তথ্যপ্রযুক্তি

হাবল টেলিস্কোপে ধরা পড়ল মহাকাশের রহস্যময় ‘অদৃশ্য গ্যালাক্সি’

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

মহাকাশ বিজ্ঞানের ইতিহাসে এক নতুন মাইলফলক স্পর্শ করল নাসার হাবল স্পেস টেলিস্কোপ। সম্প্রতি জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা এমন একটি গ্যালাক্সির সন্ধান পেয়েছেন যা প্রায় অদৃশ্য এবং যার ৯৯.৯ শতাংশই গঠিত হয়েছে রহস্যময় ‘ডার্ক ম্যাটার’ বা কৃষ্ণবস্তু দিয়ে। মহাকাশের এই রহস্যময় বস্তুটি নিয়ে দীর্ঘদিনের কৌতূহল নিরসনে এই আবিষ্কার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।


গবেষকদের আবিষ্কৃত এই গ্যালাক্সিটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘ক্যান্ডিডেট ডার্ক গ্যালাক্সি-২’ বা CDG-2। পৃথিবী থেকে প্রায় ৩০ কোটি আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত এই গ্যালাক্সিটি এতটাই অস্পষ্ট যে সাধারণ টেলিস্কোপে এর অস্তিত্ব ধরা পড়াও অসম্ভব। হাবল টেলিস্কোপের উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন সেন্সর এবং অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় এই অবিশ্বাস্য আবিষ্কারটি সম্ভব হয়েছে।


বিজ্ঞানীদের মতে, সাধারণ গ্যালাক্সিগুলো (যেমন আমাদের মিল্কিওয়ে) শত শত কোটি নক্ষত্র এবং উত্তপ্ত গ্যাস দিয়ে গঠিত হয় যা উজ্জ্বল আলো ছড়ায়। কিন্তু CDG-2 গ্যালাক্সিতে নক্ষত্রের সংখ্যা অত্যন্ত নগণ্য। আমাদের মিল্কিওয়ের তুলনায় এটি মাত্র ০.০০৫ শতাংশ উজ্জ্বল। এর বিশাল ভরের প্রায় পুরোটাই ডার্ক ম্যাটার, যা কোনো আলো প্রতিফলন বা শোষণ করে না। বিজ্ঞানীরা মূলত গ্যালাক্সিটির ভেতরে থাকা চারটি প্রাচীন নক্ষত্রপুঞ্জের (Globular Clusters) নড়াচড়া পর্যবেক্ষণ করে এর মহাকর্ষীয় টান বুঝতে পেরেছেন এবং এর অস্তিত্ব নিশ্চিত করেছেন।


টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের স্ট্যাটিস্টিকস ও অ্যাস্ট্রোফিজিক্সের গবেষক এবং এই গবেষণার প্রধান লেখক দাই লি (Dayi Li) জানান, "এটি একটি ব্যর্থ গ্যালাক্সি। সম্ভবত সৃষ্টির শুরুর দিকেই এর চারপাশের বড় গ্যালাক্সিগুলো এর ভেতরে থাকা নক্ষত্র তৈরির প্রয়োজনীয় হাইড্রোজেন গ্যাস কেড়ে নিয়েছিল। ফলে এটি শুধুমাত্র একটি ডার্ক ম্যাটার হ্যালো এবং কিছু নক্ষত্র নিয়ে মহাকাশে টিকে আছে।"


ডার্ক ম্যাটার মহাবিশ্বের মোট ভরের প্রায় ৮৫ শতাংশ হলেও আজ পর্যন্ত সরাসরি এটি পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হয়নি। CDG-2 এর মতো গ্যালাক্সিগুলো বিজ্ঞানীদের জন্য একটি ল্যাবরেটরি হিসেবে কাজ করবে, যেখানে সাধারণ নক্ষত্রের আলো বা গ্যাসের প্রভাব ছাড়াই ডার্ক ম্যাটারের ধর্ম নিয়ে নিবিড় গবেষণা চালানো সম্ভব হবে।

এই আবিষ্কারটি আবারও প্রমাণ করল যে মহাবিশ্বের বিশাল অন্ধকার অংশে এখনও এমন অনেক কিছু লুকিয়ে আছে যা আমাদের চেনা জগতের চেয়েও অনেক বেশি রহস্যময়।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Advertisement

তথ্যপ্রযুক্তি

View more
ছবি: সংগৃহীত
হাবল টেলিস্কোপে ধরা পড়ল মহাকাশের রহস্যময় ‘অদৃশ্য গ্যালাক্সি’

মহাকাশ বিজ্ঞানের ইতিহাসে এক নতুন মাইলফলক স্পর্শ করল নাসার হাবল স্পেস টেলিস্কোপ। সম্প্রতি জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা এমন একটি গ্যালাক্সির সন্ধান পেয়েছেন যা প্রায় অদৃশ্য এবং যার ৯৯.৯ শতাংশই গঠিত হয়েছে রহস্যময় ‘ডার্ক ম্যাটার’ বা কৃষ্ণবস্তু দিয়ে। মহাকাশের এই রহস্যময় বস্তুটি নিয়ে দীর্ঘদিনের কৌতূহল নিরসনে এই আবিষ্কার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। গবেষকদের আবিষ্কৃত এই গ্যালাক্সিটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘ক্যান্ডিডেট ডার্ক গ্যালাক্সি-২’ বা CDG-2। পৃথিবী থেকে প্রায় ৩০ কোটি আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত এই গ্যালাক্সিটি এতটাই অস্পষ্ট যে সাধারণ টেলিস্কোপে এর অস্তিত্ব ধরা পড়াও অসম্ভব। হাবল টেলিস্কোপের উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন সেন্সর এবং অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় এই অবিশ্বাস্য আবিষ্কারটি সম্ভব হয়েছে। বিজ্ঞানীদের মতে, সাধারণ গ্যালাক্সিগুলো (যেমন আমাদের মিল্কিওয়ে) শত শত কোটি নক্ষত্র এবং উত্তপ্ত গ্যাস দিয়ে গঠিত হয় যা উজ্জ্বল আলো ছড়ায়। কিন্তু CDG-2 গ্যালাক্সিতে নক্ষত্রের সংখ্যা অত্যন্ত নগণ্য। আমাদের মিল্কিওয়ের তুলনায় এটি মাত্র ০.০০৫ শতাংশ উজ্জ্বল। এর বিশাল ভরের প্রায় পুরোটাই ডার্ক ম্যাটার, যা কোনো আলো প্রতিফলন বা শোষণ করে না। বিজ্ঞানীরা মূলত গ্যালাক্সিটির ভেতরে থাকা চারটি প্রাচীন নক্ষত্রপুঞ্জের (Globular Clusters) নড়াচড়া পর্যবেক্ষণ করে এর মহাকর্ষীয় টান বুঝতে পেরেছেন এবং এর অস্তিত্ব নিশ্চিত করেছেন। টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের স্ট্যাটিস্টিকস ও অ্যাস্ট্রোফিজিক্সের গবেষক এবং এই গবেষণার প্রধান লেখক দাই লি (Dayi Li) জানান, "এটি একটি ব্যর্থ গ্যালাক্সি। সম্ভবত সৃষ্টির শুরুর দিকেই এর চারপাশের বড় গ্যালাক্সিগুলো এর ভেতরে থাকা নক্ষত্র তৈরির প্রয়োজনীয় হাইড্রোজেন গ্যাস কেড়ে নিয়েছিল। ফলে এটি শুধুমাত্র একটি ডার্ক ম্যাটার হ্যালো এবং কিছু নক্ষত্র নিয়ে মহাকাশে টিকে আছে।" ডার্ক ম্যাটার মহাবিশ্বের মোট ভরের প্রায় ৮৫ শতাংশ হলেও আজ পর্যন্ত সরাসরি এটি পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হয়নি। CDG-2 এর মতো গ্যালাক্সিগুলো বিজ্ঞানীদের জন্য একটি ল্যাবরেটরি হিসেবে কাজ করবে, যেখানে সাধারণ নক্ষত্রের আলো বা গ্যাসের প্রভাব ছাড়াই ডার্ক ম্যাটারের ধর্ম নিয়ে নিবিড় গবেষণা চালানো সম্ভব হবে। এই আবিষ্কারটি আবারও প্রমাণ করল যে মহাবিশ্বের বিশাল অন্ধকার অংশে এখনও এমন অনেক কিছু লুকিয়ে আছে যা আমাদের চেনা জগতের চেয়েও অনেক বেশি রহস্যময়।

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ৫, ২০২৬ 0
বিমানবন্দর ও রেলস্টেশনে মিলবে ফ্রি ওয়াইফাই: ঘোষণা তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রীর

বিমানবন্দর ও রেলস্টেশনে মিলবে ফ্রি ওয়াইফাই: ঘোষণা তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রীর

tiktok europe ban

ইউরোপে নিষিদ্ধ হওয়ার পথে টিকটক?

সংগৃহীত

ফ্রিল্যান্সিং: প্রযুক্তির সুবিধা, বাজারের বাস্তবতা

অ্যাডবির কার্যালয় | ছবি: সংগৃহীত
বন্ধ হচ্ছে অ্যানিমেশন সফটওয়্যার অ্যাডোবি অ্যানিমেট

২ডি অ্যানিমেশন সফটওয়্যার অ্যাডোবি অ্যানিমেট বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অ্যাডোবি। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) খাতে বিনিয়োগে আরও বেশি মনোযোগ দিতেই এমন সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।   দীর্ঘ ২৫ বছরের বেশি সময় ধরে ব্যবহৃত এই সফটওয়্যারটি বন্ধের ঘোষণায় বিশ্বজুড়ে অ্যানিমেটর ও ডিজাইনারদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।   সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) অ্যাডোবি তাদের সাপোর্ট ওয়েবসাইট হালনাগাদ করে এবং গ্রাহকদের ই–মেইলের মাধ্যমে জানায়, ২০২৬ সালের ১ মার্চ থেকে অ্যাডোবি অ্যানিমেট সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করা হবে। তবে এন্টারপ্রাইজ গ্রাহকদের জন্য ২০২৯ সালের ১ মার্চ পর্যন্ত সীমিত প্রযুক্তিগত সহায়তা দেওয়া হবে বলে জানানো হয়। অন্য গ্রাহকরা ২০২৭ সালের মার্চ পর্যন্ত সাপোর্ট পাবেন।   এই ঘোষণার পরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ উগরে দেন ব্যবহারকারীরা। অনেকেই বলেন, অ্যাডোবি অ্যানিমেটের মতো কার্যকর বিকল্প সফটওয়্যার বাজারে নেই। ফলে এটি বন্ধ হলে তাদের পেশাগত জীবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।   একজন ব্যবহারকারী এক্স (সাবেক টুইটার)-এ লেখেন, 'এটা আমার জীবনটাই নষ্ট করে দেবে।' আরেকজন মন্তব্য করেন, 'অ্যাডোবির সাবস্ক্রিপশন নেওয়ার মূল কারণই ছিল অ্যানিমেট—ওরা আসলে কী ভাবছে?'   ব্যবহারকারীদের প্রবল চাপের মুখে বুধবার অ্যাডোবি এক বিবৃতিতে জানায়, আপাতত সফটওয়্যারটি বন্ধ করা হচ্ছে না। তবে প্রতিষ্ঠানটি স্পষ্ট করে দেয়, অ্যাডোবি অ্যানিমেটকে ‘মেইনটেন্যান্স মোডে’ রাখা হচ্ছে। অর্থাৎ, সফটওয়্যারটি ব্যবহার করা গেলেও এতে আর কোনো নতুন ফিচার যুক্ত হবে না। কেবল নিরাপত্তা হালনাগাদ ও বাগ ফিক্স দেওয়া হবে।   অ্যাডোবির ভাষ্য অনুযায়ী, 'অ্যাডোবি অ্যানিমেট নতুন ও পুরোনো—সব গ্রাহকের জন্যই উন্মুক্ত থাকবে। তবে আমরা আর নতুন ফিচার যোগ করছি না।'

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬ 0
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন চ্যাটবট ‘গ্রোক’

নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা, ইলন মাস্কের ‘গ্রোক’ এ তৈরি হচ্ছে আপত্তিকর ছবি

একীভূত হচ্ছে ইলন মাস্কের স্পেস-এক্স ও এক্সএআই

একীভূত হচ্ছে ইলন মাস্কের স্পেস-এক্স ও এক্সএআই

আমেরিকান মালিকানায় টিকটক - তবে শুরুতেই সংকটে ট্রাম্প-সমর্থিত উদ্যোগ

নিবন্ধিত মোবাইল ফোনের ডি-রেজিস্ট্রেশন করবেন যেভাবে

দেশের বাজারে অবৈধ ও ক্লোন করা মোবাইল ফোনের ব্যবহার পুরোপুরি বন্ধ করতে এবং চুরি হওয়া ফোনের অপব্যবহার ঠেকাতে বিটিআরসি এনইআইআর (NEIR) সিস্টেমের কার্যক্রম জোরদার করেছে। এখন থেকে আপনার নিবন্ধিত ফোনটি অন্য কাউকে দিতে বা বিক্রি করতে চাইলে অবশ্যই সেটি নিজের নাম থেকে ‘ডি-রেজিস্টার’ করতে হবে।   আপনার আইএমইআই (IMEI) নম্বরটি যদি আপনার এনআইডি-র সাথে নিবন্ধিত থাকে এবং আপনি সেটি ডি-রেজিস্ট্রেশন না করেই বিক্রি করে দেন, তবে পরবর্তী ব্যবহারকারী সেই ফোনে নিজের সিম দিয়ে সেটি সক্রিয় করতে পারবেন না। এছাড়া ওই ফোন দিয়ে কোনো অপরাধ হলে তার দায়ভার আপনার ওপর আসার ঝুঁকি থাকে।   গ্রাহকরা খুব সহজেই দুটি পদ্ধতিতে তাদের মোবাইল হ্যান্ডসেট ডি-রেজিস্টার করতে পারবেন: ১. সিটিজেন পোর্টালের মাধ্যমে (অনলাইন): প্রথমে বিটিআরসির অফিসিয়াল পোর্টাল neir.btrc.gov.bd এ গিয়ে লগইন করুন। আপনার ড্যাশবোর্ড থেকে সংশ্লিষ্ট ডিভাইসটি নির্বাচন করুন। ‘ডি-রেজিস্টার’ অপশনে ক্লিক করে আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের (NID) শেষ ৪টি সংখ্যা প্রদান করে প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করুন। ২. ইউএসএসডি (USSD) কোডের মাধ্যমে: আপনার ফোনের ডায়াল প্যাডে গিয়ে *১৬১৬১# ডায়াল করুন। মেন্যু থেকে ‘ডি-রেজিস্ট্রেশন’ (De-registration) অপশনটি বেছে নিন। নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে হ্যান্ডসেটটি নিজের এনআইডি থেকে মুক্ত করুন।   নিজস্ব সিম: ডি-রেজিস্ট্রেশন করার সময় ফোনে ব্যবহৃত সিমটি অবশ্যই ওই গ্রাহকের নিজের এনআইডি দিয়ে নিবন্ধিত থাকতে হবে। সফল বার্তা: প্রক্রিয়াটি সফলভাবে সম্পন্ন হলে গ্রাহকের মোবাইলে একটি নিশ্চিতকরণ এসএমএস আসবে। এরপরই ফোনটি নতুন ব্যবহারকারীর নিবন্ধনের জন্য উন্মুক্ত হবে। বিশেষ নোট: বিটিআরসি গত ১ জানুয়ারি থেকে এই সিস্টেমটি পুরোপুরি কার্যকর করেছে। কোনো ফোন কেনার আগে সেটি অফিশিয়াল কি না তা যাচাই করতে ফোনের মেসেজ অপশনে গিয়ে KYD <space> ১৫ ডিজিটের IMEI নম্বর লিখে ১৬০০২ নম্বরে পাঠিয়ে নিশ্চিত হয়ে নিন। আমেরিকা বাংলা নিউজ মন্তব্য: বিটিআরসির এই ডিজিটাল পদক্ষেপ দেশের মোবাইল চুরির ঘটনা কমিয়ে আনতে এবং নিরাপত্তার বলয় তৈরি করতে বড় ভূমিকা রাখবে। তবে ব্যবহৃত ফোন কেনার ক্ষেত্রে গ্রাহকদের এখন থেকে আরও বেশি সচেতন হতে হবে।

Unknown জানুয়ারী ২৮, ২০২৬ 0

চলতি বছরেই মানুষকে টপকে যাবে এআই, জানালেন ইলন মাস্ক

২০২৬ সালের মধ্যেই মানুষের চেয়ে বেশি বুদ্ধিমান হবে এআই: ইলন মাস্ক

চ্যাটজিপিটি

চ্যাটজিপিটিতে এবার বিজ্ঞাপন! বড় সিদ্ধান্ত নিল ওপেনএআই, ফ্রি ইউজারদের জন্য যা জানা জরুরি

0 Comments