ভূমিকম্প

ছবি: সংগৃহীত।
জাপানে ৬ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্প

জাপানের বৃহত্তম দ্বীপ হনশু-এর পূর্ব উপকূলে ৬ দশমিক ২ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার রাতে এই কম্পন অনুভূত হয়।   ভূমিকম্প সংক্রান্ত তথ্য নিশ্চিত করেছে জার্মান রিসার্চ সেন্টার ফর জিওসায়েন্সেস। সংস্থাটির বিবৃতিতে জানানো হয়, ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে।   এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি, তবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।   এর আগের দিন বুধবার রাতেও একই অঞ্চলে ৪ দশমিক ২ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প হয়। সেই কম্পনের কেন্দ্র ছিল প্রায় ২০ কিলোমিটার গভীরে। একদিনের ব্যবধানে দুই দফা ভূমিকম্পে এলাকাবাসীর মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।   সূত্র: রয়টার্স

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৭, ২০২৬ 0
৫.৮ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল কিউবা
৫.৮ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল কিউবা

কিউবার দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলে মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, স্থানীয় সময় রাত ১২টা ২৮ মিনিটে ৫.৮ মাত্রার এই কম্পন অনুভূত হয়।   ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ছিল কিউবার পূর্ব প্রান্তের মাইসি মিউনিসিপালিটি থেকে প্রায় ৪৯ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে এবং এর গভীরতা ছিল ১১.৬ কিলোমিটার। ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় সিসমোলজিক্যাল সেন্টার প্রথমে এই ভূকম্পনের খবর নিশ্চিত করে। পরে ৪.৭ মাত্রার কিছু অনুকম্পনও রেকর্ড করা হয়।   কিউবার সিসমোলজিক্যাল সার্ভিস জানিয়েছে, সান্তিয়াগো ডি কিউবা ও গুয়ান্তানামো প্রদেশেও কম্পন বেশ তীব্রভাবে অনুভূত হয়েছে। তবে ইউএসজিএস জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে বড় ধরনের ক্ষতি বা প্রাণহানির ঝুঁকি কম, যা ‘সবুজ’ পর্যায় নির্দেশ করে।   প্রাকৃতিক এই দুর্যোগটি এমন এক সময়ে এসেছে যখন কিউবা বিদ্যুৎ সংকটের মধ্যে রয়েছে। সোমবার (১৬ মার্চ) থেকে পুরো দ্বীপটি বিদ্যুৎহীন অবস্থায় ছিল। এর পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত তেল অবরোধকে মূল কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। একই সময়ে কিউবায় রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে, যেখানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কিউবাকে দখল করার এবং প্রেসিডেন্ট মিগুয়েল দিয়াজ-ক্যানেলকে ক্ষমতা থেকে সরানোর অঙ্গীকার করেছেন।   ভূমিকম্পে তাৎক্ষণিক বড় ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। তবে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অস্থিরতার মাঝেই এই প্রাকৃতিক দুর্যোগ সাধারণ মানুষের মধ্যে নতুন আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।   সূত্র: রয়টার্স।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৮, ২০২৬ 0
সংগৃহীত ছবি
ভূমিকম্পে কাঁপল তুরস্ক, ভয়ে রাস্তায় হাজারো মানুষ

তুরস্কের মধ্যাঞ্চলে একটি মাঝারি শক্তির ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। ভূমিকম্পটির মাত্রা রিখটার স্কেলে ৫.৫ ধরা হয়েছে এবং এখন পর্যন্ত কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।   দেশের দুর্যোগ ও জরুরি ব্যবস্থাপনা সংস্থা এএফএডি জানিয়েছে, ভূমিকম্পের কেন্দ্র তোকাত অঞ্চলের নিকশার শহরে ছিল। ভূমিকম্পটির গভীরতা প্রায় ৬.৪ কিলোমিটার।   স্থানীয় সময় ভোর ৩টা ৩৫ মিনিটে কম্পন অনুভূত হয় এবং আশেপাশের কয়েকটি প্রদেশেও এটি টের পাওয়া যায়। তবে প্রাথমিকভাবে কোনো বড় ক্ষতির তথ্য নেই।   হাবারতুর্কের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভূমিকম্পের পর অনেক বাসিন্দা ঠান্ডা থাকা সত্ত্বেও বাইরে বা গাড়িতে অপেক্ষা করেছেন, কারণ তারা ভয়ে বাড়িতে ফিরে যেতে সাহস পাচ্ছিলেন না।   তুরস্ক ভূমিকম্প প্রবণ অঞ্চলে অবস্থিত, যেখানে একাধিক সক্রিয় ফল্ট লাইন রয়েছে, তাই দেশটিতে নিয়মিত কম্পন ঘটে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৩, ২০২৬ 0
যুদ্ধের মধ্যেই ভূমিকম্পে কাঁপল ইরান
যুদ্ধের মধ্যেই ভূমিকম্পে কাঁপল ইরান

যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেই ইরানে আবারও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে দেশটির বন্দর আব্বাসের পশ্চিমাঞ্চলে ৪ দশমিক ১ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে।   মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানায়, ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ছিল বন্দর আব্বাস থেকে প্রায় ৭৪ কিলোমিটার পশ্চিমে এবং এর গভীরতা ছিল প্রায় ১০ কিলোমিটার। বিষয়টি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।   এর আগে গত মঙ্গলবারও ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে ৪ দশমিক ৩ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়। সেই ভূমিকম্পটি আঘাত হেনেছিল গেরাশ এলাকায়, যা Fars Province-এর দক্ষিণাংশে অবস্থিত।   ইউএসজিএসের তথ্যমতে, ওই ভূমিকম্পের গভীরতাও ছিল প্রায় ১০ কিলোমিটার বা প্রায় ৬ দশমিক ২১ মাইল।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
পারমাণবিক বোমার পরীক্ষা চালাল ইরান? ভূমিকম্প নিয়ে আশঙ্কায় উত্তাল বিশ্ব

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেই ইরানে আঘাত হানা একটি ভূমিকম্পকে কেন্দ্র করে বিশ্বজুড়ে রহস্য ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। ইরানের গেরাশ অঞ্চলে অনুভূত ৪.৩ মাত্রার এই কম্পনটি কি কেবলই প্রাকৃতিক দুর্যোগ, নাকি তেহরানের কোনো গোপন পারমাণবিক পরীক্ষার ফল—তা নিয়ে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে পুরো বিষয়টির ওপর কড়া নজরদারি শুরু করেছে পেন্টাগন ও মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। ভূমিকম্প নাকি পারমাণবিক পরীক্ষা? স্থানীয় সময় অনুযায়ী, ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় গেরাশ এলাকায় এই মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়। যদিও ইরানি কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে এটি একটি সাধারণ ভূকম্পন এবং এতে বড় কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি, তবে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিন্ন এক তত্ত্ব ডালপালা মেলছে। ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ইরানের চলমান চরম উত্তেজনার মধ্যে এই ঘটনাকে অনেকেই তেহরানের ‘গোপন শক্তি প্রদর্শন’ হিসেবে দেখছেন। বিশেষজ্ঞদের মত ও রহস্যের সূত্রপাত: ভূতাত্ত্বিক বিশেষজ্ঞদের একটি অংশ বলছেন, ইরানের জাগ্রোস পর্বতমালা অঞ্চলটি প্রাকৃতিকভাবেই ভূমিকম্পপ্রবণ। ফলে ৪.৩ মাত্রার এই কম্পন স্বাভাবিক টেকটোনিক কর্মকাণ্ডের অংশ হতে পারে। তবে সন্দেহ বাড়ছে অন্য একটি কারণে। ঠিক একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের নেভাদায় অত্যন্ত গোপনীয় ‘টোনোপাহ টেস্ট রেঞ্জ’ (Area 51-এর নিকটবর্তী) এলাকায় শতাধিক ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ভূকম্পন রেকর্ড করা হয়েছে। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দেশের স্পর্শকাতর এলাকায় কাছাকাছি সময়ে এই ভূকম্পন পারমাণবিক পরীক্ষার জল্পনাকে আরও উসকে দিয়েছে। মার্কিন প্রশাসনের প্রতিক্রিয়া: ওয়াশিংটন এই ঘটনাকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে নিয়েছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের একটি সূত্র জানিয়েছে, ইরান কোনোভাবে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির দোরগোড়ায় পৌঁছে গেছে কি না, তা যাচাই করতে স্যাটেলাইট ইমেজ এবং সিসমিক ডেটা বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা পরিস্থিতি অত্যন্ত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। যুদ্ধকালীন প্রেক্ষাপট: উল্লেখ্য যে, সাম্প্রতিক সময়ে সিরিয়া ও লেবাননে ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের দফায় দফায় হামলার পর তেহরান বারবার প্রতিশোধের হুমকি দিয়ে আসছিল। এর মাঝেই ফাত্তাহ হাইপারসনিক মিসাইল প্রদর্শন এবং এখন এই রহস্যময় ভূমিকম্প মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে নতুন অস্থিরতার ইঙ্গিত দিচ্ছে। যদিও এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষই পারমাণবিক বিস্ফোরণের আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ দেয়নি, তবে গেরাশের এই কম্পন যে সাধারণ ভূমিকম্পের চেয়ে বেশি কিছু হতে পারে—সেই আশঙ্কায় কাঁপছে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহল।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ৩, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
ভূমিকম্প নেই, তবুও কি মনে হচ্ছে সব দুলছে? হতে পারে মারাত্মক রোগের লক্ষণ!

৩৬ ঘণ্টার ব্যবধানে দেশে ৪টি ভূমিকম্পের রেশ কাটতে না কাটতেই নতুন এক আতঙ্ক ছড়িয়েছে জনমনে। মাটি কাঁপছে না, ফ্যানও স্থির—তবুও মনে হচ্ছে এই বুঝি ভূমিকম্প হলো! আপনি একা নন, এই অদ্ভুত অস্থিরতা ও অনিদ্রায় ভুগছেন দেশের অসংখ্য মানুষ। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় এর নাম ‘পোস্ট-আর্থকোয়েক ডিজিনেস সিনড্রোম’ (PEDS)। জাপানে একে বলা হয় ‘জিশিন-ইয়োই’ বা ‘ভূমিকম্প মাতলামি’। দীর্ঘ সময় সাগরে জাহাজে থাকার পর ডাঙ্গায় ফিরলে যেমন মাথা ঘোরে, ভূমিকম্পের পরবর্তী ধকলও আমাদের মস্তিষ্কে একই প্রভাব ফেলে। কেন এমন হয়? বিশেষজ্ঞদের মতে, আমাদের কানের ভেতরের ভারসাম্য রক্ষা করার অংশটি ভূমিকম্পের ঝাঁকুনিতে সাময়িকভাবে বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে। মস্তিষ্ক সেই ঝাঁকুনির স্মৃতি ধরে রাখে, ফলে স্থির অবস্থায় থাকলেও মনে হয় চারপাশ দুলছে। এটি মূলত একটি মানসিক ও শারীরিক প্রতিক্রিয়ার সংমিশ্রণ, যা অনেকটা PTSD-এর মতো। উপসর্গগুলো চিনে নিন: মাথা ঘোরা এবং হাঁটতে অসুবিধা হওয়া। সার্বক্ষণিক বমি ভাব বা অস্থিরতা। একা থাকতে ভয় পাওয়া এবং ঘুমের অভাব। হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া এবং হঠাৎ ঘাম হওয়া। দ্রুত সুস্থ হতে যা করবেন: ১. সংবাদ ও ভিডিও দেখা কমান: বারবার ভূমিকম্পের খবর বা ভিডিও দেখলে মস্তিষ্কের আতঙ্ক দূর হয় না। ২. গভীর শ্বাস নিন: দুশ্চিন্তা কমাতে ব্রিদিং এক্সারসাইজ বা গভীর শ্বাস নেওয়ার অভ্যাস করুন। ৩. ডাক্তারের পরামর্শ: যদি মাথা ঘোরার কারণে দাঁড়ানো কঠিন হয়ে পড়ে বা কথা জড়িয়ে যায়, তবে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন। ভূমিকম্পের আতঙ্ক কেবল মাটির কম্পনে নয়, মনের ভেতরেও দীর্ঘস্থায়ী ক্ষত তৈরি করতে পারে। সচেতন থাকুন, সুস্থ থাকুন।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
ভূমিকম্পে সাতক্ষীরার বিভিন্ন স্থানে ফাটল ও ক্ষয়ক্ষতির খবর

রাজধানীসহ সারাদেশে অনুভূত হওয়া শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা। শুক্রবার দুপুর ১টা ৫৩ মিনিটে অনুভূত এই কম্পনের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৫.৩। ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল সাতক্ষীরা থেকে মাত্র ২৯ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে আশাশুনি এলাকায়, যার গভীরতা ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার। শুক্রবার জুমার নামাজ শেষ হওয়ার পরপরই হঠাৎ তীব্র ঝাঁকুনিতে জেলাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী এই কম্পন এতটাই শক্তিশালী ছিল যে মানুষ ঘরবাড়ি ও দোকানপাট ছেড়ে দ্রুত রাস্তায় বেরিয়ে আসেন। বিশেষ করে মসজিদের মুসল্লিদের মধ্যে চরম আতঙ্ক দেখা দেয়। ভূমিকম্পের প্রভাবে জেলার বিভিন্ন স্থানে ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। তালা উপজেলার নগরঘাটা ইউনিয়নের বাজেবাড়ী এলাকায় একটি মাটির ঘরের ছাদ ধসে পড়ার খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে। এছাড়া অনেক পুরনো ভবনে ফাটল দেখা দেওয়ার প্রাথমিক তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। কলারোয়া পৌর সদরের বাসিন্দা সুরভি আক্তার জানান, কম্পন শুরু হওয়া মাত্রই তিনি শিশুকে কোলে নিয়ে প্রাণভয়ে খোলা জায়গায় আশ্রয় নেন। অন্যদিকে, শহরের মিনি মার্কেট এলাকার ব্যবসায়ী শরিফুল ইসলাম জানান, দোকানে কাজ করার সময় তীব্র ঝাঁকুনিতে আসবাবপত্র নড়তে শুরু করলে তিনি দ্রুত রাস্তায় বেরিয়ে আসেন। সাতক্ষীরা আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা জুলফিকার আলী রিপন জানান, ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল আশাশুনি এলাকায়। ৫.৩ মাত্রার এই ভূমিকম্পের পর ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো মাঠ পর্যায়ে খোঁজখবর নিচ্ছে।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬ 0
ফাইল
ফেব্রুয়ারিতে ১০ বার ভূমিকম্প, বাড়ছে জনদূর্ভাগ্য ও উদ্বেগ

চলতি মাসে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে একের পর এক ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ায় উদ্বেগ বাড়ছে। ফেব্রুয়ারির প্রথম ২৭ দিনে রাজধানী ঢাকাসহ দেশজুড়ে মোট ১০টি কম্পন রেকর্ড করা হয়েছে। অধিকাংশ কম্পনের মাত্রা মৃদু থেকে মাঝারি হলেও জনজীবনে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) ও ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় সিসমোলজিক্যাল সেন্টারের (ইএমএসসি) তথ্য অনুযায়ী, চলতি মাসের ২৭ দিনেই এই ১০টি ভূমিকম্প হয়েছে। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টা ৫২ মিনিট ২৪ সেকেন্ডে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় কম্পন অনুভূত হয়। উৎপত্তিস্থল ছিল সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলা এবং রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ৫.৩। এর আগে বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টা ৪ মিনিট ৫ সেকেন্ডে ভারতের সিকিম থেকে উৎপত্তি হওয়া ৪.৬ মাত্রার ভূমিকম্প ঢাকাসহ দেশজুড়ে অনুভূত হয়। ফেব্রুয়ারির বিভিন্ন দিনে মিয়ানমার, সিলেট, সুনামগঞ্জ ও সাতক্ষীরা অঞ্চলে বেশ কয়েকটি কম্পন রেকর্ড করা হয়েছে। বিশেষ করে ৩ ফেব্রুয়ারি রাতে মিয়ানমার উৎপত্তিস্থল থেকে পরপর দুটি কম্পনে দেশের বিভিন্ন এলাকা কেঁপে ওঠে, যার মাত্রা ছিল ৫.৯ ও ৫.২। ভূতত্ত্ববিদরা বলছেন, বাংলাদেশ ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকায় অবস্থিত। তাই ভবন নির্মাণে নির্দিষ্ট বিধিমালা মেনে চলা, জরুরি প্রস্তুতি নেওয়া এবং সচেতনতা বৃদ্ধি করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদিও মৃদু কম্পনগুলো বড় ভূমিকম্পের পূর্বাভাস কিনা তা নিশ্চিত নয়, তবু সতর্ক থাকা এখনই সময়ের দাবি।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬ 0
২৬ দিনে নয়বার ভূমিকম্পে কাঁপল বাংলাদেশ বড় কোনো মহাবিপর্যয়ের পূর্বাভাস
২৬ দিনে নয়বার ভূমিকম্পে কাঁপল বাংলাদেশ: বড় কোনো মহাবিপর্যয়ের পূর্বাভাস?

চলতি ফেব্রুয়ারি মাসে দেশের ভূ-প্রকৃতিতে এক অস্বাভাবিক অস্থিরতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। মাত্র ২৬ দিনের ব্যবধানে নয়বার ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ায় জনমনে এখন তীব্র আতঙ্ক ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।   সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা ৪ মিনিট ৫ সেকেন্ডে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। ঘন ঘন এই ভূ-কম্পনকে আসন্ন কোনো বড় দুর্যোগের ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। ফেব্রুয়ারির কম্পনচিত্র: এক নজরে চলতি মাসের শুরু থেকেই দেশের মাটির নিচে অস্থিরতা শুরু হয়:   ১ ফেব্রুয়ারি: সিলেটে ৩ মাত্রার মৃদু কম্পন।   ৩ ফেব্রুয়ারি: একদিনেই তিনবার কম্পন (সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ৪.১ মাত্রা এবং মিয়ানমারে ৫.৯ ও ৫.২ মাত্রা)।   ৯ ও ১০ ফেব্রুয়ারি: সিলেটে আরও দুবার ভূ-কম্পন।   ১৯ ফেব্রুয়ারি: সুনামগঞ্জের ছাতকে ৪.১ মাত্রার ভূমিকম্প।   ২৫ ফেব্রুয়ারি: সর্বশেষ মিয়ানমারে ৫.১ মাত্রার ভূমিকম্প।   ২৬ ফেব্রুয়ারি: রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ৮। এর উৎপত্তিস্থল ভারতের সিকিম অঞ্চলে। বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগ ও ভূ-তাত্ত্বিক ঝুঁকি ভূতত্ত্ববিদ অধ্যাপক সৈয়দ হুমায়ুন আখতার এ বিষয়ে সংবাদ মাধ্যমকে জানান, বাংলাদেশ মূলত ভারতীয় ও ইউরেশীয় টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত, যা ভৌগোলিকভাবে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। তিনি সতর্ক করে বলেন, "ছোট ও মাঝারি মাত্রার এই ঘন ঘন কম্পন বড় কোনো ভূমিকম্পের পূর্বলক্ষণ হতে পারে। ভূত্বকের নিচে দীর্ঘদিন ধরে শক্তি জমা হয়ে থাকলে তা বড় বিপর্যয়ের ঝুঁকি তৈরি করে।" উল্লেখ্য, গত নভেম্বরে ৫.৭ মাত্রার এক ভূমিকম্পে দেশে ১০ জনের মৃত্যু এবং শতাধিক আহতের ঘটনা ঘটেছিল। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশের প্রস্তুতি এখনো উদ্ধার তৎপরতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ। অবকাঠামোগত ঝুঁকি কমাতে বিল্ডিং কোড কঠোরভাবে অনুসরণ এবং ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের তালিকা তৈরি করা এখন সময়ের দাবি। বড় দুর্যোগ মোকাবিলায় নাগরিক সচেতনতা ও ভূমিকম্প-সহনশীল স্থাপনা নির্মাণের কোনো বিকল্প নেই।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬ 0
আবারও ভূমিকম্পে কাঁপল রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা
আবারও ভূমিকম্পে কাঁপল রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বৃহস্পতিবার দুপুরে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। দুপুর ১২টা ৪ মিনিট ৫ সেকেন্ডে কম্পনটি অনুভূত হয়। ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূমিকম্প কেন্দ্রের (ইএমএসসি) তথ্য অনুযায়ী, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ৮। এর উৎপত্তিস্থল ভারতের সিকিম অঞ্চলে। ইএমএসসি জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির অবস্থান ছিল ২৭ দশমিক ২১১ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮ দশমিক ২১৫ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে। ভূপৃষ্ঠ থেকে এর গভীরতা ছিল ১০ কিলোমিটার। কম্পন অনুভূত হওয়ার পর রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকায় মানুষ আতঙ্কে ঘরবাড়ি থেকে বাইরে বেরিয়ে আসেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহতের বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
আফগানিস্তানে ৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্প, কেঁপেছে পাকিস্তান-তাজিকিস্তান

আফগানিস্তানে ৫ দশমিক ৬ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। আজ বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৪টা ১২ মিনিটে দেশটির হিন্দুকুশ অঞ্চলে এ কম্পনের উৎপত্তি হয়। এতে কেঁপে ওঠে প্রতিবেশী পাকিস্তান ও তাজিকিস্তান।   পাকিস্তানের স্থানীয় প্রশাসনের বরাতে জানা গেছে, ভূমিকম্পে ইসলামাবাদ, সোয়াত, পেশোয়ার, চিত্রলসহ বিভিন্ন শহরে স্পষ্ট কম্পন অনুভূত হয়। দেশটির আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যে বলা হয়েছে, ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল আফগানিস্তানের হিন্দুকুশ অঞ্চলের ৩৬ দশমিক ৯৯ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ এবং ৭১ দশমিক ৪১ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে।   ভূমিকম্পে আক্রান্ত শহরগুলোর বাসিন্দারা তীব্র কম্পনের কথা জানিয়েছেন। আতঙ্কিত হয়ে অনেকেই ঘরবাড়ি ও অফিস ছেড়ে খোলা জায়গায় আশ্রয় নেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।   এর আগে গত মাসেও ইসলামাবাদ ও আশপাশের এলাকায় তীব্র ভূমিকম্প অনুভূত হয়। সিসমিক সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, সেই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৬ দশমিক ১ এবং গভীরতা ছিল ১৫৯ কিলোমিটার। ওই সময় ইসলামাবাদ, রাওয়ালপিন্ডি, সোয়াত, মালাকান্দ, মুজাফফরাবাদ, গিলগিট, স্কার্দু ও অ্যাবোটাবাদসহ বিভিন্ন এলাকায় কম্পন ছড়িয়ে পড়ে। পাশাপাশি আজাদ কাশ্মীর এবং ভারত-শাসিত কাশ্মীরেও কম্পনের খবর পাওয়া যায়।   এদিকে, আফগানিস্তান ও তাজিকিস্তানে আজকের ভূমিকম্পের প্রভাব সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
মালয়েশিয়ার সাবাহ উপকূলে ৭.১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প

মালয়েশিয়ার সাবাহ রাজ্যের উপকূলে ৭ দশমিক ১ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক বিশেষজ্ঞরা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।   স্থানীয় সময় রোববার দিবাগত রাত ১২টা ৫৭ মিনিটে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। সাবাহ রাজ্যটি বোর্নিও দ্বীপে অবস্থিত।   যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানায়, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল উপকূলীয় সাবাহ রাজ্যের রাজধানী কোটা কিনাবালু থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে। ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থলের গভীরতা ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৬১৯ দশমিক ৮ কিলোমিটার।   প্রাথমিকভাবে ভূমিকম্পে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। তবে উপকূলীয় এলাকাগুলোতে কম্পন অনুভূত হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।   কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

Top week

জান্নাত নিশাত
বিশ্ব

নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশি তরুণী নিশাতের মৃত্যুর রহস্য উদ্ঘাটিত

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ৪, ২০২৬ 0