আন্তর্জাতিক

চাঞ্চল্যকর দাবি যুক্তরাজ্যের

বিষপ্রয়োগে হত্যা করা হয়েছে অ্যালেক্সেই নাভালনিকে!

ইশতিয়াক মাহমুদ ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬ 0
অ্যালেক্সেই নাভালনি
অ্যালেক্সেই নাভালনি

রাশিয়ার প্রয়াত বিরোধী দলীয় নেতা অ্যালেক্সেই নাভালনির মৃত্যু নিয়ে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এনেছে যুক্তরাজ্য। ব্রিটিশ সরকারের দাবি, নাভালনিকে একটি বিষাক্ত ব্যাঙের বিষ (dart frog toxin) প্রয়োগ করে হত্যা করা হয়েছে।

 

জার্মানিতে চলমান ২০২৬ সালের মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে (Munich Security Conference) এই বিস্ফোরক অভিযোগ তোলেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্র সচিব ইভেট কুপার।

 

পররাষ্ট্র সচিব কুপার সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যে বলেন, যুক্তরাজ্য সরকারের কাছে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ রয়েছে যে নাভালনিকে বিষপ্রয়োগে হত্যা করা হয়েছে। তিনি সরাসরি রুশ সরকারের দিকে আঙুল তুলে বলেন, "রাশিয়ার কারাগারে বন্দি থাকাকালীন নাভালনির ওপর এই মারাত্মক প্রাণঘাতী বিষ ব্যবহারের সামর্থ্য, উদ্দেশ্য এবং সুযোগ—সবই একমাত্র রুশ সরকারের ছিল।"

 

কী এই ‘ডার্ট ফ্রগ টক্সিন’? এটি মূলত দক্ষিণ আমেরিকার এক ধরণের বিশেষ প্রজাতির রঙিন ব্যাঙের দেহ থেকে নির্গত অত্যন্ত বিষাক্ত পদার্থ। এটি মানুষের স্নায়ুতন্ত্রকে দ্রুত অকেজো করে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ করে দিতে সক্ষম। অতীতেও রাশিয়ার বিরুদ্ধে তাদের বিরোধীদের ওপর বিরল এবং অত্যাধুনিক বিষ প্রয়োগের অভিযোগ উঠেছে।

 

প্রেক্ষাপট: উল্লেখ্য, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের কট্টর সমালোচক হিসেবে পরিচিত অ্যালেক্সেই নাভালনি ২০২৪ সালের শুরুতে রাশিয়ার একটি দুর্গম মেরু অঞ্চলের কারাগারে বন্দি অবস্থায় মারা যান। সেই সময় ক্রেমলিন দাবি করেছিল যে, স্বাভাবিক কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে। তবে নাভালনির পরিবার এবং সমর্থকরা শুরু থেকেই একে ‘রাষ্ট্রীয় মদতে হত্যাকাণ্ড’ বলে দাবি করে আসছিলেন।

 

মিউনিখ সম্মেলনে যুক্তরাজ্যের এই নতুন দাবি আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। এই ঘটনার পর রাশিয়ার ওপর নতুন করে কঠোর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে এই অভিযোগের বিষয়ে মস্কোর পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

 

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতারা এই তথ্যের সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের বিমানবাহী রণতরী কিছুই না; মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা

মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন।   পার্সটুডে- মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন।   মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা স্কট রিটার সতর্ক করে বলেছেন যে পশ্চিমারা সর্বদা তার গুপ্তচর সংস্থাগুলির মাধ্যমে ইরানের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক ভিত্তি ধ্বংস করতে চাইছে এবং অপর্যাপ্তভাবে নিয়ন্ত্রিত তথ্য-যোগাযোগ রুট ব্যবহার করে কিছু ইরানিকে তাদের এজেন্ট নিয়োগ করেছে।   ক্ষেপণাস্ত্র ইরানের জন্য একটি পছন্দসই আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয় পার্সটুডে অনুসারে, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরিসর সীমিত করার বিষয়ে মার্কিন কর্মকর্তাদের বক্তব্যের কথা উল্লেখ করে রিটার ব্যাখ্যা করেছেন যে এই শর্তটি বাস্তবে "নিরস্ত্রীকরণ" এবং ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের কাছ থেকে "কৌশলগত আত্মহত্যার" অনুরোধের সমতুল্য। তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে ক্ষেপণাস্ত্র শুধুমাত্র ইরানের জন্য একটি কাঙ্ক্ষিত আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয়, বরং প্রতিরোধ ও বেঁচে থাকার মেরুদণ্ড এবং এই স্তম্ভটি অপসারণকারী যেকোনো চেষ্টো ইরানকে অরক্ষিত করে তুলবে। তিনি যুক্তি দেন যে ইরান যদি তার ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা এতটাই কমিয়ে দেয় যে তারা আর ইসরায়েলে আঘাত করতে পারবে না, তাহলে ইসরায়েল প্রতিশোধের ভয় ছাড়াই ইরানে আক্রমণ করবে।   ইরানের সাথে যুদ্ধ নীতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অক্ষমতা আমেরিকান বিশ্লেষক স্পষ্ট করে বলেন যে ইরানের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ এড়ানোর মূল কারণ কৌশলগত অক্ষমতা। তিনি বলেন, যেকোনও সামরিক আক্রমণ ইরানকে এমন প্রতিক্রিয়ার দিকে ঠেলে দেবে যা একই সাথে মার্কিন বাহিনী এবং স্বার্থের জন্য গুরুতর ক্ষতি বয়ে আনতে পারে। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে এই ধরনের পরিবেশে ইরানের সাথে যুদ্ধ কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কৌশলগত সুবিধাতো আনবেই না বরং ট্রাম্পের জন্য একটি অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিপর্যয়ও হতে পারে। ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কেবল ইসরায়েলের স্বার্থ রক্ষার জন্য।   আলোচনা একটি ফাঁদ সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা পরামর্শ দেন যে ইরানের উচিত দুর্বলতা থেকে নয়, বরং ওয়াশিংটনে রাজনৈতিক অজুহাতের পথ বন্ধ করার জন্য আলোচনায় প্রবেশ করা। তবে, রিটার সতর্ক করে দেন যে ইরানি কর্মকর্তাদের সর্বদা ধরে নেওয়া উচিত যে আলোচনা "একটি ফাঁদ"। কূটনীতির মাধ্যম বজায় রেখে, ইরানের উচিত তার সামরিক ও গোয়েন্দা যন্ত্রপাতিকে পূর্ণ সতর্ক রাখা । স্কট রিটার সাম্প্রতিক নৌ সংঘর্ষকে আমেরিকার শ্রেষ্ঠত্ব বা আগ্রাসনের লক্ষণ হিসেবে নয়, বরং ইরানের প্রবেশাধিকার-বিরোধী এবং আঞ্চলিক-বিরোধী ক্ষমতার প্রতি ওয়াশিংটনের কৌশলগত ভয়ের প্রতিফলন। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে ইরানের নতুন প্রজন্মের নির্ভুল, কৌশলগত এবং হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের সামনে মার্কিন বিমানবাহী রণতরীগুলি "অপ্রচলিত" সিস্টেমে পরিণত হয়েছে।   প্রধান হুমকি: ভেতর থেকে পতনের জন্য মানসিক যুদ্ধ অবশেষে, স্কট রিটার "মানসিক যুদ্ধ" নামক একটি ধারণার কথা উল্লেখ করেছেন; এমন একটি যুদ্ধ যেখানে, তিনি যুক্তি দেন, সরাসরি সামরিক সংঘাতের চেয়ে অনেক বেশি বিপজ্জনক, কারণ এর লক্ষ্য হল একটি গুলি না চালিয়েও একটি সমাজকে ভেতর থেকে ধ্বংস করা

Advertisement

আন্তর্জাতিক

View more
অ্যালেক্সেই নাভালনি
বিষপ্রয়োগে হত্যা করা হয়েছে অ্যালেক্সেই নাভালনিকে!

রাশিয়ার প্রয়াত বিরোধী দলীয় নেতা অ্যালেক্সেই নাভালনির মৃত্যু নিয়ে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এনেছে যুক্তরাজ্য। ব্রিটিশ সরকারের দাবি, নাভালনিকে একটি বিষাক্ত ব্যাঙের বিষ (dart frog toxin) প্রয়োগ করে হত্যা করা হয়েছে।   জার্মানিতে চলমান ২০২৬ সালের মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে (Munich Security Conference) এই বিস্ফোরক অভিযোগ তোলেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্র সচিব ইভেট কুপার।   পররাষ্ট্র সচিব কুপার সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যে বলেন, যুক্তরাজ্য সরকারের কাছে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ রয়েছে যে নাভালনিকে বিষপ্রয়োগে হত্যা করা হয়েছে। তিনি সরাসরি রুশ সরকারের দিকে আঙুল তুলে বলেন, "রাশিয়ার কারাগারে বন্দি থাকাকালীন নাভালনির ওপর এই মারাত্মক প্রাণঘাতী বিষ ব্যবহারের সামর্থ্য, উদ্দেশ্য এবং সুযোগ—সবই একমাত্র রুশ সরকারের ছিল।"   কী এই ‘ডার্ট ফ্রগ টক্সিন’? এটি মূলত দক্ষিণ আমেরিকার এক ধরণের বিশেষ প্রজাতির রঙিন ব্যাঙের দেহ থেকে নির্গত অত্যন্ত বিষাক্ত পদার্থ। এটি মানুষের স্নায়ুতন্ত্রকে দ্রুত অকেজো করে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ করে দিতে সক্ষম। অতীতেও রাশিয়ার বিরুদ্ধে তাদের বিরোধীদের ওপর বিরল এবং অত্যাধুনিক বিষ প্রয়োগের অভিযোগ উঠেছে।   প্রেক্ষাপট: উল্লেখ্য, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের কট্টর সমালোচক হিসেবে পরিচিত অ্যালেক্সেই নাভালনি ২০২৪ সালের শুরুতে রাশিয়ার একটি দুর্গম মেরু অঞ্চলের কারাগারে বন্দি অবস্থায় মারা যান। সেই সময় ক্রেমলিন দাবি করেছিল যে, স্বাভাবিক কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে। তবে নাভালনির পরিবার এবং সমর্থকরা শুরু থেকেই একে ‘রাষ্ট্রীয় মদতে হত্যাকাণ্ড’ বলে দাবি করে আসছিলেন।   মিউনিখ সম্মেলনে যুক্তরাজ্যের এই নতুন দাবি আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। এই ঘটনার পর রাশিয়ার ওপর নতুন করে কঠোর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে এই অভিযোগের বিষয়ে মস্কোর পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।   বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতারা এই তথ্যের সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছেন।

ইশতিয়াক মাহমুদ ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬ 0
ওয়াকিল আহমেদের সঙ্গে দীপক কুমার। ছবি: বিবিসি

মুসলিম বৃদ্ধের পাশে দাঁড়িয়ে আলোচনায় এক হিন্দু যুবক

মধ্যপ্রাচ্যে দ্বিতীয় বিমানবাহী রণতরি পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

মধ্যপ্রাচ্যে দ্বিতীয় বিমানবাহী রণতরি পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম

তারেক রহমানকে মালয়েশীয় প্রধানমন্ত্রীর উষ্ণ অভিনন্দন

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ
তারেক রহমানকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদর নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসন পেয়ে জয়লাভ করায় বিএনপি ও দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ।   তিনি আজ শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে এক পোস্টে এ কথা জানান।   পাশাপাশি, সফলভাবে নির্বাচন আয়োজনের জন্য বাংলাদেশের জনগণকেও তিনি শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।   তিনি বলেছেন, "আমি নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার অপেক্ষায় আছি, যাতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ও বাংলাদেশ-এর সঙ্গে আমাদের ঐতিহাসিক ও ভ্রাতৃপ্রতিম, বহুমুখী দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার করা যায় এবং দক্ষিণ এশিয়া ও এর বাইরেও শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের যৌথ স্বপ্ন এগিয়ে নেওয়া যায়।"

ইশতিয়াক মাহমুদ ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬ 0
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

তারেক রহমানকে অভিনন্দন মমতার

ছবি: সংগৃহীত

শ্রীলঙ্কায় গণঅভ্যুত্থানে এমপিকে পিটিয়ে হত্যায় ১২ জনের ফাঁসি

শ্রীলঙ্কায় সংসদ সদস্যকে পিটিয়ে হত্যা

সংসদ সদস্যকে পিটিয়ে হত্যা, শ্রীলঙ্কায় ১২ জনের মৃত্যুদণ্ড

জনগণ আমাদের ভোট দেবে; নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী তারেক রহমান

দীর্ঘ প্রায় দুই দশকের নির্বাসন কাটিয়ে দেশে ফেরা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান বৃহস্পতিবারের (১২ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় নির্বাচনে দলের নিরঙ্কুশ জয়ের ব্যাপারে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। তিনি বিশ্বাস করেন, টানা ১৭ বছরের বেশি সময় ধরে ভোটাধিকার ও গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রামের পর জনগণ এবার ব্যালটের মাধ্যমে বিএনপির পক্ষেই রায় দেবে। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) ঢাকায় আরব নিউজকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন। বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, বিএনপি দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় দল। আমরা দীর্ঘ সময় ধরে জনগণের ভোটাধিকারের জন্য রাজপথে সংগ্রাম করেছি। আমি বিশ্বাস করি, জনগণ আমাদের ভোট দেবে এবং ইনশাআল্লাহ আমরা নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করব। বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে বিএনপি ছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ আরও ৫০টি রাজনৈতিক দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। ধারণা করা হচ্ছে, জামায়াতে ইসলামী পরবর্তী সংসদে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে আবির্ভূত হতে পারে। অন্যদিকে, ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত ও পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগকে এই নির্বাচনে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জাতীয় নিরাপত্তা এবং যুদ্ধাপরাধের তদন্তের স্বার্থে দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে। জাতিসংঘের মানবাধিকার অফিসের তথ্যমতে, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে তৎকালীন সরকারের দমন-পীড়নে প্রায় ১,৪০০ মানুষ নিহত হয়েছিলেন। ২০০৮ সালে দেশ ত্যাগের পর লন্ডনে নির্বাসিত জীবন কাটানো তারেক রহমান গত ডিসেম্বরের শেষ দিকে দেশে ফেরেন। বিমানবন্দর থেকে ঢাকা পর্যন্ত লাখো জনতা তাকে সংবর্ধনা জানায়। বিএনপির সাবেক চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর কয়েকদিন পর তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দলের চেয়ারম্যানের পদ গ্রহণ করেন।   নির্বাচনে জয়ী হলে প্রথম ১৮০ দিনের মধ্যে আইন-শৃঙ্খলা পুনরুদ্ধার, গণতান্ত্রিক সংস্কার এবং ব্যবসা-বান্ধব পরিবেশ তৈরিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানান তিনি। তারেক রহমান বলেন, তাদের কর্মসূচিতে ১ কোটি মানুষের কর্মসংস্থান, আইসিটি খাতের বিকাশ এবং এআই-চালিত প্রযুক্তির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে তিনি সৌদি আরবসহ উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহী। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেলে তার প্রথম সফরের গন্তব্য হবে সৌদি আরব। প্রতিবেশী ভারত ও পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে তিনি জানান, বিএনপির পররাষ্ট্রনীতি হবে জাতীয় স্বার্থ' কেন্দ্রিক। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিচারের বিষয়ে তারেক রহমান বলেন, আমরা দেশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে চাই। কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। এটি কোনো রাজনৈতিক আক্রোষ নয়, বরং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার প্রশ্ন। নিজের বিরুদ্ধে আনা অতীতের সকল দুর্নীতির অভিযোগকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, সকল প্রতিকূলতা সত্ত্বেও তিনি তার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দেশে ফিরেছেন এবং এখন একটি ঐতিহাসিক নির্বাচনের অপেক্ষায় আছেন। তথ্যসূত্র: আরব নিউজ

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬ 0
তেহরানে কড়াকড়ি, বিক্ষোভের পর বন্ধ হচ্ছে একের পর এক ব্যবসা

তেহরানে কড়াকড়ি, বিক্ষোভের পর বন্ধ হচ্ছে একের পর এক ব্যবসা

কানাডার অন্তত তিনটি বিমান সংস্থা কিউবাতে বিমান চলাচল বন্ধ করেছে

জ্বালানি সংকটে কিউবা: একের পর এক ফ্লাইট বাতিল করছে বিমান সংস্থাগুলো

কানাডার ব্রিটিশ কলম্বিয়া প্রদেশের একটি স্কুল

কানাডায় স্কুলে ভয়াবহ বন্দুক হামলা, অন্তত ১০ জন নিহত

0 Comments