অর্থনীতি

রমজানে ব্যাংক লেনদেনের নতুন সময়সূচি

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

পবিত্র রমজান মাসে দেশের সকল তফশিলি ব্যাংকের অফিস ও লেনদেনের জন্য নতুন সময়সূচি নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গত ১০ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংকের সুপারভাইজরি ডেটা ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড অ্যানালিটিকস ডিপার্টমেন্ট (এসডিএডি) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত জানিয়েছে।

 

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, রমজান মাসে ব্যাংকিং লেনদেন শুরু হবে সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে এবং চলবে দুপুর ২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত। তবে দাপ্তরিক কাজ সম্পন্ন করার জন্য ব্যাংক কর্মকর্তাদের অফিস খোলা থাকবে সকাল ৯টা ৩০ মিনিট থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।

 

বিজ্ঞপ্তিতে আরও স্পষ্ট করা হয়েছে যে, জোহরের নামাজের জন্য বিরতি থাকলেও গ্রাহকদের সুবিধার্থে অভ্যন্তরীণ সমন্বয়ের মাধ্যমে লেনদেন কার্যক্রম সচল রাখতে হবে। অর্থাৎ, নামাজের বিরতির সময়েও ব্যাংকের সেবা নিরবচ্ছিন্নভাবে চলবে।

 

সাধারণত স্বাভাবিক সময়ে ব্যাংকে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত লেনদেন হয় এবং সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত অফিশিয়াল কার্যক্রম চলে। কিন্তু পবিত্র মাসের পবিত্রতা রক্ষা এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ইফতারের সুবিধার্থে প্রতি বছরের মতো এবারও কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই পরিবর্তন এনেছে।

 

উল্লেখ্য, রমজান মাস শেষ হওয়ার পরপরই ব্যাংকগুলোর অফিস ও লেনদেনের সময় পুনরায় আগের স্বাভাবিক নিয়মে ফিরে যাবে। ব্যাংকিং সংক্রান্ত যেকোনো জরুরি পরিকল্পনা করার ক্ষেত্রে গ্রাহকদের এই নতুন সময়সূচি অনুসরণ করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

Advertisement

অর্থনীতি

View more
ছবি - সংগৃহিত
পোশাক রপ্তানিতে চীনকে টপকে দ্বিতীয় বাংলাদেশ: বিশ্ব অর্থনীতিতে নতুন মাইলফলক

  মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিশাল পোশাকের বাজারে চীনকে পেছনে ফেলে রপ্তানি আয়ে দ্বিতীয় অবস্থান দখল করে নিয়েছে বাংলাদেশ যা দেশের অর্থনীতিতে এক নতুন মাইলফলক হিসেবে গণ্য হচ্ছে।   চলতি ২০২৬ সালের প্রথম দুই মাসে বাংলাদেশ মোট ১ দশমিক ৩৭ বিলিয়ন ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি করতে সক্ষম হয়েছে যেখানে একই সময়ে চীনের আয় দাঁড়িয়েছে মাত্র ১ দশমিক ১৭ বিলিয়ন ডলার।   মার্কিন সরকারের অফিস অব টেক্সটাইলস অ্যান্ড অ্যাপারেল বা ওটেক্সার প্রকাশিত সর্বশেষ পরিসংখ্যানে এই আশাব্যঞ্জক তথ্যটি শনিবার জনসমক্ষে আসার পর দেশের ব্যবসায়িক মহলে ব্যাপক উৎসাহ দেখা দিয়েছে।   দুই দেশের মধ্যে চলমান পারস্পরিক শুল্ক আরোপের প্রভাবে চীনের বৈশ্বিক বাজার সংকুচিত হওয়ায় জানুয়ারী ও ফেব্রুয়ারী মাসে বাংলাদেশ এই অভাবনীয় বাণিজ্যিক সাফল্য অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।   তবে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় বাংলাদেশের রপ্তানি আয় প্রায় ৮ দশমিক ৫৩ শতাংশ কমেছে যা বিশ্ব অর্থনীতির বর্তমান মন্দা পরিস্থিতির একটি সরাসরি প্রতিফলন বলে মনে করা হচ্ছে।   অন্যদিকে ভিয়েতনাম ২ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করে শীর্ষস্থানটি ধরে রেখেছে এবং দেশটিতে গত বছরের তুলনায় প্রবৃদ্ধির হার ২ দশমিক ৮৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানা গেছে।   সবচাইতে বড় বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে চীন যাদের রপ্তানি আয় এই দুই মাসে প্রায় ৫৭ দশমিক ৬৫ শতাংশ কমে গেছে যা বিশ্ব বাণিজ্য মহলে এক বিশাল বিস্ময় ও আলোচনার জন্ম দিয়েছে।   আমেরিকার বাজারে বর্তমানে চীনের আধিপত্য ব্যাপকভাবে হ্রাস পাওয়ায় বাংলাদেশের উদ্যোক্তাদের সামনে নতুন ও বড় ধরনের বাণিজ্যিক সম্ভাবনা উন্মোচিত হয়েছে বলে বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন।   ওটেক্সার তথ্য অনুযায়ী চলতি বছরের প্রথম দুই মাসে আমেরিকা বিশ্ববাজার থেকে মোট ১১ দশমিক ৫৩ বিলিয়ন ডলারের তৈরি পোশাক আমদানি করেছে যা আগের বছরের তুলনায় ১৩ দশমিক ৪৭ শতাংশ কম।   আমেরিকার সামগ্রিক পোশাক আমদানি হ্রাস পাওয়ায় রপ্তানিকারক দেশগুলোর মধ্যে এক ধরনের তীব্র প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে যেখানে বাংলাদেশ নিজেদের দক্ষতা ও গুনাগত মান দিয়ে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে।   বাংলাদেশের পোশাক খাতের নেতারা মনে করছেন যে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও পণ্যের বৈচিত্র্য বজায় রাখতে পারলে আগামীতে ভিয়েতনামকেও পেছনে ফেলে শীর্ষস্থানে পৌঁছানো সম্ভব হতে পারে।   তবে গ্যাস ও বিদ্যুতের উচ্চমূল্য এবং অভ্যন্তরীণ সরবরাহ ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতাগুলো দ্রুত সমাধান করা না গেলে এই শীর্ষস্থান ধরে রাখা ভবিষ্যতে বেশ চ্যালেঞ্জিং হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তৈরি পোশাক খাতের এই অভাবনীয় অর্জন বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করতে এবং নতুন কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে বড় ধরনের সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।   ওয়াশিংটন ও বেইজিংয়ের মধ্যকার বাণিজ্য যুদ্ধের এই সুবর্ণ সুযোগ কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ নিজেদের অবস্থান আরও সুসংহত করতে পারলে দেশের রপ্তানি খাতে এক নতুন বিপ্লব ঘটবে।   আন্তর্জাতিক ফ্যাশন ব্র্যান্ডগুলো এখন চীন থেকে তাদের ক্রয়াদেশ সরিয়ে সরাসরি বাংলাদেশের দিকে ঝুঁকছে যা আমাদের টেক্সটাইল শিল্পের জন্য এক বিশাল আশীর্বাদ ও দীর্ঘমেয়াদী অনুপ্রেরণা।   বিজিএমইএ-র পক্ষ থেকে এই সাফল্যকে স্বাগত জানিয়ে সরকারি নীতি সহায়তা আরও বাড়ানোর দাবি জানানো হয়েছে যাতে বিশ্ববাজারে এই অগ্রযাত্রা কোনোভাবেই থমকে না যায়।   সব মিলিয়ে ২০২৬ সালের এই শুরুটা বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক এবং এটি বিশ্ববাজারে আমাদের তৈরি পোশাকের গ্রহণযোগ্যতাকে এক নজিরবিহীন ও অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।   প্রতিকূল বিশ্ব পরিস্থিতিতেও চীনের মতো বিশাল শক্তিকে টপকে যাওয়া আমাদের তৈরি পোশাক খাতের শ্রমিক ও মালিকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার এক উজ্জ্বল ও সফল প্রতিফলন হিসেবে গণ্য হচ্ছে।  

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ৫, ২০২৬ 0
ফাইল ফটো।

রোববার থেকে ব্যাংকের সময়সূচিতে বড় পরিবর্তন: জেনে নিন নতুন নিয়ম

ছবি - সংগৃহিত

কিভাবে বাড়ে কমে তেলের দাম - কলকাঠি কার হাতে ?

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী গতকাল চট্টগ্রামের আনোয়ারায় কেইপিজেডে অনুষ্ঠিত চিটাগং ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটির (সিআইইউ) শিক্ষাবৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন। ছবি: সংগৃহীত

‘আমেরিকায় দাম বাড়লেও আমরা এখনো ডিজেলের দাম বাড়াইনি’: অর্থমন্ত্রী

ছবি: আমেরিকা বাংলা
যুদ্ধের প্রভাবে এক মাসে শীর্ষ ৫ ধনীর সম্পদ কমেছে ৮৮ বিলিয়ন ডলার

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ব অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শেয়ারবাজারে বড় ধরনের পতন দেখা দিয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের সম্পদের ওপরও।   ফোর্বস সাময়িকীর এপ্রিলের তালিকা অনুযায়ী, বিশ্বের শীর্ষ পাঁচ ধনীর মোট সম্পদ এক মাসে কমেছে ৮৮ বিলিয়ন ডলার। এদের মধ্যে শীর্ষ ধনী Elon Musk-এর সম্পদ কমেছে সবচেয়ে বেশি ২২ বিলিয়ন ডলার। বর্তমানে তাঁর সম্পদের পরিমাণ ৮১৭ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।   এই তালিকায় থাকা অন্যরা হলেন Larry Page, Jeff Bezos, Sergey Brin এবং Mark Zuckerberg।   ফোর্বসের তথ্যমতে, ল্যারি পেজের সম্পদ কমেছে ২০ বিলিয়ন ডলার, সের্গেই ব্রিনের ১৮ বিলিয়ন ডলার এবং মার্ক জাকারবার্গের কমেছে সর্বোচ্চ ২৭ বিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে জেফ বেজোসের সম্পদ কমেছে তুলনামূলক কম, প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার।   বিশ্লেষকেরা বলছেন, ইরান-ইসরায়েল সংঘাতকে ঘিরে বৈশ্বিক বাজারে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় বিনিয়োগকারীরা ঝুঁকি এড়িয়ে শেয়ার বিক্রি শুরু করেন। ফলে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বড় বড় শেয়ারবাজারে সূচক নিম্নমুখী হয়। এসঅ্যান্ডপি ৫০০, ডাও জোন্স ও নাসডাক সূচকে উল্লেখযোগ্য পতন দেখা গেছে, বিশেষ করে প্রযুক্তি খাত সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।   মূলত শেয়ারের দাম কমে যাওয়ার কারণেই এই অতিধনীদের সম্পদের মূল্য হ্রাস পেয়েছে।   বাংলাদেশি মুদ্রায় হিসাব করলে শীর্ষ পাঁচ ধনীর এই সম্পদ হ্রাসের পরিমাণ প্রায় ১০ লাখ ৭৩ হাজার ৬০০ কোটি টাকা, যা বাংলাদেশের চলতি অর্থবছরের বাজেটের আকারের চেয়েও বেশি।   তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, পুঁজিবাজারের ওঠানামার সঙ্গে এই সম্পদের পরিমাণ দ্রুত পরিবর্তিত হয় এবং পরিস্থিতি স্থিতিশীল হলে তা আবারও বাড়তে পারে।

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৩, ২০২৬ 0
এপ্রিলের মধ্যে এনডিএ চুক্তি বাস্তবায়নের নির্দেশ গভর্নরের

পাঁচ ব্যাংকের পাচার অর্থ ফেরত: এপ্রিলের মধ্যে এনডিএ চুক্তি বাস্তবায়নের নির্দেশ গভর্নরের

শেয়ারবাজার

ইরান যুদ্ধের প্রভাবে দুবাই ও আবুধাবির শেয়ারবাজারে ১২০ বিলিয়ন ডলারের ধস

ছবি: আমেরিকা বাংলা

১০ বছরে বাণিজ্যের আড়ালে বাংলাদেশ থেকে পাচার ৬৮ বিলিয়ন ডলার

ফাইল ছবি।
৬ ঘণ্টার ব্যবধানে বাড়ল স্বর্ণের দাম

দেশে মাত্র ৬ ঘণ্টার ব্যবধানে আবারও বাড়ানো হয়েছে স্বর্ণের দাম। এবার ভরিতে ৪ হাজার ৪৩২ টাকা বৃদ্ধি করে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪১ হাজার ৪৪৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। শনিবার (২৮ মার্চ) বিকেলে এক বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) এই তথ্য জানিয়েছে।   আজ বিকেল ৪টা থেকেই নতুন এই দাম কার্যকর হবে। বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম বাড়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এই নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।   সূত্র: বাজুস

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৮, ২০২৬ 0
পশ্চিমাদের জন্য হরমুজ প্রণালী বন্ধ ঘোষণা ইরানের আইআরজিসির

হরমুজ প্রণালিতে ইরানের ‘টোল বুথ’: বিশ্ব অর্থনীতিতে নতুন অস্থিরতার আশঙ্কা

তেলজাত পণ্যবাহী ট্যাঙ্কার গ্রান কুভ

চট্টগ্রাম বন্দরে ১০ হাজার টন ডিজেল ও ২০ হাজার টন জেট ফুয়েল নিয়ে পৌঁছাল জাহাজ

ইলেকট্রিক গাড়ি

বৈশ্বিক তেলের বাজারে ভয়াবহ অস্থিরতা: চিনা ইলেকট্রিক গাড়ি নির্মাতাদের জন্য সুবর্ণ সুযোগ

0 Comments