অভিনেত্রী

ছবি: সংগৃহীত।
কৃষাণি বেশে জয়া: নিজের বাগানে সবজির বাম্পার ফলন

অভিনয় দিয়ে দুই বাংলা জয় করা জয়া আহসান এবার নজর কাড়লেন এক ভিন্ন রূপে। বড় পর্দার ঝলমলে আভিজাত্য দূরে সরিয়ে তিনি ধরা দিলেন প্রকৃতির একদম কাছাকাছি। নিজের শখের বাগানে বিষমুক্ত ও সতেজ সবজির বাম্পার ফলন ফলিয়ে রীতিমতো তাক লাগিয়ে দিয়েছেন এই গুণী অভিনেত্রী। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে জয়াকে দেখা যায় তার বাগানের নিবিড় পরিচর্যায় ব্যস্ত থাকতে। মাথায় হ্যাট আর সাধারণ পোশাকে তাকে দেখাচ্ছিল সতেজ এক কৃষাণির মতো।  পরম মমতায় কখনও তিনি গাছ থেকে রসালো শসা কাটছেন, আবার কখনও বড় থোকার কলা হাতে নিয়ে মেতে উঠছেন অনাবিল উল্লাসে। তার বাগানে ডালপালা বেয়ে নামা করলা আর সবুজ পাতার ফাঁকে লাল শাকের সমারোহ দেখে মুগ্ধ অনুরাগীরাও। ভিডিওর ক্যাপশনে নিজের হাতে ফলানো ফসলের তৃপ্তির কথা অকপটে স্বীকার করেছেন জয়া। ব্যস্ত শিডিউল আর শুটিংয়ের ক্লান্তির মাঝেও তিনি যেভাবে বাগান করে নিজেকে সতেজ রাখছেন, তা সাধারণ মানুষকে দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করছে।  ভক্তরা তার এই সাধারণ যাপন আর সবুজের প্রতি মমত্ববোধের ভূয়সী প্রশংসা করছেন। জয়া আহসান প্রায়ই তার ছাদবাগান বা বারান্দার সবুজের ছবি শেয়ার করে ভক্তদের বাগান করায় উৎসাহিত করে থাকেন। 

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
পরকীয়ার ভাঙলো মৌসুমী হামিদের সংসার: বিচ্ছেদের পথে জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী

শোবিজ অঙ্গনে ফের ভাঙনের সুর। দীর্ঘদিনের প্রেম আর ঢাকঢোল পিটিয়ে করা বিয়ের আখ্যান এবার রূপ নিল বিচ্ছেদের করুণ পরিণতিতে।  ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মৌসুমী হামিদ ও লেখক আবু সাইয়িদ রানার দুই বছরের সাজানো সংসার এখন ভাঙনের মুখে। অভিযোগের আঙুল উঠেছে স্বামী রানার পরকীয়ার দিকে। ২০২৪ সালের ১২ জানুয়ারি জমকালো আয়োজনে ঘর বেঁধেছিলেন এই তারকা দম্পতি। কিন্তু বিয়ের বছর দুয়েক পার হতেই সম্পর্কে ধরেছে ফাটল। জানা গেছে, গত বছরের নভেম্বর মাস থেকেই তারা আলাদা থাকছেন। শোবিজের অন্দরে জোর গুঞ্জন, নুসরাত তুবা নামে এক তরুণীর সঙ্গে রানার ঘনিষ্ঠতাই এই টানাপোড়েনের মূল কারণ। রানা এবং তুবা একটি নির্মাণ প্রতিষ্ঠানে একসাথে কাজ করার সুবাদেই নাকি তাদের এই কথিত প্রেমের সূত্রপাত। মৌসুমী হামিদ বিষয়টি নিশ্চিত করে গণমাধ্যমকে জানান, যা রটেছে তা সত্যি। তবে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ায় বর্তমানে বিস্তারিত কথা বলার অবস্থায় তিনি নেই। অন্যদিকে, পরিস্থিতির অবনতি ঘটলে রানা নিজেই বিচ্ছেদের আবেদন জানিয়েছেন বলে জানা গেছে।  নেটিজেনদের একাংশ মনে করছেন, নিজের দোষ ঢাকতেই রানা এমন চরম সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৬, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় ইরানি অভিনেত্রী এলনাজ নরোজি।
ইরানি পুলিশের নির্যাতন নিয়ে মুখ খুললেন বিখ্যাত অভিনেত্রী

উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতির মধ্যেই ইরান প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন জনপ্রিয় ইরানি অভিনেত্রী এলনাজ নরোজি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি ইরানি পুলিশের হাতে নারী নির্যাতনের ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেন। অভিনেত্রীর দাবি, ইরানে নারীদের অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয় এবং সেখানে প্রতিনিয়ত মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে। জার্মান নাগরিকত্ব থাকায় এবং ভারতে সুপ্রতিষ্ঠিত হওয়ায় এলনাজ নিজেকে কিছুটা নিরাপদ মনে করলেও, সাধারণ ইরানি নারীদের নিরাপত্তা নিয়ে তিনি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান, পুলিশ হেফাজতে থাকাকালীন তাকে অপরাধীদের মতো আচরণ সহ্য করতে হয়েছে। তার রেকর্ড রাখা থেকে শুরু করে ছবি তুলে রাখা—সবই ছিল এক ভীতিকর অভিজ্ঞতা। এলনাজের ভাষায়, "সেখানে জিরো টলারেন্স নীতি কার্যকর রয়েছে এবং মহিলাদের বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হয় না।" ইরানি সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যু উদযাপন এবং শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে কথা বলাকে অভিনেত্রী কোনো ঝুঁকি নয় বরং নিজের নৈতিক দায়িত্ব হিসেবে মনে করেন। নিজের আত্মীয়স্বজন ইরানে থাকলেও এবং নিজে সেখানে নিষিদ্ধ হওয়া সত্ত্বেও তিনি দমে যেতে রাজি নন। এলনাজ বিশ্বাস করেন, ঈশ্বর তাকে এমন এক অবস্থানে বসিয়েছেন যেখান থেকে তিনি নিপীড়িত নারীদের কণ্ঠস্বর হতে পারেন। তেহরানে জন্ম নেওয়া এই অভিনেত্রী বর্তমানে ভারতে ক্যারিয়ার গড়লেও নিজ জন্মভূমির নারীদের মুক্তির জন্য বিশ্বজুড়ে সচেতনতা বাড়াতে বদ্ধপরিকর। জেনে নিন এলনাজের পরিচয় এলনাজের জন্ম ইরানের তেহরানে। এরপর তিনি তার পরিবারের সাথে জার্মানিতে চলে যান। তারপর তিনি ভারতে ফিরে আসেন এবং একজন অভিনেত্রী হিসেবে ক্যারিয়ার গড়ে তোলেন। তবে, এলনাজের অনেক আত্মীয় এখনও ইরানে থাকেন। তবে, এলনাজকে ইরানে যেতে দেওয়া হয় না। এলনাজ বলেন যে তিনি সেখানকার শাসনব্যবস্থার বিরোধিতা করেন, কিন্তু তাঁর দেশকে ভালোবাসেন।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
১৪ বোতল অবৈধ মদসহ আটক অভিনেত্রী মেহজাবীন, আইনি প্রক্রিয়া ছাড়াই মুক্তি

রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর–এ বিদেশ থেকে ফেরার সময় ১৪ বোতল অ্যালকোহলসহ আটক হন দেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। তবে আইন অনুযায়ী মামলা হওয়ার বিধান থাকলেও রহস্যজনকভাবে মুচলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।   ঘটনাটি গত ১৭ আগস্টের। ব্যাংকক থেকে বিএস-২১৮ ফ্লাইটে ঢাকায় ফেরেন মেহজাবীন, তার স্বামী পরিচালক ও প্রযোজক আদনান আল রাজীব এবং চলচ্চিত্র পরিচালক শঙ্খ দাসগুপ্ত। বিমানবন্দরের গ্রিন চ্যানেল দিয়ে বের হওয়ার সময় কাস্টমস তল্লাশিতে তাদের লাগেজ থেকে ১৪ বোতল লিকার উদ্ধার করা হয়।   মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮ ও কাস্টমস আইন, ২০২৩ অনুযায়ী লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়া অ্যালকোহল বহন ও আমদানি নিষিদ্ধ। বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের ক্ষেত্রে বিমানবন্দরে অ্যালকোহল বহন বেআইনি। এ ধরনের ঘটনায় সাধারণত যাত্রীকে আটক করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা করা হয়।   কাস্টমস সূত্রে জানা যায়, আটক সংক্রান্ত নোটে উল্লেখ করা হয় যাত্রীরা যাত্রী ব্যাগেজ বিধিমালা লঙ্ঘন করে আমদানি নিষিদ্ধ পণ্য বহন করেছেন। জব্দ পণ্য আইনানুগ নিষ্পত্তির জন্য আটক রাখা হয়েছে। নোটে ডি শিফটের এয়ারপোর্ট রেভিনিউ অফিসার (এআরও) মো. মোতাকাব্বির আলীর স্বাক্ষর রয়েছে।   বর্তমানে সিলেটে কর্মরত মো. মোতাকাব্বির আলী বলেন, “আটকের পর সংশ্লিষ্ট শাখায় পাঠানো হয়। এরপর কী হয়েছে, তা আমার জানা নেই।”   সূত্র জানায়, ঘটনাটিতে দায়িত্বে থাকা দুই প্রটোকল কর্মকর্তার কাছ থেকে মুচলেকা নেওয়া হয়। তবে অভিনেত্রী মেহজাবীনের কাছ থেকে কোনো মুচলেকা নেওয়া হয়েছে কি না সে বিষয়ে স্পষ্ট তথ্য মেলেনি। মামলা না করে তাদের ছেড়ে দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে কাস্টমস কর্তৃপক্ষের ভূমিকা প্রশ্নের মুখে পড়েছে।   বিষয়টি নিয়ে মেহজাবীন, আদনান আল রাজীব ও শঙ্খ দাসগুপ্তের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা সাড়া দেননি। মোবাইল ফোনে কল ও বার্তা পাঠানো হলেও কোনো উত্তর মেলেনি। এক অনুষ্ঠানে সরাসরি প্রশ্ন করা হলে মেহজাবীন ব্যক্তিগত বিষয়ে মন্তব্য করতে অপারগতা প্রকাশ করেন।   আইন অনুযায়ী যেখানে মামলা ও অধিদপ্তরে হস্তান্তরের বিধান রয়েছে, সেখানে কী কারণে তা অনুসরণ করা হয়নি এ প্রশ্ন উঠেছে সংশ্লিষ্ট মহলে। বিষয়টি নিয়ে কাস্টমস কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।   ঘটনাটি সামনে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও আলোচনা-সমালোচনা চলছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ব্যাখ্যার অপেক্ষায় রয়েছে জনমত।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬ 0
নতুন সরকারের কাছে যে দাবি অপু বিশ্বাসের

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামীকাল। এ নির্বাচন সামনে রেখে দেশের সাধারণ মানুষের পাশাপাশি বিনোদন জগতের তারকাদের মধ্যেও দেখা যাচ্ছে আগ্রহ ও প্রত্যাশা। এবার নিজের প্রত্যাশার কথা জানালেন ঢালিউড অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস। নতুন সরকার ও দেশ নিয়ে তার ইচ্ছা এবং ভাবনার কথাও জানালেন তিনি। নারীদের নিরাপত্তা ও চলচ্চিত্রশিল্পের উন্নয়নে নির্বাচিত সরকারের ভূমিকা চান বলেও জানান এ অভিনেত্রী।    নির্বাচন প্রসঙ্গে অপু বিশ্বাস বলেন, যে সরকারই আসুক, তাদের সাধুবাদ জানাই। আমার পক্ষ থেকে অগ্রিম শুভেচ্ছা ও শুভকামনা। আমি একজন চলচ্চিত্র অভিনেত্রী ও উদ্যোক্তা। সে জায়গা থেকে চাইব— সবাই যেন সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে ভোট দিতে পারেন।    নতুন সরকারের কাছে তার বিশেষ দুটি দাবির কথা উল্লেখ অপু বিশ্বাস বলেন, ‘নির্বাচিত সরকার যেন নারীদের নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখে, সেটিই আমি চাই। সেই সঙ্গে দেশের বিনোদন ও চলচ্চিত্রশিল্পকে আরও বড় পরিসরে এগিয়ে নেওয়ার তাগিদ দেখতে চাই। সিনেমার মানুষ হিসেবে এটি আমার প্রত্যাশা বলেও জানান এ অভিনেত্রী।    উল্লেখ্য, অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস বেশ কিছু দিন সিনেমা থেকে দূরে ছিলেন। শুধু বিভিন্ন পণ্য ও প্রতিষ্ঠানের প্রচারে নিয়মিত ছিলেন তিনি। সম্প্রতি অভিনেত্রী একসঙ্গে দুটি নতুন সিনেমার শুটিং শুরু করেছেন। এর পাশাপাশি সময় দিচ্ছেন নিজের পারিবারিক ব্যবসা দেখাশোনাতেও।    সর্বশেষ কামরুল হাসান ফুয়াদ পরিচালিত ‘দুর্বার’ সিনেমায় অভিনয় করেছেন অপু বিশ্বাস। সেখানে তার বিপরীতে অভিনয় করছেন সজল। অন্যদিকে বন্ধন বিশ্বাস পরিচালিত ‘সিক্রেট’ সিনেমায় আদর আজাদের বিপরীতে অভিনয় করছেন তিনি। সিনেমা দুটি চলতি বছরের ঈদ উৎসবে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্মাতারা। 

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

বিয়ের মাধ্যমে আমেরিকার নাগরিকত্ব কি বন্ধ? ইউএস ইমিগ্রেশন ওয়েবসাইটে কী বলা আছে

সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্রে বিয়ের মাধ্যমে নাগরিকত্ব বা গ্রীন কার্ড পাওয়ার নিয়ম বন্ধ হয়ে গেছে। তবে মার্কিন ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ ইউএস সিটিজেনশিপ এন্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিস  এর অফিসিয়াল তথ্য অনুযায়ী এই দাবি সঠিক নয়। সংস্থাটি জানিয়েছে, বিয়ের মাধ্যমে এখনও গ্রীন কার্ড এবং পরে নাগরিকত্ব পাওয়ার সুযোগ রয়েছে, তবে আবেদনকারীদের নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলতে হবে এবং বর্তমানে যাচাই-বাছাই আগের তুলনায় বেশি কঠোর করা হয়েছে। ইউএসসিআইএসের নিয়ম অনুযায়ী, একজন মার্কিন নাগরিক বা গ্রীন কার্ডধারী তার স্বামী বা স্ত্রীর জন্য পারিবারিক ভিত্তিতে অভিবাসনের আবেদন করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে প্রথমে বৈধ বিয়ের প্রমাণসহ আবেদন জমা দিতে হয়। আবেদন অনুমোদিত হলে বিদেশি স্বামী বা স্ত্রী গ্রীন কার্ড পেতে পারেন এবং স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে থাকার অনুমতি পাবেন। সাধারণত মার্কিন নাগরিককে বিয়ে করলে প্রক্রিয়া তুলনামূলক দ্রুত হয়, আর গ্রীন কার্ডধারীকে বিয়ে করলে অপেক্ষার সময় কিছুটা বেশি হতে পারে। গ্রীন কার্ড পাওয়ার পর নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করার নিয়মও আগের মতোই রয়েছে। ইমিগ্রেশন নীতিমালা অনুযায়ী, যদি কেউ মার্কিন নাগরিককে বিয়ে করে গ্রীন কার্ড পান এবং কমপক্ষে তিন বছর একসাথে বসবাস করেন, তাহলে তিনি নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারেন। আর যদি গ্রীন কার্ডধারীকে বিয়ে করেন, তাহলে সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে পাঁচ বছর পূর্ণ হলে নাগরিকত্বের আবেদন করা যায়। ইমিগ্রেশন বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রে বেশি সাক্ষাৎকার নেওয়া হচ্ছে, অতিরিক্ত কাগজপত্র চাওয়া হচ্ছে এবং যৌথ ব্যাংক হিসাব, বাসার ঠিকানা, ট্যাক্স নথি ও পারিবারিক প্রমাণ জমা দিতে হচ্ছে। ভুয়া বিয়ের মাধ্যমে সুবিধা নেওয়া ঠেকাতে এই যাচাই-বাছাই বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া আবেদন প্রক্রিয়ায় সময় বেশি লাগার কারণেও অনেকের মধ্যে ভুল ধারণা তৈরি হয়েছে যে বিয়ের মাধ্যমে নাগরিকত্ব বন্ধ হয়ে গেছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বিয়ের মাধ্যমে আমেরিকার নাগরিকত্ব বা গ্রীন কার্ড বন্ধ হয়নি। তবে বর্তমানে আবেদন প্রক্রিয়া কঠোর হয়েছে এবং প্রতিটি ক্ষেত্রে বৈধ বিবাহ, একসাথে বসবাস এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রমাণ করা বাধ্যতামূলক।

Top week

বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?
আমেরিকা

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক মার্চ ২৫, ২০২৬ 0