ত্রিপক্ষীয় আলোচনার মাধ্যমে জাতীয় সমস্যাগুলো সমাধান করা হবে।

 

এ সময় বিদেশগামী বাংলাদেশিদের দীর্ঘদিনের ভিসা সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনের উদ্যোগের কথাও জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, বিভিন্ন দেশের ভিসা সমস্যা দ্রুত সমাধানে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে।

 

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর শেখ হাসিনা ভারতে আশ্রয় নেন। তাকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করতে গত বছরের নভেম্বরে দুই দেশের বন্দিবিনিময় চুক্তির আওতায় দিল্লিকে চিঠি পাঠিয়েছিল তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকার। এর আগেও দুই দফা কূটনৈতিক বার্তা পাঠানো হলেও ভারত থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক জবাব পাওয়া যায়নি। নতুন সরকার একই দাবি নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো প্রকাশ: বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বণ্টনের খসড়া তালিকা

ঢাকা: দেশের সম্ভাব্য নতুন সরকার গঠনকে সামনে রেখে প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো সংবলিত একটি আনুষ্ঠানিক কমিউনিক্যে প্রকাশিত হয়েছে। এতে রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের দায়িত্ব বণ্টনের একটি খসড়া তালিকা তুলে ধরা হয়েছে।   কমিউনিক্যে বলা হয়েছে, এটি সরকারি নথি ও আনুষ্ঠানিক রেফারেন্সের উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করা একটি প্রস্তাবিত কাঠামো, যেখানে প্রতিষ্ঠিত সরকারি প্রোটোকল অনুযায়ী সম্ভাব্য নিয়োগ ও দায়িত্ব বণ্টনের বিষয়গুলো উল্লেখ রয়েছে।   প্রস্তাবিত দায়িত্ব বণ্টন অনুযায়ী—     •    রাষ্ট্রপতি: ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন     •    জাতীয় সংসদের স্পিকার: অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন / নিতাই রায় চৌধুরী     •    প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী: তারেক রহমান      •    স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর     •    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: সালাহউদ্দিন আহমেদ প্রতিমন্ত্রী: শহীদ উদ্দিন চৌধুরী (অ্যানি)     •    পররাষ্ট্রমন্ত্রী: আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী: ড. হুমায়ুন কবির     •    অর্থমন্ত্রী: ড. এ. বি. মির্জা আজিজুল ইসলাম / ড. রেজা কিবরিয়া (তালিকায় উল্লেখিত অনুযায়ী)     •    শিক্ষামন্ত্রী: আনাম এহসানুল হক মিলন, প্রতিমন্ত্রী: সাঈদ আল নোমান     •    আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী: মো. আসাদুজ্জামান     •    তথ্যমন্ত্রী: আন্দালিব রহমান পার্থ, প্রতিমন্ত্রী: ড. মাহদি আমিন     •    পরিকল্পনামন্ত্রী: ড. আব্দুল মঈন খান     •    বাণিজ্যমন্ত্রী: আব্দুল মুক্তাদির     •    শিল্পমন্ত্রী: আব্দুল আউয়াল মিন্টু     •    নৌপরিবহন মন্ত্রী: মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ     •    শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী: নজরুল ইসলাম খান     •    পানি সম্পদ মন্ত্রী: আসাদুল হাবিব দুলু     •    মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী: ফজলুর রহমান     •    সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী: আমানউল্লাহ আমান     •    সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী: জোনায়েদ সাকি     •    স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী: ড. এ. জেড. এম. জাহিদ হোসেন     •    যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী: আলী আজগর লবি     •    ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী: শামীম কায়সার লিংকন     •    বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী: আলতাফ হোসেন চৌধুরী     •    বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী: ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু     •    কৃষিমন্ত্রী: শামসুজ্জামান দুদু     •    গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী: মির্জা আব্বাস     •    ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী: নুরুল হক নুর     •    রেলপথমন্ত্রী: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়     •    জনপ্রশাসন মন্ত্রী: ড. ইসমাইল জাবিউল্লাহ     •    সমাজকল্যাণ মন্ত্রী: রুহুল কবির রিজভী     •    পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী: দীপেন দেওয়ান   কমিউনিক্যে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এটি একটি প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো—চূড়ান্ত ঘোষণা, নিয়োগ এবং শপথ গ্রহণ সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় প্রক্রিয়া অনুযায়ী সম্পন্ন হবে।

Advertisement

অপরাধ

View more
বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) এমডি মাহবুব মোর্শেদ
বাসস এমডির দুর্নীতি অভিযোগে তদন্ত কমিটি গঠন

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক মাহবুব মোর্শেদের বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখার জন্য চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত আজ মন্ত্রণালয়ের আদেশে জানানো হয়।   আদেশে বলা হয়েছে, বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত অভিযোগগুলো স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে পর্যালোচনা করার জন্য এই কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সভাপতির দায়িত্বে থাকবেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব।   কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন প্রধান তথ্য অফিসার (তথ্য অধিদপ্তর) এবং মহাপরিচালক (গণযোগাযোগ অধিদপ্তর)। এছাড়া একজন সিনিয়র সহকারী সচিব সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।   তদন্ত কমিটি অভিযোগগুলোর বিষয়ে গভীরভাবে বিশ্লেষণ, সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য গ্রহণ এবং প্রয়োজনীয় অনুসন্ধান সম্পন্ন করবে। মন্ত্রণালয় আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সুপারিশসহ পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছে।

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬ 0

শেখ হাসিনাকে ফেরাতে যে পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার

বরিশালে জমিজমার বিরোধে নিহত বিএনপি নেতা

বরিশালে জমিজমার বিরোধে নিহত বিএনপি নেতা

টিউলিপ সিদ্দিক

দুর্নীতির মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাগ্নি টিউলিপ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

ওসমান হাদি
মানবতাবিরোধী অপরাধ: ট্রাইব্যুনালে শহীদ হাদির জবানবন্দি সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ

জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের সময় করা মানবতাবিরোধী অপরাধে সাবেক সড়ক ও পরিবহনমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির বিরুদ্ধে করা মামলায় ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদির জবানবন্দি সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।   বুধবার সকালে প্রসিকিউশনের করা আবেদনের শুনানি নিয়ে এই আদেশ দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।   শরীফ ওসমান হাদি এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তার কাছে ওই জবানবন্দি দিয়েছিলেন।   এরইমধ্যে মঙ্গলবার এই মামলায় আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজন আসামির বিরুদ্ধে প্রথম সাক্ষী এম এ রাজ্জাক সাক্ষ্য দেন, এর মধ্য দিয়েই মামলাটির আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়।   মঙ্গলবার এই মামলায় প্রসিকিউশন লিখিতভাবে সূচনা বক্তব্য দেয়। তারা সেটি পাঠ করে শোনায়নি। সাধারণত সূচনা বক্তব্য চিফ প্রসিকিউটর বা তার পক্ষে পাঠ করে শোনানো হয়।   ওবায়দুল কাদের ছাড়া এই মামলার অন্য আসামিরা হলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল এবং ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান।   তবে এই মামলার সব আসামিই পলাতক রয়েছে।   উল্লেখ্য, গত ডিসেম্বরে শরীফ ওসমান হাদি নির্বাচনী গণসংযোগ চালানোর সময় গুলিবিদ্ধ হন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

নিলুফা ইয়াসমিন ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬ 0
ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ

চাদর মুড়ি দিয়ে জামায়াত আমিরের নির্বাচনি বুথে আগুন, ধরা পড়ল সিসি ফুটেজে

সাংবাদিক শ্যামল দত্ত এবং মোজাম্মেল বাবুর ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

সাংবাদিক শ্যামল দত্ত এবং মোজাম্মেল বাবুর ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

ঝিরি দিয়ে পাচার করা হচ্ছে গাছের গুঁড়ি

চবিতে ‘পুষ্পা স্টাইলে’ ঝিরি দিয়ে গাছ পাচারের চেষ্টা, জব্দ ৭৪টি গুঁড়ি

এবার ট্রাইব্যুনালে বিচারের মুখোমুখি হচ্ছেন ডিবির হারুন

গাজীপুরের পাতারটেকে ২০১৬ সালে কথিত বন্দুকযুদ্ধের নামে সাতজনকে হত্যার অভিযোগে সাবেক ডিবি প্রধান হারুন অর রশীদসহ পুলিশের ১০ জন শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ‘ফরমাল চার্জ’ বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করেছে প্রসিকিউশন। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ এই অভিযোগ জমা দেওয়া হয়।   তদন্ত প্রতিবেদনে যাদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে, তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন: হারুন অর রশীদ: সাবেক ডিবি প্রধান (তৎকালীন গাজীপুরের এসপি)। একেএম শহিদুল হক: সাবেক আইজিপি। জাবেদ পাটোয়ারী: সাবেক আইজিপি। আসাদুজ্জামান মিয়া: ডিএমপির সাবেক কমিশনার। মনিরুল ইসলাম: সিটিটিসির তৎকালীন প্রধান।   ২০১৬ সালের ৮ অক্টোবর গাজীপুরের পাতারটেকে একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে সাতজনকে ‘জঙ্গি’ হিসেবে নিহতের দাবি করেছিল পুলিশ। তবে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর এই ঘটনা নিয়ে নতুন তথ্য বেরিয়ে আসে। অভিযোগকারীর বক্তব্য: নিহতদের মধ্যে ইবরাহীম নামে এক মাদরাসা শিক্ষার্থীর বাবা ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ করেন যে, তাঁর ছেলেকে গুম করার পর সাজানো নাটকের মাধ্যমে হত্যা করা হয়েছে। তদন্ত সংস্থার দাবি: প্রসিকিউশন জানিয়েছে, দীর্ঘ তদন্তে প্রমাণ পাওয়া গেছে যে এটি কোনো জঙ্গিবিরোধী প্রকৃত অভিযান ছিল না, বরং পরিকল্পিতভাবে নিরস্ত্র ব্যক্তিদের ধরে এনে হত্যা করা হয়েছিল।   চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদন যাচাই-বাছাই শেষে আজ তা আদালতে পেশ করা হয়েছে। ট্রাইব্যুনাল এই অভিযোগপত্র গ্রহণ করে শুনানির জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করবেন।   এটি দেশের ইতিহাসের অন্যতম বড় একটি মামলা যেখানে পুলিশের একাধিক সাবেক আইজিপি এবং প্রভাবশালী কমিশনার পর্যায়ের কর্মকর্তারা সরাসরি মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে বিচারের মুখোমুখি হচ্ছেন। বিগত সরকারের আমলে ‘ক্রসফায়ার’ বা ‘বন্দুকযুদ্ধের’ নামে হওয়া বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডগুলোর জবাবদিহিতা নিশ্চিতের পথে এটিকে একটি বড় মাইলফলক হিসেবে দেখছেন মানবাধিকার কর্মীরা।

Unknown ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৬ 0

বাংলাদেশ বিমানের এমডি গ্রেফতার

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সাফিকুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত

গৃহকর্মী নির্যাতন: স্ত্রীসহ বিমানের এমডি কারাগারে

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আব্দুল্লাহ হিল আমান আল আযমী

যমটুপি পরানোর পরও ডিজিএফআই কর্মকর্তা মকছুরুলকে চিনতে পারি

0 Comments