আমেরিকা

বারাক ওবামা: ভিনগ্রহের প্রাণী সত্যিই আছে

শাহারিয়া নয়ন ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬ 0
সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। ছবি: সংগৃহীত
সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ভিনগ্রহের প্রাণী বাস্তবে আছে। তবে তিনি নিজে কখনো এলিয়েন দেখেননি এবং নেভাদার ‘এরিয়া ৫১’–তে কোনো এলিয়েন আটক আছে এমন কোনো প্রমাণ তার কাছে নেই।

 

প্রগতিশীল পডকাস্টার ব্রায়ান টাইলার কোহেন–এর ‘নো লাই’ নামের পডকাস্টে সাক্ষাৎকারে ওবামা বলেন, কোনো বিশাল ষড়যন্ত্র না হলে এমন তথ্য প্রেসিডেন্টের কাছ থেকে গোপন রাখা সম্ভব নয়।” তিনি আরও যোগ করেন, “তারা বাস্তব, তবে আমি তাদের দেখিনি। এরিয়া ৫১–এ তাদের আটক রাখা হয়নি।

 

সাক্ষাৎকারে ওবামাকে প্রশ্ন করা হয়, এলিয়েনরা কি সত্যিই আছে কি না। জবাবে তিনি বলেন, হ্যাঁ, তারা বাস্তব, কিন্তু আমি নিজে কখনো দেখিনি। কোনো বিশাল ষড়যন্ত্র না থাকলে, প্রেসিডেন্টের কাছে এমন তথ্য গোপন রাখা সম্ভব নয়। এছাড়া তিনি রসিকতার সুরে বলেন, প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর প্রথম প্রশ্নটি আমি জানতে চেয়েছিলাম—এলিয়েনরা কোথায়?

 

যুক্তরাষ্ট্রে এলিয়েন এবং অজ্ঞাত উড়ন্ত বস্তু (ইউএফও) নিয়ে জনমনে দীর্ঘদিনের কৌতূহল রয়েছে। ২০২৫ সালের এক জরিপে দেখা গেছে, প্রায় অর্ধেক আমেরিকান মনে করেন, ফেডারেল সরকার ইউএফও–সংক্রান্ত প্রমাণ গোপন করছে।

 

সাক্ষাৎকারে এলিয়েন প্রসঙ্গ তুলনামূলক হালকা মেজাজে হলেও, ওবামা সমসাময়িক রাজনীতি, অভিবাসনবিরোধী অভিযান, হোয়াইট হাউসের বক্তব্যের ধরন এবং ডেমোক্র্যাটদের কার্যক্রম নিয়ে হতাশ ভোটারদের অনুভূতি নিয়েও কথা বলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের বিমানবাহী রণতরী কিছুই না; মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা

মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন।   পার্সটুডে- মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন।   মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা স্কট রিটার সতর্ক করে বলেছেন যে পশ্চিমারা সর্বদা তার গুপ্তচর সংস্থাগুলির মাধ্যমে ইরানের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক ভিত্তি ধ্বংস করতে চাইছে এবং অপর্যাপ্তভাবে নিয়ন্ত্রিত তথ্য-যোগাযোগ রুট ব্যবহার করে কিছু ইরানিকে তাদের এজেন্ট নিয়োগ করেছে।   ক্ষেপণাস্ত্র ইরানের জন্য একটি পছন্দসই আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয় পার্সটুডে অনুসারে, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরিসর সীমিত করার বিষয়ে মার্কিন কর্মকর্তাদের বক্তব্যের কথা উল্লেখ করে রিটার ব্যাখ্যা করেছেন যে এই শর্তটি বাস্তবে "নিরস্ত্রীকরণ" এবং ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের কাছ থেকে "কৌশলগত আত্মহত্যার" অনুরোধের সমতুল্য। তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে ক্ষেপণাস্ত্র শুধুমাত্র ইরানের জন্য একটি কাঙ্ক্ষিত আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয়, বরং প্রতিরোধ ও বেঁচে থাকার মেরুদণ্ড এবং এই স্তম্ভটি অপসারণকারী যেকোনো চেষ্টো ইরানকে অরক্ষিত করে তুলবে। তিনি যুক্তি দেন যে ইরান যদি তার ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা এতটাই কমিয়ে দেয় যে তারা আর ইসরায়েলে আঘাত করতে পারবে না, তাহলে ইসরায়েল প্রতিশোধের ভয় ছাড়াই ইরানে আক্রমণ করবে।   ইরানের সাথে যুদ্ধ নীতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অক্ষমতা আমেরিকান বিশ্লেষক স্পষ্ট করে বলেন যে ইরানের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ এড়ানোর মূল কারণ কৌশলগত অক্ষমতা। তিনি বলেন, যেকোনও সামরিক আক্রমণ ইরানকে এমন প্রতিক্রিয়ার দিকে ঠেলে দেবে যা একই সাথে মার্কিন বাহিনী এবং স্বার্থের জন্য গুরুতর ক্ষতি বয়ে আনতে পারে। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে এই ধরনের পরিবেশে ইরানের সাথে যুদ্ধ কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কৌশলগত সুবিধাতো আনবেই না বরং ট্রাম্পের জন্য একটি অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিপর্যয়ও হতে পারে। ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কেবল ইসরায়েলের স্বার্থ রক্ষার জন্য।   আলোচনা একটি ফাঁদ সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা পরামর্শ দেন যে ইরানের উচিত দুর্বলতা থেকে নয়, বরং ওয়াশিংটনে রাজনৈতিক অজুহাতের পথ বন্ধ করার জন্য আলোচনায় প্রবেশ করা। তবে, রিটার সতর্ক করে দেন যে ইরানি কর্মকর্তাদের সর্বদা ধরে নেওয়া উচিত যে আলোচনা "একটি ফাঁদ"। কূটনীতির মাধ্যম বজায় রেখে, ইরানের উচিত তার সামরিক ও গোয়েন্দা যন্ত্রপাতিকে পূর্ণ সতর্ক রাখা । স্কট রিটার সাম্প্রতিক নৌ সংঘর্ষকে আমেরিকার শ্রেষ্ঠত্ব বা আগ্রাসনের লক্ষণ হিসেবে নয়, বরং ইরানের প্রবেশাধিকার-বিরোধী এবং আঞ্চলিক-বিরোধী ক্ষমতার প্রতি ওয়াশিংটনের কৌশলগত ভয়ের প্রতিফলন। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে ইরানের নতুন প্রজন্মের নির্ভুল, কৌশলগত এবং হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের সামনে মার্কিন বিমানবাহী রণতরীগুলি "অপ্রচলিত" সিস্টেমে পরিণত হয়েছে।   প্রধান হুমকি: ভেতর থেকে পতনের জন্য মানসিক যুদ্ধ অবশেষে, স্কট রিটার "মানসিক যুদ্ধ" নামক একটি ধারণার কথা উল্লেখ করেছেন; এমন একটি যুদ্ধ যেখানে, তিনি যুক্তি দেন, সরাসরি সামরিক সংঘাতের চেয়ে অনেক বেশি বিপজ্জনক, কারণ এর লক্ষ্য হল একটি গুলি না চালিয়েও একটি সমাজকে ভেতর থেকে ধ্বংস করা

Advertisement

আমেরিকা

View more
সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। ছবি: সংগৃহীত
বারাক ওবামা: ভিনগ্রহের প্রাণী সত্যিই আছে

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ভিনগ্রহের প্রাণী বাস্তবে আছে। তবে তিনি নিজে কখনো এলিয়েন দেখেননি এবং নেভাদার ‘এরিয়া ৫১’–তে কোনো এলিয়েন আটক আছে এমন কোনো প্রমাণ তার কাছে নেই।   প্রগতিশীল পডকাস্টার ব্রায়ান টাইলার কোহেন–এর ‘নো লাই’ নামের পডকাস্টে সাক্ষাৎকারে ওবামা বলেন, কোনো বিশাল ষড়যন্ত্র না হলে এমন তথ্য প্রেসিডেন্টের কাছ থেকে গোপন রাখা সম্ভব নয়।” তিনি আরও যোগ করেন, “তারা বাস্তব, তবে আমি তাদের দেখিনি। এরিয়া ৫১–এ তাদের আটক রাখা হয়নি।   সাক্ষাৎকারে ওবামাকে প্রশ্ন করা হয়, এলিয়েনরা কি সত্যিই আছে কি না। জবাবে তিনি বলেন, হ্যাঁ, তারা বাস্তব, কিন্তু আমি নিজে কখনো দেখিনি। কোনো বিশাল ষড়যন্ত্র না থাকলে, প্রেসিডেন্টের কাছে এমন তথ্য গোপন রাখা সম্ভব নয়। এছাড়া তিনি রসিকতার সুরে বলেন, প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর প্রথম প্রশ্নটি আমি জানতে চেয়েছিলাম—এলিয়েনরা কোথায়?   যুক্তরাষ্ট্রে এলিয়েন এবং অজ্ঞাত উড়ন্ত বস্তু (ইউএফও) নিয়ে জনমনে দীর্ঘদিনের কৌতূহল রয়েছে। ২০২৫ সালের এক জরিপে দেখা গেছে, প্রায় অর্ধেক আমেরিকান মনে করেন, ফেডারেল সরকার ইউএফও–সংক্রান্ত প্রমাণ গোপন করছে।   সাক্ষাৎকারে এলিয়েন প্রসঙ্গ তুলনামূলক হালকা মেজাজে হলেও, ওবামা সমসাময়িক রাজনীতি, অভিবাসনবিরোধী অভিযান, হোয়াইট হাউসের বক্তব্যের ধরন এবং ডেমোক্র্যাটদের কার্যক্রম নিয়ে হতাশ ভোটারদের অনুভূতি নিয়েও কথা বলেন।

শাহারিয়া নয়ন ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬ 0

খামেনির সঙ্গে আলোচনার জন্য প্রস্তুত ট্রাম্প

ডোনাল্ড ট্রাম্প

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা: ইরানে সরকার পরিবর্তনের আহ্বান দিলেন ট্রাম্প

ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট

যুক্তরাষ্ট্রে আদালতের আদেশ উপেক্ষা করে হাজার হাজার অভিবাসী আটক

মিনিয়াপলিসে গুলির ঘটনা: দুই ইমিগ্রেশন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি তদন্ত শুরু
মিনিয়াপলিসে গুলির ঘটনা: দুই ইমিগ্রেশন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি তদন্ত শুরু

যুক্তরাষ্ট্রের Minneapolis শহরে গত মাসে এক ভেনেজুয়েলার নাগরিককে গুলি করার ঘটনাকে ঘিরে নতুন মোড় নিয়েছে তদন্ত। ফেডারেল কর্তৃপক্ষ দুই ইমিগ্রেশন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শপথের অধীনে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার অভিযোগে একটি ফৌজদারি তদন্ত শুরু করেছে।   প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, অভিযুক্ত কর্মকর্তারা মার্কিন U.S. Immigration and Customs Enforcement (ICE)-এর সদস্য। ঘটনার পর তারা আদালতে যে বিবৃতি দেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ভিডিও প্রমাণ ও অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনার পর তদন্তকারীরা সন্দেহ করছেন, তাদের দেওয়া সাক্ষ্যে অসঙ্গতি থাকতে পারে।   ঘটনাটি ঘটে গত মাসে মিনিয়াপলিসে এক অভিযানের সময়। ওই অভিযানে এক ভেনেজুয়েলার নাগরিক গুলিবিদ্ধ হন। শুরুতে ঘটনাটিকে আইন প্রয়োগের অংশ হিসেবে ব্যাখ্যা করা হলেও, পরবর্তীতে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে বিষয়টি নতুন করে তদন্তের আওতায় আনা হয়।   ফেডারেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রশাসনিক ছুটিতে রাখা হয়েছে। প্রমাণিত হলে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।   আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম CNN জানিয়েছে, এই ঘটনা যুক্তরাষ্ট্রে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার জবাবদিহিতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু করেছে।   আমেরিকা বাংলা নিউজের সাথে থাকুন।

নুরুল্লাহ সাইদ ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬ 0
মাস্ক ও জুকারবার্গ

এপস্টেইন কেলেঙ্কারিতে এবার মাস্ক-জুকারবার্গ

মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেল পাম বন্ডি

ট্রাম্পের অ্যাটর্নি জেনারেলকে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান

চীনের প্রভাব কমাতে বাংলাদেশের নতুন সরকারকে সামরিক সরঞ্জাম দিতে চায় যুক্তরাষ্ট্র

অ্যামেরিকায় গাথরি অপহরণ
সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ করল এফবিআই

অ্যারিজোনার টাসকন থেকে নিখোঁজ ন্যান্সি গাথরির সন্ধানে এবার বড় পদক্ষেপ নিল এফবিআই। দীর্ঘ ১০ দিন পার হলেও হদিস মেলেনি এই বৃদ্ধার। অবশেষে তদন্তের স্বার্থে নিখোঁজ হওয়ার দিনের সেই ভয়ংকর সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ করেছে সংস্থাটি।   ভিডিওতে দেখা যায়, ৩১ জানুয়ারি গভীর রাতে এক মুখোশধারী ব্যক্তি ন্যান্সির বাড়ির দরজায় লাগানো ক্যামেরাটি অত্যন্ত পেশাদারভাবে বিকল করে দিচ্ছে। শুধু তাই নয়, তদন্তে উঠে এসেছে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য—১ ফেব্রুয়ারি ভোররাতে ন্যান্সির শরীরে থাকা পেসমেকারের সাথে তার ফোনের ডিজিটাল সংযোগও বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়।   উল্লেখ্য, গত ৩১ জানুয়ারি এক আত্মীয় ন্যান্সিকে বাড়িতে পৌঁছে দিয়ে যান। পরদিন গির্জার প্রার্থনায় উপস্থিত না হওয়ায় পরিবারের পক্ষ থেকে নিখোঁজ ডাইরি করা হয়। এনবিসির জনপ্রিয় 'টুডে' অনুষ্ঠানের সঞ্চালক সাভানা গাথরির মা নিখোঁজ হওয়ার এই ঘটনায় পুরো এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।   পুলিশ জানিয়েছে, অপরাধীর হাতে অস্ত্র ছিল এবং এই অপহরণটি অত্যন্ত পরিকল্পিত। সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশের মাধ্যমে তদন্তকারীরা আশা করছেন, স্থানীয় কেউ হয়তো এই রহস্যময় ব্যক্তিকে চিনতে পারবেন এবং তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র মিলবে।

ইশতিয়াক মাহমুদ ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬ 0
জেফরি এপস্টাইন

এপস্টাইনের নথি থেকে মুছে ফেলা হয়েছে ছয় সম্ভাব্য সন্দেহভাজনের তথ্য

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন ও শুল্ক এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) এজেন্ট

আইসিই এজেন্টদের পিছু নিলেই কঠোর ব্যবস্থা

ট্রাম্পের ট্যারিফে গত বছর গড় আমেরিকান পরিবারের খরচ বেড়েছে প্রায় ১,০০০ ডলার

ট্রাম্পের ট্যারিফে গত বছর গড় আমেরিকান পরিবারের খরচ বেড়েছে প্রায় ১,০০০ ডলার

0 Comments