রাজনীতি

সবচেয়ে বেশি ও কম বয়সি এমপি হচ্ছেন কারা, জেনে নিন

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬ 0

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী প্রার্থীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বয়সী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

 

আর সবচেয়ে কম বয়সে সংসদ সদস্য (এমপি) হিসেবে শপথ নিতে যাচ্ছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদ। নির্বাচনের বেসরকারি ফলাফল ও প্রার্থীদের হলফনামা থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

 

হলফনামা অনুযায়ী, খন্দকার মোশাররফের জন্ম ১৯৪৬ সালের ১ অক্টোবর। তার বর্তমান বয়স ৭৯ বছর ৪ মাস। তিনি কুমিল্লা–১ (দাউদকান্দি ও মেঘনা) আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

 

বেসরকারি ফলাফলে তিনি ১ লাখ ৪১ হাজার ৪৪০ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. মনিরুজ্জামান পেয়েছেন ৯৪ হাজার ৮৪৫ ভোট।

 

এর আগে ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও একই আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন খন্দকার মোশাররফ। সে সময় তিনি ৯৬ হাজার ৩৭৮ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় হয়েছিলেন।

 

এদিকে নোয়াখালী–৬ (হাতিয়া) আসন থেকে জয়ী হয়েছেন হান্নান মাসউদ। তিনি পেয়েছেন ৯১ হাজার ৮৯৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মাহবুবের রহমান শামীম পেয়েছেন ৬৪ হাজার ২১ ভোট।

 

নির্বাচনি হলফনামা অনুযায়ী, হান্নান মাসউদের জন্ম ২০০০ সালের ১ জানুয়ারি। তার বর্তমান বয়স ২৬ বছর ১ মাস। এবারের নির্বাচনেই প্রথমবারের মতো প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন তিনি। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তিনি সম্মুখসারির নেতা হিসেবে পরিচিতি পান।

 

পরে তিনি এনসিপিতে যোগ দেন এবং ১১–দলীয় জোট-সমর্থিত প্রার্থী হিসেবে শাপলা কলি প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেন।

জনপ্রিয় সংবাদ
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের বিমানবাহী রণতরী কিছুই না; মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা

মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন।   পার্সটুডে- মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন।   মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা স্কট রিটার সতর্ক করে বলেছেন যে পশ্চিমারা সর্বদা তার গুপ্তচর সংস্থাগুলির মাধ্যমে ইরানের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক ভিত্তি ধ্বংস করতে চাইছে এবং অপর্যাপ্তভাবে নিয়ন্ত্রিত তথ্য-যোগাযোগ রুট ব্যবহার করে কিছু ইরানিকে তাদের এজেন্ট নিয়োগ করেছে।   ক্ষেপণাস্ত্র ইরানের জন্য একটি পছন্দসই আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয় পার্সটুডে অনুসারে, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরিসর সীমিত করার বিষয়ে মার্কিন কর্মকর্তাদের বক্তব্যের কথা উল্লেখ করে রিটার ব্যাখ্যা করেছেন যে এই শর্তটি বাস্তবে "নিরস্ত্রীকরণ" এবং ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের কাছ থেকে "কৌশলগত আত্মহত্যার" অনুরোধের সমতুল্য। তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে ক্ষেপণাস্ত্র শুধুমাত্র ইরানের জন্য একটি কাঙ্ক্ষিত আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয়, বরং প্রতিরোধ ও বেঁচে থাকার মেরুদণ্ড এবং এই স্তম্ভটি অপসারণকারী যেকোনো চেষ্টো ইরানকে অরক্ষিত করে তুলবে। তিনি যুক্তি দেন যে ইরান যদি তার ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা এতটাই কমিয়ে দেয় যে তারা আর ইসরায়েলে আঘাত করতে পারবে না, তাহলে ইসরায়েল প্রতিশোধের ভয় ছাড়াই ইরানে আক্রমণ করবে।   ইরানের সাথে যুদ্ধ নীতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অক্ষমতা আমেরিকান বিশ্লেষক স্পষ্ট করে বলেন যে ইরানের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ এড়ানোর মূল কারণ কৌশলগত অক্ষমতা। তিনি বলেন, যেকোনও সামরিক আক্রমণ ইরানকে এমন প্রতিক্রিয়ার দিকে ঠেলে দেবে যা একই সাথে মার্কিন বাহিনী এবং স্বার্থের জন্য গুরুতর ক্ষতি বয়ে আনতে পারে। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে এই ধরনের পরিবেশে ইরানের সাথে যুদ্ধ কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কৌশলগত সুবিধাতো আনবেই না বরং ট্রাম্পের জন্য একটি অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিপর্যয়ও হতে পারে। ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কেবল ইসরায়েলের স্বার্থ রক্ষার জন্য।   আলোচনা একটি ফাঁদ সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা পরামর্শ দেন যে ইরানের উচিত দুর্বলতা থেকে নয়, বরং ওয়াশিংটনে রাজনৈতিক অজুহাতের পথ বন্ধ করার জন্য আলোচনায় প্রবেশ করা। তবে, রিটার সতর্ক করে দেন যে ইরানি কর্মকর্তাদের সর্বদা ধরে নেওয়া উচিত যে আলোচনা "একটি ফাঁদ"। কূটনীতির মাধ্যম বজায় রেখে, ইরানের উচিত তার সামরিক ও গোয়েন্দা যন্ত্রপাতিকে পূর্ণ সতর্ক রাখা । স্কট রিটার সাম্প্রতিক নৌ সংঘর্ষকে আমেরিকার শ্রেষ্ঠত্ব বা আগ্রাসনের লক্ষণ হিসেবে নয়, বরং ইরানের প্রবেশাধিকার-বিরোধী এবং আঞ্চলিক-বিরোধী ক্ষমতার প্রতি ওয়াশিংটনের কৌশলগত ভয়ের প্রতিফলন। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে ইরানের নতুন প্রজন্মের নির্ভুল, কৌশলগত এবং হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের সামনে মার্কিন বিমানবাহী রণতরীগুলি "অপ্রচলিত" সিস্টেমে পরিণত হয়েছে।   প্রধান হুমকি: ভেতর থেকে পতনের জন্য মানসিক যুদ্ধ অবশেষে, স্কট রিটার "মানসিক যুদ্ধ" নামক একটি ধারণার কথা উল্লেখ করেছেন; এমন একটি যুদ্ধ যেখানে, তিনি যুক্তি দেন, সরাসরি সামরিক সংঘাতের চেয়ে অনেক বেশি বিপজ্জনক, কারণ এর লক্ষ্য হল একটি গুলি না চালিয়েও একটি সমাজকে ভেতর থেকে ধ্বংস করা

Advertisement

রাজনীতি

View more
তারেক রহমান
যে ভালোবাসা দেখিয়েছেন, তার জন্য কৃতজ্ঞ: তারেক রহমান

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর সাধারণ মানুষের অকৃত্রিম ভালোবাসা ও শুভেচ্ছায় আপ্লুত হয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) জুমার নামাজের আগে রাজধানীর গুলশানে তাঁর বাসভবনের সামনে জড়ো হওয়া শত শত মানুষের সঙ্গে সৌজন্য বিনিময়কালে তিনি দেশবাসীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।   জুমার নামাজ আদায়ের উদ্দেশ্যে বের হওয়ার সময় বাসভবনের সামনে বিপুল সংখ্যক শুভাকাঙ্ক্ষীকে দেখে তারেক রহমান নিজের গাড়ি থামান। নিরাপত্তার কড়াকড়ি থাকা সত্ত্বেও তিনি নিজেই গাড়ির দরজা খুলে বেরিয়ে আসেন এবং সেখানে উপস্থিত সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলেন। এ সময় জনতা তাঁকে ঘিরে উল্লাসে মেতে ওঠে এবং একে একে নিজেদের পরিচয় ও প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেন। উপস্থিত অনেকেই জানান, তারা একটি বৈষম্যহীন ও সমৃদ্ধ ‘নতুন বাংলাদেশ’ গড়ার স্বপ্নে তারেক রহমানের নেতৃত্বের ওপর পূর্ণ আস্থা রাখছেন।   জনতার এই স্বতঃস্ফূর্ত আবেগ ও সমর্থন দেখে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন তারেক রহমান। তিনি উপস্থিত সবার উদ্দেশ্যে বলেন, “আমার প্রতি আপনারা যে ভালোবাসা ও আন্তরিকতা দেখিয়েছেন, তার জন্য আমি চির কৃতজ্ঞ। নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে আপনাদের এই সমর্থন আমার শক্তি। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন যাতে আমি দেশ ও মানুষের সেবা করতে পারি।” এরপর তিনি বনানীস্থ বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সদর দপ্তর মসজিদে গিয়ে জুমার নামাজ আদায় করেন।   উল্লেখ্য, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয়লাভ করে পুনরায় ক্ষমতায় ফিরতে যাচ্ছে। দীর্ঘ ২০ বছর পর এই ঐতিহাসিক বিজয়ের মাধ্যমে বিএনপি আবারও রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করতে চলেছে। দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানই হচ্ছেন বাংলাদেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী। তিনি ঢাকা-১৭ ও বগুড়া-৬—উভয় আসন থেকেই বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর এই রাজকীয় প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে সারাদেশে এখন উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬ 0
শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি

রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে : এ্যানি

হাসনাত আবদুল্লাহ

শত্রুর সঙ্গেও যেন বেইনসাফি না হয়: হাসনাত আবদুল্লাহ

সবচেয়ে বেশি ও কম বয়সি এমপি হচ্ছেন কারা, জেনে নিন

ঢাকার কোন আসনে কারা বিজয়ী হলেন, ব্যবধান কত
ঢাকার কোন আসনে কারা বিজয়ী হলেন, ব্যবধান কত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বেলা দেড়টা পর্যন্ত পাওয়া বেসরকারি ফল অনুযায়ী ঢাকার ২০টি আসনের সবগুলোর ফল ঘোষণা হয়েছে। এর মধ্যে ১৩টি আসনে বিএনপি, ৬টি আসনে জামায়াতে ইসলামী এবং ১টি আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) জয় পেয়েছে।   নিচে আসনভিত্তিক ফলাফল তুলে ধরা হলো— 🔹 ঢাকা–১ বিএনপির প্রার্থী খোন্দকার আবু আশফাক ধানের শীষ প্রতীকে ১,৭৩,৭৮১ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম পেয়েছেন ১,১২,৬২২ ভোট।   🔹 ঢাকা–২ বিএনপির আমানউল্লাহ আমান ১,৬৩,০২০ ভোট পেয়ে জয়ী। জামায়াতের কর্নেল (অব.) আব্দুল হক পেয়েছেন ৭৮,৬৫৫ ভোট।   🔹 ঢাকা–৩ বিএনপির গয়েশ্বর চন্দ্র রায় পেয়েছেন ৯৮,৭৮৫ ভোট। জামায়াতের শাহীনুল ইসলাম পেয়েছেন ৮২,২৩২ ভোট।   🔹 ঢাকা–৪ জামায়াতে ইসলামীর সৈয়দ জয়নুল আবেদীন ৭৭,৩৬৭ ভোট পেয়ে প্রায় ৩ হাজার ভোটে জয়ী। বিএনপির তানভীর আহমেদ পেয়েছেন ৭৪,৪৪৭ ভোট।   🔹 ঢাকা–৫ জামায়াতের মোহাম্মদ কামাল হোসেন পেয়েছেন ৯৬,৬৪১ ভোট। বিএনপির মো. নবী উল্লাহ পেয়েছেন ৮৭,৪৯১ ভোট।   🔹 ঢাকা–৬ বিএনপির ইশরাক হোসেন ৭৮,৮৫০ ভোট পেয়ে জয়ী। জামায়াতের মো. আবদুল মান্নান পেয়েছেন ৫৫,৬৯৭ ভোট।   🔹 ঢাকা–৭ বিএনপির হামিদুর রহমান পেয়েছেন ১,০৪,৬৬৬ ভোট। জামায়াতের মো. এনায়েত উল্লা পেয়েছেন ৯৮,৪৮৩ ভোট।   🔹 ঢাকা–৮ বিএনপির মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ৫,২৩৯ ভোটে জয়ী হয়েছেন।   🔹 ঢাকা–৯ বিএনপির হাবিবুর রশিদ পেয়েছেন ১,১১,২১২ ভোট। এনসিপির মোহাম্মদ জাবেদ মিয়া পেয়েছেন ৫৩,৪৬০ ভোট।   🔹 ঢাকা–১০ বিএনপির শেখ রবিউল আলম পেয়েছেন ৮০,৪৩৬ ভোট। জামায়াতের মো. জসীম উদ্দীন সরকার পেয়েছেন ৭৭,১৩৬ ভোট। ভোটের হার ছিল ৪৩%।   🔹 ঢাকা–১১ এনসিপির নাহিদ ইসলাম ৯৩,৮৭২ ভোট পেয়ে ২,০৩৯ ভোটে জয়ী। বিএনপির এম এ কাইয়ুম পেয়েছেন ৯১,৮৩৩ ভোট।   🔹 ঢাকা–১২ জামায়াতের মো. সাইফুল আলম পেয়েছেন ৫৩,৭৭৩ ভোট। বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাইফুল হক পেয়েছেন ৩০,৯৬৩ ভোট।   🔹 ঢাকা–১৩ বিএনপি সমর্থিত ববি হাজ্জাজ পেয়েছেন ৮৮,৩৮৭ ভোট। মামুনুল হক পেয়েছেন ৮৬,০৬৭ ভোট।   🔹 ঢাকা–১৪ জামায়াতের মীর আহমাদ বিন কাসেম পেয়েছেন ১,০১,১১৩ ভোট। বিএনপির সানজিদা ইসলাম পেয়েছেন ৮৩,৩২৩ ভোট।   🔹 ঢাকা–১৫ জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান পেয়েছেন ৮৫,১৩১ ভোট। বিএনপির মো. শফিকুল ইসলাম খান পেয়েছেন ৬৩,৫১৭ ভোট।   🔹 ঢাকা–১৬ জামায়াতের মো. আব্দুল বাতেন পেয়েছেন ৮৮,৮২৮ ভোট। বিএনপির মো. আমিনুল হক পেয়েছেন ৮৫,৪৬৭ ভোট।   🔹 ঢাকা–১৭ বিএনপির তারেক রহমান পেয়েছেন ৭২,৬৯৯ ভোট। জামায়াতের স ম খালিদুজ্জামান পেয়েছেন ৬৮,৩০০ ভোট।   🔹 ঢাকা–১৮ বিএনপির এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন পেয়েছেন ১,৪৪,৭১৫ ভোট। এনসিপির আরিফুল ইসলাম পেয়েছেন ১,১১,২৯৭ ভোট।   🔹 ঢাকা–১৯ বিএনপির দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন পেয়েছেন ১,৯০,৯৭৬ ভোট। এনসিপির দিলশানা পারুল পেয়েছেন ১,২৫,২৮৩ ভোট।   🔹 ঢাকা–২০ (ধামরাই) বিএনপির মো. তমিজ উদ্দিন পেয়েছেন ১,৬০,৪২৮ ভোট। এনসিপির নাবিলা তাসনিদ পেয়েছেন ৫৬,৩৪৩ ভোট।

নিলুফা ইয়াসমিন ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬ 0
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদ

মাত্র ২৬ বছরেই সংসদ সদস্য হলেন হান্নান মাসউদ

ছবি: সংগৃহীত

ক্ষমতায় আসছি বলে অত্যাচার করবো, এই নোংরা রাজনীতি বন্ধ করতে হবে : হুম্মাম কাদের

শেষ মুহূর্তে ভাগ্য বদল, পোস্টাল ভোটে জয় নিশ্চিত রিকশার

শেষ মুহূর্তে ভাগ্য বদল, পোস্টাল ভোটে জয় নিশ্চিত রিকশার

বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন
এই বিজয় জনগণের: মাহদী আমিন

তারেক রহমানের নেতৃত্বে এক নতুন ভোরের অপেক্ষায় বাংলাদেশ! বিএনপির অভাবনীয় বিজয়ে উচ্ছ্বসিত দেশবাসী। এই মাহেন্দ্রক্ষণে দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মাহদী আমিন জানিয়েছেন তার আবেগঘন প্রতিক্রিয়া। তিনি পরিষ্কার বার্তা দিয়েছেন—বিজয় মানেই অহংকার নয়, বরং জনগণের আমানত রক্ষা।   গুরুত্বপূর্ণ কিছু হাইলাইটস:   গণতন্ত্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠা: মাহদী আমিনের মতে, এই জয় কোনো ব্যক্তি বা দলের নয়, বরং এটি বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের হারানো গণতন্ত্র ফিরে পাওয়ার জয়। আস্থার প্রতিদান: তারেক রহমানের ওপর দেশের মানুষ যে বিশ্বাস রেখেছে, তার মর্যাদা রক্ষায় বিএনপি বদ্ধপরিকর। অধিকারের নিশ্চয়তা: প্রতিটি নাগরিকের স্বাধীনতা এবং মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করাই হবে নতুন সরকারের প্রধান লক্ষ্য। জনকল্যাণমুখী রাজনীতি: প্রতিহিংসা নয়, বরং জনগণের সেবায় নিয়োজিত একটি সরকার উপহার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন তিনি।   বিএনপির এই বিজয় নিয়ে আপনার প্রত্যাশা কী? কমেন্টে আমাদের জানান এবং পোস্টটি শেয়ার করে অন্যদের মতামত জানার সুযোগ করে দিন।

ইশতিয়াক মাহমুদ ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬ 0
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে করা পোস্ট

নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন জামায়াতের

এবারের নির্বাচনে চমক দেখিয়েছে ভোটাররাই

নির্বাচনে ধরাশায়ী হলেন যেসব হেভিওয়েট প্রার্থী

বিএনপি

ভূমিধস জয় পেল বিএনপি, কোন আসনে কে জয়ী

0 Comments