ঢালিউড

ছবি: সংগৃহীত
আবারও মা হচ্ছেন বুবলী? গুঞ্জন ছাপিয়ে এবার সামনে এল নতুন তথ্য

দ্বিতীয়বার মা হতে যাচ্ছেন চিত্রনায়িকা Shabnom Bubly—এমন গুঞ্জন দীর্ঘদিন ধরে শোবিজ অঙ্গনে আলোচনা সৃষ্টি করেছে। যদিও অভিনেত্রী নিজে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানাননি, তবে তার চলাফেরা ও উপস্থিতি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনা চলছে। দেশের একটি গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে জানা গেছে, সন্তান জন্ম দেওয়ার জন্য চলতি মাসে যুক্তরাষ্ট্রে গেছেন বুবলী। বর্তমানে তিনি মাতৃত্বকালীন ছুটিতে দেশটির অবস্থান করছেন বলে দাবি করা হয়েছে।   সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে নৃত্য পরিবেশন করেন এই অভিনেত্রী। ঘাগরা পরিহিত অবস্থায় ভক্তদের সঙ্গে সেলফিও তোলেন তিনি। ওই ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর অনেকে ধারণা করেন, বুবলী অন্তঃসত্ত্বা হতে পারেন। তবে এ বিষয়ে তিনি সরাসরি কোনো মন্তব্য করেননি। ‘বসগিরি’ সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে যাত্রা শুরু করা বুবলী প্রায় দুই ডজনের বেশি সিনেমায় অভিনয় করেছেন। ক্যারিয়ারের শীর্ষ সময়ে ২০১৮ সালের ২০ জুলাই চিত্রনায়ক Shakib Khan–এর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি।   ২০২০ সালে প্রথম সন্তানের মা হন এই অভিনেত্রী। তবে ছেলের জন্মের খবর প্রকাশ্যে আনেন প্রায় দুই বছর পর। পরে তিনি জানান, ধর্মীয় আচার মেনে শাকিব খানের সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছিল এবং তাদের সন্তান Shehzad Khan Bir যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণ করে। বর্তমানে বুবলীর দ্বিতীয় সন্তান জন্মের গুঞ্জন নিয়ে শোবিজ অঙ্গনে আলোচনা চললেও তার পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
দুই সন্তানকে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে পরীমনির আবেগঘন মুহূর্ত

ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমনি দীর্ঘ বিরতির পর ‘ডোডোর গল্প’ সিনেমার মাধ্যমে আবারও বড়পর্দায় ফিরছেন। আগামী ঈদে মুক্তি পেতে যাওয়া এই সিনেমা দিয়ে অভিনয়ে প্রত্যাবর্তন হলেও সামাজিক মাধ্যমে বরাবরই সক্রিয় রয়েছেন তিনি। বিশেষ করে দুই সন্তান পুণ্য ও প্রিয়মকে ঘিরেই তার ব্যস্ততা ও ভালোবাসার জগৎ।   নায়ক শরীফুল রাজের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর দুই সন্তানকে নিয়ে সিঙ্গেল মাদারের দায়িত্ব পালন করছেন পরীমনি। কাজের পাশাপাশি সন্তানদের সময় দেওয়াকেই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হিসেবে দেখছেন তিনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায়ই সন্তানদের সঙ্গে কাটানো আনন্দঘন মুহূর্ত শেয়ার করেন এই অভিনেত্রী।   শুক্রবার দুপুরে ফেসবুকে সন্তানদের সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করেন পরীমনি। ছবিতে দেখা যায়, গাড়ির ভেতরে দুই পাশে সন্তানদের আগলে রেখে হাসিমুখে বসে আছেন তিনি। কালো রঙের হিজাব ও চশমায় পরীমনিকে দেখা গেছে স্নিগ্ধ রূপে। আর দুই সন্তান পরেছিল লাল রঙের ম্যাচিং পোশাক। ছবির ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘হ্যাপি ফ্রাইডে! মাশাআল্লাহ।’   পোস্টটি মুহূর্তেই সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভক্ত-অনুরাগী ও নেটিজেনরা মা ও সন্তানদের প্রতি ভালোবাসা ও শুভকামনা জানান। মন্তব্যের ঘরে অনেকেই ছবিটিকে একটি সুখী পরিবারের প্রতিচ্ছবি হিসেবে উল্লেখ করেন।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬ 0
ঈদে মুক্তির তালিকায় আছে বড় তারকাদের সিনেমা। ছবি: সংগৃহীত
ঈদে ১২ সিনেমার ঘোষণা, হল–সংকটে টিকবে কয়টি?

ঈদ এলেই যেন নতুন প্রাণ ফিরে পায় ঢাকাই সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি। বছরের অন্য সময় প্রেক্ষাগৃহে দর্শক টানতে হিমশিম খেলেও দুই ঈদকে ঘিরে তৈরি হয় ভিন্ন মাত্রার উন্মাদনা। এবার সেই উন্মাদনা রেকর্ড ছুঁতে যাচ্ছে—ঈদ উপলক্ষে মুক্তির ঘোষণায় রয়েছে ১২টি সিনেমা। তবে সীমিত প্রেক্ষাগৃহ, বড় বাজেটের প্রতিযোগিতা এবং শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি—সব মিলিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, শেষ পর্যন্ত কয়টি ছবি প্রেক্ষাগৃহে জায়গা পাবে?   শাকিব খানের ‘প্রিন্স’: সময়ের সঙ্গে দৌড়: নব্বইয়ের দশকের অপরাধজগতকে পটভূমি করে নির্মিত ‘প্রিন্স’ শুরু থেকেই আলোচনায়। শাকিব খানের বিপরীতে আছেন কলকাতার জ্যোতির্ময়ী কুণ্ডু ও তাসনিয়া ফারিণ। বিদেশি লোকেশন, অ্যাকশন ও বড় বাজেটের কারণে ছবিটি ঈদের অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে বিবেচিত। যদিও শুটিংয়ের শেষ লট এখনও বাকি, নির্মাতা আবু হায়াত মাহমুদ জানিয়েছেন—শুটিং, সম্পাদনা, কালার গ্রেডিং ও মিউজিক একসঙ্গে এগোচ্ছে। তবে সময়মতো কাজ শেষ না হলে মুক্তি অনিশ্চিত হয়ে পড়তে পারে।   নিশোর ‘দম’: আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে সারভাইভাল গল্প: রেদওয়ান রনির পরিচালনায় আফরান নিশো অভিনীত ‘দম’-এর বড় অংশের শুটিং হয়েছে কাজাখস্তানে। সত্য ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত সারভাইভালধর্মী এ ছবিতে আরও আছেন চঞ্চল চৌধুরী ও পূজা চেরী। বর্তমানে পোস্টপ্রোডাকশন চলছে। কনটেন্টনির্ভর গল্পের কারণে শহুরে দর্শকের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকতে পারে ছবিটি।   ‘মালিক’ ও ‘রাক্ষস’: সাইফ চন্দনের পরিচালনায় আরিফিন শুভ ও বিদ্যা সিনহা মিম অভিনীত ‘মালিক’ এখন পোস্টপ্রোডাকশনে। মেহেদী হাসানের ‘রাক্ষস’-এ সিয়াম আহমেদ ও সুস্মিতা চট্টোপাধ্যায়কে দেখা যাবে অ্যাকশন–ভিত্তিক গল্পে। দুটি ছবিই তরুণ দর্শকদের লক্ষ্য করে নির্মিত।   ‘দুর্বার’, ‘ট্রাইব্যুনাল’, ‘প্রেশার কুকার’: থ্রিলার ‘দুর্বার’-এ প্রথমবার জুটি হচ্ছেন সজল ও অপু বিশ্বাস। চট্টগ্রামের আলোচিত একটি ঘটনার প্রেক্ষাপটে নির্মিত ‘ট্রাইব্যুনাল’ সামাজিক বার্তা–নির্ভর সিনেমা। রায়হান রাফীর ‘প্রেশার কুকার’ নারী–কেন্দ্রিক গল্প নিয়ে নির্মিত, যেখানে অভিনয় করেছেন শবনম বুবলী, নাজিফা তুষি ও মারিয়া শান্ত। নির্মাতার ভাষায়, এই শহর মেয়েদের জন্য এক প্রেশার কুকার।   ‘বনলতা এক্সপ্রেস’: তানিম নূর পরিচালিত ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ নির্মিত হয়েছে হুমায়ূন আহমেদের ‘কিছুক্ষণ’ উপন্যাস অবলম্বনে। সাবিলা নূর অভিনীত এ ছবির শুটিং শেষ, চলছে পোস্টপ্রোডাকশন। নির্মাতার দাবি, নির্ধারিত সময়েই কাজ শেষ হয়েছে।   অনুদান ও অন্যান্য ছবি:পরীমনি অভিনীত সরকারি অনুদানের ছবি ‘ডোডোর গল্প’, রাশিদ পলাশের ‘রঙবাজার’, জাহিদ জুয়েলের ‘পিনিক’ এবং বদিউল আলম খোকনের ‘তছনছ’—সব মিলিয়ে মুক্তির তালিকা দীর্ঘ হচ্ছে। তবে সব ছবিই যে প্রেক্ষাগৃহ পাবে, তা নিশ্চিত নয়।   হল–সংকট: সংখ্যার লড়াইয়ে ঝুঁকি: দেশে বর্তমানে মাল্টিপ্লেক্স ও সিঙ্গেল স্ক্রিন মিলিয়ে সক্রিয় প্রেক্ষাগৃহ প্রায় ৬০-৭০টি। ঈদে বন্ধ থাকা কিছু হল চালু হলেও ১২টি সিনেমার জন্য এ সংখ্যা যথেষ্ট নয় বলে মনে করছেন প্রদর্শকরা। তাঁদের মতে, সর্বোচ্চ তিন থেকে চারটি বড় ছবি মুক্তি পেলেই ব্যবসায়িকভাবে লাভজনক হয়।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
এশিয়ার সেরা সিনেমার তালিকায় বাংলাদেশের তিন সিনেমা

বিশ্বের প্রভাবশালী চলচ্চিত্রবিষয়ক ওয়েবসাইট এশিয়ান মুভি পালস প্রকাশিত ‘২০২৫ সালে এশিয়ার সেরা ২০ সিনেমা’ তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশের তিনটি সিনেমা। তালিকার ৫ নম্বরে রয়েছে মেহেদী হাসান পরিচালিত বালুর নগরীতে, ১৭ নম্বরে সৌমিত্র দস্তিদারের জুলাই ৩৬: রাষ্ট্র বনাম নাগরিক এবং ১৯ নম্বরে নুহাশ হুমায়ূনের অ্যানথোলজি ২ষ।   ২০০৯ সাল থেকে এশীয় সিনেমাকে আন্তর্জাতিক দর্শকের সামনে তুলে ধরার কাজ করে যাচ্ছে এশিয়ান মুভি পালস। চলচ্চিত্র সমালোচনা, আন্তর্জাতিক উৎসব কাভারেজ ও নির্মাতাদের সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে এশিয়ার বৈচিত্র্যময় সিনেমাকে বিশ্বমঞ্চে পরিচিত করানোই তাদের মূল লক্ষ্য। ২০১৯ সাল থেকে তারা নিয়মিতভাবে এশিয়ার সেরা সিনেমার তালিকা প্রকাশ করছে। শৈল্পিক গল্পবিন্যাস, অভিনব উপস্থাপন কৌশল, ভিন্নধর্মী জনরা, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বাস্তবতা এবং উৎসবকেন্দ্রিক আলোচনার ভিত্তিতেই এই তালিকা প্রণয়ন করা হয়।   প্রতিবেদনে সমকালীন এশীয় সিনেমা নিয়ে বলা হয়েছে, এ অঞ্চলটির সিনেমা দিন দিন আরও শক্ত অবস্থান তৈরি করছে। একসময় যেসব দেশ সিনেমার দৌড়ে পিছিয়ে ছিল, তারা এখন শৈল্পিক ও সাহসী নির্মাণে এগিয়ে আসছে। ইতিহাস, স্মৃতি এবং রাষ্ট্রীয় সহিংসতার প্রশ্নগুলো নতুন দৃষ্টিভঙ্গিতে তুলে ধরছে এসব সিনেমা—যা আন্তর্জাতিক পরিসরে তুলনামূলকভাবে বিরল। প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, সৌদি আরব ও তুরস্ক স্থানীয় বাস্তবতার সঙ্গে বৈশ্বিক দর্শকের সংযোগ তৈরি করে নিজস্ব সিনেম্যাটিক ভাষাকে আরও পরিশীলিত করছে। অন্যদিকে, কঠোর নিয়ন্ত্রণের মধ্যেও ইরান এখনো এশিয়ার অন্যতম প্রভাবশালী চলচ্চিত্রশক্তি হিসেবে নিজেদের অবস্থান ধরে রেখেছে।   এ বছরের তালিকার শীর্ষে রয়েছে ইরানের সিনেমা ইট ওয়াজ জাস্ট অ্যান অ্যাক্সিডেন্ট। জাফর পানাহি পরিচালিত এই ছবিটি গত বছর কান চলচ্চিত্র উৎসবে সর্বোচ্চ সম্মান স্বর্ণপাম জয় করে। কারাগারে নির্যাতিত এক ব্যক্তির প্রতিশোধের গল্পকে কেন্দ্র করে নির্মিত ছবিটি ব্যাপক আন্তর্জাতিক প্রশংসা কুড়িয়েছে। তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ইরাকের ইরকালা: ড্রিমস অব গিলগামেশ—যেখানে নয় বছর বয়সী এক শিশুর বাবাকে খোঁজার মধ্য দিয়ে উঠে এসেছে দেশটির সমসাময়িক বাস্তবতা। তৃতীয় স্থানে আরেকটি ইরানি সিনেমা কাটিং থ্রো রকস এবং চতুর্থ স্থানে সৌদি আরবের রোড মুভি হিজরা।   এই তালিকার পঞ্চম স্থানে উঠে আসা বাংলাদেশের বালুর নগরীতে নিয়ে এশিয়ান মুভি পালস লিখেছে, এটি একটি ছোট পরিসরের অথচ দুর্লভ আর্টহাউস রত্ন—যার ছন্দ মসৃণ, গতি শান্ত এবং আবহ গভীর।   সিনেমাটির কেন্দ্রীয় চরিত্র এমা, যার ভূমিকায় অভিনয় করেছেন ভিক্টোরিয়া চাকমা। বিড়ালের লিটার বক্সের জন্য শহরের নানা প্রান্ত থেকে স্কুটারে বালু সংগ্রহ করেন তিনি। একদিন সেই বালু খুঁজতে গিয়েই এমার জীবনে আসে অপ্রত্যাশিত মোড়—তিনি খুঁজে পান একটি কাটা আঙুল। গত বছর চেক প্রজাতন্ত্রের কার্লোভি ভেরি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে সিনেমাটির ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ার হয় এবং সেখান থেকে এটি গ্র্যান্ড জুরি পুরস্কার অর্জন করে। এরপর বিশ্বের বিভিন্ন চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হয়ে সর্বশেষ গ্লাসগো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে আমন্ত্রণ পেয়েছে ছবিটি।   তালিকায় থাকা আরেকটি বাংলাদেশি সিনেমা জুলাই ৩৬: রাষ্ট্র বনাম নাগরিক সম্পর্কে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরোধের দলিল—যা ইতিহাসকে পুনরুদ্ধার করে সাহসী কণ্ঠগুলোকে সামনে নিয়ে আসে।   সৌমিত্র দস্তিদার পরিচালিত এই ছবিটি নির্মিত হয়েছে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় কী ঘটেছিল, কীভাবে বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্ম নিজেদের ভবিষ্যৎ নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করার সংগ্রামে নেমেছিল—সেসব বাস্তব চিত্রই উঠে এসেছে এই সিনেমায়।   নুহাশ হুমায়ূনের ২ষ নিয়ে এশিয়ান মুভি পালসের মন্তব্য, কয়েকটি অসাধারণ গল্পের মাধ্যমে ছবিটি দর্শককে মুগ্ধ করে। কিছু দুর্বলতা থাকলেও এটি একটি প্রশংসনীয় অ্যানথোলজি।”   প্রতিবেদের একেবারে শেষাংশে এশিয়ান মুভি পালস স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছে—এশিয়ার সিনেমার ভিড়ে বাংলাদেশের উত্থানকে আর উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। নানা ঘরানা ও ফরম্যাটে আত্মবিশ্বাসী পরীক্ষা-নিরীক্ষার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশি নির্মাতারা ধীরে ধীরে নিজেদের আলাদা সিনেম্যাটিক পরিচয় গড়ে তুলছেন।

ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ২৭, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

Top week

ছবি: সংগৃহীত।
আমেরিকা

যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষা ও কর্মসংস্থান ভিসায় বড় পরিবর্তন: বিপাকে পড়তে পারেন বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৯, ২০২৬ 0