মন্ত্রিসভা

ফাইল ফটো।
মন্ত্রিসভায় রদবদল: ৮ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পুনর্বণ্টন, কার দফতর কোথায়?

সরকারের প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে ৮ প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর পুনর্বণ্টন করা হয়েছে। বুধবার (৪ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়। নতুন এই বিন্যাসে বেশ কয়েকজন প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বের পরিধি সংকুচিত ও সুনির্দিষ্ট করা হয়েছে। দপ্তর পুনর্বণ্টনের বিস্তারিত চিত্র: মো. শরীফুল আলম: বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন। এখন থেকে তিনি শুধুমাত্র বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করবেন। সুলতান সালাউদ্দিন টুকু: কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকলেও এখন তাকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। হাবিবুর রশিদ: তাকে রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে। এর আগে তিনি সড়ক পরিবহন, রেলপথ ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে ছিলেন। মো. রাজিব আহসান: সড়ক পরিবহন, রেলপথ ও নৌপরিবহন থেকে সরিয়ে তাকে এখন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় এবং সেতু বিভাগের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি: অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকলেও বর্তমানে তিনি শুধুমাত্র পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব সামলাবেন। ফারজানা শারমীন: মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন। এখন থেকে তিনি সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। মো. নুরুল হক: শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে তাকে পূর্ণাঙ্গভাবে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ববি হাজ্জাজ: শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা এই প্রতিমন্ত্রীকে এখন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৪, ২০২৬ 0
সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়
মৃত্যু পর্যন্ত মন্ত্রিসভায় নথকাই প্রতিশ্রুতি দিলেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৩ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, তিনি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মন্ত্রিপরিষদে যোগ দেবেন না। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে কেরানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে সরকারি কর্মকর্তা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।   গয়েশ্বর জানান, মন্ত্রী পদ না থাকার বিষয়টি জানেই তিনি মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছিলেন। শপথ অনুষ্ঠানে রাগ করে চলে আসার বিষয়টি তিনি মিথ্যা হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, জনগণের পক্ষে লড়াই করা, নিয়ম প্রতিষ্ঠা ও দায়িত্ব পালনের মধ্যেই তাঁর প্রধান কাজ নিহিত।   তিনি ১৭ ফেব্রুয়ারি শপথ অনুষ্ঠানে ভাইরাল হওয়া বাগবিতণ্ডার ভিডিও সম্পর্কেও ব্যাখ্যা দেন। তিনি জানান, মন্ত্রিসভায় ডাক পেলে আগেই জানতেন এবং একজন সিনিয়র নেতা হিসেবে সামনের সারিতে বসার আসনও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু অনুষ্ঠানস্থলে একজন কর্মকর্তা বিষয়টি না জেনে মন্ত্রী ছাড়া অন্য সবাইকে আসন ছাড়তে বলেন, যা না করলে স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ) ডাকার হুমকিও দেন। এই পরিস্থিতির কারণে তিনি অনুষ্ঠান ত্যাগ করেন।   সভায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. উমর ফারুকের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. আব্দুস সাত্তার বেগের সঞ্চালনায় বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নিপুণ রায় চৌধুরী ও স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
জাতির উদ্দেশে তারেক রহমানের প্রথম ভাষণের সময়সূচি পুনর্নির্ধারণ

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ জাতির উদ্দেশে প্রথম ভাষণ দেবেন। বিএনপি দলীয় সূত্র ও নির্ভরযোগ্য গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ভাষণটি রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে সম্প্রচারিত হবে।   এর আগে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছিল, প্রধানমন্ত্রী সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় ভাষণ দেবেন। অনিবার্য কারণে তা পিছিয়ে রাত পৌনে ১০টায় নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণের পর এটি তার প্রথম আনুষ্ঠানিক দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য।   প্রথম কর্মদিবসে সকালেই সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী কর্মদিবস শুরু করেন। এরপর তিনি জিয়া উদ্যানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।   বিকেলে সচিবালয়ে নবগঠিত মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের সঙ্গে প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠকে মিলিত হন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠকে সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা এবং প্রশাসনিক গতিশীলতা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়। দেশের পরিবর্তিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে আজকের ভাষণকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ মনে করা হচ্ছে।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬ 0
শপথ নিলেন ২৫ মন্ত্রী
শপথ নিলেন ২৫ মন্ত্রী

তারেক রহমান–এর নেতৃত্বে নতুন সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ গ্রহণ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকাল চারটার পর মো. সাহাবুদ্দিন তাদের শপথবাক্য পাঠ করান। জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ।   অনুষ্ঠানে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা ছাড়াও অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতিনিধিবৃন্দ এবং বিভিন্ন পর্যায়ের আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। দক্ষিণ এশিয়ার কয়েকটি দেশের প্রতিনিধিরাও এ সময় উপস্থিত ছিলেন, যার মধ্যে ভারত, পাকিস্তান ও নেপাল–এর নেতারা উল্লেখযোগ্য।   শেখ হাসিনা–এর নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গঠিত অন্তর্বর্তী প্রশাসন প্রায় ১৮ মাস দায়িত্ব পালন করে। পরবর্তীতে জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন সরকার গঠিত হয়।   শপথ নেওয়া ২৫ জন সদস্য হলেন: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীরবিক্রম, আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন, আব্দুল আউয়াল মিন্টু, কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, মিজানুর রহমান মিনু, নিতাই রায় চৌধুরী, খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, আরিফুল হক চৌধুরী, জহির উদ্দিন স্বপন, আফরোজা খানম রিতা, মো. শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, আসাদুল হাবিব দুলু, মো. আসাদুজ্জামান, জাকারিয়া তাহের, দীপেন দেওয়ান, আ ন ম এহসানুল হক মিলন, সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, ফকির মাহবুব আনাম, শেখ রবিউল আলম, মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ ও খলিলুর রহমান।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬ 0
বঙ্গভবন নয়, কেন সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নতুন মন্ত্রিসভার শপথ
বঙ্গভবন নয়, কেন সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নতুন মন্ত্রিসভার শপথ?

ঐতিহ্য ভেঙে এবার এক নতুন ইতিহাসের সাক্ষী হতে যাচ্ছে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা। মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় এখানেই অনুষ্ঠিত হবে নতুন মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান।   গতানুগতিক বঙ্গভবনের চার দেয়াল পেরিয়ে কেন এই ঐতিহাসিক স্থানকে বেছে নেওয়া হলো, তা নিয়ে মুখ খুলেছেন আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।   কেন এই স্থানটি এতো তাৎপর্যপূর্ণ? ঐতিহাসিক গুরুত্ব: জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান এবং ‘জুলাই ঘোষণা’ ও ‘জুলাই সনদের’ মতো বিপ্লবের স্মৃতি জড়িয়ে আছে এই প্রাঙ্গণে।   আবেগের জায়গা: স্থানটি রাজনৈতিকভাবেও অত্যন্ত সংবেদনশীল। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জানাজা থেকে শুরু করে বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনের স্মৃতিবিজড়িত এই দক্ষিণ প্লাজা।   রাজনৈতিক সদিচ্ছা: আইন উপদেষ্টা জানিয়েছেন, বিএনপি নিজেই এই স্থানে শপথ অনুষ্ঠানের বিষয়ে তাদের অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছিল। বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে জনআকাঙ্ক্ষাকে গুরুত্ব দিতেই এই সিদ্ধান্ত।   এক নজরে শপথের সময়সূচী: সকাল ১০:০০টা: নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ। সিইসি এই শপথ পরিচালনা করতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।   সকাল ১১:৩০টা: বিএনপির সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচন।   বিকেল ৪:০০টা: নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি।   রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসস সূত্রে জানা গেছে, প্রস্তুতির কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়ে গেছে। গণ-অভ্যুত্থানের চেতনাকে ধারণ করে এক নতুন বাংলাদেশের যাত্রার সাক্ষী হতে যাচ্ছে সংসদ ভবনের এই আঙিনা।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬ 0
সংসদ ভবন এলাকা | ফাইল ছবি
বঙ্গভবন নয়, তাহলে মন্ত্রিসভার শপথ এবার কোথায় অনুষ্ঠিত হবে?

প্রথমবারের মতো জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে নতুন মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। আগামী মঙ্গলবার বিকেলে এ শপথ অনুষ্ঠিত হবে। একই দিন সকালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠানও আয়োজন করা হয়েছে।   সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ১৭ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার সকালে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দীন। বিকেলে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায়। সংবিধান অনুযায়ী মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি।   সাধারণত মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান বঙ্গভবনের দরবার হলে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। তবে এবার রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ব্যতিক্রম হিসেবে জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণের দক্ষিণ প্লাজায় এ আয়োজন করা হচ্ছে। গণতন্ত্রের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে জাতীয় সংসদের গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়েই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।   গত বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। পরদিন শুক্রবার রাতে নির্বাচনে বিজয়ীদের গেজেট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন। ইতোমধ্যে শপথ অনুষ্ঠানের জন্য প্রস্তুতি শুরু করেছে জাতীয় সংসদ সচিবালয়। সচিব কানিজ মওলা জানিয়েছেন, আপাতত ১৭ ফেব্রুয়ারির শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।   এদিকে নতুন মন্ত্রিসভার শপথ আগামী তিন থেকে চার দিনের মধ্যেই হতে পারে বলে আগে জানিয়েছিলেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আবদুর রশীদ। যদিও প্রাথমিকভাবে বঙ্গভবনে শপথ অনুষ্ঠানের কথা বলা হয়েছিল, পরে রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে তা জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।   উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণ–অভ্যুত্থানের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে এবং ৬ আগস্ট সংসদ ভেঙে দেওয়া হয়। প্রায় দেড় বছর পর একটি নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নিতে যাচ্ছে। এই সময়ে জাতীয় সংসদ ভবনকে কেন্দ্র করে সংবিধান সংস্কার কমিশন, নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।   ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয় এবং ইতোমধ্যে ২৯৭ আসনের গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনে দুই–তৃতীয়াংশের বেশি সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে দুই দশক পর সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলটি পেয়েছে ২০৯টি আসন। তাদের শরিকরা পেয়েছে তিনটি আসন। অন্যদিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পেয়েছে ৬৮টি আসন এবং তাদের নেতৃত্বাধীন জোটের অন্য শরিকরা পেয়েছে ৯টি আসন।   দেড় বছর পর নির্বাচিত সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের মধ্য দিয়ে দেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণের পথে নতুন যাত্রা শুরু হতে যাচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬ 0
মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশিদ।
মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

দেশের পরবর্তী প্রশাসনিক রূপরেখা নির্ধারণে শুরু হয়েছে ক্ষণগণনা। নতুন মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশিদ। সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনই নতুন মন্ত্রীদের শপথ পাঠ করাবেন। সচিবালয়ে আজ সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি নিশ্চিত করেন যে, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এই মাহেন্দ্রক্ষণের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত।   মূল যে বিষয়গুলো আপনার জানা প্রয়োজন: শপথ কে পড়াবেন: আওয়ামী লীগ আমলে নিযুক্ত বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনই সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় শপথ বাক্য পাঠ করাবেন।   অতিথি তালিকা: রাজকীয় এই অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পারেন প্রায় এক হাজার দেশি-বিদেশি অতিথি।   প্রস্তুতি: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ইতোমধ্যে অনুষ্ঠান আয়োজনের যাবতীয় প্রশাসনিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।   সংবিধানের ধারা বজায় রেখে এই নতুন পথচলা দেশের রাজনীতিতে কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেটাই দেখার বিষয়।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

Top week

ফাইল ফটো।
আমেরিকা

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৮, ২০২৬ 0