বিনোদন

পরকীয়ার ভাঙলো মৌসুমী হামিদের সংসার: বিচ্ছেদের পথে জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
ছবি: সংগৃহীত।

শোবিজ অঙ্গনে ফের ভাঙনের সুর। দীর্ঘদিনের প্রেম আর ঢাকঢোল পিটিয়ে করা বিয়ের আখ্যান এবার রূপ নিল বিচ্ছেদের করুণ পরিণতিতে। 


ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মৌসুমী হামিদ ও লেখক আবু সাইয়িদ রানার দুই বছরের সাজানো সংসার এখন ভাঙনের মুখে। অভিযোগের আঙুল উঠেছে স্বামী রানার পরকীয়ার দিকে।


২০২৪ সালের ১২ জানুয়ারি জমকালো আয়োজনে ঘর বেঁধেছিলেন এই তারকা দম্পতি। কিন্তু বিয়ের বছর দুয়েক পার হতেই সম্পর্কে ধরেছে ফাটল। জানা গেছে, গত বছরের নভেম্বর মাস থেকেই তারা আলাদা থাকছেন।


শোবিজের অন্দরে জোর গুঞ্জন, নুসরাত তুবা নামে এক তরুণীর সঙ্গে রানার ঘনিষ্ঠতাই এই টানাপোড়েনের মূল কারণ। রানা এবং তুবা একটি নির্মাণ প্রতিষ্ঠানে একসাথে কাজ করার সুবাদেই নাকি তাদের এই কথিত প্রেমের সূত্রপাত।


মৌসুমী হামিদ বিষয়টি নিশ্চিত করে গণমাধ্যমকে জানান, যা রটেছে তা সত্যি। তবে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ায় বর্তমানে বিস্তারিত কথা বলার অবস্থায় তিনি নেই। অন্যদিকে, পরিস্থিতির অবনতি ঘটলে রানা নিজেই বিচ্ছেদের আবেদন জানিয়েছেন বলে জানা গেছে। 


নেটিজেনদের একাংশ মনে করছেন, নিজের দোষ ঢাকতেই রানা এমন চরম সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

বিয়ের মাধ্যমে আমেরিকার নাগরিকত্ব কি বন্ধ? ইউএস ইমিগ্রেশন ওয়েবসাইটে কী বলা আছে

সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্রে বিয়ের মাধ্যমে নাগরিকত্ব বা গ্রীন কার্ড পাওয়ার নিয়ম বন্ধ হয়ে গেছে। তবে মার্কিন ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ ইউএস সিটিজেনশিপ এন্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিস  এর অফিসিয়াল তথ্য অনুযায়ী এই দাবি সঠিক নয়। সংস্থাটি জানিয়েছে, বিয়ের মাধ্যমে এখনও গ্রীন কার্ড এবং পরে নাগরিকত্ব পাওয়ার সুযোগ রয়েছে, তবে আবেদনকারীদের নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলতে হবে এবং বর্তমানে যাচাই-বাছাই আগের তুলনায় বেশি কঠোর করা হয়েছে। ইউএসসিআইএসের নিয়ম অনুযায়ী, একজন মার্কিন নাগরিক বা গ্রীন কার্ডধারী তার স্বামী বা স্ত্রীর জন্য পারিবারিক ভিত্তিতে অভিবাসনের আবেদন করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে প্রথমে বৈধ বিয়ের প্রমাণসহ আবেদন জমা দিতে হয়। আবেদন অনুমোদিত হলে বিদেশি স্বামী বা স্ত্রী গ্রীন কার্ড পেতে পারেন এবং স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে থাকার অনুমতি পাবেন। সাধারণত মার্কিন নাগরিককে বিয়ে করলে প্রক্রিয়া তুলনামূলক দ্রুত হয়, আর গ্রীন কার্ডধারীকে বিয়ে করলে অপেক্ষার সময় কিছুটা বেশি হতে পারে। গ্রীন কার্ড পাওয়ার পর নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করার নিয়মও আগের মতোই রয়েছে। ইমিগ্রেশন নীতিমালা অনুযায়ী, যদি কেউ মার্কিন নাগরিককে বিয়ে করে গ্রীন কার্ড পান এবং কমপক্ষে তিন বছর একসাথে বসবাস করেন, তাহলে তিনি নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারেন। আর যদি গ্রীন কার্ডধারীকে বিয়ে করেন, তাহলে সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে পাঁচ বছর পূর্ণ হলে নাগরিকত্বের আবেদন করা যায়। ইমিগ্রেশন বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রে বেশি সাক্ষাৎকার নেওয়া হচ্ছে, অতিরিক্ত কাগজপত্র চাওয়া হচ্ছে এবং যৌথ ব্যাংক হিসাব, বাসার ঠিকানা, ট্যাক্স নথি ও পারিবারিক প্রমাণ জমা দিতে হচ্ছে। ভুয়া বিয়ের মাধ্যমে সুবিধা নেওয়া ঠেকাতে এই যাচাই-বাছাই বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া আবেদন প্রক্রিয়ায় সময় বেশি লাগার কারণেও অনেকের মধ্যে ভুল ধারণা তৈরি হয়েছে যে বিয়ের মাধ্যমে নাগরিকত্ব বন্ধ হয়ে গেছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বিয়ের মাধ্যমে আমেরিকার নাগরিকত্ব বা গ্রীন কার্ড বন্ধ হয়নি। তবে বর্তমানে আবেদন প্রক্রিয়া কঠোর হয়েছে এবং প্রতিটি ক্ষেত্রে বৈধ বিবাহ, একসাথে বসবাস এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রমাণ করা বাধ্যতামূলক।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

Advertisement

বিনোদন

View more
ছবি: সংগৃহীত।
কৃষাণি বেশে জয়া: নিজের বাগানে সবজির বাম্পার ফলন

অভিনয় দিয়ে দুই বাংলা জয় করা জয়া আহসান এবার নজর কাড়লেন এক ভিন্ন রূপে। বড় পর্দার ঝলমলে আভিজাত্য দূরে সরিয়ে তিনি ধরা দিলেন প্রকৃতির একদম কাছাকাছি। নিজের শখের বাগানে বিষমুক্ত ও সতেজ সবজির বাম্পার ফলন ফলিয়ে রীতিমতো তাক লাগিয়ে দিয়েছেন এই গুণী অভিনেত্রী। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে জয়াকে দেখা যায় তার বাগানের নিবিড় পরিচর্যায় ব্যস্ত থাকতে। মাথায় হ্যাট আর সাধারণ পোশাকে তাকে দেখাচ্ছিল সতেজ এক কৃষাণির মতো।  পরম মমতায় কখনও তিনি গাছ থেকে রসালো শসা কাটছেন, আবার কখনও বড় থোকার কলা হাতে নিয়ে মেতে উঠছেন অনাবিল উল্লাসে। তার বাগানে ডালপালা বেয়ে নামা করলা আর সবুজ পাতার ফাঁকে লাল শাকের সমারোহ দেখে মুগ্ধ অনুরাগীরাও। ভিডিওর ক্যাপশনে নিজের হাতে ফলানো ফসলের তৃপ্তির কথা অকপটে স্বীকার করেছেন জয়া। ব্যস্ত শিডিউল আর শুটিংয়ের ক্লান্তির মাঝেও তিনি যেভাবে বাগান করে নিজেকে সতেজ রাখছেন, তা সাধারণ মানুষকে দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করছে।  ভক্তরা তার এই সাধারণ যাপন আর সবুজের প্রতি মমত্ববোধের ভূয়সী প্রশংসা করছেন। জয়া আহসান প্রায়ই তার ছাদবাগান বা বারান্দার সবুজের ছবি শেয়ার করে ভক্তদের বাগান করায় উৎসাহিত করে থাকেন। 

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।

পরকীয়ার ভাঙলো মৌসুমী হামিদের সংসার: বিচ্ছেদের পথে জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী

কুদ্দুস বয়াতির ফেসবুক পেজ থেকে নেয়া।

ফেসবুক ইনকাম বন্ধ, তাই ফুটপাতে ‘ব্যাংক’ খুললেন কুদ্দুস বয়াতি

ছবি: সংগৃহীত

পরকীয়া বিতর্কে বাবাকে আনফলো, নাম থেকেও ‘বিজয়’ বাদ দিলেন ছেলে

রণবীর সিং। ছবি: সংগৃহীত
রণবীর সিং ফেরছেন আরও ভয়ঙ্কর রূপে

রণবীর সিং অভিনীত ব্লকবাস্টার ছবি ‘ধুরন্ধর’-এর সিক্যুয়েল ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’-এর ট্রেলার প্রকাশ পেয়েছে। প্রকাশের পরপরই এটি সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। ট্রেলারে প্রথম পর্বের তুলনায় আরও বেশি অ্যাকশন ও রুদ্ধশ্বাস উত্তেজনার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।   প্রকাশিত ট্রেলারে দেখা যায়, আগের পর্বের ধারাবাহিকতায় এবার আরও ভয়ঙ্কর রূপে পর্দায় হাজির হয়েছেন রণবীর সিং। সিনেমায় তার চরিত্র ‘জসকিরত সিং রঙ্গি’ কীভাবে দুর্ধর্ষ ‘হামজা’ হয়ে ওঠে, সেই পরিবর্তনের গল্পই দ্বিতীয় কিস্তির মূল বিষয় হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।   প্রথম ছবিতে অক্ষয় খন্না অভিনীত রহমান বালোচকে হত্যার ঘটনার পর দ্বিতীয় পর্বে ‘শের-এ-বালোচ’ হিসেবে আবির্ভূত হবে হামজা চরিত্রে অভিনয় করা রণবীর সিং। লিয়ারি এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের পথে তাকে আরও হিংস্র রূপে দেখা যাবে। ট্রেলারজুড়ে তার সেই রূপের কিছু ঝলক দেখানো হয়েছে, যা দর্শকদের মধ্যে বাড়তি আগ্রহ তৈরি করেছে।   ট্রেলার প্রকাশের পর রণবীর সিং নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেটি শেয়ার করে লিখেছেন, ‘বলেছিলাম না, এবার বিষয়টা ব্যক্তিগত।’ তার এই মন্তব্য থেকেই সিনেমার কাহিনিতে ব্যক্তিগত প্রতিশোধের বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে।   ছবিটিতে রণবীর সিংয়ের পাশাপাশি অভিনয় করেছেন আর মাধবন, সঞ্জয় দত্ত, সারা অর্জুন ও রাকেশ বেদী। প্রথম পর্বের মতো এবারও পরিচালনায় আছেন আদিত্য ধর। আগামী ১৯ মার্চ ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৭, ২০২৬ 0
বন্ধু হানিফ সংকেতকে অভিনন্দন জানিয়েছেন কুমার বিশ্বজিৎ

বন্ধু হানিফ সংকেতকে অভিনন্দন জানিয়েছেন কুমার বিশ্বজিৎ

ছবি: সংগৃহীত

আবারও মা হচ্ছেন বুবলী? গুঞ্জন ছাপিয়ে এবার সামনে এল নতুন তথ্য

জাহের আলভী ও তিথি। ছবি: সংগৃহীত

ইকরার মৃত্যুর ঘটনায় মুখ খুললেন তিথি

ছবি: সংগৃহীত।
সরকারে ছিলেন, তবু ‘শনিবার বিকেল’ কেন প্রেক্ষাগৃহে এল না, জানালেন ফারুকী

দীর্ঘ প্রতীক্ষা আর সেন্সর বোর্ডের নানা জটিলতার পর দেশের প্রেক্ষাগৃহে কেন মুক্তি পেল না ‘শনিবার বিকেল’? বিশেষ করে নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী যখন নিজেই সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টার দায়িত্বে ছিলেন, তখন কেন এই সিনেমা আলোর মুখ দেখল না—এমন প্রশ্নে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সরগরম। অবশেষে বিষয়টি নিয়ে সরাসরি ব্যাখ্যা দিলেন নির্মাতা।   ফারুকী জানান, সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি না দেওয়ার পেছনে রাজনৈতিক কোনো ভয় বা উগ্রবাদ নিয়ে কথা বলার অনীহা নেই, বরং এর নেপথ্যে রয়েছে নিছক ব্যবসায়িক বাস্তবতা। তিনি স্পষ্ট করেন যে, সিনেমাটি যখন ভারতীয় ওটিটি প্ল্যাটফর্ম ‘সনি লিভ’-এ মুক্তি পায়, এরপর ইন্টারনেটে এর হাজার হাজার পাইরেটেড লিংক ছড়িয়ে পড়ে। যারা সিনেমাটি দেখতে চেয়েছেন, তাদের বড় অংশই ইতিমধ্যে তা দেখে ফেলেছেন। যারা সিনেমাটি হলে আনার দাবি তুলছেন, তাদের উদ্দেশ্যে ফারুকী বলেন, অনলাইনে সহজলভ্য একটি ছবি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি দেওয়া ব্যবসায়িকভাবে আত্মঘাতী। বাংলাদেশের বাজারে একটি সুপারহিট ছবিও ডিস্ট্রিবিউশন খরচ বাদ দিয়ে কতটুকু মুনাফা করে, তা ইন্ডাস্ট্রির ভেতরের মানুষ ভালো করেই জানেন। উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, কেউ যেমন এখন ‘ব্যাচেলর’ সিনেমাটি নতুন করে হলে মুক্তি দিতে বলবেন না, ঠিক তেমনি ‘শনিবার বিকেল’ নিয়েও ব্যবসায়িক কোনো সম্ভাবনা বাকি নেই। নিজের রাজনৈতিক অবস্থান ও শৈল্পিক সত্তা নিয়ে তিনি আরও যোগ করেন, উগ্রবাদ নিয়ে কথা বলতে তিনি কখনোই পিছপা হননি এবং হবেনও না। তার মতে, একজন শিল্পীর জন্য যেমন ধর্মীয় উগ্রবাদ নিয়ে কথা বলা জরুরি, তেমনি চেতনার নামে মানুষ গুম বা খুনের বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৪, ২০২৬ 0
তানজিন তিশা। ছবি: সংগৃহীত

তানজিন তিশার বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ

জাহের আলভী ও ইফফাত আরা তিথি। ছবি: সংগৃহীত

জাহের আলভীর সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন নিয়ে মুখ খুললেন তিথি

ছবি: সংগৃহীত

শুটিং সেটে তানজিন তিশার বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ

0 Comments