দক্ষিণ এশিয়ার দেশ নেপালের রাজনীতিতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো। দেশটিতে অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর আজ শুক্রবার নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন সাবেক জনপ্রিয় র্যাপার এবং কাঠমান্ডুর সাবেক মেয়র বালেন্দ্র শাহ, যিনি ‘বলেন শাহ’ নামেই সমধিক পরিচিত। আজ শুক্রবার নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে এক জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি তাকে শপথ বাক্য পাঠ করান। এর আগে নির্বাচনে তাঁর দল এক বিশাল ব্যবধানে জয়লাভ করে, যা নেপালের ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য এক বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বলেন শাহর এই উত্থান নেপালের তরুণ প্রজন্মের দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। সম্প্রতি নেপালে সোশ্যাল মিডিয়া নিষিদ্ধ করাকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া দুর্নীতিবিরোধী এক বিশাল ছাত্র-যুব আন্দোলন দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। সেই আন্দোলনে সহিংসতায় অন্তত ৭৭ জন প্রাণ হারান। মূলত অর্থনৈতিক সংকট এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের সেই ক্ষোভকে পুঁজি করেই রাজনৈতিক অঙ্গনে নিজের অবস্থান শক্ত করেন বলেন শাহ। প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর নিজের প্রথম বক্তব্যে বলেন শাহ দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা করেছেন। ৩০ মিলিয়ন জনসংখ্যার এই দেশটিতে দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক স্থবিরতা কাটিয়ে তোলা এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠা করাই এখন তাঁর প্রধান চ্যালেঞ্জ। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, একজন সংগীতশিল্পী এবং স্বতন্ত্র ধারার রাজনীতিক হিসেবে তাঁর এই জয় দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে এক নতুন বার্তা দিচ্ছে। বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের মধ্যে তাঁর ব্যাপক জনপ্রিয়তা হিমালয় কন্যা নেপালকে এক নতুন দিশা দেখাতে পারে। উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার আগে বলেন শাহ কাঠমান্ডুর মেয়র হিসেবেও ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন, যেখানে তিনি প্রশাসনিক স্বচ্ছতা এবং নগরায়নের ক্ষেত্রে প্রশংসনীয় ভূমিকা রাখেন। আন্তর্জাতিক মহলও নেপালের এই নতুন নেতৃত্বকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। বিশেষ করে চীন ও ভারতের মধ্যবর্তী এই কৌশলগত রাষ্ট্রের নতুন সরকার বৈদেশিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে কী ধরনের ভারসাম্য বজায় রাখে, সেদিকেই এখন সবার নজর।
সদ্য সাবেক প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম পেশাদার সাংবাদিকতায় নতুন অধ্যায় শুরু করেছেন। বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক বার্তার মাধ্যমে তিনি জানান যে, তিনি ‘দ্য ডেইলি ওয়াদা’ নামক একটি সংবাদপত্রের সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। কর্মজীবনের এই নতুন যাত্রায় তিনি সকলের দোয়া ও আশীর্বাদ প্রার্থনা করেছেন। উল্লেখ্য, দেশে নতুন সরকার গঠনের পর গত মঙ্গলবার তারেক রহমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন। এর ফলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পক্ষ থেকে পূর্ববর্তী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ বিলুপ্ত ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রেস সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন শফিকুল আলম। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের এই সন্ধিক্ষণে তিনি পুনরায় সরাসরি সাংবাদিকতায় ফেরার ঘোষণা দিলেন।
সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েই এক বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন রুমিন ফারহানা! সংসদে এবার আওয়ামী লীগ নেই, এটাকে কীভাবে দেখেন – সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণের পর সাংবাদিকদের এমন এক প্রশ্নের জবাবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগর আংশিক) আসনে থেকে স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচিত এমপি রুমিন ফারহানা বলেন, "এবার দেশের ৩০ শতাংশ মানুষের রিপ্রেজেন্টেশন (প্রতিনিধিত্ব) থাকবে না, এটা মাথায় রেখেই আমাদের সংসদে বসতে হবে"। এসময় তিনি আরও বলেন যে আগে সংসদে বিএনপি ছিল না, এখন আওয়ামী লীগ ও বাম দলগুলো নেই। উল্লেখ্য, আজ শুধু সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন রুমিন ফারহানা, সংবিধান সংস্কার পরিষদ সদস্য হিসেবে শপথ নেননি তিনি।
দেশের সংসদীয় রাজনীতিতে এক ঐতিহাসিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে নির্বাচিত বিএনপির সংসদ সদস্যরা সরকারি শুল্কমুক্ত গাড়ি ও প্লট সুবিধা বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় অনুষ্ঠিত দলটির সংসদীয় দলের গুরুত্বপূর্ণ এক বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়, যা পরবর্তী সময়ে সাংবাদিকদের আনুষ্ঠানিকভাবে জানান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। জনগণের করের টাকার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং জনপ্রতিনিধিদের নৈতিক অবস্থান সুদৃঢ় করতেই এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে দলটির পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে। জাতীয় সংসদের সদস্যদের জন্য প্রচলিত আইন অনুযায়ী শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির বিশেষ সুবিধা এবং রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বা রাজউক থেকে বিশেষ কোটায় প্লট বরাদ্দের নিয়ম দীর্ঘদিনের। তবে বিগত কয়েক দশকে এই সুবিধাগুলোর অপব্যবহার এবং জনগণের অর্থের অপচয় নিয়ে জনমনে ব্যাপক অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, বর্তমান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে জনগণের সেবক হিসেবে বিলাসিতা ত্যাগ করাই তাদের দলের প্রধান লক্ষ্য। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বিএনপি একটি নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতির সূচনা করতে চায় যেখানে সংসদ সদস্যরা নিজেদের সুযোগ-সুবিধার চেয়ে জনস্বার্থকে অগ্রাধিকার দেবেন। উল্লেখ্য যে, বিএনপির এই আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগেই জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান অনুরূপ একটি কঠোর ঘোষণা দিয়েছিলেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছিলেন যে, তাদের দল থেকে নির্বাচিত একজন সংসদ সদস্যও ব্যক্তিগত প্রয়োজনে কোনোভাবেই রাষ্ট্রীয় প্লট কিংবা শুল্কমুক্ত গাড়ির সুবিধা গ্রহণ করবেন না। প্রধান দুটি রাজনৈতিক শক্তির পক্ষ থেকে এই অভিন্ন অবস্থান দেশের রাজনীতিতে একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক কাঠামোর ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর এই 'ত্যাগের রাজনীতি' সংসদ সদস্যদের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধে মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে নির্বাচিত প্রার্থীরা শপথ গ্রহণ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল প্রায় পৌনে ১১টায় জাতীয় সংসদ ভবনের নির্ধারিত শপথকক্ষে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সংসদ সচিবালয়ের সচিব কানিজ মওলা। সকাল ৯টার পর থেকেই নির্বাচিত প্রতিনিধিদের জাতীয় সংসদ ভবনে প্রবেশ করতে দেখা যায়। একই সময়ে সংসদ ভবনের বাইরে কৌতূহলী মানুষের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো। এদিকে, সংসদ সদস্য হিসেবে শপথের পাশাপাশি সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার বিষয়টি নিয়েও আলোচনা চলছিল। তবে সংবিধানের বিধান উল্লেখ করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, দলের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে আলাদা করে শপথ নেবেন না। বিস্তারিত আসছে…
বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে আজ শুরু হচ্ছে নতুন এক পর্ব। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)–এর চেয়ারম্যান তারেক রহমান বিকাল ৪টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন। একই অনুষ্ঠানে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরাও শপথ গ্রহণ করবেন। এর আগে সকাল ১০টায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন তাঁদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন। তিন দফায়, প্রতি দফায় ১০০ জন করে নবনির্বাচিত সদস্য শপথ নেবেন। সাধারণত বঙ্গভবন-এর দরবার হলে মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। তবে এবার দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অনুষ্ঠানটি উন্মুক্ত পরিসরে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে অস্থায়ী মঞ্চ ও ভিভিআইপি জোন প্রস্তুত করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন প্রধানমন্ত্রীকে শপথবাক্য পাঠ করাবেন। পরে সন্ধ্যায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ নতুন মন্ত্রীদের দপ্তর বণ্টন সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করবে। শপথ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সংসদ ভবন এলাকা ও আশপাশে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ জানিয়েছে, খেজুরবাগান ক্রসিং থেকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ এবং গণভবন ক্রসিং থেকে উড়োজাহাজ ক্রসিং পর্যন্ত লেক রোডে যান চলাচল নিয়ন্ত্রিত থাকবে। নগরবাসীকে বিকল্প সড়ক ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি জোট ২১২টি আসনে জয় পেয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। এর মাধ্যমে দলটি ষষ্ঠবারের মতো রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় ফিরে আসছে। অন্যদিকে ৬৮টি আসন নিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সংসদের প্রধান বিরোধী দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। দলটির সংসদীয় নেতা হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন ডা. শফিকুর রহমান। ক্ষমতা হস্তান্তর প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে সোমবার রাতে জাতির উদ্দেশে বিদায়ী ভাষণ দেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস। এর মাধ্যমে একটি অন্তর্বর্তী অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটে। নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত ‘৩১ দফা’ ও ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের মাধ্যমে বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের অঙ্গীকার করেছেন তারেক রহমান। বিশ্লেষকদের মতে, আজকের শপথ গ্রহণ সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়নের আনুষ্ঠানিক সূচনা হিসেবে বিবেচিত হবে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, প্রায় ৩৫ বছর পর বাংলাদেশ একজন পুরুষ প্রধানমন্ত্রী পাচ্ছে। ১৯৯১ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে খালেদা জিয়া এবং শেখ হাসিনা-এর নেতৃত্বে সরকার পরিচালিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশের সংসদীয় ইতিহাসে যুক্ত হতে যাচ্ছে নতুন একটি অধ্যায়। এদিন সকাল ১০টায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ গ্রহণ করবেন। এরপরই বিকেল ৪টায় একই স্থানে অনুষ্ঠিত হবে নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান। আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল আজ রোববার সাংবাদিকদের এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। জানা গেছে, প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করাবেন।
তারেক রহমানে এর নেতৃত্বে আগামী মঙ্গলবার নতুন সরকার শপথ নিতে যাচ্ছে। শপথ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে নানা প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। জানা গেছে, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে ১৩টি দেশের সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। আমন্ত্রিত দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে চীন, সৌদি আরব, তুরস্ক, ভারত, পাকিস্তান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, মালয়েশিয়া, ব্রুনেই, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, মালদ্বীপ ও ভুটান। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়, আইন মন্ত্রণালয় এবং সরকার গঠন করতে যাওয়া বিএনপির একাধিক সূত্র সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে অন্তর্বর্তী সরকারের এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তাও বিষয়টি নিশ্চিত করেন। সূত্রমতে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে এই আমন্ত্রণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আগামী মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয় পায় বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট। নির্বাচনে বিজয়ী প্রার্থীরা ১৭ ফেব্রুয়ারি সকালে শপথ গ্রহণ করবেন। সেদিন তাদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দীন।
প্রথমবারের মতো জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে নতুন মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। আগামী মঙ্গলবার বিকেলে এ শপথ অনুষ্ঠিত হবে। একই দিন সকালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠানও আয়োজন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ১৭ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার সকালে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দীন। বিকেলে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায়। সংবিধান অনুযায়ী মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি। সাধারণত মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান বঙ্গভবনের দরবার হলে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। তবে এবার রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ব্যতিক্রম হিসেবে জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণের দক্ষিণ প্লাজায় এ আয়োজন করা হচ্ছে। গণতন্ত্রের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে জাতীয় সংসদের গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়েই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। গত বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। পরদিন শুক্রবার রাতে নির্বাচনে বিজয়ীদের গেজেট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন। ইতোমধ্যে শপথ অনুষ্ঠানের জন্য প্রস্তুতি শুরু করেছে জাতীয় সংসদ সচিবালয়। সচিব কানিজ মওলা জানিয়েছেন, আপাতত ১৭ ফেব্রুয়ারির শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। এদিকে নতুন মন্ত্রিসভার শপথ আগামী তিন থেকে চার দিনের মধ্যেই হতে পারে বলে আগে জানিয়েছিলেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আবদুর রশীদ। যদিও প্রাথমিকভাবে বঙ্গভবনে শপথ অনুষ্ঠানের কথা বলা হয়েছিল, পরে রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে তা জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণ–অভ্যুত্থানের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে এবং ৬ আগস্ট সংসদ ভেঙে দেওয়া হয়। প্রায় দেড় বছর পর একটি নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নিতে যাচ্ছে। এই সময়ে জাতীয় সংসদ ভবনকে কেন্দ্র করে সংবিধান সংস্কার কমিশন, নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয় এবং ইতোমধ্যে ২৯৭ আসনের গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনে দুই–তৃতীয়াংশের বেশি সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে দুই দশক পর সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলটি পেয়েছে ২০৯টি আসন। তাদের শরিকরা পেয়েছে তিনটি আসন। অন্যদিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পেয়েছে ৬৮টি আসন এবং তাদের নেতৃত্বাধীন জোটের অন্য শরিকরা পেয়েছে ৯টি আসন। দেড় বছর পর নির্বাচিত সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের মধ্য দিয়ে দেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণের পথে নতুন যাত্রা শুরু হতে যাচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
দেশের পরবর্তী প্রশাসনিক রূপরেখা নির্ধারণে শুরু হয়েছে ক্ষণগণনা। নতুন মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশিদ। সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনই নতুন মন্ত্রীদের শপথ পাঠ করাবেন। সচিবালয়ে আজ সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি নিশ্চিত করেন যে, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এই মাহেন্দ্রক্ষণের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত। মূল যে বিষয়গুলো আপনার জানা প্রয়োজন: শপথ কে পড়াবেন: আওয়ামী লীগ আমলে নিযুক্ত বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনই সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় শপথ বাক্য পাঠ করাবেন। অতিথি তালিকা: রাজকীয় এই অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পারেন প্রায় এক হাজার দেশি-বিদেশি অতিথি। প্রস্তুতি: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ইতোমধ্যে অনুষ্ঠান আয়োজনের যাবতীয় প্রশাসনিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। সংবিধানের ধারা বজায় রেখে এই নতুন পথচলা দেশের রাজনীতিতে কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেটাই দেখার বিষয়।
সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের সময়সূচি নিয়ে বড় তথ্য জানিয়েছে সরকার। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানিয়েছেন, আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে বিজয়ী সকল প্রার্থীর শপথ গ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। আজ শনিবার দুপুরে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমির মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরেন। নির্বাচন কমিশন কর্তৃক বিজয়ীদের নামের গেজেট প্রকাশের পর এখন রাষ্ট্র পরিচালনার পরবর্তী ধাপ হিসেবে এই শপথ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হচ্ছে। প্রেস সচিব শফিকুল আলম ব্রিফিংয়ে বলেন, সরকার এবং নির্বাচন কমিশন শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত দ্রুত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করতে চাচ্ছে।তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, আগামী ১৬ অথবা১৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই এই আনুষ্ঠানিকতা শেষ হবে। কোনোভাবেই এটি এর চেয়ে বেশি দেরি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। মূলত গেজেট প্রকাশের তিন দিনের মধ্যে শপথ নেওয়ার সাংবিধানিক ও প্রথাগত রীতির কথা মাথায় রেখেই প্রশাসন ও জাতীয় সংসদ সচিবালয় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করছে। এই শপথ গ্রহণের মাধ্যমেই নতুন সংসদ সদস্যরা আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের আইনি বৈধতা ও দায়িত্ব বুঝে নেবেন। গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। গতকাল শুক্রবার রাতেই নির্বাচন কমিশন ২৯৭টি আসনের বিজয়ীদের নামের গেজেট প্রকাশ করেছে। প্রেস সচিবের এই ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যেই নতুন সংসদ সদস্যরা রাজধানীর জাতীয় সংসদ ভবনের শপথ কক্ষে স্পিকারের কাছে শপথ নেবেন। শপথ গ্রহণ শেষ হওয়ার পরপরই নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন এবং মন্ত্রিসভা গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হবে, যা দেশে দীর্ঘ দেড় বছর পর একটি নির্বাচিত সরকারের পথ চলা নিশ্চিত করবে। ব্রিফিংয়ে প্রেস সচিব আরও ইঙ্গিত দেন যে, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে এবং জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী দেশ পুনর্গঠনের কাজে দ্রুত গতি আনতে সরকার এই প্রক্রিয়াকে দীর্ঘায়িত করতে চায় না। নির্বাচনের পর থেকে দেশে বিরাজমান স্থিতিশীল পরিবেশও উৎসবমুখর আবহে এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে পালন করা হবে।ফরেন সার্ভিস একাডেমির এই ব্রিফিংয়ে দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন এবং নতুন সরকারের যাত্রা শুরুর এই সময়সূচিকে রাজনৈতিক অঙ্গনের বড় অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।
নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে দেশজুড়ে যখন টানটান উত্তেজনা, ঠিক তখনই গেজেট প্রকাশের দিনক্ষণ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আপডেট দিল নির্বাচন কমিশন। ২৯৯টি আসনের মধ্যে ২৯৭টির ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশের কারণে আটকে আছে চট্টগ্রামের দুটি আসন। এখন সবার প্রশ্ন—কবে নাগাদ গেজেট প্রকাশ হবে এবং নির্বাচিতরা কবে শপথ নেবেন? খবরের মূল আকর্ষণসমূহ: দ্রুতই আসছে গেজেট: রিটার্নিং অফিসারদের কাছ থেকে হার্ড কপি পাওয়ামাত্রই যাচাই-বাছাই শেষে দ্রুততম সময়ে গেজেট প্রকাশ করবে ইসি। আটকে আছে দুই আসন: চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪ আসনের ফলাফল আদালতের নির্দেশনায় বর্তমানে স্থগিত রাখা হয়েছে। ফলাফলের চিত্র: ঘোষিত ২৯৭টি আসনের মধ্যে বিএনপি ২০৯টি এবং জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি আসনে জয়লাভ করেছে। এছাড়া অন্যান্য দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও বিজয়ী হয়েছেন। ভোটের হার: জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট পড়েছে ৫৯.৪৪ শতাংশ। অন্যদিকে গণভোটে পরিবর্তনের পক্ষে 'হ্যাঁ' ভোট পড়েছে ৪ কোটি ৮০ লাখের বেশি। শপথ গ্রহণ: গেজেট প্রকাশের পরেই শুরু হবে শপথের প্রক্রিয়া, যা সংসদ সচিবালয়ের নিয়ম অনুযায়ী সম্পন্ন হবে। নির্ভুল তথ্যের সাথে দ্রুত গেজেট প্রকাশ করাই এখন নির্বাচন কমিশনের প্রধান লক্ষ্য।
নির্বাচন পরবর্তী সরকার গঠন নিয়ে জনমনে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—সংসদ নেই, স্পিকার নেই, তাহলে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ কে পড়াবেন? নির্বাচন কমিশনের বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী বিএনপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করার পর এখন সবার চোখ ক্ষমতা হস্তান্তর প্রক্রিয়ার দিকে। শপথের সময়সীমা ও গেজেট: সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নির্বাচনের ফলাফল 'সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপিত' হওয়ার পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে শপথ গ্রহণ বাধ্যতামূলক। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিবের তথ্যমতে, এই প্রক্রিয়া আগামী ১৮ই ফেব্রুয়ারির বেশি দেরি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। সবকিছু ঠিক থাকলে ১৫ থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই শুরু হতে পারে নতুন সরকারের পথচলা। স্পিকারের অনুপস্থিতিতে বিকল্প কী? সাধারণত স্পিকার শপথ পড়ান, কিন্তু বর্তমান বিশেষ পরিস্থিতিতে স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার কেউই নেই। এক্ষেত্রে সংবিধান দুটি পথ বাতলে দিয়েছে: ১. রাষ্ট্রপতির মনোনীত ব্যক্তি: রাষ্ট্রপতি চাইলে প্রধান বিচারপতি বা অন্য কোনো উপযুক্ত ব্যক্তিকে শপথ পড়ানোর দায়িত্ব দিতে পারেন। ২. প্রধান নির্বাচন কমিশনার (CEC): যদি রাষ্ট্রপতির মনোনীত ব্যক্তি নির্ধারিত তিন দিনের মধ্যে শপথ পাঠ করাতে ব্যর্থ হন, তবে পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার নিজেই শপথ পরিচালনা করবেন। আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের মতে, সরকার দ্রুততম সময়ে ক্ষমতা হস্তান্তরের পক্ষে। সেক্ষেত্রে তিন দিন অপেক্ষা না করে রাষ্ট্রপতির মনোনীত কোনো ব্যক্তির মাধ্যমেই শপথের কাজ সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে। ক্ষমতা হস্তান্তরের চূড়ান্ত ধাপ: শপথ গ্রহণ শেষ হওয়ার পর শুরু হবে আসল প্রক্রিয়া। রাষ্ট্রপতি সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতাকে সরকার গঠনের আমন্ত্রণ জানাবেন। সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, যাকে সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন মনে হবে, রাষ্ট্রপতি তাকেই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেবেন। প্রধানমন্ত্রী এবং মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেওয়ার মুহূর্ত থেকেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে দায়িত্ব ও ক্ষমতা লাভ করবেন, যার মাধ্যমে আগের সরকারের মেয়াদ আনুষ্ঠানিকভাবে সমাপ্ত হবে।
মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে। গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব। বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে। এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।
এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল। এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে। একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই। “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান। এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে। সূত্র: Royanews
দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে। এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা। নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা। এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।
যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।