সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
বাংলাদেশ

স্কুলে লালনের শিক্ষা ছড়িয়ে দিতে চান প্রধানমন্ত্রী, জানালেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: অক্টোবর ১৮, ২০২৬ ১:৩৮
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান

ফকির লালন সাঁইয়ের শিক্ষা স্কুলের শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছে দিতে চান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান এ কথা জানিয়েছেন। শনিবার, ১৭ অক্টোবর সন্ধ্যায় কুষ্টিয়ার ছেঁউড়িয়ার আখড়াবাড়িতে লালনের ১৩৬তম তিরোধান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। 

 

জাহেদ উর রহমান জানান, তিন থেকে চার সপ্তাহ আগে প্রধানমন্ত্রী সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে গিয়ে লালনকে স্মরণে কী উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, তা জানতে চান। স্কুলভিত্তিক কোনো কর্মসূচি রয়েছে কি না এবং শিশুরা কীভাবে লালন সম্পর্কে জানতে পারবে, সে বিষয়েও খোঁজ নেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর এই আগ্রহের কথা তুলে ধরে উপদেষ্টা বলেন, লালনের শিক্ষা স্কুলেও পৌঁছে যাক, সেটিই চান প্রধানমন্ত্রী। 

বর্তমান বিশ্বে লালনের দর্শনের প্রাসঙ্গিকতা ব্যাখ্যা করে জাহেদ বলেন, নানা ধরনের পরিচয়কে কেন্দ্র করে মানুষ সংঘাতে জড়িয়ে পড়ছে। বর্ণ ও ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে তৈরি হওয়া এসব বিভেদের বিপরীতে লালনের দর্শন গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন তিনি। 

 

তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, লালন জাত, ধর্ম ও লিঙ্গসহ বিভিন্ন ধরনের বৈষম্যের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলেন। মানুষের পরিচয়ের চেয়ে মানুষ হিসেবে তার মর্যাদাকে গুরুত্ব দিয়েছিলেন তিনি। বিশ্বে অশান্তি ও বিভেদের যেসব কারণ রয়েছে, সেগুলো মোকাবিলায় লালনের দর্শন ভূমিকা রাখতে পারে বলে মন্তব্য করেন উপদেষ্টা। 

 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। তিনি কুষ্টিয়াকে ঘিরে সাংস্কৃতিক পর্যটন বিকাশের প্রত্যাশা তুলে ধরেন। কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক ও লালন একাডেমির সভাপতি মো. তৌহিদ বিন হাসান অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। আলোচনা শেষে সাধুদের পরিবেশনায় লালনসংগীত পরিবেশিত হয়।

সূত্র: নাগরিক টিভি


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

বাংলাদেশ

View more
মো. আল আমীন মিয়া
তিতুমীরের কলেজের গনিত বিভাগের  ছাত্র থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পূর্ণ অর্থায়নে পিএইচডি আল আমীনের

সরকারি তিতুমীর কলেজের যে গণিত বিভাগে শিক্ষার্থী ছিলেন, বিসিএসের মাধ্যমে সেখানেই শিক্ষক হয়ে ফিরেছিলেন মো. আল আমীন মিয়া। এখন যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস রিও গ্র্যান্ডে ভ্যালিতে গণিত ও পরিসংখ্যানবিষয়ক প্রোগ্রামে পিএইচডি করছেন তিনি। তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, পূর্ণ অর্থায়নে পড়াশোনার পাশাপাশি গ্র্যাজুয়েট রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে কাজ করছেন। গবেষণার বিষয় স্বচালিত রোবটের নিরাপদ ও কার্যকর চলাচলের পথ নির্ধারণ।   ময়মনসিংহের ভালুকার ধলিয়া বহুলী উচ্চবিদ্যালয়ে আল আমীনের শিক্ষাজীবনের শুরু। এরপর পড়েছেন রাজেন্দ্রপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক কলেজে। উচ্চমাধ্যমিক শেষে একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেলেও পছন্দের বিষয় পাননি। গণিত পড়ার আগ্রহ থেকেই বেছে নেন ঢাকার সরকারি তিতুমীর কলেজ। আল আমীনের ভাষ্য, ছোটবেলা থেকেই গণিতের কঠিন সমস্যা সমাধান করতে ভালো লাগত। দীর্ঘ চেষ্টার পর সমাধান খুঁজে পাওয়ার আনন্দ তাঁকে বিষয়টির প্রতি আরও আগ্রহী করে তোলে। তাই উচ্চশিক্ষার বিষয় বেছে নেওয়ার সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচিতির চেয়ে নিজের আগ্রহকে গুরুত্ব দিয়েছিলেন।   ছাত্রজীবনে তাঁর লক্ষ্য ছিল বিসিএস ক্যাডার কিংবা বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী পরিচালক হওয়া। বিসিএসের প্রস্তুতিতে রুমমেটের উৎসাহও ভূমিকা রেখেছিল। পাশাপাশি প্রথম আলোর ‘স্বপ্ন নিয়ে’ পাতায় প্রকাশিত সংগ্রাম ও সাফল্যের গল্প পড়তেন। অন্যদের অভিজ্ঞতা তাঁকে নিজের লক্ষ্য ধরে রাখতে সাহস জোগাত। ৩৫তম বিসিএসের মাধ্যমে সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারে যোগ দেন আল আমীন। সুযোগ পান নিজের পড়াশোনা করা তিতুমীর কলেজের গণিত বিভাগে শিক্ষকতার। কলেজের প্রকাশিত একটি অনাপত্তিপত্রের শিরোনামেও তাঁকে গণিত বিভাগের প্রভাষক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।  শিক্ষার্থী হিসেবে চেনা বিভাগে শিক্ষক হয়ে ফিরে আসার অভিজ্ঞতা তাঁর কাছে বিশেষ। যাঁদের কাছে একসময় পড়েছেন, তাঁদের সঙ্গেই সহকর্মী হিসেবে কাজ করেছেন। তাঁর ভাষ্য, সেই শিক্ষকদের কাছ থেকে বিষয়ভিত্তিক জ্ঞানের পাশাপাশি ধৈর্য, দায়িত্ববোধ ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আচরণের নানা দিক শেখার সুযোগ পেয়েছেন।   শিক্ষকতার সময় আল আমীন উপলব্ধি করেন, পাঠ্যবইয়ের বিষয় বুঝিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলাও জরুরি। তাঁর ক্লাসে গণিত বিভাগের বাইরের শিক্ষার্থীরাও আসতেন। পড়াশোনার পাশাপাশি তাঁদের সঙ্গে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও উচ্চশিক্ষার সুযোগ নিয়ে আলোচনা করতেন তিনি। অন্য কোনো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ না পেয়ে হতাশ হওয়া শিক্ষার্থীদের নিজের অভিজ্ঞতা বলতেন আল আমীন। বোঝানোর চেষ্টা করতেন, একটি প্রতিষ্ঠানে পড়ার সুযোগ না পাওয়াই ভবিষ্যতের সব পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ার অর্থ নয়। নিজের বিষয়ে দক্ষতা অর্জন এবং লক্ষ্য অনুযায়ী প্রস্তুতি নেওয়ার ওপর জোর দিতেন। শিক্ষকতা করতে করতেই গবেষণার প্রতি আগ্রহ বাড়ে তাঁর। বিশেষ করে গণিতের সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবোটিকস, গাণিতিক অপটিমাইজেশন ও কম্পিউটেশনাল সায়েন্সের সম্পর্ক তাঁকে আকৃষ্ট করে। এসব বিষয়ে উচ্চতর পড়াশোনা ও গবেষণার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করেন। আল আমীনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পূর্ণ অর্থায়নে পিএইচডির সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত বেছে নেন ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস রিও গ্র্যান্ডে ভ্যালি। বর্তমানে সেখানকার ম্যাথমেটিক্যাল অ্যান্ড স্ট্যাটিস্টিক্যাল সায়েন্সেস প্রোগ্রামে গবেষণা করছেন।   তাঁর গবেষণায় গাণিতিক অপটিমাইজেশন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও রিইনফোর্সমেন্ট লার্নিং ব্যবহার করে স্বচালিত মোবাইল রোবটের চলাচলের পথ নির্ধারণের পদ্ধতি নিয়ে কাজ করা হচ্ছে। লক্ষ্য হলো, পরিবেশের পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে রোবট যেন নিরাপদে ও দক্ষতার সঙ্গে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারে। আল আমীনের মতে, গবেষণায় কোনো পদ্ধতি প্রথমবার প্রত্যাশিত ফল না দিলেই থেমে যাওয়ার সুযোগ নেই। কোথায় সমস্যা হচ্ছে তা খুঁজে বের করা, বিকল্প পদ্ধতি পরীক্ষা করা এবং ফলের ভিত্তিতে মডেল উন্নত করা গবেষণার নিয়মিত অংশ। এই প্রক্রিয়ায় ধৈর্য ও ধারাবাহিকভাবে কাজ করার অভ্যাস প্রয়োজন। বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের গবেষণার সম্ভাবনা নিয়েও আশাবাদী তিনি। তবে সেই সম্ভাবনা কাজে লাগাতে অর্থায়ন, আধুনিক অবকাঠামো এবং অভিজ্ঞ গবেষকদের দিকনির্দেশনার ওপর গুরুত্ব দেন। তাঁর পর্যবেক্ষণে, যুক্তরাষ্ট্রে বিভিন্ন বিভাগের গবেষকদের একসঙ্গে কাজ করার সুযোগ নতুন ধারণা পরীক্ষা করতে সহায়তা করে।   বাংলাদেশে গণিত শিক্ষাকে গবেষণার সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত করা প্রয়োজন বলে মনে করেন আল আমীন। এ জন্য স্নাতক পর্যায় থেকেই শিক্ষার্থীদের গবেষণায় সম্পৃক্ত করা, কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশলের সঙ্গে যৌথ কাজ বাড়ানো এবং বাস্তব সমস্যার সমাধানে গণিতের প্রয়োগ শেখানোর পরামর্শ দেন তিনি।   পিএইচডি শেষে গবেষণা চালিয়ে যেতে চান আল আমীন। পাশাপাশি বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার প্রস্তুতি, গবেষণা ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরামর্শ পাওয়ার সুযোগ তৈরিতে ভূমিকা রাখার ইচ্ছা রয়েছে তাঁর। একসময় অন্যের সাফল্যের গল্প পড়ে অনুপ্রেরণা পেয়েছেন। এখন নিজের অভিজ্ঞতা দিয়ে শিক্ষার্থীদের সামনে এগিয়ে যেতে সহায়তা করতে চান। সূত্র: পাবলিকিয়ান   

প্রকাশ: অক্টোবর ১৮, ২০২৬ ২:৩৯
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান

স্কুলে লালনের শিক্ষা ছড়িয়ে দিতে চান প্রধানমন্ত্রী, জানালেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা

মায়ের ত্যাগ থেকে মাইক্রোসফট, নাসিমের অনুপ্রেরণার যাত্রা (ছবি: সংগৃহীত ও সম্পাদিত)

মায়ের ছাগল বিক্রির টাকায় কেনা মোবাইল থেকে জাপানে মাইক্রোসফটের ডেটা সেন্টারে নাসিমের অবিশ্বাস্য যাত্রা

নারীদের নামে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার ফলে পরিবারে নারীর আর্থিক অবস্থান শক্তিশালী হচ্ছে এবং তালাকের প্রবণতা বন্ধ হয়েছে।

নারীর হাতে আর্থিক সহায়তা, তালাক বন্ধ করেছে ফ্যামিলি কার্ড চিফ হুইপ

বাংলাদেশ শিশু হাসপাতালে জটিল অস্ত্রোপচারে ২৩ দিন বয়সী নবজাতকের মুখ থেকে টিউমার অপসারণ করেছেন চিকিৎসকেরা। ছবি: সংগৃহীত
শিশু হাসপাতালে ২৩ দিনের নবজাতকের বিরল টিউমার সফলভাবে অপসারণ করেছেন চিকিৎসকেরা

বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে দুই ঘণ্টার জটিল অস্ত্রোপচারে ২৩ দিন বয়সী এক নবজাতকের মুখ থেকে হাতের আকৃতির টিউমার অপসারণ করেছেন চিকিৎসকেরা। সময় সংবাদের তথ্য অনুযায়ী, অস্ত্রোপচারের পর শিশুটি স্বাভাবিকভাবে শ্বাস নিচ্ছে। তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।   প্রতিবেদনে জানানো হয়, টিউমারটি শিশুটির মুখের তালু, ওপরের চোয়াল ও ঠোঁটের অংশজুড়ে ছিল। এর কারণে স্বাভাবিকভাবে দুধ খেতে ও শ্বাস নিতে সমস্যা হচ্ছিল। চিকিৎসকেরা অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সেটি সরিয়ে দেন।   অপসারণ করা টিউমারটি হিস্টোপ্যাথলজিক্যাল পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। এই পরীক্ষার মাধ্যমে টিউমারের টিস্যু বিশ্লেষণ করে এর সুনির্দিষ্ট ধরন নির্ধারণ করা হবে।   টিউমারটিকে দেখতে হাতের মতো বলে বর্ণনা করা হলেও এর প্রকৃতি এখনো নিশ্চিত নয়। পরীক্ষার ফল পাওয়ার আগে সেটিকে শরীরের অতিরিক্ত অঙ্গ কিংবা নির্দিষ্ট কোনো ধরনের টিউমার হিসেবে চিহ্নিত করা যাচ্ছে না।   অস্ত্রোপচারের পর শ্বাসপ্রশ্বাস স্বাভাবিক হওয়ার কথা জানানো হলেও শিশুটি এখনো চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছে।

প্রকাশ: অক্টোবর ১৭, ২০২৬ ৯:১৮
ছবি: কক্সবাজার সদর হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডের বিষয়ে কথা বলছেন আমিনুল ইসলাম

‘আমার তিন বোনের পাঁচ–ছেলে মেয়ে মা রা গেছে, ওরা ৯ জন বেড়াতে এসেছিল’

চট্টগ্রাম কলেজের পরিসংখ্যান বিভাগের 'ফারসি রহমান' পেলেন সুইডেনের ৭১ লাখ টাকার স্কলারশিপ

চট্টগ্রাম কলেজের পরিসংখ্যান বিভাগের 'ফারসি রহমান' পেলেন সুইডেনের ৭১ লাখ টাকার স্কলারশিপ

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী সুমি আক্তার

‘বাচ্চা গর্ভে নিয়ে আমি রিটেন পরীক্ষা দিয়েছি, জীবনের রিস্ক নিয়ে ছুটেছি, আমার গেজেটটা দিল না’

ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ছয়জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে
কক্সবাজারে রিসোর্টে আগুন: মৃত ৬ জনের নাম-পরিচয় প্রকাশ,উদ্ধারকাজ চলছে

কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ছয়জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। শনিবার, ১৭ অক্টোবর সকালে মেরিন ড্রাইভসংলগ্ন পাটুয়ারটেক এলাকার রিসোর্টটিতে আগুন লাগে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পরও উদ্ধারকাজ চলছিল। তবে নিহতদের নাম ও বিস্তারিত পরিচয় পাওয়া যায়নি।  জাগো নিউজের বেলা ১১টা ৪৮ মিনিটের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঘটনাস্থল থেকে ছয়জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা মো. তালহা বিন জসিমের বরাতে সংবাদমাধ্যমটি জানায়, বেলা ১১টার দিকে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে।    অন্যদিকে যুগান্তর ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র কর্মকর্তা দোলন আচার্যের বরাতে সাতজনের মরদেহ উদ্ধারের খবর জানিয়েছে। একই প্রতিবেদনে উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আতিকুর রহমান বলেছেন, ঠিক কতজন পর্যটক মারা গেছেন, তা নিশ্চিত করতে আরও সময় লাগবে। ফলে নিহতের সংখ্যা নিয়ে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর তথ্যে অমিল রয়েছে।  ইন্ডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সকাল ৭টা ২০ মিনিটের দিকে টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্তোরাঁয় আগুনের সূত্রপাত হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভানো ও উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেন। আগুনে রিসোর্টটির প্রায় সম্পূর্ণ অংশ পুড়ে যায়।    উদ্ধারকর্মীরা রিসোর্টের ভেতরে আরও কেউ আটকা পড়েছেন কি না, তা খতিয়ে দেখছিলেন। অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও আর্থিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। নিহত ছয়জনের নাম ও পরিচয় প্রকাশের দাবির পক্ষে পাওয়া নির্ভরযোগ্য প্রতিবেদনগুলোতে কোনো নিশ্চিত তালিকা নেই।  সূত্র: এশিয়া পোস্ট  

প্রকাশ: অক্টোবর ১৭, ২০২৬ ৩:৮
কক্সবাজারের ইনানীতে আ গুনে ক্ষতিগ্রস্ত কাঠের রিসোর্ট (ছবি: সংগৃহীত ও সম্পাদিত)

কক্সবাজারের ইনানীতে কাঠের রিসোর্টে ভয়াবহ আ গু ন, চারজনের মৃ ত্যু, নিখোঁজ আরও সাত পর্যটক

লক্ষ্মীপুরে চলতি মৌসুমে প্রায় ৭১০ কোটি টাকার সুপারি বেচাকেনার সম্ভাবনা

লক্ষ্মীপুরে ৭১০ কোটি টাকার সুপারি বিক্রি! শ্রমিকেরও বাড়তি আয়

ইউনূসের পুরস্কার নিয়ে আসিফ নজরুলের ফেসবুক মন্তব্য

হিলারী ক্লিনটন তো অনেক বোকা, আবার ড. ইউনূসকে পুরষ্কৃত করেছে: আসিফ নজরুল

0 Comments