আমেরিকা

বোর্ড অফ পিস’-এর প্রথম বৈঠক

গাজা পুনর্গঠনে ৫ বিলিয়ন ডলারের তহবিল ঘোষণা ট্রাম্পের

শাহারিয়া নয়ন ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্যোগে গঠিত ‘বোর্ড অফ পিস’ বা ‘শান্তি বোর্ড’-এর প্রথম বৈঠক বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। গাজার ভবিষ্যৎ এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত এই অঞ্চলের পুনর্গঠন নিয়ে আয়োজিত এই সম্মেলনে ৪৫টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধি অংশ নেন। বৈঠকে ট্রাম্প গাজা পুনর্গঠন তহবিলের জন্য সংগৃহীত প্রাথমিক ৫ বিলিয়ন (৫০০ কোটি) ডলারের ঘোষণা দেন।

 

ওয়াশিংটনের যে ভবনটি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সম্প্রতি নিজের নামে নামকরণ করেছেন ‘ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প ইউএস ইনস্টিটিউট অফ পিস’ সেখানেই এই হাই-প্রোফাইল বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।


ঘোষিত ৫ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে প্রধান দুই মিত্র দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ও কুয়েত প্রত্যেকে ১.২ বিলিয়ন ডলার করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই অর্থ গাজার পুনর্গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় বিশাল অংকের একটি প্রাথমিক অংশ মাত্র। গাজাকে পুরোপুরি পুনর্গঠন করতে আগামীতে আরও কয়েক দশ বিলিয়ন ডলারের প্রয়োজন হবে।


বৈঠকে আশার কথা শোনানো হলেও গাজার ভবিষ্যৎ নিয়ে বেশ কিছু জটিল ও স্পর্শকাতর প্রশ্ন এখনো অমীমাংসিত রয়ে গেছে। প্রধান চ্যালেঞ্জগুলোর মধ্যে রয়েছে:


১. হামাসের নিরস্ত্রীকরণ: ট্রাম্পের ২০ দফা শান্তি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে হামাস যোদ্ধাদের অস্ত্র সমর্পণ এবং ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটেনি। হামাস এখনো তাদের অস্ত্র হস্তান্তরে অনীহা প্রকাশ করছে।


২. আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী: গাজায় শান্তি বজায় রাখতে একটি আন্তর্জাতিক বাহিনী (International Stabilization Force) পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে, যেখানে বেশ কয়েকটি দেশ কয়েক হাজার সৈন্য পাঠানোর আশ্বাস দিয়েছে। তবে এই বাহিনী কবে মোতায়েন হবে তা এখনো স্পষ্ট নয়।


৩. প্রতিনিধিত্ব নিয়ে বিতর্ক: ট্রাম্পের এই বোর্ডে ইসরায়েলের প্রতিনিধিত্ব থাকলেও ফিলিস্তিনিদের কোনো প্রতিনিধি রাখা হয়নি। এ ছাড়া জাতিসংঘকে পাশ কাটিয়ে এই উদ্যোগ নেওয়ায় বিশ্বজুড়ে কূটনৈতিক মহলে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। ব্রিটেন, ফ্রান্স, রাশিয়া ও চীনের মতো জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যরা এই প্রক্রিয়া থেকে নিজেদের দূরে রেখেছে।


বৈঠকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনার উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার এই বোর্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।

 

ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, এই বোর্ড কেবল গাজা নয়, ভবিষ্যতে বিশ্বের অন্যান্য সংঘাত নিরসনেও কাজ করবে। তবে সমালোচকরা মনে করছেন, ফিলিস্তিনিদের অনুপস্থিতি এবং ত্রাণের ভয়াবহ সংকটের মুখে এই উদ্যোগের কার্যকারিতা শেষ পর্যন্ত কতটা সফল হবে, তা সময়ই বলে দেবে।

 

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার বক্তব্যে বলেন, “আমরা শান্তির পথে এগোচ্ছি, তবে এটি একটি দীর্ঘ ও কঠিন পথ।”

 

সূত্র: রয়টার্স ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম

জনপ্রিয় সংবাদ
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো প্রকাশ: বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বণ্টনের খসড়া তালিকা

ঢাকা: দেশের সম্ভাব্য নতুন সরকার গঠনকে সামনে রেখে প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো সংবলিত একটি আনুষ্ঠানিক কমিউনিক্যে প্রকাশিত হয়েছে। এতে রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের দায়িত্ব বণ্টনের একটি খসড়া তালিকা তুলে ধরা হয়েছে।   কমিউনিক্যে বলা হয়েছে, এটি সরকারি নথি ও আনুষ্ঠানিক রেফারেন্সের উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করা একটি প্রস্তাবিত কাঠামো, যেখানে প্রতিষ্ঠিত সরকারি প্রোটোকল অনুযায়ী সম্ভাব্য নিয়োগ ও দায়িত্ব বণ্টনের বিষয়গুলো উল্লেখ রয়েছে।   প্রস্তাবিত দায়িত্ব বণ্টন অনুযায়ী—     •    রাষ্ট্রপতি: ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন     •    জাতীয় সংসদের স্পিকার: অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন / নিতাই রায় চৌধুরী     •    প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী: তারেক রহমান      •    স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর     •    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: সালাহউদ্দিন আহমেদ প্রতিমন্ত্রী: শহীদ উদ্দিন চৌধুরী (অ্যানি)     •    পররাষ্ট্রমন্ত্রী: আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী: ড. হুমায়ুন কবির     •    অর্থমন্ত্রী: ড. এ. বি. মির্জা আজিজুল ইসলাম / ড. রেজা কিবরিয়া (তালিকায় উল্লেখিত অনুযায়ী)     •    শিক্ষামন্ত্রী: আনাম এহসানুল হক মিলন, প্রতিমন্ত্রী: সাঈদ আল নোমান     •    আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী: মো. আসাদুজ্জামান     •    তথ্যমন্ত্রী: আন্দালিব রহমান পার্থ, প্রতিমন্ত্রী: ড. মাহদি আমিন     •    পরিকল্পনামন্ত্রী: ড. আব্দুল মঈন খান     •    বাণিজ্যমন্ত্রী: আব্দুল মুক্তাদির     •    শিল্পমন্ত্রী: আব্দুল আউয়াল মিন্টু     •    নৌপরিবহন মন্ত্রী: মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ     •    শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী: নজরুল ইসলাম খান     •    পানি সম্পদ মন্ত্রী: আসাদুল হাবিব দুলু     •    মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী: ফজলুর রহমান     •    সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী: আমানউল্লাহ আমান     •    সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী: জোনায়েদ সাকি     •    স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী: ড. এ. জেড. এম. জাহিদ হোসেন     •    যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী: আলী আজগর লবি     •    ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী: শামীম কায়সার লিংকন     •    বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী: আলতাফ হোসেন চৌধুরী     •    বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী: ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু     •    কৃষিমন্ত্রী: শামসুজ্জামান দুদু     •    গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী: মির্জা আব্বাস     •    ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী: নুরুল হক নুর     •    রেলপথমন্ত্রী: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়     •    জনপ্রশাসন মন্ত্রী: ড. ইসমাইল জাবিউল্লাহ     •    সমাজকল্যাণ মন্ত্রী: রুহুল কবির রিজভী     •    পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী: দীপেন দেওয়ান   কমিউনিক্যে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এটি একটি প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো—চূড়ান্ত ঘোষণা, নিয়োগ এবং শপথ গ্রহণ সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় প্রক্রিয়া অনুযায়ী সম্পন্ন হবে।

Advertisement

আমেরিকা

View more
আরব সাগরে মার্কিন রণতরি ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন। ছবি: রয়টার্স
১০ দিনের আল্টিমেটাম: চুক্তি না করলে ইরানে হামলার হুমকি ট্রাম্পের

মধ্যপ্রাচ্যে দ্রুতগতিতে সামরিক শক্তি বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রশাসন ও প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগনের একাধিক কর্মকর্তার বরাতে জানা গেছে, প্রস্তুতি এমন পর্যায়ে রয়েছে যে প্রয়োজনে চলতি সপ্তাহের শেষ দিকেই ইরানে হামলা চালাতে পারে ওয়াশিংটন। এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তেহরানকে ১০ দিনের সময় বেঁধে দিয়ে চুক্তিতে না এলে সামরিক পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।   পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছুক মার্কিন কর্মকর্তারা জানান, হামলা চালানো হলে তা কীভাবে হবে—এ বিষয়ে স্পষ্ট কোনো ইঙ্গিত দেননি ট্রাম্প। তবে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধজাহাজ, বিমানবাহী রণতরি ও উন্নত যুদ্ধবিমান মোতায়েনের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সক্ষমতা তৈরি রাখা হয়েছে। লক্ষ্যবস্তু হতে পারে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র–সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো ও উৎক্ষেপণকেন্দ্র।   ট্রাম্প প্রশাসনের মূল উদ্বেগ ইরানের পরমাণু কর্মসূচি। ওয়াশিংটনের অভিযোগ, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পথে এগোচ্ছে তেহরান। যদিও ইরান বরাবরই এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। গত মঙ্গলবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভা-তে দুই দেশের সর্বশেষ বৈঠকে কিছু অগ্রগতির ইঙ্গিত মিললেও চূড়ান্ত সমঝোতা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।   বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটনে গাজা বোর্ড অব পিস-এর এক অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, গত বছর ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা না চালালে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি আরও বিঘ্নিত হতো। তিনি বলেন, হয়তো আমাদের আরও এক ধাপ এগোতে হবে। আবার হয়তো একটি চুক্তিও হতে পারে। আগামী ১০ দিনের মধ্যেই তা জানা যাবে।   মার্কিন কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি বিমানবাহী রণতরি, ডেস্ট্রয়ার ও ক্রুজার শ্রেণির যুদ্ধজাহাজ, সাবমেরিন এবং ৫০টির বেশি যুদ্ধবিমান মোতায়েন রয়েছে। এর মধ্যে F-35 Lightning II, F-22 Raptor ও F-16 Fighting Falcon রয়েছে। এছাড়া গত বছর ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলায় ব্যবহৃত B-2 Spirit বোমারু বিমানগুলোও উচ্চ সতর্কতায় রাখা হয়েছে।   মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে যুক্তরাষ্ট্রের আটটি স্থায়ী সামরিক ঘাঁটিতে বর্তমানে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ হাজার সেনা মোতায়েন রয়েছে। সম্প্রতি সেখানে প্যাট্রিয়ট ও থাড ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে, যা ইরানের সম্ভাব্য পাল্টা হামলা মোকাবিলায় সহায়ক হতে পারে। তবে দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতে পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা বিশ্লেষকদের।   যুক্তরাষ্ট্রের জনস হপকিনস বিশ্ববিদ্যালয়-এর ইরানবিশেষজ্ঞ ভালি নাসর মনে করেন, আলোচনা চলমান রেখে যুক্তরাষ্ট্র সময় নিচ্ছে। একই সঙ্গে ইরানও প্রতিশোধমূলক হামলার প্রস্তুতি নিতে পারে। সম্ভাব্য সংঘাতের মূল্য ও ঝুঁকি ট্রাম্প প্রশাসনকে বিবেচনায় রাখতে হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।   ইরান–যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যে সক্রিয় হয়েছে ইসরায়েলও। সম্প্রতি হোয়াইট হাউসে গিয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ইসরায়েল চায়, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা কমাতে যুক্তরাষ্ট্র কার্যকর পদক্ষেপ নিক।   ইসরায়েলের প্রতিরক্ষাসংক্রান্ত দুই কর্মকর্তার তথ্য অনুযায়ী, কয়েক সপ্তাহ ধরে দেশটির সামরিক বাহিনীকে উচ্চ সতর্কতায় রাখা হয়েছে। সম্ভাব্য যুদ্ধ পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে প্রস্তুতি জোরদার করা হয়েছে। যদিও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথ হামলার বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।   বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। আগামী ১০ দিনের মধ্যে কূটনৈতিক সমাধান না হলে পরিস্থিতি সরাসরি সামরিক সংঘাতে রূপ নিতে পারে—এমন আশঙ্কাই এখন জোরালো হয়ে উঠছে।

শাহারিয়া নয়ন ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

গাজা পুনর্গঠনে ৫ বিলিয়ন ডলারের তহবিল ঘোষণা ট্রাম্পের

লেক টাহোর কাস্তেল পিকের তুষারময় অঞ্চলে উদ্ধারকারীরা অভিযান চালাচ্ছেন, যেখানে হিমবাহ ধসের পরে বেঁচে থাকা স্কিয়ারদের নিরাপদে তোলা হচ্ছে। ছবি: সংগৃহীত

ক্যালিফোর্নিয়ায় হিমবাহ ধসে ৮ জনের মৃত্যু, ৬ আহত উদ্ধার

রাজধানী হাভানায় পেট্রল পাম্পের দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করছেন একজন বয়স্ক ব্যক্তি। ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন চাপে কিউবা: খাদ্য–জ্বালানি সংকটে মানবিক বিপর্যয়ের আশঙ্কা

ছবি: সংগৃহীত
মধ্যপ্রাচ্যে অর্ধশতাধিক যুদ্ধবিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের

বিশ্ব রাজনীতির স্নায়ুকেন্দ্র মধ্যপ্রাচ্যে এক নজিরবিহীন সামরিক তৎপরতা শুরু করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। কূটনৈতিক আলোচনার সমান্তরালে মাত্র এক দিনের ব্যবধানে ওই অঞ্চলে ৫০টিরও বেশি অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে পেন্টাগন। বুধবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে এই চাঞ্চল্যকর খবর সামনে এসেছে।   মার্কিন এই বিমান বহরের মধ্যে রয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী স্টিলথ ফাইটার এফ-২২ র‍্যাপ্টর, এফ-৩৫ লাইটনিং টু এবং নির্ভরযোগ্য এফ-১৬ ফাইটিং ফ্যালকন। এছাড়া এই বিশাল বহরের সাথে যুক্ত হয়েছে একাধিক ‘রিফুয়েলার’ বা আকাশেই জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান, যা দীর্ঘ সময় ধরে নিরবচ্ছিন্নভাবে আকাশপথে অভিযান পরিচালনার সক্ষমতা রাখে।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘এক্সিওস’ (Axios) জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় এই বিশাল যুদ্ধবিমান বহরকে নির্দিষ্ট সামরিক ঘাঁটিগুলোতে বিন্যস্ত করা হয়েছে। এর আগেই ওই অঞ্চলে পরমাণু শক্তিচালিত বিমানবাহী রণতরী ও কয়েক ডজন যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করে রেখেছিল ওয়াশিংটন।   বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় যখন ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে নতুন করে সংলাপ শুরুর প্রক্রিয়া চলছে, ঠিক তখন এই বিপুল সামরিক শক্তি প্রদর্শন মূলত তেহরানের ওপর চরম মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টির কৌশল। বিশেষ করে গত জানুয়ারি থেকে ইরানে শুরু হওয়া অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা এবং বিক্ষোভকারীদের ওপর দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীর মারমুখী অবস্থানের প্রতিবাদে যুক্তরাষ্ট্র তার সামরিক উপস্থিতি কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।   কূটনৈতিক আলোচনার টেবিলে কোনো সমঝোতা না এলে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি যে কোনো সময় আগুনের কুণ্ডলীতে রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা। আপাতত গোটা বিশ্বের নজর এখন জেনেভার আলোচনার টেবিল এবং মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে মার্কিন যুদ্ধবিমানের গর্জনের দিকে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬ 0

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে চাপে ভারত

ছবি: সংগৃহীত

গাজা পুনর্নির্মাণে ৫০০ কোটি ডলারের বেশি অর্থ সহায়তার ঘোষণা ট্রাম্পের

অভিবাসন ইস্যুতে অঙ্গরাজ্যজুড়ে তীব্র রাজনৈতিক লড়াই

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন ইস্যুতে অঙ্গরাজ্যজুড়ে তীব্র রাজনৈতিক লড়াই

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। ছবি: সংগৃহীত
বারাক ওবামা: ভিনগ্রহের প্রাণী সত্যিই আছে

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ভিনগ্রহের প্রাণী বাস্তবে আছে। তবে তিনি নিজে কখনো এলিয়েন দেখেননি এবং নেভাদার ‘এরিয়া ৫১’–তে কোনো এলিয়েন আটক আছে এমন কোনো প্রমাণ তার কাছে নেই।   প্রগতিশীল পডকাস্টার ব্রায়ান টাইলার কোহেন–এর ‘নো লাই’ নামের পডকাস্টে সাক্ষাৎকারে ওবামা বলেন, কোনো বিশাল ষড়যন্ত্র না হলে এমন তথ্য প্রেসিডেন্টের কাছ থেকে গোপন রাখা সম্ভব নয়।” তিনি আরও যোগ করেন, “তারা বাস্তব, তবে আমি তাদের দেখিনি। এরিয়া ৫১–এ তাদের আটক রাখা হয়নি।   সাক্ষাৎকারে ওবামাকে প্রশ্ন করা হয়, এলিয়েনরা কি সত্যিই আছে কি না। জবাবে তিনি বলেন, হ্যাঁ, তারা বাস্তব, কিন্তু আমি নিজে কখনো দেখিনি। কোনো বিশাল ষড়যন্ত্র না থাকলে, প্রেসিডেন্টের কাছে এমন তথ্য গোপন রাখা সম্ভব নয়। এছাড়া তিনি রসিকতার সুরে বলেন, প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর প্রথম প্রশ্নটি আমি জানতে চেয়েছিলাম—এলিয়েনরা কোথায়?   যুক্তরাষ্ট্রে এলিয়েন এবং অজ্ঞাত উড়ন্ত বস্তু (ইউএফও) নিয়ে জনমনে দীর্ঘদিনের কৌতূহল রয়েছে। ২০২৫ সালের এক জরিপে দেখা গেছে, প্রায় অর্ধেক আমেরিকান মনে করেন, ফেডারেল সরকার ইউএফও–সংক্রান্ত প্রমাণ গোপন করছে।   সাক্ষাৎকারে এলিয়েন প্রসঙ্গ তুলনামূলক হালকা মেজাজে হলেও, ওবামা সমসাময়িক রাজনীতি, অভিবাসনবিরোধী অভিযান, হোয়াইট হাউসের বক্তব্যের ধরন এবং ডেমোক্র্যাটদের কার্যক্রম নিয়ে হতাশ ভোটারদের অনুভূতি নিয়েও কথা বলেন।

শাহারিয়া নয়ন ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬ 0

খামেনির সঙ্গে আলোচনার জন্য প্রস্তুত ট্রাম্প

ডোনাল্ড ট্রাম্প

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা: ইরানে সরকার পরিবর্তনের আহ্বান দিলেন ট্রাম্প

ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট

যুক্তরাষ্ট্রে আদালতের আদেশ উপেক্ষা করে হাজার হাজার অভিবাসী আটক

0 Comments