আইজিপি

পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।
অপকর্মে জড়িতদের পুলিশে রাখা হবে না: আইজিপি

পুলিশ বাহিনীর ভেতরে যারা মাদক ব্যবসা ও বিভিন্ন অপকর্মের সঙ্গে জড়িত, তাদের আর বাহিনীতে রাখা হবে না বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির। শনিবার (১৪ মার্চ) বিকেলে গাজীপুর পুলিশ লাইনসে আয়োজিত এক সুধী সমাবেশে তিনি এই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। আইজিপি বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে গিয়ে তিনি অনেক পুলিশ সদস্যের মাদক সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পেয়েছেন এবং যারাই এসব অনৈতিক কাজে জড়িত থাকবেন, তাদের বিরুদ্ধে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।   আইজিপি তার বক্তব্যে থানার ওসিদের একচ্ছত্র ক্ষমতা প্রদর্শনের সংস্কৃতির সমাপ্তি ঘোষণা করে বলেন, পুলিশকে এখন থেকে জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করতে হবে। থানায় সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের প্রবণতার কড়া সমালোচনা করে তিনি বলেন, অতীতে বাদী-বিবাদী উভয় পক্ষ থেকে টাকা নেওয়ার অভ্যাসের কারণেই আগের নেতৃত্ব আজ বিতর্কিত ও পলাতক। বর্তমান পুলিশ বাহিনীকে সেই কলঙ্কিত ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।   গাজীপুর ও চট্টগ্রামকে দেশের অর্থনীতির ‘লাইফ লাইন’ হিসেবে উল্লেখ করে আইজিপি আরও বলেন, গাজীপুরের ২০টি বস্তিতে মাদকের ছড়াছড়ি তরুণ সমাজকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। মাদক ও ইন্টারনেটের অপব্যবহার রোধে পরিবারের সদস্যদের সচেতন থাকার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, যারা নিজেদের সংশোধন করবে না, তাদের কঠোর শাস্তির আওতায় আনা হবে। পুলিশকে দুর্নীতিমুক্ত ও জনবান্ধব করার লক্ষ্যেই এই শুদ্ধি অভিযান চলবে বলে তিনি নিশ্চিত করেন।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৪, ২০২৬ 0
চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সের কড়া নির্দেশ আইজিপির

চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণের জন্য মাঠ পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তাদের কড়া বার্তা দিয়েছেন নবনিযুক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির। তিনি বলেন, ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও মাদক বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে এবং কোনো ধরনের শৈথিল্য বরদাশত করা হবে না।   সোমবার (২ মার্চ) সকালে পুলিশ সদরদপ্তর থেকে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে দেশের সব জেলার পুলিশ সুপারদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময়কালে এসব নির্দেশনা দেন আইজিপি। এ সময় তিনি মহাসড়কে চাঁদাবাজি, ছিনতাই ও ডাকাতি বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন এবং হাইওয়ে পুলিশের পাশাপাশি জেলা পুলিশকেও মহাসড়কে তৎপরতা বাড়ানোর আহ্বান জানান।   আসন্ন ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাতায়াত নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করতে নির্দেশনা দিয়ে তিনি বলেন, যানজট নিরসনে আগাম প্রস্তুতি নিতে হবে এবং যাত্রীদের নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছানো ও ফিরে আসা নিশ্চিত করতে হবে।   আইজিপি আরও বলেন, থানায় সেবা নিতে আসা মানুষের সঙ্গে ভালো আচরণ করতে হবে, যাতে তারা সন্তুষ্ট হয়ে ফিরে যেতে পারেন। মানুষের সঙ্গে সদাচরণ করে আস্থা অর্জনের মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার ওপর জোর দেন তিনি। একই সঙ্গে নিরপরাধ মানুষকে কোনোভাবেই হয়রানি না করার নির্দেশ দেন।   ঐক্যবদ্ধভাবে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য জেলা পুলিশ সুপারদের প্রতি আহ্বান জানান আইজিপি। এ সময় পুলিশ সদরদপ্তরের সংশ্লিষ্ট অতিরিক্ত আইজিসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২, ২০২৬ 0
আইজিপি আলী হোসেন ফকির
জামিন পেলেও প্রতি সপ্তাহে হাজিরা দিতে হবে থানায়

মাদক কারবারি, কিশোর গ্যাং এবং ছিনতাইকারীদের অপরাধের বৃত্ত থেকে বের করে আনতে এক কঠোর ও ব্যতিক্রমী পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন নবনিযুক্ত আইজিপি আলী হোসেন ফকির।   বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শনকালে তিনি স্পষ্ট জানান, জামিনে মুক্ত হওয়ার পর অপরাধীরা যাতে পুনরায় অপরাধে জড়াতে না পারে, সেজন্য তাদের নিয়মিত থানায় এসে ওসির কাছে হাজিরা দিতে হবে। আইজিপি বলেন, "অপরাধীরা জামিনে বেরিয়ে এসে আবারও একই অপরাধে লিপ্ত হয়। এখন থেকে এলাকাভিত্তিক তালিকা তৈরি করা হবে এবং জামিনে থাকা ব্যক্তিদের প্রতি সপ্তাহে থানায় এসে নিজেদের ভালো হয়ে চলার প্রমাণ দিতে হবে।" পুলিশের কাজের ধরনে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়ে তিনি আরও জানান: মাদক নির্মূলে জিরো টলারেন্স: প্রধানমন্ত্রীর প্রধান লক্ষ্য অনুযায়ী মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে কঠোর অবস্থানে থাকবে পুলিশ। সন্তানদের গতিবিধির ওপর নজর রাখতে অভিভাবকদের প্রতিও তিনি আহ্বান জানান। পোশাক ও মনস্তাত্ত্বিক পরিবর্তন: শুধু পুলিশের পোশাক বদলানোই যথেষ্ট নয়, বাহিনীর প্রতিটি সদস্যের মানসিকতায় সেবামূলক দৃষ্টিভঙ্গি এবং পজিটিভ অ্যাটিচিউড থাকতে হবে। ফুটপাত দখলমুক্ত করা: রাস্তার ওপর দোকানপাট ও চাঁদাবাজি বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে নির্দিষ্ট স্থানে 'হলিডে মার্কেট' চালুর মাধ্যমে হকারদের পুনর্বাসন ও যানজট নিরসনের পরিকল্পনা রয়েছে। আইজিপি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, অপরাধী যেই হোক, তাকে কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না। পুলিশের টহল ও সক্রিয়তা বাড়াতে তিনি নিজেই নিয়মিত রাজপথে উপস্থিত থেকে তদারকি করবেন।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬ 0
মো. আলী হোসেন ফকির
দেশের নতুন আইজিপি হলেন আলী হোসেন ফকির

অবশেষে দেশের পুলিশ বাহিনীর শীর্ষ পদে বড় পরিবর্তন! রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে বারবার চাকরি হারানো সেই অকুতোভয় কর্মকর্তা মো. আলী হোসেন ফকিরই হলেন নতুন আইজিপি।   ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে পুলিশের সংস্কার ও শৃঙ্খলা ফেরাতে এটি একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এপিবিএন প্রধান ও অতিরিক্ত আইজি মো. আলী হোসেন ফকিরকে পুলিশের নতুন মহাপরিদর্শক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ১৫তম বিসিএস ব্যাচের এই মেধাবী কর্মকর্তার জীবন ছিল বৈচিত্র্যময় ও লড়াইয়ের।  বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তাকে দুই দফায় চাকরিচ্যুত ও বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হলেও দমে যাননি তিনি। ৫ই আগস্টের পর আইনি প্রক্রিয়ায় নিজের অধিকার ফিরে পান এবং আজ তিনি বাহিনীর সর্বোচ্চ পদে আসীন। বাগেরহাটের কৃতি সন্তান মো. আলী হোসেন ফকিরের এই নিয়োগ পুলিশ বাহিনীর পেশাদারিত্ব ফিরিয়ে আনতে নতুন আশার আলো দেখাচ্ছে।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬ 0
বাংলাদেশ পুলিশের লোগো
নতুন আইজিপি ও ডিএমপি কমিশনার হওয়ার আলোচনায় যাঁরা

বিএনপি নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ে বড় ধরনের পরিবর্তনের আভাস মিলছে। বিশেষ করে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ও ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার পদকে ঘিরে প্রশাসনিক অন্দরে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। সরকারের নীতিগত অগ্রাধিকার ও মাঠপর্যায়ের নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করতে নতুন নেতৃত্ব বসানোর সম্ভাবনা নিয়ে চলছে নানা জল্পনা–কল্পনা।   নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, আইজিপি পদে কয়েকজন অভিজ্ঞ কর্মকর্তার নাম আলোচনায় রয়েছে। তাদের মধ্যে হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি দেলোয়ার হোসেন মিঞা, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অতিরিক্ত আইজিপি আলী হোসেন ফকির, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি মো. ছিবগাত উল্লাহ এবং র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)–এর মহাপরিচালক এ কে এম শহিদুর রহমানের নাম উল্লেখযোগ্য। পেশাগত দক্ষতা, মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা এবং সরকারের আস্থার প্রশ্ন—এই তিন সূচকে তাদের নাম সামনে এসেছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।   বিশেষ করে এ কে এম শহিদুর রহমানকে নিয়ে প্রশাসনে আলাদা আলোচনা চলছে। চব্বিশের গণ–অভ্যুত্থানের পর বাহিনী পুনর্গঠনের প্রক্রিয়ায় তাকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। তার নেতৃত্বে র‌্যাবের কার্যক্রমে গতি এসেছে—এমন মূল্যায়নও রয়েছে। আগামী ১৫ মার্চ তার চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা থাকায় তাকে পুলিশের সর্বোচ্চ পদে আনার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না।   অবসরপ্রাপ্ত হলেও আলোচনায় রয়েছেন সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি মতিউর রহমান শেখ এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার সমন্বয়ক আনসার উদ্দিন খান পাঠান। অতীতে তাদের দায়িত্ব পালন ও তদন্ত–অভিজ্ঞতা নতুন সরকারের জন্য কাজে লাগতে পারে—এমন ধারণা থেকেই তাদের নাম সামনে এসেছে বলে মনে করা হচ্ছে।   তবে বর্তমান আইজিপি বাহারুল আলমের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ এখনো বহাল রয়েছে। ২০২৪ সালের ২০ নভেম্বর তাকে দুই বছরের জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। ফলে তাকে সরিয়ে তাৎক্ষণিক পরিবর্তন আনা হবে, নাকি মেয়াদ শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করা হবে—এ নিয়েও প্রশাসনের ভেতরে আলোচনা চলছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এ ক্ষেত্রে সরকারের রাজনৈতিক সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত ভূমিকা রাখবে।   ডিএমপি কমিশনার পদ নিয়েও কম আলোচনা হচ্ছে না। রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, রাজনৈতিক কর্মসূচি ব্যবস্থাপনা এবং কূটনৈতিক নিরাপত্তা—সব মিলিয়ে এ পদটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সম্ভাব্য নতুন কমিশনার হিসেবে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের কমিশনার হাসিব আজিজ, অতিরিক্ত আইজিপি মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ এবং র‌্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ফারুক আহমেদের নাম আলোচনায় রয়েছে। মাঠপর্যায়ে নেতৃত্বের অভিজ্ঞতা ও প্রশাসনিক দক্ষতার কারণে তাদের এগিয়ে রাখা হচ্ছে।   বর্তমান ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলীর চুক্তিভিত্তিক মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা আগামী ২১ নভেম্বর। সরকার চাইলে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই পরিবর্তন আনতে পারে, আবার মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার পরও নতুন নিয়োগ দিতে পারে—এমন ধারণা করা হচ্ছে।   বিশ্লেষকদের মতে, নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে আস্থাভাজন কর্মকর্তাদের বসানো একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। এতে নীতি বাস্তবায়ন সহজ হয় এবং মাঠপর্যায়ে সমন্বয় বাড়ে। তবে হঠাৎ বড় ধরনের রদবদল বাহিনীর ভেতরে মানসিক চাপও তৈরি করতে পারে—এ বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন।   সব মিলিয়ে পুলিশের শীর্ষ পদে সম্ভাব্য রদবদল এখন সময়ের অপেক্ষা। আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না এলেও প্রশাসনের অন্দরমহলে হিসাব–নিকাশ শুরু হয়ে গেছে। শেষ পর্যন্ত সরকারের অগ্রাধিকার, পেশাগত দক্ষতা এবং পরিস্থিতি মোকাবিলার সক্ষমতার সমন্বয়েই নির্ধারিত হবে পুলিশের নতুন নেতৃত্ব।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬ 0
নতুন আইজিপি হওয়ার চেষ্টায় তিনজন, পদ পেতে দৌড়ঝাঁপ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল পরবর্তী সময়ে এখন আলোচনার তুঙ্গে পুলিশ প্রশাসনের সংস্কার ও শীর্ষ পদে রদবদল। নির্বাচিত রাজনৈতিক সরকার দায়িত্ব নেওয়ার প্রাক্কালে কে হচ্ছেন নতুন মহাপরিদর্শক (আইজিপি), তা নিয়ে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে শুরু করে রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। যদিও বর্তমান আইজিপি বাহারুল আলমের চুক্তির মেয়াদ ২০২৬ সালের নভেম্বর পর্যন্ত রয়েছে, তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে—জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী পেশাদারিত্ব ফেরাতে নতুন আইজিপি নিয়োগের জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।   পুলিশের সর্বোচ্চ এই পদটি পেতে ইতোমধ্যে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন একাধিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। নতুন আইজিপি হওয়ার দৌড়ে এখন পর্যন্ত ৩ জন হেভিওয়েট কর্মকর্তা এগিয়ে আছেন: ১. একেএম শহীদুর রহমান: বর্তমানে র‍্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) হিসেবে দায়িত্বরত এই কর্মকর্তা বিসিএস ১২তম ব্যাচের। বরিশাল ও নোয়াখালীতে এসপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করা শহীদুর রহমান ২০২৫ সালে অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতি পান। তাঁর বর্তমান পদের মেয়াদ আগামী ১৫ মার্চ শেষ হতে যাচ্ছে।   ২. আলী হোসেন ফকির: এপিবিএন প্রধান হিসেবে কর্মরত এই কর্মকর্তা বিসিএস ১৫তম ব্যাচের। বিগত আওয়ামী লীগ সরকার তাঁকে অন্যায়ভাবে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছিল। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর তিনি চাকরিতে পুনর্বহাল হন এবং অতিরিক্ত আইজিপি পদে উন্নীত হন।   ৩. হাসিব আজিজ: বর্তমানে সিএমপি কমিশনার হিসেবে দায়িত্বরত হাসিব আজিজও ১৫তম ব্যাচের কর্মকর্তা। ঝিনাইদহ, ফেনী ও চট্টগ্রামে দীর্ঘ কাজের অভিজ্ঞতা এবং স্বচ্ছ ভাবমূর্তির কারণে তিনিও আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন। পাশাপাশি বিশেষায়িত বাহিনী র‍্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) পদে রেলওয়ে পুলিশের প্রধান ব্যারিস্টার জিল্লুর রহমানের নাম গুরুত্বের সাথে আলোচিত হচ্ছে।   সূত্রমতে, বিগত ফ্যাসিবাদী আমলে পদোন্নতি বঞ্চিত ও কোণঠাসা হয়ে থাকা চার শতাধিক মেধাবী কর্মকর্তার একটি বড় অংশ নতুন সরকারের কাছে নিজেদের মূল্যায়নের অপেক্ষায় আছেন। অনেকেই ইতোমধ্যে বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতাদের সাথে সাক্ষাৎ করে নিজেদের বঞ্চনার চিত্র তুলে ধরেছেন।   নতুন সরকার ও আগামীর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একজন সৎ, সাহসী এবং 'পুলিশিং' বোঝেন এমন কর্মকর্তাকেই বাহিনীর অভিভাবক হিসেবে বেছে নিতে চান। বিশেষ করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং বাহিনীর হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনা হবে নতুন আইজিপির প্রধান চ্যালেঞ্জ।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
“আমি পদত্যাগ করিনি”: আইজিপি

দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া নিজের পদত্যাগের খবরকে স্রেফ ‘গুজব’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে সরাসরি গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি নিশ্চিত করেছেন যে, তিনি পদত্যাগ করেননি এবং দাপ্তরিক দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।   ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করার পর থেকেই প্রশাসনের বিভিন্ন উচ্চপদে রদবদল নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হয়। এরই ধারাবাহিকতায় আইজিপির পদত্যাগের খবরটি ভাইরাল হয়ে পড়ে। পুলিশ সদর দপ্তরের একটি বিশ্বস্ত সূত্র জানিয়েছে, রোববার নির্বাচন-পরবর্তী একটি অভ্যন্তরীণ সভায় আইজিপি পদত্যাগের ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন বলে কিছু আলোচনা উঠেছিল। তবে উপস্থিত উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাঁকে তাড়াহুড়ো না করে নতুন মন্ত্রিপরিষদ গঠন পর্যন্ত অপেক্ষা করার পরামর্শ দেন।   উদ্ভূত পরিস্থিতিতে রোববার গভীর রাতে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে একটি আনুষ্ঠানিক বার্তা জারি করা হয়েছে। সেখানে আইজিপির পদত্যাগের খবরটিকে ‘সম্পূর্ণ অসত্য ও বিভ্রান্তিকর’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়। একইসাথে দেশের এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে কোনো ধরনের ভুল তথ্য ছড়িয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি না করার জন্য সবার প্রতি বিনীত অনুরোধ জানানো হয়েছে।   উল্লেখ্য, বাহারুল আলম ২০২০ সালে নিয়মিত চাকরি থেকে অবসর নিয়েছিলেন। তবে ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে অন্তর্বর্তী সরকার তাঁকে দুই বছরের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়ে পুনরায় আইজিপি পদে ফিরিয়ে আনে। সরকারি চাকরি আইন-২০১৮ অনুযায়ী তাঁর নিয়োগের মেয়াদ এখনো প্রায় ৯ মাসের বেশি সময় বাকি রয়েছে। বর্তমানে তিনি স্বাভাবিকভাবেই তাঁর ওপর অর্পিত রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন করছেন বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬ 0
জাতীয় নির্বাচনের নিরাপত্তা নিয়ে আইজিপি বাহারুল আলমের সঙ্গে কমনওয়েলথ পর্যবেক্ষকদের সৌজন্য সাক্ষাৎ

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলমের সঙ্গে কমনওয়েলথ অবজারভার গ্রুপের একটি প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে।   মঙ্গলবার রাজধানীর পুলিশ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত সাক্ষাৎটি নেতৃত্ব দেন কমনওয়েলথ অবজারভার গ্রুপের প্রধান এইচ ই নানা আকুফো-আডো। বৈঠকে নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা ইস্যুসহ বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।   পুলিশ সদর দপ্তর থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নির্বাচনের সময় কমনওয়েলথ পর্যবেক্ষকদের নিরাপত্তা সংক্রান্ত প্রশ্নে আইজিপি বাহারুল আলম সার্বিক প্রস্তুতির তথ্য প্রদান করেন। তিনি ঝুঁকিভিত্তিক নিরাপত্তা পরিকল্পনা, সাইবার মনিটরিং এবং আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা রক্ষা সংক্রান্ত পদক্ষেপের বিস্তারিত তুলে ধরেন।   আইজিপি নিশ্চিত করেন যে, বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী সব ধরনের নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বৈঠকে বাংলাদেশ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।   প্রতিনিধিদল জানিয়েছে, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে তারা ২৫ জন পর্যবেক্ষক হিসেবে অংশ নেবেন এবং ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হচ্ছে কি না তা পর্যবেক্ষণ করবেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬ 0
ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) বাহারুল আলম
২৪ হাজারের মতো ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ: আইজিপি

আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে দেশজুড়ে নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা বলয় গড়ে তুলছে পুলিশ। আজ পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আইজিপি বাহারুল আলম আশ্বস্ত করেছেন যে, এবারের নির্বাচন হবে দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে নিরাপদ। তবে নিরাপত্তার খাতিরে সারা দেশের প্রায় ২৪ হাজার ভোটকেন্দ্রকে বিশেষ নজরদারিতে রাখা হচ্ছে।   ঝুঁকি পর্যবেক্ষণ: প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী, ৮ হাজার ৭৭০টি কেন্দ্রকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং ১৬ হাজার কেন্দ্রকে মধ্যম ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।   প্রযুক্তির ব্যবহার: ঝুঁকিপূর্ণ এই কেন্দ্রগুলোতে স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের শরীরে থাকবে 'বডিক্যাম'।   ত্রি-স্তরীয় নিরাপত্তা: ভোটকেন্দ্র, ভ্রাম্যমাণ টিম এবং স্ট্রাইকিং ফোর্স—এই তিন স্তরে সাজানো হয়েছে সম্পূর্ণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।   আইজিপির কঠোর হুঁশিয়ারি: নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করার মতো শক্তি কারো নেই। বিচ্ছিন্ন অপরাধের চেষ্টা করা হলেও মূল নির্বাচন প্রক্রিয়া থাকবে সম্পূর্ণ সুরক্ষিত।   আইজিপি স্পষ্ট জানিয়েছেন, যদিও ঝুঁকির তালিকাটি প্রাথমিক এবং পরিবর্তনশীল, তবুও যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় পুলিশ বাহিনী এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি প্রস্তুত। ভোটারদের নির্ভয়ে কেন্দ্রে আসার পরিবেশ তৈরি করাই এখন মূল লক্ষ্য।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

Top week

বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?
আমেরিকা

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক মার্চ ২৫, ২০২৬ 0