রাজনীতি

নির্বাচনের আগে জামায়াত নেতা আটক ‘পরিকল্পিত চক্রান্ত’ অভিযোগ জামায়াত প্রার্থীর

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬ 0
নির্বাচনের আগে জামায়াত নেতা আটক ‘পরিকল্পিত চক্রান্ত’ অভিযোগ জামায়াত প্রার্থীর
নির্বাচনের আগে জামায়াত নেতা আটক ‘পরিকল্পিত চক্রান্ত’ অভিযোগ জামায়াত প্রার্থীর

ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির বেলাল উদ্দিন প্রধানকে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থসহ আটকের ঘটনায় জেলায় চরম উত্তেজনা ও রাজনৈতিক ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। নির্বাচনের মাত্র এক দিন আগে ঘটা এই ঘটনাকে ‘গভীর ষড়যন্ত্র’ এবং ‘নির্বাচন প্রভাবিত করার অপকৌশল’ হিসেবে অভিহিত করেছে ১১ দলীয় নির্বাচনী জোট।

 

বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ঠাকুরগাঁও শহরের একটি রেস্টুরেন্টে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে জোটের প্রার্থী ও জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতা মো. দেলাওয়ার হোসেন প্রশাসনের এই পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি অভিযোগ করেন, এটি একটি সাজানো নাটক যা কেবল জামায়াতের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার জন্যই করা হয়েছে।

 

দেলাওয়ার হোসেন সংবাদ সম্মেলনে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে বলেন, “ঠাকুরগাঁওয়ে বিএনপির এক প্রভাবশালী নেতার ২২ কোটি টাকার ঋণ মওকুফ নিয়ে কোনো তদন্ত নেই, বিভিন্ন জায়গায় অন্য দলের প্রার্থীরা টাকা বিলিয়ে ধরা পড়লেও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। অথচ একজন প্রবীণ নেতা যখন তাঁর বৈধ ব্যবসায়িক অর্থ নিয়ে ফিরছিলেন, তখন সেটিকে রাজনৈতিক ইস্যু বানিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে।” তিনি প্রশ্ন তোলেন— কেন তাকে ঢাকা বিমানবন্দরে আটক করা হলো না? সৈয়দপুরে এসে এই ‘আটক নাটক’ প্রমাণ করে এটি একটি সুপরিকল্পিত চক্রান্ত।

 

এদিকে বেলাল উদ্দিন প্রধানের পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উদ্ধারকৃত টাকা মূলত পোশাক শিল্পের বকেয়া আদায় এবং নতুন অর্ডারের অগ্রিম হিসেবে সংগ্রহ করা হয়েছিল। আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে গার্মেন্টস ও বুটিক ব্যবসার লেনদেনের জন্যই তিনি ঢাকা গিয়েছিলেন। পরিবার দাবি করেছে, এর আগেও তিনি একইভাবে বড় অঙ্কের টাকা ব্যবসার প্রয়োজনে বহন করেছেন, কিন্তু কেবল রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে এবার তাঁকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে নাজেহাল করা হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন সতর্কবার্তা দিয়ে বলেন, “একটি কুচক্রী মহল সাধারণ ভোটারদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। ব্যবসায়িক লেনদেনকে অপরাধ হিসেবে চালিয়ে দিয়ে সংগঠনের জয়যাত্রা থামানো যাবে না।”

 

উক্ত সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন খেলাফত মজলিসের সভাপতি সায়েদ আহাম্মদ সাইফি, এনসিপির জেলা আহ্বায়ক রফিকুল আলম, সদস্য সচিব খলিলুর রহমানসহ জোটের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ। নির্বাচনের চূড়ান্ত লগ্নে উত্তরাঞ্চলের এই হেভিওয়েট নেতার আটক হওয়ার ঘটনা এখন টক অব দ্য কান্ট্রিতে পরিণত হয়েছে। সাধারণ ভোটারদের মনে এখন একটাই প্রশ্ন— এটি কি আসলেও আইনি প্রক্রিয়া নাকি পর্দার আড়ালের কোনো রাজনৈতিক সমীকরণ?

জনপ্রিয় সংবাদ
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের বিমানবাহী রণতরী কিছুই না; মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা

মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন।   পার্সটুডে- মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন।   মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা স্কট রিটার সতর্ক করে বলেছেন যে পশ্চিমারা সর্বদা তার গুপ্তচর সংস্থাগুলির মাধ্যমে ইরানের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক ভিত্তি ধ্বংস করতে চাইছে এবং অপর্যাপ্তভাবে নিয়ন্ত্রিত তথ্য-যোগাযোগ রুট ব্যবহার করে কিছু ইরানিকে তাদের এজেন্ট নিয়োগ করেছে।   ক্ষেপণাস্ত্র ইরানের জন্য একটি পছন্দসই আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয় পার্সটুডে অনুসারে, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরিসর সীমিত করার বিষয়ে মার্কিন কর্মকর্তাদের বক্তব্যের কথা উল্লেখ করে রিটার ব্যাখ্যা করেছেন যে এই শর্তটি বাস্তবে "নিরস্ত্রীকরণ" এবং ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের কাছ থেকে "কৌশলগত আত্মহত্যার" অনুরোধের সমতুল্য। তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে ক্ষেপণাস্ত্র শুধুমাত্র ইরানের জন্য একটি কাঙ্ক্ষিত আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয়, বরং প্রতিরোধ ও বেঁচে থাকার মেরুদণ্ড এবং এই স্তম্ভটি অপসারণকারী যেকোনো চেষ্টো ইরানকে অরক্ষিত করে তুলবে। তিনি যুক্তি দেন যে ইরান যদি তার ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা এতটাই কমিয়ে দেয় যে তারা আর ইসরায়েলে আঘাত করতে পারবে না, তাহলে ইসরায়েল প্রতিশোধের ভয় ছাড়াই ইরানে আক্রমণ করবে।   ইরানের সাথে যুদ্ধ নীতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অক্ষমতা আমেরিকান বিশ্লেষক স্পষ্ট করে বলেন যে ইরানের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ এড়ানোর মূল কারণ কৌশলগত অক্ষমতা। তিনি বলেন, যেকোনও সামরিক আক্রমণ ইরানকে এমন প্রতিক্রিয়ার দিকে ঠেলে দেবে যা একই সাথে মার্কিন বাহিনী এবং স্বার্থের জন্য গুরুতর ক্ষতি বয়ে আনতে পারে। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে এই ধরনের পরিবেশে ইরানের সাথে যুদ্ধ কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কৌশলগত সুবিধাতো আনবেই না বরং ট্রাম্পের জন্য একটি অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিপর্যয়ও হতে পারে। ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কেবল ইসরায়েলের স্বার্থ রক্ষার জন্য।   আলোচনা একটি ফাঁদ সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা পরামর্শ দেন যে ইরানের উচিত দুর্বলতা থেকে নয়, বরং ওয়াশিংটনে রাজনৈতিক অজুহাতের পথ বন্ধ করার জন্য আলোচনায় প্রবেশ করা। তবে, রিটার সতর্ক করে দেন যে ইরানি কর্মকর্তাদের সর্বদা ধরে নেওয়া উচিত যে আলোচনা "একটি ফাঁদ"। কূটনীতির মাধ্যম বজায় রেখে, ইরানের উচিত তার সামরিক ও গোয়েন্দা যন্ত্রপাতিকে পূর্ণ সতর্ক রাখা । স্কট রিটার সাম্প্রতিক নৌ সংঘর্ষকে আমেরিকার শ্রেষ্ঠত্ব বা আগ্রাসনের লক্ষণ হিসেবে নয়, বরং ইরানের প্রবেশাধিকার-বিরোধী এবং আঞ্চলিক-বিরোধী ক্ষমতার প্রতি ওয়াশিংটনের কৌশলগত ভয়ের প্রতিফলন। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে ইরানের নতুন প্রজন্মের নির্ভুল, কৌশলগত এবং হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের সামনে মার্কিন বিমানবাহী রণতরীগুলি "অপ্রচলিত" সিস্টেমে পরিণত হয়েছে।   প্রধান হুমকি: ভেতর থেকে পতনের জন্য মানসিক যুদ্ধ অবশেষে, স্কট রিটার "মানসিক যুদ্ধ" নামক একটি ধারণার কথা উল্লেখ করেছেন; এমন একটি যুদ্ধ যেখানে, তিনি যুক্তি দেন, সরাসরি সামরিক সংঘাতের চেয়ে অনেক বেশি বিপজ্জনক, কারণ এর লক্ষ্য হল একটি গুলি না চালিয়েও একটি সমাজকে ভেতর থেকে ধ্বংস করা

Advertisement

রাজনীতি

View more
ভোটাধিকার প্রয়োগে জনগণের প্রতি আসিফ মাহমুদের আহ্বান

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জনগণের প্রতি ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন আসিফ মাহমুদ।   তিনি বলেন, “আপনি যাকেই ইচ্ছা ভোট দিন, তবে অবশ্যই আপনার ভোটাধিকার প্রয়োগ করুন।” তিনি আরও বলেন, গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে সবার অংশগ্রহণ অপরিহার্য। ভোটের মাধ্যমে জনগণের মতামত প্রতিফলিত হলেই একটি শক্তিশালী ও কার্যকর গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা গড়ে ওঠে।   এসময় তিনি অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের গুরুত্ব তুলে ধরে সবাইকে নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬ 0
গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে বৈঠক

তারেক রহমানের সঙ্গে তুরস্কের রাষ্ট্রদূত ও পর্যবেক্ষক দলের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক

হাসনাত আবদুল্লাহ। ছবি: ফেসবুক লাইভ থেকে নেওয়া

কালো টাকার সরবরাহ প্রতিহত করা হবে: হাসনাত আবদুল্লাহ

নির্বাচনের আগে জামায়াত নেতা আটক ‘পরিকল্পিত চক্রান্ত’ অভিযোগ জামায়াত প্রার্থীর

নির্বাচনের আগে জামায়াত নেতা আটক ‘পরিকল্পিত চক্রান্ত’ অভিযোগ জামায়াত প্রার্থীর

হাতপাখা মার্কার প্রার্থী মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল
জামায়াতের নির্বাচনি ইশতেহারে ইসলাম নেই: ফয়জুল করিম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চূড়ান্ত লগ্নে এসে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমীর এবং বরিশাল-৫ ও বরিশাল-৬ আসনের হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বরিশাল প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনি ইশতেহার এবং জোট থেকে বের হয়ে আসার নেপথ্য কারণ নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন।   সংবাদ সম্মেলনে ফয়জুল করীম দাবি করেন, জামায়াতে ইসলামীর বর্তমান নির্বাচনি ইশতেহারে ইসলামের প্রতিফলন নেই। তিনি বলেন, “আমরা ইসলামের পক্ষে একটি আলাদা নির্বাচনি কাঠামোর দাবি জানিয়েছিলাম, কিন্তু তাদের ইশতেহারে ইসলামের বিষয়টি অস্পষ্ট থাকায় আমরা জোট থেকে বেরিয়ে এককভাবে লড়াই করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।” তবে জোট ভাঙলেও আদর্শিক কারণে জামায়াতের তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা তাকেই ভোট দেবেন বলে তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, বরিশাল সদর-৫ আসনে জামায়াত প্রার্থী মুয়াযম হোসাইন হেলাল প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময় তাকেই সমর্থন দিয়েছেন।   নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা এবং প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে গভীর শঙ্কা প্রকাশ করে তিনি বলেন, “নির্বাচনে বড় ধরনের ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’, জাল ভোট এবং কেন্দ্র দখলের পায়তারা চলছে। যতক্ষণ ফলাফল ঘোষণা না হচ্ছে, ততক্ষণ আমরা শঙ্কা মুক্ত হতে পারছি না।” তিনি হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, প্রশাসনকে নিশ্চিত করতে হবে যেন কেউ সাধারণ মানুষের ব্যালট পেপার ছিনিয়ে নিতে না পারে।   সারাদেশে নেতাকর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ তুলে তিনি জানান, বরগুনায় তাদের এক নেতার ওপর হামলা হয়েছে এবং পটুয়াখালীতে আরেক নেতার পা ভেঙে দেওয়া হয়েছে। এসব সহিংসতা বন্ধে তিনি প্রশাসনের কঠোর নজরদারি দাবি করেন। ভোটের প্রতিশ্রুতির বিষয়ে ফয়জুল করীম বলেন, “বরিশালের মানুষ পরিবর্তন চায়। যারা চাঁদাবাজি, গুন্ডামি আর মাস্তানি বন্ধ করতে পারে, জনগণ তাদেরই বেছে নেবে। আমি নির্বাচিত হলে বরিশালকে সব ধরণের চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি থেকে মুক্ত করার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।” তিনি ভোটারদের নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার এবং একটি সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠায় ‘হাতপাখা’ মার্কায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

জামায়াত নেতাকে আটকের পর টাকা নিয়ে ব্যাখ্যা গ্রহণযোগ্য নয়: তারেক

এ্যানি চৌধুরীর গাড়ি থেকে নগদ ১৫ লাখ উদ্ধার

এ্যানি চৌধুরীর গাড়ি থেকে নগদ ১৫ লাখ উদ্ধার

তারেক রহমানসহ বিএনপির শীর্ষ নেতারা কে কোথায় ভোট দেবেন

রায়গঞ্জে ছাত্রদল নেতাসহ ১৮ জনের জামায়াতে যোগদান
রায়গঞ্জে ছাত্রদল নেতাসহ ১৮ জনের জামায়াতে যোগদান

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চূড়ান্ত মাহেন্দ্রক্ষণে সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলায় বড় ধরনের রাজনৈতিক মেরুকরণ ঘটেছে। ধানের শীষের দুর্গ হিসেবে পরিচিত এই অঞ্চলে ছাত্রদলের এক প্রভাবশালী নেতাসহ ১৮ জন সক্রিয় নেতাকর্মী আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতিতে যোগদান করেছেন।   বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রায়গঞ্জ উপজেলার ধানগড়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের নির্বাচনি কার্যালয়ে এক বিশেষ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই যোগদান সম্পন্ন হয়। দলত্যাগকারীদের নেতৃত্বে ছিলেন ধানগড়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক ও স্থানীয়ভাবে ‘জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধা’ হিসেবে পরিচিত তরুণ নেতা ফারদিন হাসান মুজাহিদ।   যোগদান অনুষ্ঠানে ফারদিন হাসান মুজাহিদ তাঁর প্রতিক্রিয়ায় বলেন, “আদর্শিক পরিবর্তন এবং দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে ইনসাফ কায়েমের লক্ষ্যেই আমি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। জুলাই বিপ্লবের চেতনাকে ধারণ করে এবং সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করতে আমি জামায়াতে ইসলামীকে বেছে নিয়েছি।” তাঁর সাথে যোগ দেওয়া অন্য নেতাকর্মীরাও একই সুরে আগামীর পথচলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।   অনুষ্ঠানে নবাগতদের বরণ করে নেন ধানগড়া ইউনিয়ন (দক্ষিণ শাখা) জামায়াতের সাবেক সভাপতি এস এম মমতাজ হোসেন, সাবেক ছাত্রনেতা মো. মোক্তাদির হোসেন এবং ইউনিয়ন জামায়াত নেতা মো. হায়দার আলীসহ অন্যান্য শীর্ষ নেতৃবৃন্দ। তাঁরা মনে করেন, নির্বাচনের ঠিক আগমুহূর্তে এই তরুণ ও সক্রিয় শক্তির সম্পৃক্ততা ‘দাঁড়িপাল্লা’র জয়যাত্রাকে আরও ত্বরান্বিত করবে।   রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, একজন ‘জুলাই যোদ্ধা’ ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতার এমন আকস্মিক দলবদল ধানগড়া ইউনিয়নের ভোটের সমীকরণে সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে নির্বাচনের মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে এই ঘটনা সাধারণ ভোটারদের মাঝে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।   এদিকে, এই দলবদল নিয়ে রায়গঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সাইফুল্লাহ ইবনে সাঈদ সজল জানান, ফারদিন হাসান মুজাহিদ ছাত্রদলের একজন নেতা—এটি সত্য। তবে তাঁর জামায়াতে যোগদানের বিষয়টি এখনো তিনি দাপ্তরিকভাবে নিশ্চিত নন। নির্বাচনের আগের রাতে এমন গণযোগদান স্থানীয় বিএনপির জন্য বড় এক সাংগঠনিক ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬ 0
ভোটার স্লিপের সঙ্গে টাকা বিলির সময় বিএনপি নেতাসহ ‘আটক’ ২

ভোটার স্লিপের সঙ্গে টাকা বিলির সময় বিএনপি নেতাসহ ‘আটক’ ২

৭৪ লাখ টাকাসহ আটক হওয়া সেই জামায়াত নেতার হার্ট অ্যাটাক, সিসিইউতে ভর্তি

জামায়াত আমির

নিজ আসনে ১৩ বুথ ভাঙচুরের অভিযোগ তুলে যা বললেন জামায়াত আমির

0 Comments