মতামত

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিস্ফোরক মন্তব্য

"আপস করিনি, মেরে ফেললেও মুখ বন্ধ করব না": নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিস্ফোরক মন্তব্য

আরাফাত ইবনে আব্দুল্লাহ ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬ 0
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই আবারও আলোচনায় এসেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে তারাবির নামাজ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি নির্বাচনে পর্দার আড়ালের নানা প্রস্তাব ও চাপের বিষয়ে চাঞ্চল্যকর দাবি করেন। ঢাকা-৮ আসনের এই প্রার্থী স্পষ্ট করে বলেন, "আমাদের মেরে ফেললে মেরে ফেলুক, অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলা আমরা বন্ধ করব না।"

 

নির্বাচন চলাকালীন সময়ের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী দাবি করেন, সেই সময় অনেক 'ক্রিমিনাল', প্রভাবশালী ব্যবসায়ী এবং এমনকি প্রশাসনের কিছু লোকও তাকে আপসের প্রস্তাব দিয়েছিল। তিনি বলেন, "প্রশাসনের লোকজন এসে বলেছিল মুখ বন্ধ রাখলে জিতিয়ে দেবে। কিন্তু আমি কারও সঙ্গে ডিল বা আপস করিনি।" উল্লেখ্য, ঢাকা-৮ আসনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী হিসেবে ‘শাপলা কলি’ প্রতীকে লড়ে তিনি বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থী মির্জা আব্বাসের কাছে পরাজিত হন। তবে পুরো প্রচারণাজুড়ে আক্রমণাত্মক ও সাহসী মন্তব্যের জন্য তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচিত ছিলেন।

 

সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে এনসিপির এই নেতা উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, "আপনারা চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ভ্যানগার্ড হয়ে দাঁড়ান। আমরা রমজানজুড়ে সন্ত্রাসীদের কাছে হেদায়েতের দাওয়াত দিয়ে যাব।" ভবিষ্যতে ভোট চুরির চেষ্টা হলে কঠোর প্রতিরোধের ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, "কেউ ভোট চুরি করতে আসলে তার হাত-পা ভেঙে দেব। এটা ওসমান হাদির আসন, এখানে আমরা ইনসাফের বাংলাদেশ কায়েম করব।"

 

আসন্ন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি কৌশলী উত্তর দেন। নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, "নির্বাচন আমাদের মূল টার্গেট না। আমাদের লক্ষ্য হলো বিদ্যমান পচা সিস্টেমের পরিবর্তন করা।" তাঁর এই মন্তব্য ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, নির্বাচনের ফলাফলে দমে না গিয়ে তিনি এবং তাঁর দল আগামীতে মাঠের রাজনীতি ও রাষ্ট্র সংস্কারের দাবিতে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করবেন।

জনপ্রিয় সংবাদ
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো প্রকাশ: বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বণ্টনের খসড়া তালিকা

ঢাকা: দেশের সম্ভাব্য নতুন সরকার গঠনকে সামনে রেখে প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো সংবলিত একটি আনুষ্ঠানিক কমিউনিক্যে প্রকাশিত হয়েছে। এতে রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের দায়িত্ব বণ্টনের একটি খসড়া তালিকা তুলে ধরা হয়েছে।   কমিউনিক্যে বলা হয়েছে, এটি সরকারি নথি ও আনুষ্ঠানিক রেফারেন্সের উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করা একটি প্রস্তাবিত কাঠামো, যেখানে প্রতিষ্ঠিত সরকারি প্রোটোকল অনুযায়ী সম্ভাব্য নিয়োগ ও দায়িত্ব বণ্টনের বিষয়গুলো উল্লেখ রয়েছে।   প্রস্তাবিত দায়িত্ব বণ্টন অনুযায়ী—     •    রাষ্ট্রপতি: ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন     •    জাতীয় সংসদের স্পিকার: অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন / নিতাই রায় চৌধুরী     •    প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী: তারেক রহমান      •    স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর     •    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: সালাহউদ্দিন আহমেদ প্রতিমন্ত্রী: শহীদ উদ্দিন চৌধুরী (অ্যানি)     •    পররাষ্ট্রমন্ত্রী: আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী: ড. হুমায়ুন কবির     •    অর্থমন্ত্রী: ড. এ. বি. মির্জা আজিজুল ইসলাম / ড. রেজা কিবরিয়া (তালিকায় উল্লেখিত অনুযায়ী)     •    শিক্ষামন্ত্রী: আনাম এহসানুল হক মিলন, প্রতিমন্ত্রী: সাঈদ আল নোমান     •    আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী: মো. আসাদুজ্জামান     •    তথ্যমন্ত্রী: আন্দালিব রহমান পার্থ, প্রতিমন্ত্রী: ড. মাহদি আমিন     •    পরিকল্পনামন্ত্রী: ড. আব্দুল মঈন খান     •    বাণিজ্যমন্ত্রী: আব্দুল মুক্তাদির     •    শিল্পমন্ত্রী: আব্দুল আউয়াল মিন্টু     •    নৌপরিবহন মন্ত্রী: মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ     •    শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী: নজরুল ইসলাম খান     •    পানি সম্পদ মন্ত্রী: আসাদুল হাবিব দুলু     •    মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী: ফজলুর রহমান     •    সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী: আমানউল্লাহ আমান     •    সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী: জোনায়েদ সাকি     •    স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী: ড. এ. জেড. এম. জাহিদ হোসেন     •    যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী: আলী আজগর লবি     •    ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী: শামীম কায়সার লিংকন     •    বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী: আলতাফ হোসেন চৌধুরী     •    বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী: ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু     •    কৃষিমন্ত্রী: শামসুজ্জামান দুদু     •    গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী: মির্জা আব্বাস     •    ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী: নুরুল হক নুর     •    রেলপথমন্ত্রী: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়     •    জনপ্রশাসন মন্ত্রী: ড. ইসমাইল জাবিউল্লাহ     •    সমাজকল্যাণ মন্ত্রী: রুহুল কবির রিজভী     •    পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী: দীপেন দেওয়ান   কমিউনিক্যে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এটি একটি প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো—চূড়ান্ত ঘোষণা, নিয়োগ এবং শপথ গ্রহণ সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় প্রক্রিয়া অনুযায়ী সম্পন্ন হবে।

Advertisement

মতামত

View more
শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষকদের নিয়ে কড়া বার্তা দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

দেশের নতুন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন শিক্ষকদের রাজপথের আন্দোলন পরিহার করে শ্রেণিকক্ষে ফেরার আহ্বান জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে দায়িত্ব গ্রহণের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, "শিক্ষকরা রাজপথ দখল করে আন্দোলন করার সুযোগ নেই। শিক্ষকতা এবং আন্দোলন একসাথে করা সম্ভব নয়।" শিক্ষকদের যেকোনো যৌক্তিক দাবি মন্ত্রণালয় গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।   শিক্ষকদের প্রতি সহানুভূতিশীল ও সতর্ক অবস্থান ব্যক্ত করে মন্ত্রী বলেন, “আমরা জানি কোন বিষয় দেওয়া সম্ভব আর কোনটা সম্ভব নয়। শিক্ষকরা মানুষ গড়ার কারিগর, আমরা তাদের পাশেই আছি। আশা করি তারা আমাদের এই বার্তাটি ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করবেন এবং রাজপথ ছেড়ে শিক্ষা কার্যক্রমে মনোনিবেশ করবেন।” তিনি শিক্ষকদের সরাসরি রাজপথে না নেমে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধানের পথ বেছে নেওয়ার পরামর্শ দেন।   সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী দেশের গত কয়েক বছরের শিক্ষাব্যবস্থার কিছু বিতর্কিত ইস্যু নিয়ে কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেন। তিনি সাফ জানিয়ে দেন, "দেশে আর কখনও 'অটোপাশ' বা 'মব সংস্কৃতি' ফিরে আসার সুযোগ থাকবে না।" বিগত সময়ে শিক্ষার্থীদের একাংশের চাপের মুখে অটোপাশের সিদ্ধান্তের ফলে যে অস্থিরতা ও মানের অবনতি ঘটেছিল, তার পুনরাবৃত্তি বর্তমান সরকার হতে দেবে না বলে তিনি সতর্ক করেন।   শিক্ষাব্যবস্থার আমূল সংস্কারের ইঙ্গিত দিয়ে ড. মিলন জানান, সরকারের বিশেষ 'ভিশন' অনুযায়ী শিক্ষা মন্ত্রণালয় কাজের অগ্রাধিকার নির্ধারণ করছে। মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা এবং শিক্ষাঙ্গনে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনাই এখন মন্ত্রণালয়ের প্রধান লক্ষ্য।   এক নজরে শিক্ষামন্ত্রীর মূল বক্তব্য: শিক্ষকদের রাজপথের আন্দোলন বর্জন করার আহ্বান। মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে শিক্ষকদের দাবি পর্যালোচনার আশ্বাস। ভবিষ্যতে 'অটোপাশ' পদ্ধতি চিরতরে বন্ধের ঘোষণা। শিক্ষাঙ্গনে কোনো ধরনের 'মব জাস্টিস' বা বিশৃঙ্খলা সহ্য না করার হুঁশিয়ারি।

আরাফাত ইবনে আব্দুল্লাহ ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬ 0
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

"আপস করিনি, মেরে ফেললেও মুখ বন্ধ করব না": নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিস্ফোরক মন্তব্য

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ

'মেরুদণ্ড সোজা রেখে সম্মানজনক কূটনীতিই লক্ষ্য': পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ

আব্দুন নূর তুষার

আব্দুন নূর তুষারের ফেসবুক পোস্টকে ভুয়া বললো প্রেস উইং

কমনওয়েলথ
নির্বাচনের সময় কোনো সংখ্যালঘু গোষ্ঠী আক্রান্ত হয়নি: কমনওয়েলথ

সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে নিজেদের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেছে কমনওয়েলথ নির্বাচন পর্যবেক্ষক দল। সংস্থাটি জানিয়েছে, নির্বাচনের সময় বাংলাদেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ভোটারদের ওপর কোনো ধরনের নির্দিষ্ট আক্রমণ বা দমনের ঘটনা তাদের নজরে আসেনি। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান কমনওয়েলথ পর্যবেক্ষক দলের প্রধান ও ঘানার সাবেক প্রেসিডেন্ট নানা আকুফো-আডো।   সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে নানা আকুফো-আডো বলেন, "আমাদের পর্যবেক্ষক দলের কাছে এমন কোনো সরাসরি রিপোর্ট আসেনি যে, নির্বাচনের সময় কোনো সংখ্যালঘু গোষ্ঠী আক্রান্ত হয়েছে। তবে আমরা লক্ষ্য করেছি, কিছু নির্দিষ্ট অঞ্চলে সংখ্যালঘু ভোটারদের উপস্থিতির হার তুলনামূলক কম ছিল এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ভোটাররা আমাদের কাছে কিছু বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। এই বিষয়গুলো আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে আমাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্ত করব।"   নির্বাচন প্রক্রিয়ার ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি বলেন, "সামগ্রিকভাবে এই নির্বাচন অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল এবং স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন হয়েছে। আমাদের পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে আমরা মনে করি এটি একটি গ্রহণযোগ্য এবং বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন হিসেবে বিবেচিত হওয়ার যোগ্য।" তিনি আরও যোগ করেন যে, একটি কার্যকর গণতন্ত্রের জন্য নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা এবং প্রতিটি নাগরিকের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা অপরিহার্য।   পর্যবেক্ষক দলটি তাদের পর্যবেক্ষণে দেখেছে যে, যদিও দেশের একটি প্রধান রাজনৈতিক দল এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেনি, তবুও অন্য প্রায় সব প্রার্থীর জন্য ভোটাধিকার প্রয়োগ, প্রার্থী নিবন্ধন এবং ফলাফল গণনার প্রক্রিয়া ছিল উন্মুক্ত ও অবাধ। প্রায় ২ হাজার প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বিতা নির্বাচনকে অংশগ্রহণমূলক করে তুলেছে বলে মনে করে কমনওয়েলথ।   নানা আকুফো-আডো তাঁর বক্তব্যে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রার প্রশংসা করেন এবং আশা প্রকাশ করেন যে, নির্বাচনের এই ধারা ভবিষ্যতে দেশের স্থিতিশীলতা ও সুশাসন নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

জামায়াতের ভিসি নিয়োগ দিয়ে যেভাবে ডাকসু নির্বাচন, বললেন ঢাবি অধ্যাপক

ছবি: সংগৃহীত, সাবেক সেনা প্রধান ইকবাল করিম ভূইয়া।

তরুণ সেনা কর্মকর্তাদের প্রতি যে আহ্বান সাবেক সেনাপ্রধানের

তাসনিম জারা ও ববি হাজ্জাজ

নিজেকে ভোট দিতে পারবেন না তাসনিম জারা ও ববি হাজ্জাজ

নিশীথ সিংহ রায়। ছবি: সংগৃহীত
শিক্ষার অঙ্গনে রাজনীতির করাল ছায়া

শিক্ষা কোনো রাজনৈতিক দলের সম্পত্তি নয়, এটি একটি জাতির দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক বিনিয়োগ—এমন মত প্রকাশ করেছেন শিক্ষাবিদ ও বিশ্লেষকরা। তবে বাস্তব চিত্রে দেখা যাচ্ছে, সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষানীতি ও পাঠ্যক্রমে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হচ্ছে, যা শিক্ষাব্যবস্থার স্থিতিশীলতা ও মান নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলছে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে শিক্ষাক্ষেত্র কেবল জ্ঞানার্জনের পরিসর না হয়ে অনেক ক্ষেত্রে রাজনৈতিক মতাদর্শ প্রতিষ্ঠার মঞ্চে রূপ নিচ্ছে। স্বাধীনতার পর শিক্ষার লক্ষ্য ছিল যুক্তিবাদী, বিজ্ঞানমনস্ক ও মানবিক নাগরিক তৈরি করা। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ধারাবাহিক নীতির অভাব এবং রাজনৈতিক প্রভাব শিক্ষাব্যবস্থার ভিতকে দুর্বল করে দিচ্ছে।   শিক্ষানীতি বিশ্লেষণে দেখা যায়, সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে পাঠ্যক্রম পুনর্লিখন, ইতিহাসের নতুন ব্যাখ্যা কিংবা পূর্ববর্তী সিদ্ধান্ত বাতিল করার প্রবণতা শিক্ষাব্যবস্থাকে এক অনিশ্চিত পরীক্ষাগারে পরিণত করেছে। বিশেষ করে ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ সবচেয়ে বেশি দৃশ্যমান বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এর ফলে শিক্ষার্থীদের সমালোচনামূলক চিন্তাশক্তি বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।   অন্যদিকে, শিক্ষক নিয়োগ ও প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনাতেও রাজনৈতিক প্রভাব শিক্ষার মানকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। মেধা ও যোগ্যতার পরিবর্তে দলীয় আনুগত্য গুরুত্ব পেলে শিক্ষার মৌলিক উদ্দেশ্য বাধাগ্রস্ত হয়। শিক্ষকরা যদি স্বাধীনভাবে মত প্রকাশ করতে না পারেন, তবে শ্রেণিকক্ষও মুক্তচিন্তার জায়গা হয়ে উঠতে পারে না—এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন শিক্ষাবিদরা।   শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্ররাজনীতির ভূমিকা নিয়েও নতুন করে আলোচনা প্রয়োজন বলে মনে করা হচ্ছে। গণতান্ত্রিক চর্চার অংশ হিসেবে ছাত্ররাজনীতির গুরুত্ব থাকলেও, দলীয় রাজনীতির প্রভাব বাড়লে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হয়। নিয়মিত ক্লাস, পরীক্ষা ও গবেষণার পরিবেশ নষ্ট হলে তার দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের ওপর পড়ে।   উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রেও রাজনৈতিক চাপের বিষয়টি সামনে এসেছে। কোন গবেষণা ‘সংবেদনশীল’ বা ‘গ্রহণযোগ্য’—এ ধরনের অলিখিত সীমারেখা গবেষণার স্বাধীনতাকে সংকুচিত করছে বলে মনে করছেন গবেষকরা। প্রশ্ন করার স্বাধীনতা না থাকলে বিশ্ববিদ্যালয় জ্ঞান সৃষ্টির কেন্দ্র না হয়ে কেবল ডিগ্রি প্রদানের প্রতিষ্ঠানে পরিণত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।   বিশ্লেষকদের মতে, শিক্ষা ও রাজনীতি সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন থাকতে পারে না, কারণ রাষ্ট্রকে শিক্ষানীতি নির্ধারণ করতে হয়। তবে সেই নীতির ভিত্তি হওয়া উচিত গবেষণা, সামাজিক বাস্তবতা ও দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় স্বার্থ—দলীয় মতাদর্শ নয়। এজন্য পাঠ্যক্রম, গবেষণা ও শিক্ষক নিয়োগে একাডেমিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে।   শিক্ষাবিদরা বলছেন, একটি স্থিতিশীল, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সর্বদলীয় ঐকমত্যভিত্তিক শিক্ষানীতি প্রণয়নই বর্তমান সংকট থেকে উত্তরণের প্রথম ধাপ হতে পারে। কারণ শিক্ষা জাতির ভবিষ্যৎ নির্মাণের মূল ভিত্তি। সেখানে রাজনৈতিক স্বার্থ প্রাধান্য পেলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান সময়ে সমাজে বাড়তে থাকা অসহিষ্ণুতা, ধর্মীয় ও রাজনৈতিক সংঘাতের পেছনেও শিক্ষাব্যবস্থার দুর্বলতা একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ। তাই শিক্ষাকে রাজনৈতিক হাতিয়ার নয়, জাতি গঠনের ভিত্তি হিসেবে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।     নিশীথ সিংহ রায় কলকাতা (ভারত) 

শাহারিয়া নয়ন ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬ 0
জামায়াত জোটের পক্ষে ৪৮.৪% ভোট, বিএনপি প্রার্থী পেয়েছেন ৩২.১%

জামায়াত জোটের পক্ষে ৪৮.৪% ভোট, বিএনপি প্রার্থী পেয়েছেন ৩২.১%

রাজনীতির গ্রাসে বিপন্ন শিক্ষাব্যবস্থা

রাজনীতির গ্রাসে বিপন্ন শিক্ষাব্যবস্থা

ছবি: সংগৃহীত

আ.লীগকে বাদ দিলে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন অন্তর্ভুক্তিমূলক হবে না: সিপিডি

0 Comments