আন্তর্জাতিক

মোদির ঘাঁটিতেই ভোটার তালিকা নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ

জাবির আল মামুন ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬ 0
মোদির ঘাঁটিতেই ভোটার তালিকা নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ
মোদির ঘাঁটিতেই ভোটার তালিকা নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ

বারাণসীতে একাধিক বুথে একই ভোটার, এসআইআর ঘিরে অস্বস্তিতে বিজেপি। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির লোকসভা কেন্দ্র বারাণসীতে ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে গুরুতর অভিযোগ উঠল। অভিযোগ তুলেছেন স্বয়ং উত্তরপ্রদেশের ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকারের এক প্রতিমন্ত্রী।

 

যোগী আদিত্যনাথের মন্ত্রিসভার সদস্য এবং বারাণসী উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক রবীন্দ্র জয়সওয়াল দাবি করেছেন তার নির্বাচনী কেন্দ্রে একাধিক বুথে একই ভোটারের নাম নথিভুক্ত রয়েছে। এই অভিযোগ সামনে আসতেই বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়ার কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) নিজের বিধানসভা কেন্দ্র বারাণসী উত্তর ঘুরে দেখেন রবীন্দ্র জয়সওয়াল। বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনের পরে তিনি জেলার জেলাশাসক তথা জেলা নির্বাচনী আধিকারিক সত্যেন্দ্র কুমারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। ওই বৈঠকে তিনি জেলা প্রশাসনের হাতে প্রায় নয় হাজার দুইশো ভোটারের একটি তালিকা তুলে দেন।

তার দাবি, এই ভোটারদের নাম একাধিক ভোটকেন্দ্রের ভোটার তালিকায় রয়েছে। রবীন্দ্র জয়সওয়ালের অভিযোগ অনুযায়ী তার নির্বাচনী এলাকায় দীর্ঘ সময় ধরে সরেজমিনে যাচাই চালানো হয়েছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের শারীরিক উপস্থিতি যাচাই করা হয়েছে। সেই যাচাইয়ের পরেই এই তালিকা তৈরি করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি

 

তার বক্তব্য অনুযায়ী এই তালিকায় থাকা প্রত্যেক ব্যক্তি একাধিক স্থানের ভোটার তালিকায় নথিভুক্ত। ভারতের নির্বাচন ব্যবস্থায় ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া হিসেবে বিবেচিত হয়। এই প্রক্রিয়ার মূল উদ্দেশ্য মৃত ভোটারের নাম বাদ দেওয়া ভুয়া ভোটার চিহ্নিত করা এবং একই ব্যক্তির নাম একাধিক স্থানে থাকলে তা সংশোধন করা। কিন্তু সেই প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরেও যদি একই ভোটারের নাম একাধিক বুথে থেকে যায় তাহলে গোটা ব্যবস্থার উপরই প্রশ্ন উঠছে।

 

বারাণসী উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রটি রাজনৈতিক ভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি নরেন্দ্র মোদির লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত। ফলে এখানকার ভোটার তালিকা নিয়ে ওঠা অভিযোগ শুধু রাজ্য নয় জাতীয় রাজনীতিতেও আলোড়ন তৈরি করেছে। বিশেষ করে অভিযোগকারী যখন স্বয়ং ক্ষমতাসীন দলের মন্ত্রী তখন বিষয়টির গুরুত্ব আরও বেড়ে যায়

জনপ্রিয় সংবাদ
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের বিমানবাহী রণতরী কিছুই না; মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা

মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন।   পার্সটুডে- মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন।   মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা স্কট রিটার সতর্ক করে বলেছেন যে পশ্চিমারা সর্বদা তার গুপ্তচর সংস্থাগুলির মাধ্যমে ইরানের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক ভিত্তি ধ্বংস করতে চাইছে এবং অপর্যাপ্তভাবে নিয়ন্ত্রিত তথ্য-যোগাযোগ রুট ব্যবহার করে কিছু ইরানিকে তাদের এজেন্ট নিয়োগ করেছে।   ক্ষেপণাস্ত্র ইরানের জন্য একটি পছন্দসই আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয় পার্সটুডে অনুসারে, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরিসর সীমিত করার বিষয়ে মার্কিন কর্মকর্তাদের বক্তব্যের কথা উল্লেখ করে রিটার ব্যাখ্যা করেছেন যে এই শর্তটি বাস্তবে "নিরস্ত্রীকরণ" এবং ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের কাছ থেকে "কৌশলগত আত্মহত্যার" অনুরোধের সমতুল্য। তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে ক্ষেপণাস্ত্র শুধুমাত্র ইরানের জন্য একটি কাঙ্ক্ষিত আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয়, বরং প্রতিরোধ ও বেঁচে থাকার মেরুদণ্ড এবং এই স্তম্ভটি অপসারণকারী যেকোনো চেষ্টো ইরানকে অরক্ষিত করে তুলবে। তিনি যুক্তি দেন যে ইরান যদি তার ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা এতটাই কমিয়ে দেয় যে তারা আর ইসরায়েলে আঘাত করতে পারবে না, তাহলে ইসরায়েল প্রতিশোধের ভয় ছাড়াই ইরানে আক্রমণ করবে।   ইরানের সাথে যুদ্ধ নীতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অক্ষমতা আমেরিকান বিশ্লেষক স্পষ্ট করে বলেন যে ইরানের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ এড়ানোর মূল কারণ কৌশলগত অক্ষমতা। তিনি বলেন, যেকোনও সামরিক আক্রমণ ইরানকে এমন প্রতিক্রিয়ার দিকে ঠেলে দেবে যা একই সাথে মার্কিন বাহিনী এবং স্বার্থের জন্য গুরুতর ক্ষতি বয়ে আনতে পারে। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে এই ধরনের পরিবেশে ইরানের সাথে যুদ্ধ কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কৌশলগত সুবিধাতো আনবেই না বরং ট্রাম্পের জন্য একটি অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিপর্যয়ও হতে পারে। ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কেবল ইসরায়েলের স্বার্থ রক্ষার জন্য।   আলোচনা একটি ফাঁদ সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা পরামর্শ দেন যে ইরানের উচিত দুর্বলতা থেকে নয়, বরং ওয়াশিংটনে রাজনৈতিক অজুহাতের পথ বন্ধ করার জন্য আলোচনায় প্রবেশ করা। তবে, রিটার সতর্ক করে দেন যে ইরানি কর্মকর্তাদের সর্বদা ধরে নেওয়া উচিত যে আলোচনা "একটি ফাঁদ"। কূটনীতির মাধ্যম বজায় রেখে, ইরানের উচিত তার সামরিক ও গোয়েন্দা যন্ত্রপাতিকে পূর্ণ সতর্ক রাখা । স্কট রিটার সাম্প্রতিক নৌ সংঘর্ষকে আমেরিকার শ্রেষ্ঠত্ব বা আগ্রাসনের লক্ষণ হিসেবে নয়, বরং ইরানের প্রবেশাধিকার-বিরোধী এবং আঞ্চলিক-বিরোধী ক্ষমতার প্রতি ওয়াশিংটনের কৌশলগত ভয়ের প্রতিফলন। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে ইরানের নতুন প্রজন্মের নির্ভুল, কৌশলগত এবং হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের সামনে মার্কিন বিমানবাহী রণতরীগুলি "অপ্রচলিত" সিস্টেমে পরিণত হয়েছে।   প্রধান হুমকি: ভেতর থেকে পতনের জন্য মানসিক যুদ্ধ অবশেষে, স্কট রিটার "মানসিক যুদ্ধ" নামক একটি ধারণার কথা উল্লেখ করেছেন; এমন একটি যুদ্ধ যেখানে, তিনি যুক্তি দেন, সরাসরি সামরিক সংঘাতের চেয়ে অনেক বেশি বিপজ্জনক, কারণ এর লক্ষ্য হল একটি গুলি না চালিয়েও একটি সমাজকে ভেতর থেকে ধ্বংস করা

Advertisement

আন্তর্জাতিক

View more
কানাডার অন্তত তিনটি বিমান সংস্থা কিউবাতে বিমান চলাচল বন্ধ করেছে
জ্বালানি সংকটে কিউবা: একের পর এক ফ্লাইট বাতিল করছে বিমান সংস্থাগুলো

কিউবায় চরম জ্বালানি সংকট! আমেরিকার কঠোর নিষেধাজ্ঞার প্রভাবে থমকে যাচ্ছে দেশটির পর্যটন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা।   পরিস্থিতি এতটাই বেগতিক যে, কানাডার শীর্ষ তিন বিমান সংস্থা— এয়ার ট্রানস্যাট, ওয়েস্ট জেট এবং এয়ার কানাডা— দেশটিতে তাদের ফ্লাইট কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করেছে।   বিপাকে পড়েছেন হাজার হাজার পর্যটক। এয়ার কানাডা জানিয়েছে, সেখানে আটকে পড়া প্রায় ৩,০০০ যাত্রীকে ফিরিয়ে আনতে তারা খালি বিমান পাঠানোর পরিকল্পনা করছে।   অন্যদিকে, জার্মানি তাদের নাগরিকদের জন্য জরুরি সতর্কবার্তা জারি করে বলেছে, অতিপ্রয়োজনীয় কাজ ছাড়া এই মুহূর্তে কিউবা ভ্রমণ এড়িয়ে চলাই শ্রেয়।

ইশতিয়াক মাহমুদ ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬ 0
কানাডার ব্রিটিশ কলম্বিয়া প্রদেশের একটি স্কুল

কানাডায় স্কুলে ভয়াবহ বন্দুক হামলা, অন্তত ১০ জন নিহত

১৭ ফেব্রুয়ারি সূর্যগ্রহণ, দেখা যাবে যেসব এলাকায়

১৭ ফেব্রুয়ারি সূর্যগ্রহণ, দেখা যাবে যেসব এলাকায়

কানাডায় স্কুলে বন্দুকধারীর হামলা, নিহত ১০

কানাডায় স্কুলে বন্দুকধারীর হামলা, নিহত ১০

গাজা মিশনে ৮ হাজার সেনা প্রস্তুত করছে ইন্দোনেশিয়া
গাজা মিশনে ৮ হাজার সেনা প্রস্তুত করছে ইন্দোনেশিয়া

গাজা উপত্যকায় প্রায় ৮ হাজার সেনা পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে ইন্দোনেশিয়া। গত বছরের শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় যে যুদ্ধবিরতি কাঠামো গৃহীত হয়, তার দ্বিতীয় ধাপ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে গাজায় সেনা মোতায়েনের প্রক্রিয়া শুরু করা প্রথম দেশ হতে যাচ্ছে ইন্দোনেশিয়া।   দেশটির সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল মারুলি সিমানজুন্তাক জানিয়েছেন, সম্ভাব্য মোতায়েনের জন্য সেনাদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। গাজায় ইন্দোনেশীয় সেনারা সরাসরি যুদ্ধ কার্যক্রমে নয়, বরং চিকিৎসা সহায়তা, অবকাঠামো মেরামত এবং প্রকৌশল সংক্রান্ত কাজে নিয়োজিত থাকবেন।   এরই মধ্যে ইন্দোনেশিয়া যুক্ত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষিত একটি আন্তর্জাতিক শান্তি উদ্যোগে। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদনে এই উদ্যোগের আওতায় ‘ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্স’ (আইএসএফ) নামে একটি বহুজাতিক বাহিনী গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই বাহিনী গাজার সীমান্ত নিরাপত্তা, অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ এবং অঞ্চলটিকে সামরিক কার্যক্রমমুক্ত করার লক্ষ্যে কাজ করবে।   আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি ওয়াশিংটনে শান্তি উদ্যোগের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে গাজার ভবিষ্যৎ প্রশাসন কাঠামো, একটি টেকনোক্র্যাট সরকার গঠন এবং যুদ্ধ-পরবর্তী পুনর্গঠন পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হবে।   যদিও সেনা মোতায়েনের নির্দিষ্ট সময়সূচি ও দায়িত্ব এখনো চূড়ান্ত হয়নি, তবে প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তো এ বিষয়ে অনড় অবস্থানে রয়েছেন। গাজায় যুক্তরাষ্ট্রের সম্পৃক্ততার কারণে ইন্দোনেশিয়ার কয়েকটি ইসলামি সংগঠন এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করলেও প্রেসিডেন্ট প্রাবোও বলেছেন, বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম জনসংখ্যার দেশ হিসেবে ফিলিস্তিনে স্থিতিশীলতা ফেরাতে ইন্দোনেশিয়ার নৈতিক দায় রয়েছে। তার মতে, এই উদ্যোগ দীর্ঘমেয়াদে ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সংকটের দ্বি-রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানে সহায়ক হবে।   ইসরায়েলি গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, দক্ষিণ গাজার রাফাহ ও খান ইউনিসের মধ্যবর্তী একটি এলাকায় ইন্দোনেশীয় সেনাদের জন্য আবাসন ও ব্যারাক নির্মাণের স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। সেখানে কয়েক হাজার সেনা অবস্থানের প্রস্তুতি চলছে।   এদিকে তুরস্ক ও পাকিস্তানসহ আরও কয়েকটি মুসলিম দেশ গাজায় সেনা পাঠানোর সম্ভাবনা পর্যালোচনা করছে। তবে এসব দেশ জানিয়েছে, তারা কেবল শান্তিরক্ষী ভূমিকা পালন করবে এবং হামাসের নিরস্ত্রীকরণ বা সামরিক অভিযানে অংশ নেবে না।

নিলুফা ইয়াসমিন ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

গাজায় আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষা বাহিনীর জন্য ইন্দোনেশিয়া প্রস্তুত করছে ৮ হাজার সেনা

ভারতের হিন্দু পুনরুত্থানবাদী সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) প্রধান মোহন ভাগবত। ছবি: সংগৃহীত

আরএসএস প্রধানের আহ্বান: বাংলাদেশের সোয়া এক কোটি হিন্দু একত্রিত হোন

ছবি: সংগৃহীত

গাজায় থার্মোবারিক হামলায় ‘নিখোঁজ’ হাজারো ফিলিস্তিনি, দেহ মিলছে না

মিয়ানমারের শীর্ষস্থানীয় সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠীর নেতা
বিশ্বের নজর এড়িয়ে ভয়াবহ বিমান হামলা চালাচ্ছে জান্তা

মিয়ানমারে জান্তা সরকারের ক্রমবর্ধমান বিমান হামলায় শত শত বেসামরিক মানুষ প্রাণ হারাচ্ছেন, অথচ বিশ্ব সম্প্রদায় এই ভয়াবহতার দিকে নজর দিচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন দেশটির একটি শীর্ষস্থানীয় সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠীর নেতা। রয়টার্সের এক বিশেষ প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।   প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মিয়ানমারের সামরিক জান্তা বর্তমানে তাদের নিয়ন্ত্রণ হারানো এলাকাগুলো পুনরুদ্ধারে মরিয়া হয়ে বিমান শক্তির ওপর নির্ভর করছে। বিশেষ করে রাখাইন রাজ্য এবং সাগাইং অঞ্চলে এই হামলার তীব্রতা সবচেয়ে বেশি। সশস্ত্র গোষ্ঠীর ওই নেতা জানান, জান্তা বাহিনী এখন শুধু সম্মুখ যুদ্ধে লড়ছে না, বরং সাধারণ মানুষকে আতঙ্কিত করতে স্কুল, হাসপাতাল এবং ধর্মীয় উপাসনালয় লক্ষ্য করে নির্বিচারে বোমা বর্ষণ করছে।   তিনি বলেন, "বিশ্বের অন্যান্য সংঘাত নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় যতটা সোচ্চার, মিয়ানমারের ক্ষেত্রে তারা ততটাই উদাসীন। আমাদের সাধারণ মানুষ প্রতিদিন আকাশের দিকে তাকিয়ে মৃত্যুভয়ে দিন কাটাচ্ছে, কিন্তু এই রক্তপাত বন্ধে কার্যকর কোনো বৈশ্বিক পদক্ষেপ নেই।"   জাতিসংঘের তথ্যানুযায়ী, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে বিমান হামলায় নিহতের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। গত ডিসেম্বর থেকে জানুয়ারির মধ্যেই অন্তত ১৭০ জন বেসামরিক লোক নিহত হয়েছেন। অভিযোগ উঠেছে, জান্তা বাহিনী কিছু ক্ষেত্রে উন্নত ড্রোন এবং বিদেশি জ্বালানি ব্যবহার করে এই হামলাগুলো পরিচালনা করছে।   বিশ্লেষকরা বলছেন, স্থল যুদ্ধে বিদ্রোহীদের কাছে একের পর এক ঘাঁটি হারানোর পর জান্তা সরকার এখন আকাশপথকে তাদের প্রধান অস্ত্র হিসেবে বেছে নিয়েছে। বিমান হামলা চালিয়ে তারা বিদ্রোহীদের রসদ ধ্বংস করার পাশাপাশি বেসামরিক জনগোষ্ঠীকে বাস্তুচ্যুত করে দিচ্ছে, যাতে তারা প্রতিরোধ যোদ্ধাদের সমর্থন করতে না পারে।   মানবাধিকার সংস্থাগুলো সতর্ক করে বলেছে, যদি এখনই আন্তর্জাতিক মহল থেকে মিয়ানমারের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা এবং বিমান জ্বালানি সরবরাহে বাধা সৃষ্টি না করা হয়, তবে এই মানবিক বিপর্যয় আরও ভয়াবহ রূপ নেবে। সূত্র: রয়টার্স।

ইশতিয়াক মাহমুদ ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

চীনে সোনার খনিতে লিফট ছিঁড়ে পড়ে নিহত ৭

উত্তেজনার মধ্যে হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নির্দেশনা

উত্তেজনার মধ্যে হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নির্দেশনা

বিদেশি চাপ রুখতে জনগণের ঐক্যের ওপর জোর খামেনির

বিদেশি চাপ রুখতে জনগণের ঐক্যের ওপর জোর খামেনির

0 Comments