অপরাধ

প্রধান অতিথি নির্বাচনের দ্বন্দ্বে বিএনপি কর্মীকে পিটিয়ে হত্যা

মাহফিলের প্রধান অতিথি হওয়া নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘাত: বিএনপি কর্মী এরশাদ আলী নিহত

আরাফাত ইবনে আব্দুল্লাহ ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬ 0
বিএনপি কর্মীকে পিটিয়ে হত্যা
বিএনপি কর্মীকে পিটিয়ে হত্যা

রাজশাহীর চারঘাট উপজেলায় একটি ইসলামি জলসার প্রধান অতিথি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল চরম আকার ধারণ করেছে। উপজেলার ইউসুফপুর সিপাইপাড়া এলাকায় শুক্রবার রাতে প্রতিপক্ষ গ্রুপের লাঠিপেটায় এরশাদ আলী (৬৫) নামে এক বিএনপি কর্মী নিহত হয়েছেন। রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তার এবং মাহফিলের অতিথি নির্বাচন নিয়ে সৃষ্ট এই বিরোধ শেষ পর্যন্ত এক মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডে রূপ নিল, যা পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে।

 

নিহত এরশাদ আলী স্থানীয় ইউসুফপুর ইউনিয়ন বিএনপির সক্রিয় সদস্য এবং সাবেক সংসদ সদস্য আবু সাঈদ চাঁদের ঘনিষ্ঠ অনুসারী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার সূত্রপাত হয় শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর স্থানীয় মসজিদে আয়োজিত একটি সভায়। আসন্ন একটি ওয়াজ মাহফিলের প্রধান অতিথি হিসেবে এক পক্ষ জেলা বিএনপি নেতা আনোয়ার হোসেন উজ্জ্বলের নাম প্রস্তাব করলে এরশাদ আলী ও তার সঙ্গীরা আবু সাঈদ চাঁদের নাম প্রস্তাব করেন। এই নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা শুরু হলে সভাটি কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই পণ্ড হয়ে যায়।

 

এই বিরোধের রেশ ধরে শুক্রবার রাত ৯টার দিকে তারাবির নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে এরশাদ আলীর ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, আনোয়ার হোসেন উজ্জ্বলের অনুসারী হিসেবে পরিচিত সাইদুর রহমান, সুমন, সাব্বির ও আশাদুলসহ একদল যুবক লাঠি ও পেয়ারা গাছের ডাল দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে গুরুতর জখম করে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চারঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। চারঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আফজাল হোসেন জানিয়েছেন, ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্তদের ধরতে পুলিশি অভিযান শুরু হয়েছে এবং মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো প্রকাশ: বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বণ্টনের খসড়া তালিকা

ঢাকা: দেশের সম্ভাব্য নতুন সরকার গঠনকে সামনে রেখে প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো সংবলিত একটি আনুষ্ঠানিক কমিউনিক্যে প্রকাশিত হয়েছে। এতে রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের দায়িত্ব বণ্টনের একটি খসড়া তালিকা তুলে ধরা হয়েছে।   কমিউনিক্যে বলা হয়েছে, এটি সরকারি নথি ও আনুষ্ঠানিক রেফারেন্সের উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করা একটি প্রস্তাবিত কাঠামো, যেখানে প্রতিষ্ঠিত সরকারি প্রোটোকল অনুযায়ী সম্ভাব্য নিয়োগ ও দায়িত্ব বণ্টনের বিষয়গুলো উল্লেখ রয়েছে।   প্রস্তাবিত দায়িত্ব বণ্টন অনুযায়ী—     •    রাষ্ট্রপতি: ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন     •    জাতীয় সংসদের স্পিকার: অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন / নিতাই রায় চৌধুরী     •    প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী: তারেক রহমান      •    স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর     •    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: সালাহউদ্দিন আহমেদ প্রতিমন্ত্রী: শহীদ উদ্দিন চৌধুরী (অ্যানি)     •    পররাষ্ট্রমন্ত্রী: আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী: ড. হুমায়ুন কবির     •    অর্থমন্ত্রী: ড. এ. বি. মির্জা আজিজুল ইসলাম / ড. রেজা কিবরিয়া (তালিকায় উল্লেখিত অনুযায়ী)     •    শিক্ষামন্ত্রী: আনাম এহসানুল হক মিলন, প্রতিমন্ত্রী: সাঈদ আল নোমান     •    আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী: মো. আসাদুজ্জামান     •    তথ্যমন্ত্রী: আন্দালিব রহমান পার্থ, প্রতিমন্ত্রী: ড. মাহদি আমিন     •    পরিকল্পনামন্ত্রী: ড. আব্দুল মঈন খান     •    বাণিজ্যমন্ত্রী: আব্দুল মুক্তাদির     •    শিল্পমন্ত্রী: আব্দুল আউয়াল মিন্টু     •    নৌপরিবহন মন্ত্রী: মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ     •    শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী: নজরুল ইসলাম খান     •    পানি সম্পদ মন্ত্রী: আসাদুল হাবিব দুলু     •    মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী: ফজলুর রহমান     •    সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী: আমানউল্লাহ আমান     •    সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী: জোনায়েদ সাকি     •    স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী: ড. এ. জেড. এম. জাহিদ হোসেন     •    যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী: আলী আজগর লবি     •    ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী: শামীম কায়সার লিংকন     •    বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী: আলতাফ হোসেন চৌধুরী     •    বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী: ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু     •    কৃষিমন্ত্রী: শামসুজ্জামান দুদু     •    গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী: মির্জা আব্বাস     •    ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী: নুরুল হক নুর     •    রেলপথমন্ত্রী: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়     •    জনপ্রশাসন মন্ত্রী: ড. ইসমাইল জাবিউল্লাহ     •    সমাজকল্যাণ মন্ত্রী: রুহুল কবির রিজভী     •    পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী: দীপেন দেওয়ান   কমিউনিক্যে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এটি একটি প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো—চূড়ান্ত ঘোষণা, নিয়োগ এবং শপথ গ্রহণ সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় প্রক্রিয়া অনুযায়ী সম্পন্ন হবে।

Advertisement

অপরাধ

View more
কিশোরী নাতনিকে অপহরণ
এবার নাতনিকে তুলে নিয়ে ‘ধর্ষণ’ করে হত্যা, উঠানে দাদির মরদেহ

পাবনার ঈশ্বরদীতে এক ভয়াবহ ও নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়নের ভবানিপুর উত্তরপাড়া গ্রামে শনিবার গভীর রাতে ঘরে ঢুকে বৃদ্ধা দাদিকে কুপিয়ে হত্যার পর কিশোরী নাতনিকে অপহরণ করে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। পরে বাড়ির পাশের একটি সরিষাক্ষেত থেকে ওই কিশোরীর বিবস্ত্র মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এই লোমহর্ষক ঘটনায় পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে।   নিহতরা হলেন ভবানিপুর উত্তরপাড়া গ্রামের নজিমুদ্দিনের স্ত্রী সুফিয়া খাতুন (৬৫) এবং তার ১৫ বছর বয়সী নাতনি জামিলা আক্তার। স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, রাত আনুমানিক ২টার দিকে বাড়িতে হঠাৎ কান্নাকাটির শব্দ শুনতে পান প্রতিবেশীরা। সকালে বাড়ির উঠানে সুফিয়া খাতুনের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। নাতনি জামিলা নিখোঁজ থাকায় খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে পার্শ্ববর্তী সরিষাক্ষেতে তার মৃতদেহ পাওয়া যায়। নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, কিশোরীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের উদ্দেশ্যেই দুর্বৃত্তরা বাড়িতে হানা দিয়েছিল। দাদি বাধা দেওয়ায় তাকে নির্মমভাবে খুন করে নাতনিকে তুলে নিয়ে যায় এবং পাশবিক নির্যাতনের পর তাকেও শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়।   ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিনুজ্জামান এবং ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে এটি একটি সুপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড এবং ধর্ষণের ঘটনা বলে ধারণা করা হচ্ছে। মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে। উল্লেখ্য, সম্প্রতি নরসিংদীতেও প্রায় একই কায়দায় এক কিশোরীকে হত্যার ঘটনা ঘটেছিল, যা দেশের নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬ 0
বিএনপি কর্মীকে পিটিয়ে হত্যা

মাহফিলের প্রধান অতিথি হওয়া নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘাত: বিএনপি কর্মী এরশাদ আলী নিহত

হত্যা

ফরিদপুরে তুচ্ছ ঘটনায় যুবককে পিটিয়ে হত্যা: দম্পতি আটক

ছবি: সংগৃহীত

নকল টাকা উদ্ধারের নামে পৌনে ৪ কোটি টাকা লোপাট, গোয়েন্দা পুলিশের অভিযান ‘নাটক’ বলে প্রমাণিত

ছিনতাই । প্রতীকী ছবি
ছিনতাইয়ের কবলে পড়ছে শিক্ষার্থী-নাগরিকরা, নিরাপত্তাহীনতায় উদ্বিগ্ন শহর

ময়মনসিংহে ছিনতাই ও হত্যার ঘটনায় নিরাপত্তাহীনতার চিত্র ফুটে উঠেছে। ১৮ ফেব্রুয়ারি ব্রহ্মপুত্র নদের চরে ঘুরতে গিয়ে ছিনতাইকারীদের ধাওয়ায় আনন্দ মোহন কলেজের শিক্ষার্থী নুরুল্লাহ শাওন নিখোঁজ হন; দুদিন পর তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা পুলিশ সুপারের কার্যালয় ঘেরাও করে খুনিদের গ্রেপ্তারের জন্য আলটিমেটাম দেন।   ২০২৫ সালে ময়মনসিংহ জেলায় ১১১টি হত্যাকাণ্ডের মধ্যে অন্তত ২০টি ছিনতাই-সংশ্লিষ্ট। নগরীর বিভিন্ন এলাকায় প্রতি মাসে গড়ে এক হাজারেরও বেশি ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে আইনি জটিলতা, পুলিশের প্রতি অনাস্থা ও সামাজিক হয়রানির ভয়ে অনেক ভুক্তভোগী থানায় অভিযোগ করতে নারাজ।   শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের অভিজ্ঞতা অনুযায়ী, নগরীর শম্ভুগঞ্জ, মীরবাড়ি, কলেজ রোড, স্টেশন রোড, সানকিপাড়া, কাশর রোড, বাইপাস মোড়সহ অন্তত ২০টি এলাকা ‘হটস্পট’ হিসেবে চিহ্নিত। অটোরিকশা, মোটরসাইকেল ও নদী তীরের মতো জনবহুল ও নির্জন জায়গায় ছিনতাই হচ্ছে। গ্রেপ্তার ছিনতাইকারীদের প্রায় ৯০ শতাংশই মাদকাসক্ত এবং জেল থেকে বের হয়ে আবারও অপরাধে লিপ্ত হচ্ছে।   আইনজীবী ও নাগরিকরা মনে করছেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও আইনি ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা প্রধান কারণ। সচেতন নাগরিকরা সুপারিশ করেছেন সিভিল পোশাকে সার্বক্ষণিক টহল, প্রতিটি মোড়ে সিসিটিভি ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ট্র্যাকিং, ‘বিট পুলিশিং’, দ্রুত বিচার নিশ্চিতকরণ এবং জড়িতদের জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন।

নিলুফা ইয়াসমিন ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

হাজারীবাগে স্কুলছাত্রীকে কুপিয়ে হত্যা: ঘাতক সিয়াম গ্রেপ্তার, উদ্ধার রক্তমাখা ছুরি

যুবলীগ নেতা সম্রাটের ২০ বছরের কারাদণ্ড, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

যুবলীগ নেতা সম্রাটের ২০ বছরের কারাদণ্ড, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

তাজুল ইসলাম

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ‘রাজসাক্ষী নাটক’ ও দুর্নীতির অভিযোগ: তাজুল ইসলামের বিদায়বেলায় তোলপাড়

ফাইল ছবি
নৌকায় তুলে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, চারজনের যাবজ্জীবন

জোরপূর্বক নৌকায় তুলে বুড়িগঙ্গা নদীর মাঝখানে নিয়ে এক যুবতীকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণের ঘটনায় চার জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং প্রত্যেককে ১ লাখ টাকা করে জরিমানার আদেশ দিয়েছেন ঢাকার একটি ট্রাইব্যুনাল।   দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন শহিদুল ইসলাম, নিজাম, মনির হোসেন সেন্টু ও সাইফুল ইসলাম। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।   মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০০৯ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর বিকেলে ২৫ বছর বয়সী ভুক্তভোগী যুবতী তার এক বান্ধবীর সঙ্গে কামরাঙ্গীরচর থানাধীন আশ্রাফাবাদ এলাকায় বেড়াতে যান। সন্ধ্যার দিকে কয়েকজন আসামি তাকে জোরপূর্বক একটি নৌকায় তুলে বুড়িগঙ্গা নদীর মাঝখানে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করেন। পরে তাকে একটি বাড়ির কক্ষে আটকে রাখা হয়।   পরবর্তীতে পরিবারের সদস্যরা ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন এবং এ ঘটনায় কামরাঙ্গীরচর থানায় মামলা দায়ের করা হয়। তদন্ত শেষে পুলিশ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(৩) ধারায় চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে।   মামলার বিচার চলাকালে আটজন সাক্ষী বিভিন্ন সময়ে ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দেন। সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত আসামিদের দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ প্রদান করেন।   প্রতিবেদকঃ শ্যামল সান্যাল

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬ 0
বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) এমডি মাহবুব মোর্শেদ

বাসস এমডির দুর্নীতি অভিযোগে তদন্ত কমিটি গঠন

শেখ হাসিনাকে ফেরাতে যে পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার

বরিশালে জমিজমার বিরোধে নিহত বিএনপি নেতা

বরিশালে জমিজমার বিরোধে নিহত বিএনপি নেতা

0 Comments