রাজনীতি

আগামীর বাংলাদেশ হবে তারুণ্যের ও অধিকারের

এই বিজয় জনগণের: মাহদী আমিন

ইশতিয়াক মাহমুদ ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬ 0
বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন
বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন

তারেক রহমানের নেতৃত্বে এক নতুন ভোরের অপেক্ষায় বাংলাদেশ! বিএনপির অভাবনীয় বিজয়ে উচ্ছ্বসিত দেশবাসী। এই মাহেন্দ্রক্ষণে দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মাহদী আমিন জানিয়েছেন তার আবেগঘন প্রতিক্রিয়া। তিনি পরিষ্কার বার্তা দিয়েছেন—বিজয় মানেই অহংকার নয়, বরং জনগণের আমানত রক্ষা।

 

গুরুত্বপূর্ণ কিছু হাইলাইটস:

 

  • গণতন্ত্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠা: মাহদী আমিনের মতে, এই জয় কোনো ব্যক্তি বা দলের নয়, বরং এটি বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের হারানো গণতন্ত্র ফিরে পাওয়ার জয়।

  • আস্থার প্রতিদান: তারেক রহমানের ওপর দেশের মানুষ যে বিশ্বাস রেখেছে, তার মর্যাদা রক্ষায় বিএনপি বদ্ধপরিকর।

  • অধিকারের নিশ্চয়তা: প্রতিটি নাগরিকের স্বাধীনতা এবং মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করাই হবে নতুন সরকারের প্রধান লক্ষ্য।

  • জনকল্যাণমুখী রাজনীতি: প্রতিহিংসা নয়, বরং জনগণের সেবায় নিয়োজিত একটি সরকার উপহার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন তিনি।

 

বিএনপির এই বিজয় নিয়ে আপনার প্রত্যাশা কী? কমেন্টে আমাদের জানান এবং পোস্টটি শেয়ার করে অন্যদের মতামত জানার সুযোগ করে দিন।

জনপ্রিয় সংবাদ
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের বিমানবাহী রণতরী কিছুই না; মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা

মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন।   পার্সটুডে- মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন।   মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা স্কট রিটার সতর্ক করে বলেছেন যে পশ্চিমারা সর্বদা তার গুপ্তচর সংস্থাগুলির মাধ্যমে ইরানের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক ভিত্তি ধ্বংস করতে চাইছে এবং অপর্যাপ্তভাবে নিয়ন্ত্রিত তথ্য-যোগাযোগ রুট ব্যবহার করে কিছু ইরানিকে তাদের এজেন্ট নিয়োগ করেছে।   ক্ষেপণাস্ত্র ইরানের জন্য একটি পছন্দসই আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয় পার্সটুডে অনুসারে, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরিসর সীমিত করার বিষয়ে মার্কিন কর্মকর্তাদের বক্তব্যের কথা উল্লেখ করে রিটার ব্যাখ্যা করেছেন যে এই শর্তটি বাস্তবে "নিরস্ত্রীকরণ" এবং ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের কাছ থেকে "কৌশলগত আত্মহত্যার" অনুরোধের সমতুল্য। তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে ক্ষেপণাস্ত্র শুধুমাত্র ইরানের জন্য একটি কাঙ্ক্ষিত আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয়, বরং প্রতিরোধ ও বেঁচে থাকার মেরুদণ্ড এবং এই স্তম্ভটি অপসারণকারী যেকোনো চেষ্টো ইরানকে অরক্ষিত করে তুলবে। তিনি যুক্তি দেন যে ইরান যদি তার ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা এতটাই কমিয়ে দেয় যে তারা আর ইসরায়েলে আঘাত করতে পারবে না, তাহলে ইসরায়েল প্রতিশোধের ভয় ছাড়াই ইরানে আক্রমণ করবে।   ইরানের সাথে যুদ্ধ নীতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অক্ষমতা আমেরিকান বিশ্লেষক স্পষ্ট করে বলেন যে ইরানের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ এড়ানোর মূল কারণ কৌশলগত অক্ষমতা। তিনি বলেন, যেকোনও সামরিক আক্রমণ ইরানকে এমন প্রতিক্রিয়ার দিকে ঠেলে দেবে যা একই সাথে মার্কিন বাহিনী এবং স্বার্থের জন্য গুরুতর ক্ষতি বয়ে আনতে পারে। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে এই ধরনের পরিবেশে ইরানের সাথে যুদ্ধ কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কৌশলগত সুবিধাতো আনবেই না বরং ট্রাম্পের জন্য একটি অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিপর্যয়ও হতে পারে। ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কেবল ইসরায়েলের স্বার্থ রক্ষার জন্য।   আলোচনা একটি ফাঁদ সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা পরামর্শ দেন যে ইরানের উচিত দুর্বলতা থেকে নয়, বরং ওয়াশিংটনে রাজনৈতিক অজুহাতের পথ বন্ধ করার জন্য আলোচনায় প্রবেশ করা। তবে, রিটার সতর্ক করে দেন যে ইরানি কর্মকর্তাদের সর্বদা ধরে নেওয়া উচিত যে আলোচনা "একটি ফাঁদ"। কূটনীতির মাধ্যম বজায় রেখে, ইরানের উচিত তার সামরিক ও গোয়েন্দা যন্ত্রপাতিকে পূর্ণ সতর্ক রাখা । স্কট রিটার সাম্প্রতিক নৌ সংঘর্ষকে আমেরিকার শ্রেষ্ঠত্ব বা আগ্রাসনের লক্ষণ হিসেবে নয়, বরং ইরানের প্রবেশাধিকার-বিরোধী এবং আঞ্চলিক-বিরোধী ক্ষমতার প্রতি ওয়াশিংটনের কৌশলগত ভয়ের প্রতিফলন। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে ইরানের নতুন প্রজন্মের নির্ভুল, কৌশলগত এবং হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের সামনে মার্কিন বিমানবাহী রণতরীগুলি "অপ্রচলিত" সিস্টেমে পরিণত হয়েছে।   প্রধান হুমকি: ভেতর থেকে পতনের জন্য মানসিক যুদ্ধ অবশেষে, স্কট রিটার "মানসিক যুদ্ধ" নামক একটি ধারণার কথা উল্লেখ করেছেন; এমন একটি যুদ্ধ যেখানে, তিনি যুক্তি দেন, সরাসরি সামরিক সংঘাতের চেয়ে অনেক বেশি বিপজ্জনক, কারণ এর লক্ষ্য হল একটি গুলি না চালিয়েও একটি সমাজকে ভেতর থেকে ধ্বংস করা

Advertisement

রাজনীতি

View more
সবচেয়ে বেশি ও কম বয়সি এমপি হচ্ছেন কারা, জেনে নিন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী প্রার্থীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বয়সী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন।   আর সবচেয়ে কম বয়সে সংসদ সদস্য (এমপি) হিসেবে শপথ নিতে যাচ্ছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদ। নির্বাচনের বেসরকারি ফলাফল ও প্রার্থীদের হলফনামা থেকে এ তথ্য জানা গেছে।   হলফনামা অনুযায়ী, খন্দকার মোশাররফের জন্ম ১৯৪৬ সালের ১ অক্টোবর। তার বর্তমান বয়স ৭৯ বছর ৪ মাস। তিনি কুমিল্লা–১ (দাউদকান্দি ও মেঘনা) আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।   বেসরকারি ফলাফলে তিনি ১ লাখ ৪১ হাজার ৪৪০ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. মনিরুজ্জামান পেয়েছেন ৯৪ হাজার ৮৪৫ ভোট।   এর আগে ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও একই আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন খন্দকার মোশাররফ। সে সময় তিনি ৯৬ হাজার ৩৭৮ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় হয়েছিলেন।   এদিকে নোয়াখালী–৬ (হাতিয়া) আসন থেকে জয়ী হয়েছেন হান্নান মাসউদ। তিনি পেয়েছেন ৯১ হাজার ৮৯৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মাহবুবের রহমান শামীম পেয়েছেন ৬৪ হাজার ২১ ভোট।   নির্বাচনি হলফনামা অনুযায়ী, হান্নান মাসউদের জন্ম ২০০০ সালের ১ জানুয়ারি। তার বর্তমান বয়স ২৬ বছর ১ মাস। এবারের নির্বাচনেই প্রথমবারের মতো প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন তিনি। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তিনি সম্মুখসারির নেতা হিসেবে পরিচিতি পান।   পরে তিনি এনসিপিতে যোগ দেন এবং ১১–দলীয় জোট-সমর্থিত প্রার্থী হিসেবে শাপলা কলি প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেন।

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬ 0
ঢাকার কোন আসনে কারা বিজয়ী হলেন, ব্যবধান কত

ঢাকার কোন আসনে কারা বিজয়ী হলেন, ব্যবধান কত

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদ

মাত্র ২৬ বছরেই সংসদ সদস্য হলেন হান্নান মাসউদ

ছবি: সংগৃহীত

ক্ষমতায় আসছি বলে অত্যাচার করবো, এই নোংরা রাজনীতি বন্ধ করতে হবে : হুম্মাম কাদের

শেষ মুহূর্তে ভাগ্য বদল, পোস্টাল ভোটে জয় নিশ্চিত রিকশার
শেষ মুহূর্তে ভাগ্য বদল, পোস্টাল ভোটে জয় নিশ্চিত রিকশার

মাদারীপুর-১ আসনে সব কেন্দ্রের ভোট গণনা শেষে এগিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত পোস্টাল ভোটে হেরে গেছেন বিএনপির প্রার্থী নাদিরা আক্তার। মাত্র ৩৮৫ ভোটের ব্যবধানে জয় পেয়েছেন ১১ দলীয় জোটের রিকশা প্রতীকের প্রার্থী সাইদ উদ্দিন আহমেদ হানজালা।   মাদারীপুর-১ আসনটি মূলত শিবচর উপজেলা নিয়ে গঠিত। এখানে মোট ১০২টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। আসনটিতে ভোটার সংখ্যা ছিল ৩ লাখ ২৪ হাজার ২৮৯ জন। এর মধ্যে ১ লাখ ৮২ হাজার ৭১০ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। বাতিল ভোটের সংখ্যা ছিল ৩ হাজার ৭১৯টি।   মোট বৈধ ভোট পড়ে ১ লাখ ৭৮ হাজার ৯৯১টি। এর মধ্যে সাইদ উদ্দিন আহমেদ হানজালা পান ৬৪ হাজার ৯০৯ ভোট। অপরদিকে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী নাদিরা আক্তার পান ৬৪ হাজার ৫২৪ ভোট।   কেন্দ্রভিত্তিক গণনায় দেখা যায়, ১০২টি কেন্দ্রের ফলাফলে হানজালা পান ৬৩ হাজার ৫১১ ভোট। সেখানে নাদিরা আক্তার পান ৬৪ হাজার ২৯১ ভোট এবং তিনি ৭৮০ ভোটে এগিয়ে ছিলেন। তবে পোস্টাল ভোট গণনার পর পরিস্থিতি পাল্টে যায়। পোস্টাল ভোটে নাদিরা পান মাত্র ২৩৩টি ভোট, আর হানজালা পান ১ হাজার ৩৯৮টি ভোট। এতে সামগ্রিক ফলাফলে হানজালা ৩৮৫ ভোটে জয়ী হন।   এই আসনে বিএনপির প্রার্থীর পাশাপাশি দুজন স্বতন্ত্র (বিদ্রোহী) প্রার্থীও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তাদের মধ্যে আলোচনায় ছিলেন কামাল জামান মোল্লা। স্থানীয় রাজনৈতিক সমীকরণ ও দলীয় অবস্থানের পরিবর্তনের কারণে নির্বাচনী মাঠে শেষ পর্যন্ত তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে ওঠে।   জয়ী প্রার্থী সাইদ উদ্দিন আহমেদ হানজালা শিবচরের বাহাদুরপুর পীর পরিবারের সদস্য এবং ঐতিহাসিক ফরায়েজী আন্দোলনের প্রবর্তক হাজী শরীয়তুল্লাহ-এর বংশধর হিসেবে পরিচিত।   অন্যদিকে, মাদারীপুর-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী জাহান্দার আলী মিয়া ধানের শীষ প্রতীকে ৬১ হাজার ৭৪৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মিল্টন বৈদ্য পেয়েছেন ৪৬ হাজার ৪৭৬ ভোট।   মাদারীপুর-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী আনিসুর রহমান খোকন তালুকদার ধানের শীষ প্রতীকে ৯৬ হাজার ১৮৮ ভোট পেয়ে জয় লাভ করেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৮৪ হাজার ৬৪৬ ভোট পান।   সব মিলিয়ে মাদারীপুরের তিনটি আসনেই ভোটের লড়াই ছিল প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত উত্তেজনা বিরাজ করে।

নিলুফা ইয়াসমিন ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬ 0
বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন

এই বিজয় জনগণের: মাহদী আমিন

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে করা পোস্ট

নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন জামায়াতের

এবারের নির্বাচনে চমক দেখিয়েছে ভোটাররাই

নির্বাচনে ধরাশায়ী হলেন যেসব হেভিওয়েট প্রার্থী

বিএনপি
ভূমিধস জয় পেল বিএনপি, কোন আসনে কে জয়ী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সবকটি আসনের বেসরকারি ফলাফল সম্পন্ন হয়েছে। শান্তিপূর্ণ ও সহিংসতামুক্ত এই নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে ভূমিধস জয় পেয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। প্রাথমিক ফল অনুযায়ী, ২৯৯ আসনের মধ্যে বিএনপি ও তাদের সমর্থিত জোটের প্রার্থীরা ২১৩টি আসনে বিজয়ী হয়েছেন। অন্যদিকে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী–সমর্থিত জোট পেয়েছে মোট ৭৭টি আসন। এর মধ্যে জামায়াতে ইসলামী এককভাবে ৬৮টি, এনসিপি ৬টি এবং খেলাফত মজলিস ৩টি আসনে জয়লাভ করেছে। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ৮টি এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের একজন প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।   ঢাকার বেশির ভাগ আসনে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি’র প্রার্থীরা। ২০টি আসনের মধ্যে প্রাপ্ত ফলে ১৪টিতে বিএনপি প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। জামায়াত ও এনসিপি প্রার্থী জয়ী হয়েছেন ৬ জন। সিলেট বিভাগে সবচেয়ে ভালো করেছে বিএনপি। এ বিভাগের ১৭টির মধ্যে একটি ছাড়া সব আসনে জয়ী হয়েছেন বিএনপি প্রার্থীরা। এছাড়া দেশের পূর্বাঞ্চল ও দক্ষিণাঞ্চলেও ভালো ফলাফল করেছে দলটি। অন্যদিকে, উত্তরাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চলে জামায়াত জোটের প্রার্থীরা ভালো ফলাফল করেছেন।   বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে একটানা বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ব্যালট পেপারে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ২৯৯টি আসনে উৎসবমুখর পরিবেশে সহিংসতামুক্ত এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এবারের নির্বাচনের দিন সংঘাত ও সংঘর্ষের জেরে কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। দীর্ঘ দেড় যুগ পর গণতান্ত্রিক পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ায় নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে যান ভোটাররা। নির্বাচন ঘিরে সেনাবাহিনী, বিজিবি, র‌্যাব, পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৯ লক্ষাধিক সদস্য মোতায়েন ছিল। ভোটকেন্দ্রের বাইরে সেনাবাহিনী ও বিজিবি স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছে।   ঢাকায় বিজয়ী হয়েছেন যারা: ঢাকা-১ এ বিএনপি’র আবু আশফাক, ঢাকা-২ এ বিএনপি’র আমান উল্লাহ আমান, ঢাকা-৩ এ বিএনপি’র গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ঢাকা-৪ এ বিএনপি’র তানভীর ইসলাম রবিন, ঢাকা-৫ এ জামায়াতের কামাল হোসেন, ঢাকা-৬ এ বিএনপি’র ইশরাক হোসেন, ঢাকা-৭ এ বিএনপি’র প্রার্থী, ঢাকা-৮ এ বিএনপি’র মির্জা আব্বাস, ঢাকা-৯ এ বিএনপি’র হামিদুর রহমান, ঢাকা-১০ এ বিএনপি’র শেখ রবিউল ইসলাম রবি, ঢাকা-১১ এ এনসিপি’র নাহিদ ইসলাম, ঢাকা-১২ তে জামায়াতের সাইফুল আলম খান মিলন, ঢাকা-১৩ তে বিএনপি’র ববি হাজ্জাজ, ঢাকা-১৪ তে জামায়াতের ব্যারিস্টার মীর আহমেদ কাসেম আরমান, ঢাকা-১৫ তে জামায়াতের ডা. শফিকুর রহমান, ঢাকা-১৬ তে জামায়াতের কর্নেল (অব.) আবদুল বাতেন, ঢাকা-১৭ তে বিএনপি’র তারেক রহমান, ঢাকা-১৮ তে বিএনপি’র এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন, ঢাকা-১৯ এ বিএনপি’র দেওয়ান সালাহউদ্দিন এবং ঢাকা-২০ এ বিএনপি’র তমিজ উদ্দিন।   বিজয়ী হয়েছেন যারা: সুনামগঞ্জ-১ এ বিএনপি’র কামরুজ্জমান কামরুল, সুনামগঞ্জ-২ এ বিএনপি’র নাছির উদ্দিন চৌধুরী, সুনামগঞ্জ-৩ এ বিএনপি’র কয়ছর আহমেদ, সুনামগঞ্জ-৪ এ বিএনপি’র নূরুল ইসলাম, সুনামগঞ্জ-৫ এ বিএনপি’র কলিম উদ্দিন আহমেদ, সিলেট-১ এ বিএনপি’র খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, সিলেট-২ এ বিএনপি’র তাহসিনা রুশদী লুনা, সিলেট-৩ এ বিএনপি’র এম এ মালিক, সিলেট-৪ এ বিএনপি’র আরিফুল হক চৌধুরী, সিলেট-৫ এ খেলাফতের মুফতি আবুল হাসান, সিলেট-৬ এ বিএনপি’র এমরান আহমদ চৌধুরী, মৌলভীবাজার-১ এ বিএনপি’র নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠু (৯৭,৫৩৪) বিজয়ী হয়েছেন, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মাওলানা মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম পেয়েছেন ৭৯,৬১৯ ভোট। মৌলভীবাজার-২ এ বিএনপি’র শওকতুল ইসলাম শকু, মৌলভীবাজার-৩ এ বিএনপি’র নাসের রহমান, মৌলভীবাজার-৪ এ বিএনপি’র মুজিবুর রহমান চৌধুরী (হাজী মুজিব) (১,৬৯,৬০৮) বিজয়ী হয়েছেন, নিকটতম প্রার্থী শেখ নূরে আলম হামিদী পেয়েছেন ৪৯,১৮৯ ভোট। হবিগঞ্জ-১ এ বিএনপি’র ড. রেজা কিবরিয়া, হবিগঞ্জ-২ এ বিএনপি’র আবু মনসুর সাখাওয়াত হাসান, হবিগঞ্জ-৩ এ বিএনপি’র জিকে গউছ, হবিগঞ্জ-৪ এ বিএনপি’র সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়সল।   ঢাকা-২ এ বিএনপি’র আমান উল্লাহ আমান, ঢাকা-২০ এ বিএনপি’র তমিজ উদ্দিন, টাঙ্গাইল-৮ এ বিএনপি’র আহমেদ আযম খান, কিশোরগঞ্জ-১ এ বিএনপি’র মাজহারুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ-২ এ বিএনপি’র এডভোকেট মো. জালাল উদ্দীন, কিশোরগঞ্জ-৩ এ বিএনপি’র ড. এম ওসমান ফারুক, কিশোরগঞ্জ-৪ এ বিএনপি’র এডভোকেট ফজলুর রহমান, কিশোরগঞ্জ-৫ এ স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল, কিশোরগঞ্জ-৬ এ বিএনপি’র শরীফুল আলম (১,৮৫,৮৯৮) বিজয়ী হয়েছেন, প্রতিদ্বন্দ্বী খেলাফতের আতাউল্লাহ আমিন পেয়েছেন ৪২,৫২৫ ভোট।   মানিকগঞ্জ-১ এ বিএনপি’র এস এ জিন্নাহ কবীর, মানিকগঞ্জ-২ এ বিএনপি’র মইনুল ইসলাম খান শান্ত, মানিকগঞ্জ-৩ এ বিএনপি’র আফরোজা খান রিতা, মুন্সীগঞ্জ-১ এ বিএনপি’র মো. আব্দুল্লাহ, মুন্সীগঞ্জ-২ এ বিএনপি’র আব্দুস সালাম আজাদ, মুন্সীগঞ্জ-৩ এ বিএনপি’র মো. কামরুজ্জামান, গাজীপুর-৪ এ জামায়াতের সালাউদ্দিন আইউবী, গাজীপুর-৫ এ বিএনপি’র একেএম ফজলুল হক মিলন, নরসিংদী-১ এ বিএনপি’র খায়রুল কবির খোকন, নরসিংদী-২ এ বিএনপি’র মঈন খান, নরসিংদী-৩ এ বিএনপি’র মনজুর এলাহী, নরসিংদী-৪ এ বিএনপি’র সরদার সাখাওয়াত, ফরিদপুর-২ এ বিএনপি’র শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু, ভোলা-১ এ বিজেপি’র ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ, বরিশাল-৫ এ বিএনপি’র মজিবর রহমান সরোয়ার, বরিশাল-৬ এ বিএনপি’র আবুল হোসেন খান, পিরোজপুর-৩ এ বিএনপি’র রুহুল আমিন দুলাল (৬৩,১৩২) বিজয়ী হয়েছেন, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ডা. রুস্তম আলী ফরাজী পেয়েছেন ৩৫,৬২৩ ভোট।   জয়পুরহাট-১ এ জামায়াতের ফজলুর রহমান সাঈদ, জয়পুরহাট-২ এ বিএনপি’র আব্দুল বারী, নওগাঁ-১ এ বিএনপি’র মো. মোস্তাফিজুর রহমান, পাবনা-১ এ জামায়াতের নাজিবুর রহমান মোমেন, মেহেরপুর-১ এ জামায়াতের মাওলানা তাজ উদ্দীন খান (১,২২,৮২৯) বিজয়ী হয়েছেন, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি’র মাসুদ অরুন পেয়েছেন ১,০৪,২২৪ ভোট। মেহেরপুর-২ এ জামায়াতের নাজমুল হুদা (৯৪,১৬৮) বিজয়ী হয়েছেন, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি’র আমজাদ হোসেন পেয়েছেন ৮৫,৬৮৯ ভোট।   কুষ্টিয়া-১ এ বিএনপি’র রেজা আহমেদ বাচ্চু, কুষ্টিয়া-২ এ জামায়াতের আব্দুল গফুর (১,৮৯,৮১৬) বিজয়ী হয়েছেন, প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি’র ব্যারিস্টার রাগিব রউফ চৌধুরী পেয়েছেন ১,৪৩,২৮২ ভোট, কুষ্টিয়া-৩ এ মুফতি আমির হামজা, কুষ্টিয়া-৪ এ জামায়াতের আফজাল হোসেন, চুয়াডাঙ্গা-২ এ জামায়াতের রুহুল আমীন (২,১০,১১১) বিজয়ী হয়েছেন, প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি’র মাহমুদ হাসান খান বাবু পেয়েছেন ১,৬৩,২৯৯ ভোট।   বাগেরহাট-৩ এ বিএনপি’র ফরিদুল ইসলাম, খুলনা-৪ এ বিএনপি’র আজিজুল বারী হেলাল, খুলনা-৫ এ বিএনপি’র আলি আসগার, সাতক্ষীরা-১ এ জামায়াতের ইজ্জত উল্যাহ, সাতক্ষীরা-২ এ জামায়াতের মুহাদ্দিস আবদুল খালেদ, সাতক্ষীরা-৩ এ জামায়াতের রবিউল বাশার, সাতক্ষীরা-৪ এ জামায়াতের গাজী নজরুল ইসলাম।   বগুড়া-১ এ বিএনপি’র কাজী রফিকুল ইসলাম, বগুড়া-২ এ বিএনপি’র মীর শাহে আলম, বগুড়া-৩ এ বিএনপি’র আবদুল মহিত তালুকদার, বগুড়া-৫ এ বিএনপি’র গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ, বগুড়া-৬ এ বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।   পঞ্চগড়-১ এ বিএনপি’র ব্যারিস্টার মোহাম্মদ নওশাদ জমির (১,৭৬,১৬৯) বিজয়ী হয়েছেন, প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপি’র সারজিস আলম পেয়েছেন ১,৬৮,০৪৯ ভোট। পঞ্চগড়-২ এ বিএনপি’র ফরহাদ হোসেন আজাদ (১,৭৪,৬৫০) বিজয়ী হয়েছেন, প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের সফিউল আলম পেয়েছেন ১,২৮,৮৬২ ভোট। ঠাকুরগাঁও-১ এ বিএনপি’র মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।   নীলফামারী-১ এ জামায়াতে ইসলামীর মাওলানা আব্দুস সাত্তার, নীলফামারী-২ এ জামায়াতের আল ফারুক আব্দুল লতিফ, নীলফামারী-৩ এ জামায়াতের ওবায়দুল্লাহ সালাফী, নীলফামারী-৪ এ জামায়াতের আব্দুল মুনতাকিম, কুড়িগ্রাম-২ এ এনসিপি’র ড. আতিকুর রহমান মুজাহিদ, কুড়িগ্রাম-৩ এ জামায়াতের মাহবুবুল আলম সালেহী এবং কুড়িগ্রাম-৪ এ জামায়াতে ইসলামীর মো. মোস্তাফিজুর রহমান বিজয়ী হয়েছেন।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬ 0
নির্বাচনে বড় জয়, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আসছেন তারেক রহমান

নির্বাচনে বড় জয়, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আসছেন তারেক রহমান

নওগাঁর পাঁচ আসনে বিএনপি, একটিতে জামায়াত জয়ী

নওগাঁর পাঁচ আসনে বিএনপি, একটিতে জামায়াত জয়ী

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন। ছবি: সংগৃহীত

‘দেশের ইতিহাসে যেকোনো মানদণ্ডে ভালো নির্বাচন হয়েছে’—সিইসি

0 Comments