আইসিসি

আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ। ছবি: সংগৃহীত
‘কোনো দলই আইসিসির চেয়ে বড় নয়’: জয় শাহ

২০২৬ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরুর আগে অংশগ্রহণকারী দল ও আয়োজন ঘিরে তৈরি হওয়া অনিশ্চয়তা নিয়ে মুখ খুলেছেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) চেয়ারম্যান Jay Shah। তিনি বলেছেন, কোনো একক দল নয়—সব দলের সমন্বয়েই আইসিসি গঠিত, তাই কোনো দলই আইসিসির চেয়ে বড় নয়।   শনিবার মুম্বাইয়ে অনুষ্ঠিত India Business Leader Awards 2026 অনুষ্ঠানে ক্রিকেটে বিশেষ অবদানের জন্য ‘আউটস্ট্যান্ডিং কন্ট্রিবিউশন টু স্পোর্টস’ সম্মাননা পান জয় শাহ। সেখানেই তিনি বিশ্বকাপ আয়োজনের সময়কার চ্যালেঞ্জ ও সাফল্যের বিষয় তুলে ধরেন।   এবারের টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। নিরাপত্তাজনিত কারণে ভারতে দল পাঠাতে আপত্তি জানায় বাংলাদেশ সরকার এবং ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করে Bangladesh Cricket Board (বিসিবি)। তবে আইসিসি সে প্রস্তাব গ্রহণ না করে বাংলাদেশের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে টুর্নামেন্টে অন্তর্ভুক্ত করে।   এ ঘটনায় ‘বাংলাদেশের সঙ্গে অন্যায় হয়েছে’ উল্লেখ করে ভারতের বিপক্ষে নির্ধারিত ম্যাচ না খেলার ঘোষণা দেয় পাকিস্তান সরকার। পরে লাহোরে Pakistan Cricket Board (পিসিবি), বিসিবি ও আইসিসির বৈঠকের পর পাকিস্তান তাদের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে।   এই অচলাবস্থার প্রসঙ্গ টেনে জয় শাহ বলেন, “টুর্নামেন্ট শুরুর আগে অনেকেই আলোচনা করছিলেন—কোন দল খেলবে, টুর্নামেন্ট কীভাবে আয়োজন করা হবে। তবে আইসিসি একটি সমন্বিত সংস্থা; কোনো একক দল সংস্থার চেয়ে বড় নয়।”   তিনি আরও জানান, এবারের টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দর্শকসংখ্যা আগের সব রেকর্ড ভেঙেছে। একযোগে সর্বোচ্চ প্রায় ৭২ লাখ মানুষ ম্যাচ উপভোগ করেছেন।   অনুষ্ঠানে তিনি ভারতীয় দলকে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে এগোনোর পরামর্শ দিয়ে বলেন, “শিখরে পৌঁছাতে বছরের পর বছর সময় লাগে, কিন্তু সেখান থেকে নিচে নামতে সময় লাগে মাত্র কয়েক মাস। তাই কঠোর পরিশ্রম ধরে রাখতে হবে।”

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ১৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ভেন্যু অনিশ্চিত রেখেই সেমিফাইনালের টিকিট বিক্রি শুরু করেছে আইসিসি

নকআউট পর্বের ভেন্যু এখনো চূড়ান্ত না হলেও International Cricket Council (আইসিসি) আসন্ন T20 World Cup-এর সেমিফাইনাল ও ফাইনালের টিকিট বিক্রি শুরু করেছে। এ সিদ্ধান্তকে ঘিরে ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে।   মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টা থেকে আইসিসি অনলাইনে দুই সেমিফাইনাল ও ফাইনালের টিকিট বিক্রি শুরু করে। টিকিট বিক্রির তালিকায় কলকাতা, মুম্বাই, আহমেদাবাদ এবং কলম্বো—এই চারটি শহরের নাম থাকলেও ভেন্যু নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো নেওয়া হয়নি।   প্রাথমিক সূচি অনুযায়ী কলকাতা ও মুম্বাইয়ে দুটি সেমিফাইনাল এবং আহমেদাবাদে ফাইনাল আয়োজনের কথা ছিল। তবে নতুন পরিকল্পনায় পাকিস্তান দল সেমিফাইনাল বা ফাইনালে উঠলে তাদের ম্যাচ নিরপেক্ষ ভেন্যু কলম্বোয় স্থানান্তর করার সম্ভাবনা রয়েছে। নিরাপত্তাজনিত বা রাজনৈতিক কারণের জন্য ভারতের মাটিতে পাকিস্তানের ম্যাচ আয়োজন না হওয়ার বিষয়টিও আলোচনায় আছে।   এছাড়া টুর্নামেন্টের আয়োজক দেশগুলোর একটি শ্রীলঙ্কা সেমিফাইনালে উঠলে তাদের ম্যাচ ঘরের মাঠে আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে নির্ধারিত কলকাতা ভেন্যু পরিবর্তিত হয়ে কলম্বোতে ম্যাচ আয়োজন করা হতে পারে।   বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টুর্নামেন্টের শেষ তিন ম্যাচের ভেন্যু চূড়ান্তভাবে নির্ভর করছে সেমিফাইনালে কোন দলগুলো জায়গা করে নেয় তার ওপর। দল নিশ্চিত হওয়ার পরই ভেন্যু ঘোষণা করা হবে। তবে ভেন্যু অনিশ্চিত রেখেই টিকিট বিক্রি শুরু করায় সাধারণ দর্শকদের মধ্যে অসন্তোষ ও বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬ 0
আসিফ নজরুল। ছবি: সংগৃহীত
বিসিবির ক্রীড়া কূটনীতিকে কৃতিত্ব, স্যালুট জানালেন আসিফ নজরুল

নিরাপত্তাজনিত কারণে ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেনি বাংলাদেশ, তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা (আইসিসি) দেশের ক্রিকেট বোর্ডকে কোনো শাস্তি বা আর্থিক ক্ষতির মুখে ফেলছে না। বরং বাংলাদেশকে ২০২৮–২০৩১ সালের মধ্যে একটি আইসিসি ইভেন্ট আয়োজনের সুযোগও প্রদান করা হচ্ছে।   ভারত ও শ্রীলঙ্কার যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত ওই বিশ্বকাপে অন্যান্য দল মাঠে থাকলেও বাংলাদেশের অনুপস্থিতি দেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে আফসোস সৃষ্টি করেছিল। লাহোরে আইসিসি, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)-এর মধ্যে অনুষ্ঠিত ত্রিপক্ষীয় বৈঠকের পর এ বিষয়ে ইতিবাচক বার্তা আসে। বিশ্বকাপে না খেললেও বিসিবির প্রাপ্য অর্থ পরিশোধ করা হবে এবং টুর্নামেন্টের লাভের অংশও পাবে বাংলাদেশ।   যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বৈঠকের পর মন্তব্য করেন, বিসিবি যে ক্রিকেট ডিপ্লোমেসি দেখিয়েছে, তার জন্য আইসিসি কোনো শাস্তি দিচ্ছে না। বরং ভবিষ্যতে একটি বৈশ্বিক টুর্নামেন্টের সহ-আয়োজক করা হচ্ছে। এটা একটি দারুণ অর্জন। দেশের নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষায় নেওয়া এই সিদ্ধান্ত উদাহরণ হয়ে থাকবে।   সূচি অনুযায়ী, বাংলাদেশকে কলকাতা ও মুম্বাইয়ে চারটি ম্যাচ খেলার কথা ছিল। নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে বিসিবি ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় স্থানান্তরের অনুরোধ করেছিল। আইসিসি ও বিসিবি নিজ নিজ অবস্থানে অনড় থাকায় শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ অংশ নিতে পারেনি।   আসিফ নজরুল আরও বলেন, “এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের ক্রিকেটার ও বিসিবি নিয়েছে। দেশের মানুষের নিরাপত্তা ও মর্যাদার প্রশ্নে যে ত্যাগ স্বীকার করা হয়েছে, তা যুগান্তকারী উদাহরণ। শুধু আন্তর্জাতিক মানের ক্রিকেট নয়, দেশের ঐতিহ্যবাহী এবং মাঠপর্যায়ের খেলাগুলোকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে।”

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬ 0
আইসিসির ইভেন্ট আয়োজনের দায়িত্ব পাচ্ছে বাংলাদেশ

পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত আইসিসি, পিসিবি এবং বিসিবি-র মধ্যকার ঐতিহাসিক ত্রিপক্ষীয় বৈঠক শেষে এক স্বস্তিদায়ক সিদ্ধান্ত জানিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এ অংশগ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নিলেও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ওপর কোনো ধরনের আর্থিক, প্রশাসনিক বা ক্রীড়াগত শাস্তি আরোপ করছে না ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা।   আইসিসি তাদের এক আনুষ্ঠানিক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, লাহোর আলোচনা অত্যন্ত গঠনমূলক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। বিশেষ করে, পাকিস্তান দলকে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের বিপক্ষে খেলতে রাজি করানোর ক্ষেত্রে বিসিবির ইতিবাচক মধ্যস্থতা ও সমর্থনের বিষয়টি আইসিসির কাছে বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়েছে।   শাস্তি নয়, মিলছে বড় ইভেন্ট: বিসিবি-কে একটি ‘মূল্যবান পূর্ণ সদস্য’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে আইসিসি জানিয়েছে, ২০ কোটির বেশি ভক্তের এই প্রাণবন্ত ক্রিকেট বাজারকে তারা কোনোভাবেই অবহেলা করতে চায় না। সমঝোতার অংশ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে যে, ২০৩১ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের আগেই অর্থাৎ ২০২৮ থেকে ২০৩১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ এককভাবে আইসিসির একটি বড় টুর্নামেন্ট আয়োজন করবে। তবে এটি আইসিসির প্রচলিত আয়োজক নির্বাচন প্রক্রিয়া ও পরিচালনাগত শর্তের ভিত্তিতে চূড়ান্ত হবে।   পরিষ্কার অবস্থান বিসিবির: আইসিসি স্পষ্ট করেছে যে, বিসিবির ওপর কোনো জরিমানা বা নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হবে না। এমনকি বিসিবি চাইলে তাদের আইনি অধিকার বা ডিসপিউট রেজোলিউশন কমিটির শরণাপন্ন হওয়ার সুযোগও বহাল থাকবে। আইসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সঞ্জোগ গুপ্তা এই পরিস্থিতিকে ‘দুঃখজনক কিন্তু দীর্ঘমেয়াদী সম্পর্কের ওপর প্রভাবহীন’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি মনে করেন, বাংলাদেশ ক্রিকেটের ইকোসিস্টেম দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগ ও বৈশ্বিক সংযুক্তির দাবিদার।   উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ইতোমধ্যেই ২০৩১ ওয়ানডে বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক এবং ২০২৭ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী বিশ্বকাপের আয়োজক হিসেবে নির্ধারিত আছে। এর বাইরে লাহোর চুক্তির মাধ্যমে নতুন এই টুর্নামেন্ট প্রাপ্তি দেশের ক্রিকেটে এক নতুন প্রাণসঞ্চার করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ ইস্যু: বাংলাদেশকে শাস্তি নয়, পুরস্কার দিল আইসিসি

নিজেদের দাবিতে অটল থেকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ না নিলেও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বিরুদ্ধে কোনো ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেবে না আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। বরং ২০৩১ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের আগেই বাংলাদেশকে আরও একটি বৈশ্বিক টুর্নামেন্ট আয়োজনের সুযোগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।   সোমবার আইসিসির দেওয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে ভারতের বিপক্ষে পাকিস্তানের ম্যাচ না খেলার সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে আইসিসি, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। পরে বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম পাকিস্তানকে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটি খেলতে অনুরোধ জানান।   আইসিসির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পিসিবি ও বিসিবির সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপসহ দক্ষিণ এশিয়ায় ক্রিকেটের সামগ্রিক ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অনুপস্থিতিকে ‘দুর্ভাগ্যজনক’ উল্লেখ করে আইসিসি জানায়, বাংলাদেশের সমৃদ্ধ ক্রিকেট ঐতিহ্য ও বৈশ্বিক ক্রিকেট বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।   নিরাপত্তা সংকটের কারণে নিজেদের ম্যাচগুলো ভারতের পরিবর্তে শ্রীলঙ্কায় আয়োজনের প্রস্তাব দিয়েছিল বাংলাদেশ। তবে আইসিসি তাতে সম্মত না হওয়ায় বিশ্বকাপে অংশ নেয়নি বাংলাদেশ দল।   আইসিসি আরও জানায়, বিশ্বকাপে অংশ না নেওয়ার কারণে বাংলাদেশের ক্রিকেটে কোনো দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব যেন না পড়ে, তা নিশ্চিত করতে সংস্থাটি কাজ করবে। প্রায় ২০ কোটির বেশি সমর্থক নিয়ে বিশ্বের অন্যতম প্রাণবন্ত ক্রিকেট বাজার হিসেবে বাংলাদেশের ক্রিকেট উন্নয়নে আইসিসি সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে বলেও উল্লেখ করা হয়।     আইসিসি স্পষ্ট করেছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে বিশ্বকাপে অংশ না নেওয়ায় বিসিবির ওপর কোনো আর্থিক, খেলাসংক্রান্ত বা প্রশাসনিক জরিমানা বা শাস্তি আরোপ করা হবে না। প্রয়োজনে বিসিবি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিটির (ডিআরসি) কাছে যাওয়ার অধিকার রাখবে, যা আইসিসির বর্তমান বিধিমালার আওতায় অক্ষুণ্ন থাকবে।   আইসিসি, বিসিবি ও পিসিবির সমঝোতার অংশ হিসেবে সিদ্ধান্ত হয়েছে, ২০৩১ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের আগেই বাংলাদেশ একটি আইসিসি বৈশ্বিক টুর্নামেন্ট আয়োজন করবে। তবে এটি আইসিসির প্রচলিত আয়োজক নির্বাচন প্রক্রিয়া, সময়সূচি ও পরিচালনাগত শর্তাবলির অধীন থাকবে। উল্লেখ্য, ২০৩১ সালে ভারতের সঙ্গে যৌথভাবে ওয়ানডে বিশ্বকাপ আয়োজনের কথা রয়েছে বাংলাদেশের।   আইসিসির প্রধান নির্বাহী সনযোগ গুপ্তাকে উদ্ধৃত করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অনুপস্থিতি দুঃখজনক। তবে এটি বাংলাদেশকে একটি প্রধান ক্রিকেট জাতি হিসেবে আইসিসির দীর্ঘস্থায়ী অঙ্গীকারকে পরিবর্তন করবে না। বিসিবিসহ সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে দেশটির ক্রিকেটের টেকসই উন্নয়ন এবং খেলোয়াড় ও সমর্থকদের জন্য ভবিষ্যৎ সুযোগ আরও শক্তিশালী করার দিকে আমরা মনোযোগী।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬ 0
বিশ্বকাপ ইস্যুতে পাকিস্তানের সহযোগিতার প্রশংসা, ভারত ম্যাচ খেলতে অনুরোধ বিসিবির

ক্রিকেটের বৃহত্তর স্বার্থে ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিপক্ষে নির্ধারিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ম্যাচটি খেলতে পাকিস্তানকে অনুরোধ জানিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি আমিনুল ইসলাম। একই সঙ্গে সাম্প্রতিক সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের পাশে থাকার জন্য পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে বিসিবি।   সোমবার রাতে বিসিবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিশ্বকাপ ইস্যুতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার জন্য আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলকেও (আইসিসি) ধন্যবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড।   নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের ম্যাচগুলো ভারতের পরিবর্তে শ্রীলঙ্কায় আয়োজনের প্রস্তাব দিয়েছিল বাংলাদেশ। তবে আইসিসি সেই প্রস্তাবে সম্মত না হওয়ায় বিসিবির প্রতি ‘অন্যায়’ করা হয়েছে দাবি করে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ না খেলার ঘোষণা দেয় পাকিস্তান।   বিশ্ব ক্রিকেটের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচটি অনুষ্ঠিত করা নিয়ে আলোচনার অংশ হিসেবে আইসিসির প্রতিনিধিরা গতকাল পাকিস্তান সফর করেন। ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলামও।   সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিসিবি সভাপতির উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, গতকাল পাকিস্তানে আমার সংক্ষিপ্ত সফর এবং আমাদের আলোচনার সম্ভাব্য ফলাফলের প্রেক্ষিতে, পুরো ক্রিকেট ইকোসিস্টেমের স্বার্থে ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিপক্ষে নির্ধারিত আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ম্যাচটি খেলার জন্য আমি পাকিস্তানের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি।   বিশ্বকাপ ইস্যুতে শুরু থেকেই বাংলাদেশের পাশে থাকার জন্য পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে আমিনুল ইসলাম বলেন, এই সময় বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়ে পাকিস্তান যে আন্তরিকতা ও সহযোগিতার নজির স্থাপন করেছে, তাতে বিসিবি গভীরভাবে আপ্লুত। তিনি পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভী, বোর্ড কর্মকর্তারা এবং পাকিস্তানের সমর্থকদের ধন্যবাদ জানান।   বিসিবি সভাপতি আশা প্রকাশ করেন, দুই দেশের পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব ও সহযোগিতার সম্পর্ক ভবিষ্যতেও আরও দৃঢ় ও সমৃদ্ধ হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬ 0
আইসিসি
পাকিস্তানকে রাজি করাতে বাংলাদেশকে পাশে চাইছে আইসিসি

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা এখন এক নতুন ও নাটকীয় মোড় নিয়েছে। নিরাপত্তা ইস্যুতে ভারত ভ্রমণে অস্বীকৃতি জানানোয় আইসিসি কর্তৃক বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে পাকিস্তান যে কঠোর অবস্থান নিয়েছিল, সেখান থেকে সরে আসতে এবার তিনটি শর্ত জুড়ে দিয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। এই সংকট নিরসনে এবং ‘পারস্পরিক সমঝোতা’র পথ খুঁজতে বর্তমানে লাহোরে অবস্থান করছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি আমিনুল ইসলাম।   সংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, মূলত আইসিসি এবং পাকিস্তানের মধ্যে একটি মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করতেই বিসিবি সভাপতির এই ঝটিকা লাহোর সফর। পরশু রাতে এক জরুরি বার্তা পেয়ে মধ্যরাতেই পাকিস্তানের উদ্দেশ্যে রওনা হন আমিনুল ইসলাম। গতকাল ভোরে লাহোরে পৌঁছালে তাঁকে স্বাগত জানান পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সালমান নাসির। সেখানে পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভির সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেন বিসিবি সভাপতি। পরবর্তীতে আইসিসির প্রতিনিধিদের সঙ্গে একটি ভার্চুয়াল বৈঠকেও অংশ নেন তাঁরা।   এই আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ১৫ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ভারত-পাকিস্তান ম্যাচটি। পাকিস্তান আগেই ঘোষণা দিয়েছিল, বাংলাদেশের ওপর অন্যায্য সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে তারা ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামবে না। এখন আইসিসি চাইছে পাকিস্তানকে ওই ম্যাচ খেলতে রাজি করাতে, আর বিনিময়ে বাংলাদেশের জন্য কিছু বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে—বিশ্বকাপে সরাসরি অংশ না নিলেও আইসিসির বার্ষিক রাজস্ব থেকে বাংলাদেশের প্রাপ্য অংশ নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যতে বিদেশি দলগুলোর বাংলাদেশ সফর নিয়ে কোনো আইনি বা কূটনৈতিক জটিলতা তৈরি না করার নিশ্চয়তা।   আইসিসির পক্ষ থেকে এই আলোচনার সমন্বয় করছেন সংস্থাটির ডেপুটি চেয়ারম্যান ইমরান খাজা। পাকিস্তানের অনড় অবস্থান এবং বাংলাদেশ ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ সংকট উত্তরণে এই বৈঠকটিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। পিসিবি’র পক্ষ থেকে জুড়ে দেওয়া তিনটি শর্তের ব্যাপারে বিস্তারিত জানানো না হলেও, ধারণা করা হচ্ছে এর মধ্যে আইসিসির ক্রিকেটীয় রাজনীতি এবং বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সংক্রান্ত বিষয়গুলো প্রাধান্য পেয়েছে।   ক্রিকেট বিশ্বের নজর এখন লাহোরের এই কূটনৈতিক তৎপরতার দিকে। শেষ পর্যন্ত কি পিসিবি তাদের ৩ শর্তে আইসিসিকে রাজি করাতে পারবে? নাকি ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ ছাড়াই শেষ হবে এবারের বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব—সেই উত্তর পাওয়া যাবে খুব শীঘ্রই।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬ 0
reuters_trump
আইসিসি ও জাতিসংঘের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের যুদ্ধ ঘোষণা

আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) এবং জাতিসংঘের কর্মীদের বিরুদ্ধে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। রয়টার্সের এক বিশেষ অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ট্রাম্পের এই পদক্ষেপকে 'বৈশ্বিক বিচার ব্যবস্থার বিরুদ্ধে যুদ্ধ' হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই নিষেধাজ্ঞার ফলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ওপর সন্ত্রাসবাদীদের মতো কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হতে পারে।   প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত যখন মার্কিন সামরিক বাহিনী বা তাদের মিত্রদের কর্মকাণ্ড নিয়ে তদন্তের উদ্যোগ নিচ্ছে, তখনই ট্রাম্প প্রশাসন এই আক্রমণাত্মক অবস্থান নিল। এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় আইসিসি-র প্রসিকিউটর, বিচারক এবং এমনকি জাতিসংঘের নির্দিষ্ট কিছু কর্মকর্তাদের লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।   নিষেধাজ্ঞার প্রভাব: ১. আর্থিক লেনদেন বন্ধ: তালিকাভুক্ত কর্মকর্তাদের মার্কিন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এবং সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা হতে পারে। ২. ভিসা ও যাতায়াত: অভিযুক্ত ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের সদস্যদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হতে পারে। ৩. সন্ত্রাসবাদ বিরোধী আইন: এই কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে এমন আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে যা সাধারণত ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসবাদীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়।   প্রতিক্রিয়া: জাতিসংঘ এবং বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা এই পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। তারা একে আন্তর্জাতিক আইনের শাসন এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতার ওপর নজিরবিহীন হস্তক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেছে। সমালোচকদের মতে, এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে আন্তর্জাতিক জবাবদিহিতার ঊর্ধ্বে রাখার চেষ্টা করছে।   অন্যদিকে, হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, কোনো বিদেশি আদালত বা সংস্থা যাতে মার্কিন নাগরিকদের ওপর অন্যায়ভাবে বিচারিক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে না পারে, তা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিভিন্ন মিত্র দেশের সম্পর্কের টানাপোড়েন আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৬ 0
আইসিসি-র সাবেক সভাপতি এহসান মানি
পাকিস্তানের মন গলাতে জয় শাহকে যেতে বললেন মানি

বিশ্ব ক্রিকেটে চলমান ভারত-পাকিস্তান অস্থিরতা নিরসনে বর্তমান আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহকে সরাসরি হস্তক্ষেপ করার আহ্বান জানিয়েছেন আইসিসি-র সাবেক সভাপতি এহসান মানি। লন্ডন থেকে ডন পত্রিকাকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, কেবল পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভির সাথে আলোচনা করাই যথেষ্ট নয়, বরং বিশ্ব ক্রিকেটকে বিশাল আর্থিক ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতে জয় শাহর উচিত ব্যক্তিগতভাবে পাকিস্তান সফর করা।   এহসান মানি মনে করেন, পাকিস্তান সরকারকে তাদের কঠোর অবস্থান থেকে সরিয়ে আনতে জয় শাহকে সরাসরি তাদের অভিযোগগুলো মনোযোগ দিয়ে শুনতে হবে। আইসিসি বর্তমানে যে আলোচনার জন্য ডেপুটি চেয়ারম্যান ইমরান খাজাকে দায়িত্ব দেওয়ার পরিকল্পনা করছে, তার সমালোচনা করে মানি বলেন, খাজা একজন অ্যাসোসিয়েট দেশের প্রতিনিধি হিসেবে এই বড় সংকট সমাধানের জন্য সঠিক ব্যক্তি নন। এই বিষয়টি আইসিসি চেয়ারম্যানেরই সরাসরি পাকিস্তান সরকারের সঙ্গে আলোচনা করা উচিত।   সাক্ষাৎকারে এহসান মানি আইসিসি-র অভ্যন্তরে ভারতের আধিপত্য এবং রাজনীতির তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আইসিসি যদি আবারও ভারতের স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে পাকিস্তানের প্রতি বিমাতাসুলভ আচরণ করে, তবে পাকিস্তানের উচিত হবে সুইজারল্যান্ডের বিশ্ব সালিশি আদালতে (CAS) যাওয়া। তিনি দাবি করেন, আইসিসি-র বিভিন্ন কার্যক্রমে রাজনীতির সম্পৃক্ততার অনেক প্রমাণ রয়েছে, যা আন্তর্জাতিক আদালতে পাকিস্তানের জয় নিশ্চিত করতে পারে।   লভ্যাংশ বণ্টনের বৈষম্য তুলে ধরে মানি জানান, আইসিসি-র মোট আয়ের ৩৮.৫ শতাংশ পায় ভারত, আর পাকিস্তান পায় মাত্র ৫.৭৫ শতাংশ। ক্রিকেটের ‘ভদ্রতা’ নষ্ট করার জন্য ভারতকে দায়ী করে তিনি বলেন, এশিয়া কাপের সময় ভারত পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের সাথে সৌজন্য বজায় রাখতে ব্যর্থ হলেও আইসিসি নীরব ছিল। এমনকি পাকিস্তানি প্রতিনিধি হওয়ায় ভারত ট্রফি নিতেও অস্বীকৃতি জানিয়েছিল।   সবশেষে তিনি বলেন, পাকিস্তান সরকার যে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ বয়কটের মতো চরম সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে, তার প্রধান কারণ বিসিসিআই-এর অনমনীয় ও নেতিবাচক মনোভাব। এখন সময় এসেছে রাজপথের মতো ক্রিকেটের মাঠ থেকেও এই রাজনীতির অবসান ঘটানোর।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৬ 0
বিশ্বকাপের সময় চলা টুর্নামেন্টে কত টাকা পাবেন মোস্তাফিজরা?

মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে ভারতে অনুষ্ঠিত টি-২০ বিশ্বকাপ বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ। বিশ্বকাপের এই সময়টায় তিন দলের একটি টি-টুয়েন্টি টুর্নামেন্টে খেলবেন জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা। বিসিবি আয়োজিত এই টুর্নামেন্ট থেকে কত আয় করবেন মোস্তাফিজ-লিটনরা?   বিসিবি জানিয়েছে, বিশ্বকাপের এই এক মাসে লিটন দাসের ধূমকেতু, নাজমুল হোসেনের দুর্বার আর আকবর আলীর নেতৃত্বে মাঠে নামবে দুরন্ত একাদশ। ৫ ফেব্রুয়ারি শুরু এই টুর্নামেন্টের জন্য অনুশীলনও শুরু করেছে দলগুলো।   টি-২০ বিশ্বকাপে না যাওয়ায় ক্রিকেটারদের আর্থিক ক্ষতির কিছুটা হলেও অদম্য বাংলাদেশ টি-২০ কাপ দিয়ে পুষিয়ে দিতে চায় বিসিবি। এ জন্য ৪ ম্যাচের এই টুর্নামেন্টে শুধু ক্রিকেটারদের ম্যাচ ফি আর প্রাইজমানি বাবদই বিসিবি খরচ করছে ২ কোটি ৫৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা।   অদম্য বাংলাদেশ টি-২০ খেলে একজন ক্রিকেটার আসলে কত টাকা পাবেন সেটা অনেকাংশেই নির্ভর করবে তার দলের সাফল্যের ওপর। এমনিতে প্রতি ম্যাচের জন্য ক্রিকেটাররা ৫০ হাজার টাকা করে পাবেন ম্যাচ ফি হিসেবে। ম্যাচ জিতলে দলগুলো পাবে আরও ১০ লাখ টাকা।   প্রতি দলে ২০ জন করে ক্রিকেটার ও কোচিং স্টাফের সদস্য থাকবেন। গড় হিসাবে ক্রিকেটাররা এখান থেকে আরও ৫০ হাজার টাকা পাবেন। প্রথম পর্বের দুটি ম্যাচ জিতলে ২ লাখ টাকা করে পাবেন ক্রিকেটাররা। মূল আয়টা হবে যদি তারা চ্যাম্পিয়ন হন। লিগ পর্বে তিন ম্যাচ হওয়ার পর শীর্ষ দুটি দল ফাইনাল খেলবে।   যেখানে চ্যাম্পিয়ন দল প্রাইজমানি হিসেবে পাবে ১ কোটি টাকা। গড় হিসেবেও ক্রিকেটাররা ৫ লাখ টাকা করে পাবেন। অর্থাৎ কোনো ক্রিকেটার যদি চ্যাম্পিয়ন দলের সদস্য হন, তাহলে তিনি অন্তত ৭ লাখ টাকা আয় করতে পারবেন। রানার্সআপ দল প্রাইজমানি হিসেবে পাবে ৪০ লাখ টাকা। গড় হিসেবে জনপ্রতি তারা পাবেন ২ লাখ। এই দলের ক্রিকেটাররা টুর্নামেন্ট থেকে অন্তত ৪ লাখ টাকা পাবেন।   এর বাইরেও ক্রিকেটারদের জন্য অর্থের ব্যবস্থা আছে—প্রতি ম্যাচের সেরা খেলোয়াড়কে পুরস্কার হিসেবে ১ লাখ টাকা দেওয়া হবে। টুর্নামেন্ট সেরা ক্রিকেটার পাবেন ৫ লাখ টাকা। সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক আর উইকেটশিকারির জন্য থাকবে ৩ লাখ টাকা করে।   আগামীকাল টুর্নামেন্টের প্রথম দিন লিটনের ধূমকেতু একাদশের মুখোমুখি হবে আকবরের দুরন্ত একাদশ। পরদিন নাজমুলের দুর্বারের বিপক্ষে লড়বে ধূমকেতু। ৭ ফেব্রুয়ারি প্রথম পর্বের শেষ দিনে দুর্বার ও দুরন্ত মুখোমুখি হবে। সব কটি ম্যাচই শুরু হবে সন্ধ্যা ছয়টায়। ম্যাচগুলো ছাত্ররা তাদের আইডি কার্ড দেখিয়ে ফ্রি দেখতে পারবেন।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬ 0
জরুরি বৈঠক ডেকেছে আইসিসি
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে, জরুরি বৈঠক ডেকেছে আইসিসি

আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি শনিবার থেকে পর্দা উঠতে যাচ্ছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের। তবে মাঠের লড়াই শুরু হওয়ার আগেই বিশ্ব ক্রিকেটে বইছে ঝড়ের পূর্বাভাস। বাংলাদেশ দলের প্রতি সমর্থন জানিয়ে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কটের ঘোষণা দিয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। পিসিবির এমন নজিরবিহীন সিদ্ধান্তে চরম বিপাকে পড়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)।   উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় আজই একটি ভার্চ্যুয়াল জরুরি বোর্ড মিটিং ডেকেছে আইসিসি। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম জিও সুপার এবং ভারতের এনডিটিভি এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, জয় শাহর নেতৃত্বাধীন আইসিসি এই মিটিংয়ে পাকিস্তানকে বিশ্বকাপ থেকে নিষিদ্ধ করার মতো কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে পারে। উল্লেখ্য, বর্তমান আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর পুত্র।   গত রাতে পাকিস্তান সরকারের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানানো হয় যে, পাকিস্তান দল ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেবে ঠিকই, কিন্তু ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিপক্ষে নির্ধারিত ম্যাচটিতে তারা মাঠে নামবে না। পিসিবির পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্ত আনুষ্ঠানিকভাবে ই-মেইল করার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গেছে।   প্রাথমিক প্রতিক্রিয়ায় আইসিসি জানিয়েছে, বেছে বেছে কিছু ম্যাচ বয়কট করা টুর্নামেন্টের মূল চেতনা ও মর্যাদাকে চরমভাবে ক্ষুণ্ণ করে। সংস্থাটি পিসিবিকে তাদের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছে। তবে আইসিসি কঠোর অবস্থান নিলে পাকিস্তানের ওপর শুধু বর্তমান বিশ্বকাপ নয়, ভবিষ্যতে আইসিসি টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের ওপরও নিষেধাজ্ঞা আসতে পারে।   সম্ভাব্য শাস্তির তালিকায় আরও রয়েছে—পিসিবিকে বিশাল অঙ্কের আর্থিক জরিমানা করা, শীর্ষ দলগুলোর সঙ্গে পাকিস্তানের দ্বিপাক্ষিক সিরিজ সীমিত করা এবং পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) বিদেশি খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণে বিধিনিষেধ আরোপ করা। এছাড়া সম্প্রচারকারী সংস্থা ও বাণিজ্যিক অংশীদারদের বিশাল আর্থিক ক্ষতির দায়ভার পিসিবিকেই নিতে হতে পারে। এখন সবার নজর আইসিসির জরুরি সভার দিকে, যেখান থেকে পাকিস্তান ক্রিকেটের ভাগ্য নির্ধারিত হতে পারে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬ 0
পিসিবি-আইসিসি
পাকিস্তানের ভারত ম্যাচ বয়কট নিয়ে আইসিসি’র বক্তব্য

আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কটের ঘোষণা দিয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি করেছে পাকিস্তান। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) তাদের সরকারের কাছ থেকে বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার সবুজ সংকেত পেলেও সাফ জানিয়ে দিয়েছে যে, তারা গ্রুপ পর্বে ভারতের মুখোমুখি হবে না। দুই দেশের এই উত্তপ্ত রাজনৈতিক ও ক্রীড়াসুলভ পরিস্থিতির মধ্যে এবার নিজেদের কঠোর অবস্থান পরিষ্কার করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)।   রোববার রাতে এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে আইসিসি জানিয়েছে, একটি বৈশ্বিক টুর্নামেন্টে প্রতিটি দলের অংশগ্রহণ এবং নিয়ম মেনে চলাই ক্রিকেটের চিরাচরিত সৌন্দর্য। পাকিস্তান সরকারের এই সিদ্ধান্তের প্রতি সম্মান দেখালেও আইসিসি স্পষ্টভাবে বলেছে যে, এমন অবস্থান বিশ্ব ক্রিকেটের সামগ্রিক ভাবমূর্তির জন্য যেমন নেতিবাচক, তেমনি এটি বিশ্বের কোটি কোটি ক্রিকেট ভক্তের জন্য অত্যন্ত হতাশাজনক একটি সংবাদ।   বিবৃতিতে পিসিবি-কে প্রচ্ছন্ন হুশিয়ারি দিয়ে আইসিসি উল্লেখ করেছে, এই বয়কটের ফলে পাকিস্তানের ক্রিকেটের ওপর দীর্ঘমেয়াদী এবং মারাত্মক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। আইসিসি মনে করিয়ে দিয়েছে যে, পিসিবি বিশ্ব ক্রিকেট কাঠামোর একজন নিয়মিত সদস্য এবং আর্থিকসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার বড় অংশীদার। ফলে তাদের এই ‘হঠকারী’ সিদ্ধান্ত পুরো ক্রিকেট সংস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে, যার খেসারত পাকিস্তানকেই দিতে হতে পারে।   আইসিসির মতে, একটি বিশ্বকাপ সফলভাবে সম্পন্ন করা পিসিবিসহ সব সদস্য দেশের যৌথ নৈতিক দায়িত্ব। ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি এখন আশা করছে, পাকিস্তান কর্তৃপক্ষ দ্রুতই একটি সম্মানজনক এবং গ্রহণযোগ্য সমাধান খুঁজে বের করবে, যা ক্রিকেটের বৃহত্তর স্বার্থ ও সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মর্যাদা রক্ষা করবে। অন্যথায় আইসিসি কঠোর কোনো পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হতে পারে বলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশি ক্রীড়া সাংবাদিকতার ইতিহাসে এক লজ্জাজনক অধ্যায়: ব্যাখ্যাহীনভাবে অ্যাক্রিডিটেশন বাতিল করল আইসিসি

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) বাংলাদেশ থেকে আবেদন করা সব ক্রীড়া সাংবাদিকের অ্যাক্রিডিটেশন বাতিল করেছে। কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা বা স্বচ্ছ প্রক্রিয়া ছাড়াই নেওয়া এই সিদ্ধান্তে বাংলাদেশি ক্রীড়া সাংবাদিক মহলে ব্যাপক উদ্বেগ ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।   সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন সম্পন্ন করার পরও বাংলাদেশি সাংবাদিকদের অ্যাক্রিডিটেশন বাতিল করা হয়। তবে এ বিষয়ে আইসিসির পক্ষ থেকে এখনো কোনো লিখিত বা আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।   এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে প্রশ্ন উঠেছে আইসিসির নিরপেক্ষতা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া নিয়ে। বিশেষ করে ভারতে খেলতে না চাওয়ার কারণে বাংলাদেশকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তের পরপরই সাংবাদিকদের অ্যাক্রিডিটেশন বাতিল হওয়ায় বিষয়টি আরও আলোচনায় এসেছে। অনেকের মতে, এতে ক্রীড়া প্রশাসনে রাজনৈতিক বা আঞ্চলিক প্রভাবের আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।   বাংলাদেশি ক্রীড়া সাংবাদিকরা ১৯৯৯ সাল থেকে প্রতিটি আইসিসি বিশ্বকাপ নিয়মিতভাবে কাভার করে আসছেন। এমনকি কোনো কোনো আসরে বাংলাদেশ দল অংশগ্রহণ না করলেও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাভারেজে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব বজায় রেখেছেন তারা। হঠাৎ করে এই ধারাবাহিকতা ভেঙে যাওয়াকে সাংবাদিকদের পেশাগত অধিকার হরণের পাশাপাশি দেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের তথ্য জানার অধিকার ক্ষুণ্ন করার ঘটনা হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।   ক্রীড়া সাংবাদিকদের একাংশের মতে, বিশ্বকাপ কোনো নির্দিষ্ট দেশের একক সম্পত্তি নয় এবং আইসিসিও কোনো ব্যক্তিগত বা আঞ্চলিক সংগঠন নয়। তাই এমন সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক ক্রীড়া সংস্থার গ্রহণযোগ্যতা ও বিশ্বাসযোগ্যতাকে প্রশ্নের মুখে ফেলতে পারে।   এ বিষয়ে বাংলাদেশি ক্রীড়া সাংবাদিকরা আইসিসির কাছে দ্রুত ব্যাখ্যা ও সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছেন। তাদের ভাষ্য, তারা করুণা নয়, ন্যায়সঙ্গত ও পেশাদার আচরণ প্রত্যাশা করেন। একই সঙ্গে এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার না হলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আইসিসির ভূমিকা নিয়ে আরও বিস্তৃত আলোচনা তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ২৬, ২০২৬ 0
বিশ্বকাপের নতুন সূচি, বাংলাদেশকে যা বলল আইসিসি

মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ায় ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে না চাওয়া বাংলাদেশকে সিদ্ধান্তের জন্য গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছিল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ও লিটন দাসদের সঙ্গে আলোচনা শেষে ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল জানান বাংলাদেশ আগের সিদ্ধান্তেই অনড় আছে। বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল বলেন, শ্রীলংকায় ম্যাচ সরানোর ব্যাপারে বাংলাদেশের চেষ্টা অব্যাহত থাকবে। এর দুদিন পর বাংলাদেশকে বাদ দেওয়ার অফিসিয়াল ঘোষণা দিয়েছে আইসিসি।   আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইসিসি। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় আনুষ্ঠানিকভাবে এ ঘোষণা দেয় ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। এরই মধ্যে স্কটল্যান্ডকে নিয়ে বিশ্বকাপের নতুন সূচিও প্রকাশ করা হয়েছে।   আইসিসির পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রকাশিত ম্যাচ সূচি অনুযায়ী টুর্নামেন্টে অংশ নিতে অস্বীকৃতি জানানোয় বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। বিসিবি নির্ধারিত সূচি মেনে ভারতে খেলতে না চাওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।   বাংলাদেশের জায়গায় গ্রুপ ‘সি’-তে খেলবে স্কটল্যান্ড। এই গ্রুপে স্কটল্যান্ডের সঙ্গে রয়েছে ইংল্যান্ড, ইতালি, নেপাল ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ।   আইসিসি জানায়, ভারতের মাটিতে বাংলাদেশ দলের জন্য কোনো বিশ্বাসযোগ্য বা যাচাইযোগ্য নিরাপত্তা হুমকি না থাকার পরও বিসিবি তাদের ম্যাচ শ্রীলংকায় সরানোর আবেদন জানায়। শ্রীলংকা এই বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজক হলেও আইসিসি সেই আবেদন প্রত্যাখ্যান করে।   এ বিষয়ে আইসিসি অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে একাধিক স্বাধীন নিরাপত্তা মূল্যায়ন চালায়। সেই মূল্যায়নের ভিত্তিতেই আইসিসি সিদ্ধান্তে পৌঁছায় যে, ভারতে বাংলাদেশ দল, কর্মকর্তারা কিংবা সমর্থকদের জন্য কোনো বাস্তব নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই।   বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের উত্থাপিত উদ্বেগ নিরসনে আইসিসি দীর্ঘ ও বড় আকারের প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে গেছে। তিন সপ্তাহের বেশি সময় ধরে স্বচ্ছ ও গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমে বিসিবির সঙ্গে একাধিক দফা বৈঠক করা হয়েছে। এর মধ্যে ভার্চুয়াল ও সরাসরি বৈঠক দুটোই ছিল।   আইসিসি জানায়, এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে বিসিবির উত্থাপিত সব উদ্বেগ পর্যালোচনা করা হয়েছে। পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ ও স্বাধীন বাইরের বিশেষজ্ঞদের দিয়ে নিরাপত্তা মূল্যায়ন করানো হয়েছে এবং কেন্দ্রীয় ও অঙ্গরাজ্য পর্যায়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থাসহ টুর্নামেন্টটির বিস্তারিত নিরাপত্তা পরিকল্পনা বিসিবিকে জানিয়েছে। এসব নিশ্চয়তা আইসিসি বিজনেস করপোরেশন (আইবিসি) বোর্ডের আলোচনাসহ একাধিক পর্যায়ে আলোচনা করা হয়।   বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আইসিসির মূল্যায়নে দেখা গেছে, ভারতে বাংলাদেশ জাতীয় দল, কর্মকর্তা কিংবা সমর্থকদের জন্য কোনো বিশ্বাসযোগ্য বা যাচাইযোগ্য নিরাপত্তা হুমকি নেই। এসব বিবেচনায় নিয়ে এবং বৃহত্তর প্রভাব মাথায় রেখে প্রকাশিত সূচিতে কোনো পরিবর্তন না আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   এ বিষয়ে বুধবার অনুষ্ঠিত এক বৈঠকের পর সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা দেয়া হয়।  নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো সাড়া না পাওয়ায় আইসিসি তাদের নীতিমালা ও বাছাই প্রক্রিয়া অনুযায়ী বিকল্প দল নির্বাচন করে।

ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ২৪, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Top week

ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক

হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ পারাপারের বিনিময়ে ভারতের কাছে তিন ট্যাংকার ফেরত চাইল ইরান

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৬, ২০২৬ 0