আমেরিকা

মার্কিন চাপে কিউবা: খাদ্য–জ্বালানি সংকটে মানবিক বিপর্যয়ের আশঙ্কা

শাহারিয়া নয়ন ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬ 0
রাজধানী হাভানায় পেট্রল পাম্পের দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করছেন একজন বয়স্ক ব্যক্তি। ছবি: সংগৃহীত
রাজধানী হাভানায় পেট্রল পাম্পের দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করছেন একজন বয়স্ক ব্যক্তি। ছবি: সংগৃহীত

খাদ্য ও জ্বালানির তীব্র সংকটে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে কিউবা। মার্কিন প্রশাসনের সাম্প্রতিক নীতি ও চাপের ফলে দেশটির অর্থনীতি কার্যত থমকে গেছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম CNN।

 

এক দশক আগে ২০১৫ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট Barack Obama কিউবার সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃস্থাপন করলে দেশটিতে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছিল। সে সময় মার্কিন পর্যটকদের ঢলে পর্যটন খাতে উল্লেখযোগ্য গতি আসে। তবে বর্তমান পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। প্রেসিডেন্ট Donald Trump–এর প্রশাসনিক নীতির ফলে কিউবা এখন জ্বালানি ও অর্থনৈতিক সংকটে পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

 

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভেনেজুয়েলার ওপর মার্কিন পদক্ষেপ এবং মেক্সিকোর বিরুদ্ধে শুল্কচাপের কারণে কিউবায় তেলের সরবরাহ কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্প কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

 

পর্যটন খাতে ধস


জ্বালানি সংকটের প্রভাব পড়েছে পর্যটন খাতেও। জেট ফুয়েলের অভাবে রাশিয়া ও কানাডা থেকে ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। যুক্তরাজ্য ও কানাডা তাদের নাগরিকদের অপ্রয়োজনীয় কিউবা ভ্রমণ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছে। বাতিল হয়েছে বার্ষিক ‘হাবানোস সিগার উৎসব’, যা দেশটির জন্য বড় বৈদেশিক মুদ্রার উৎস ছিল। জ্বালানি সংকটে খনি প্রতিষ্ঠান শেরিট ইন্টারন্যাশনালও কার্যক্রম স্থগিত করেছে।

 

জীবনযাত্রা অচল


প্রায় এক কোটি মানুষের দেশ কিউবায় পরিস্থিতি ক্রমেই সংকটময় হয়ে উঠছে। বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য বহু স্কুল বন্ধ রাখা হয়েছে, কর্মীদের ছাঁটাই বা সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সরকারি হাসপাতালগুলো সীমিত সেবা দিচ্ছে। জ্বালানি সংকটে আবর্জনা অপসারণ বন্ধ হয়ে অনেক এলাকায় ময়লার স্তূপ জমেছে। রাতে রাজধানী হাভানার অধিকাংশ এলাকা বিদ্যুৎ বিভ্রাটে অন্ধকারে ডুবে থাকে।

 

রাজনৈতিক অবস্থান


মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী Marco Rubio বলেছেন, কিউবার সঙ্গে কোনো আলোচনা হলে তা কমিউনিস্ট নেতৃত্বের ক্ষমতা ছাড়ার বিষয়কে ঘিরেই হতে পারে। তাঁর মতে, দীর্ঘদিন ভর্তুকিনির্ভর কিউবার অর্থনৈতিক মডেল এখন দুর্বল হয়ে পড়েছে।

 

অন্যদিকে কিউবার প্রেসিডেন্ট Miguel Díaz-Canel জনগণকে ‘সৃজনশীল প্রতিরোধ’ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, জ্বালানি সংকটের কারণে খাদ্য পরিবহন ব্যাহত হতে পারে, তাই স্থানীয়ভাবে যা উৎপাদন সম্ভব তা-ই ব্যবহারের ওপর জোর দিতে হবে।

 

খাদ্য সংকট তীব্রতর


কিউবার অধিকাংশ খাদ্য আমদানিনির্ভর। কিন্তু বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে হিমাগার সচল রাখা সম্ভব না হওয়ায় অনেক প্রতিষ্ঠান খাদ্য আমদানি বন্ধ করেছে। ফলে বাজারে ফল ও সবজির দাম দুই থেকে তিনগুণ বেড়ে গেছে।

 

বিশেষজ্ঞদের মতে, চলমান পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে কিউবা একটি গভীর মানবিক সংকটের মুখে পড়তে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো প্রকাশ: বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বণ্টনের খসড়া তালিকা

ঢাকা: দেশের সম্ভাব্য নতুন সরকার গঠনকে সামনে রেখে প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো সংবলিত একটি আনুষ্ঠানিক কমিউনিক্যে প্রকাশিত হয়েছে। এতে রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের দায়িত্ব বণ্টনের একটি খসড়া তালিকা তুলে ধরা হয়েছে।   কমিউনিক্যে বলা হয়েছে, এটি সরকারি নথি ও আনুষ্ঠানিক রেফারেন্সের উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করা একটি প্রস্তাবিত কাঠামো, যেখানে প্রতিষ্ঠিত সরকারি প্রোটোকল অনুযায়ী সম্ভাব্য নিয়োগ ও দায়িত্ব বণ্টনের বিষয়গুলো উল্লেখ রয়েছে।   প্রস্তাবিত দায়িত্ব বণ্টন অনুযায়ী—     •    রাষ্ট্রপতি: ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন     •    জাতীয় সংসদের স্পিকার: অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন / নিতাই রায় চৌধুরী     •    প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী: তারেক রহমান      •    স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর     •    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: সালাহউদ্দিন আহমেদ প্রতিমন্ত্রী: শহীদ উদ্দিন চৌধুরী (অ্যানি)     •    পররাষ্ট্রমন্ত্রী: আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী: ড. হুমায়ুন কবির     •    অর্থমন্ত্রী: ড. এ. বি. মির্জা আজিজুল ইসলাম / ড. রেজা কিবরিয়া (তালিকায় উল্লেখিত অনুযায়ী)     •    শিক্ষামন্ত্রী: আনাম এহসানুল হক মিলন, প্রতিমন্ত্রী: সাঈদ আল নোমান     •    আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী: মো. আসাদুজ্জামান     •    তথ্যমন্ত্রী: আন্দালিব রহমান পার্থ, প্রতিমন্ত্রী: ড. মাহদি আমিন     •    পরিকল্পনামন্ত্রী: ড. আব্দুল মঈন খান     •    বাণিজ্যমন্ত্রী: আব্দুল মুক্তাদির     •    শিল্পমন্ত্রী: আব্দুল আউয়াল মিন্টু     •    নৌপরিবহন মন্ত্রী: মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ     •    শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী: নজরুল ইসলাম খান     •    পানি সম্পদ মন্ত্রী: আসাদুল হাবিব দুলু     •    মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী: ফজলুর রহমান     •    সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী: আমানউল্লাহ আমান     •    সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী: জোনায়েদ সাকি     •    স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী: ড. এ. জেড. এম. জাহিদ হোসেন     •    যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী: আলী আজগর লবি     •    ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী: শামীম কায়সার লিংকন     •    বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী: আলতাফ হোসেন চৌধুরী     •    বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী: ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু     •    কৃষিমন্ত্রী: শামসুজ্জামান দুদু     •    গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী: মির্জা আব্বাস     •    ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী: নুরুল হক নুর     •    রেলপথমন্ত্রী: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়     •    জনপ্রশাসন মন্ত্রী: ড. ইসমাইল জাবিউল্লাহ     •    সমাজকল্যাণ মন্ত্রী: রুহুল কবির রিজভী     •    পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী: দীপেন দেওয়ান   কমিউনিক্যে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এটি একটি প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো—চূড়ান্ত ঘোষণা, নিয়োগ এবং শপথ গ্রহণ সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় প্রক্রিয়া অনুযায়ী সম্পন্ন হবে।

Advertisement

আমেরিকা

View more
লেক টাহোর কাস্তেল পিকের তুষারময় অঞ্চলে উদ্ধারকারীরা অভিযান চালাচ্ছেন, যেখানে হিমবাহ ধসের পরে বেঁচে থাকা স্কিয়ারদের নিরাপদে তোলা হচ্ছে। ছবি: সংগৃহীত
ক্যালিফোর্নিয়ায় হিমবাহ ধসে ৮ জনের মৃত্যু, ৬ আহত উদ্ধার

ক্যালিফোর্নিয়ার সিয়েরা নেভাদা পর্বতমালায় লেক টাহোর কাছে ব্যাককান্ট্রি স্কিয়ারদের উপর ধস নেমে ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। নেভাদা কাউন্টি শেরিফের অফিস জানিয়েছে, এ ঘটনায় একজন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।   সোমবার থেকে তিনদিনব্যাপী স্কি ট্রিপে অংশ নেওয়া এই দলের ছয় সদস্যকে “বিভিন্ন ধরনের আহত অবস্থায়” উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে দুজনকে হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।   ধসটি ঘটে যখন স্কিয়াররা ট্রেইলহেডের দিকে ফেরার পথে ছিলেন। হিমবাহ, পাথর ও আবর্জনার ধস এক মুহূর্তে সব কিছু ঢেকে দেয়। ধসের পরে বেঁচে থাকা স্কিয়াররা তাদের দলকে খুঁজে বের করার চেষ্টা চালিয়েছেন এবং রেসকিউ-এর জন্য অপেক্ষার সময় আশ্রয় improvisation করেছেন।   উদ্ধার অভিযানের চ্যালেঞ্জ   কাস্টল পিক এলাকায় ধসের খবর পাওয়া মাত্রই ৪৬ জন দক্ষ উদ্ধারকর্মী উদ্ধার অভিযানে নামে। তবে ঘন তুষারপাত ও ঝোড়ো বাতাসে অভিযান দীর্ঘায়িত হয়েছে। নেভাদা কাউন্টি শেরিফ শান্নান মুন জানান, উদ্ধার অভিযান চলমান আছে, তবে আবহাওয়ার উপর নির্ভরশীল।   সতর্কতার পূর্বাভাস   ঘটনার সময় এলাকা “৪/৫” স্তরের উচ্চ ধস ঝুঁকির মধ্যে ছিল। ন্যাশনাল ওয়েদার সার্ভিস সতর্ক করেছে, প্রাকৃতিক ধস সম্ভব, এবং মানুষজনের ক্রিয়ার কারণে বড় ধসের ঝুঁকি অত্যন্ত সম্ভাব্য। এই সময়ে ব্যাককান্ট্রি যাত্রা সুপারিশযোগ্য নয়।   Blackbird Mountain Guides, যারা এই ট্রিপ পরিচালনা করছিল, দুই দিন আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় সতর্কবার্তা প্রকাশ করেছিল। তারা জানিয়েছিল, তুষারের দুর্বল স্তর অপ্রত্যাশিত ধস ঘটাতে পারে।   বেঁচে থাকা স্কিয়ারদের পরিস্থিতি   বেঁচে থাকা স্কিয়াররা জরুরি সিগন্যাল ব্যবহার করে উদ্ধারকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। তাঁরা টার্প দিয়ে আত্মনিরাপত্তা নিশ্চিত করেছিলেন। উদ্ধার বিশেষজ্ঞরা মনে করান, এমার্জেন্সি বীকন বা জিপিএস কমিউনিকেটর ব্যাককান্ট্রিতে জীবন বাঁচাতে গুরুত্বপূর্ণ।   ইতিহাস ও সতর্কতা   কাস্টল পিক, ডোনার সামিট এলাকার ৯,১১০ ফুট উঁচু চূড়া, ব্যাককান্ট্রি স্কিয়ারদের জনপ্রিয় গন্তব্য। ডোনার সামিট তার অকালপ্রবেশের ইতিহাসের জন্য পরিচিত, যেখানে ১৮৪৬–৪৭ সালের শীতে একদল প্রকৃতই বিপদের মুখোমুখি হয়েছিল।   উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের তথ্য অনুযায়ী, ব্যাককান্ট্রি ট্র্যাভেলারেরা সবচেয়ে বেশি ধস-ফলিত মৃত্যুর শিকার।   নেভাদা কাউন্টি শেরিফের অফিস বুধবার সকাল ১১টায় উদ্ধার অভিযান সম্পর্কে সংবাদ সম্মেলন করবে। Blackbird Mountain Guidesও পরবর্তীতে তাদের পক্ষ থেকে বিস্তারিত বিবৃতি প্রকাশ করবে।   তথ্যসূত্র: সিএনএন

শাহারিয়া নয়ন ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬ 0
রাজধানী হাভানায় পেট্রল পাম্পের দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করছেন একজন বয়স্ক ব্যক্তি। ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন চাপে কিউবা: খাদ্য–জ্বালানি সংকটে মানবিক বিপর্যয়ের আশঙ্কা

ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে অর্ধশতাধিক যুদ্ধবিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে চাপে ভারত

ছবি: সংগৃহীত
গাজা পুনর্নির্মাণে ৫০০ কোটি ডলারের বেশি অর্থ সহায়তার ঘোষণা ট্রাম্পের

ফিলিস্তিনের যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা উপত্যকায় নতুন প্রাণের সঞ্চার ও মানবিক সহায়তার লক্ষ্যে এক বিশাল অর্থ সহায়তার ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর প্রতিষ্ঠিত আন্তর্জাতিক তদারকি সংস্থা ‘বোর্ড অব পিস’-এর সদস্য দেশগুলো গাজা পুনর্গঠনে ৫০০ কোটি ডলারেরও বেশি অর্থ প্রদানের অঙ্গীকার করেছে। আগামী বৃহস্পতিবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আনুষ্ঠানিকভাবে এই তহবিলের ঘোষণা দেবেন বলে ব্রিটিশ সংবাদ সংস্থা রয়টার্স নিশ্চিত করেছে।   নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশাল’-এ দেওয়া এক বার্তায় ট্রাম্প জানান, এই তহবিলের অর্থ সরাসরি গাজার অবকাঠামো উন্নয়ন এবং বাসিন্দাদের জরুরি মানবিক সহায়তায় ব্যয় করা হবে। এছাড়া ফিলিস্তিনি এই ভূখণ্ডে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জাতিসংঘ-অনুমোদিত স্থিতিশীলতা রক্ষাকারী বাহিনী এবং স্থানীয় পুলিশে হাজার হাজার কর্মী নিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে সদস্য রাষ্ট্রগুলো।   তবে এই বিশাল সহায়তার পেছনে একটি বড় শর্ত জুড়ে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, এই সুবিধা পেতে হলে হামাসকে অবশ্যই পূর্বে স্বাক্ষরিত সকল চুক্তি মেনে চলতে হবে এবং সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণ করতে হবে। বোর্ড অব পিস সম্পর্কে ট্রাম্প আরও বলেন, “এটি ইতিহাসের সবচেয়ে প্রভাবশালী আন্তর্জাতিক সংস্থায় পরিণত হতে যাচ্ছে এবং এর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করা আমার জন্য অত্যন্ত সম্মানের।”   উল্লেখ্য, গত জানুয়ারিতে সুইজারল্যান্ডের দাভোস সম্মেলনের ফাঁকে এই ‘বোর্ড অব পিস’ যাত্রা শুরু করে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের সভাপতিত্বে গঠিত এই সংস্থার নির্বাহী কমিটিতে রয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার, ব্রিটেনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার এবং বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গার মতো প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বরা।   গাজা যুদ্ধের স্থায়ী সমাধান ও পুনর্গঠনের লক্ষ্যে গঠিত এই বোর্ডে আর্জেন্টিনা, মিশর, হাঙ্গেরি, ইন্দোনেশিয়া, জর্ডান, মরক্কো, পাকিস্তান, কাতার, সৌদি আরব, তুরস্ক এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বেশ কিছু দেশকে প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বৈশ্বিক কূটনীতিতে এই সংস্থার উত্থানকে জাতিসংঘের বিকল্প হিসেবে দেখছেন অনেক বিশ্লেষক।   সূত্র: রয়টার্স, এএফপি

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬ 0
অভিবাসন ইস্যুতে অঙ্গরাজ্যজুড়ে তীব্র রাজনৈতিক লড়াই

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন ইস্যুতে অঙ্গরাজ্যজুড়ে তীব্র রাজনৈতিক লড়াই

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। ছবি: সংগৃহীত

বারাক ওবামা: ভিনগ্রহের প্রাণী সত্যিই আছে

খামেনির সঙ্গে আলোচনার জন্য প্রস্তুত ট্রাম্প

ডোনাল্ড ট্রাম্প
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা: ইরানে সরকার পরিবর্তনের আহ্বান দিলেন ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে সরকার পরিবর্তন হওয়াকেই ‘সবচেয়ে ভালো উপায়’ হিসেবে দেখছেন। সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় বিমানবাহী রণতরি পাঠানোর ঘোষণার মধ্যেই তিনি সাংবাদিকদের কাছে এ মত প্রকাশ করেন।   গত শুক্রবার নর্থ ক্যারোলিনার ফোর্ট ব্র্যাগ সামরিক ঘাঁটিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ট্রাম্প বলেন, মনে হয়, সেটাই সবচেয়ে ভালো হবে। এই মন্তব্যকে ইরানের ধর্মীয় শাসকগোষ্ঠীকে উৎখাত করার সবচেয়ে প্রকাশ্য আহ্বান হিসেবে দেখা হচ্ছে। যদিও তিনি স্পষ্ট করেননি, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জায়গায় কাকে দেখতে চান।   ট্রাম্পের এ মন্তব্যের প্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী মধ্যপ্রাচ্যে প্রস্তুতি শুরু করেছে। বিশ্বের বৃহত্তম যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড এবং ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন অঞ্চলে অবস্থান করছে। ট্রাম্প জানান, যদি কোনো চুক্তি সম্ভব না হয়, তবে সামরিক পদক্ষেপের প্রয়োজন হবে।   ইরানে গত মাসে শুরু হওয়া বিক্ষোভ দমনের সময় বহু মানুষ নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। যুক্তরাষ্ট্র বিক্ষোভকারীদের সহায়তায় সম্পূর্ণ প্রস্তুত থাকার ঘোষণা দিয়েছিল। ডিসেম্বরে তেহরানে বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল মূল্যস্ফীতি ও রিয়ালের দরপতনের প্রেক্ষিতে। নির্বাসিত রেজা পাহলভি আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন এবং আবার আন্দোলনে নামার জন্য দেশ ও বিদেশের ইরানিদের উৎসাহিত করেছেন।   ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর থেকে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই। তবে সাম্প্রতিক সময়ে ওমানে পারমাণবিক ইস্যুতে বৈঠক হয়েছে। তেহরান গোপনে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির অভিযোগ অস্বীকার করেছে।   রয়টার্সের খবর অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র সামরিক অভিযান শুরু করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নির্দেশ দিলেই তা কার্যকর হবে। পরিকল্পনা সফল হলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য সংঘাত আগের সব সংঘাতের তুলনায় অনেক বেশি গুরুতর রূপ নিতে পারে।   এদিকে ওয়াশিংটনের আর্থিক নীতি ও ডলারের প্রভাবকে দায়ী করে আল-জাজিরা জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলে ইরানে মুদ্রা রিয়ালের দরপতন ঘটে, যা বিক্ষোভ উসকে দেয়। প্রতিবাদের মাত্রা এখনও কিছুটা কমলেও মধ্যপ্রাচ্যে রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে।

শাহারিয়া নয়ন ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬ 0
ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট

যুক্তরাষ্ট্রে আদালতের আদেশ উপেক্ষা করে হাজার হাজার অভিবাসী আটক

মিনিয়াপলিসে গুলির ঘটনা: দুই ইমিগ্রেশন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি তদন্ত শুরু

মিনিয়াপলিসে গুলির ঘটনা: দুই ইমিগ্রেশন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি তদন্ত শুরু

মাস্ক ও জুকারবার্গ

এপস্টেইন কেলেঙ্কারিতে এবার মাস্ক-জুকারবার্গ

0 Comments