আর্থিক সম্পদ রক্ষায় জনগণকে রাজপথে নামার আহ্বান জামায়াত আমিরের
দেশের আর্থিক সম্পদ রক্ষা এবং নব্য ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে জনগণকে রাজপথে গর্জে ওঠার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল ২০২৬) সকালে রাজধানীর মগবাজারে আয়োজিত জেলা আমির সম্মেলনে তিনি এই মন্তব্য করেন। ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে জনগণের আকাঙ্ক্ষা ক্ষুণ্ণ হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, বিএনপি জনগণের রায় নিয়ে প্রতারণা করেছে।
ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করেন, গত নির্বাচনে ব্যাপক ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’-এর মাধ্যমে জুলাইয়ের চেতনাকে ভুলুণ্ঠিত করা হয়েছে। সরকারের মন্ত্রী ও সাবেক উপদেষ্টার বক্তব্যেও নির্বাচনের কারচুপির প্রমাণ স্পষ্ট হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। জামায়াত আমির বলেন, বিএনপি সরকার সংবিধান সংশোধন করে ফ্যাসিবাদী কায়দায় দেশ চালাতে চাইছে এবং সংসদে বিরোধী দলের কণ্ঠ রোধ করছে। এই পরিস্থিতিতে জনস্বার্থ রক্ষায় জামায়াতসহ ১১ দলীয় ঐক্য রাজপথে নামতে বাধ্য হচ্ছে।
বর্তমান শাসনব্যবস্থাকে অতীতের চেয়েও ভয়ংকর আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, প্রতিটি গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানে দলীয়করণের মাধ্যমে ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হচ্ছে। এ সময় তিনি গণমাধ্যমের টুটি চেপে ধরার অভিযোগ তুলে বলেন, সত্য প্রকাশে বাধা দেওয়া হচ্ছে। গণমাধ্যমের প্রতি সত্য প্রকাশের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, "বক্তব্যের আংশিক বা ‘কাটপিস’ প্রচার না করে হয় পুরোটা প্রকাশ করুন, নতুবা কিছুই প্রকাশ করবেন না।"
পরিশেষে, সংসদ ও রাজপথে জনগণের এজেন্ডা নিয়ে জামায়াত সরব থাকবে এবং দেশের আর্থিক সম্পদ রক্ষায় জনগণের পাশে থাকার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন ডা. শফিকুর রহমান।
© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়। তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।” ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন। ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন। প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল। মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি। রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে। ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে। অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।
২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে। এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি। উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।” বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে। এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে। আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন। ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে | এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।
রাজনীতি
View moreযুক্তরাষ্ট্রের ডেমোক্র্যাট কংগ্রেসওম্যান ইলহান ওমরের ইমিগ্রেশন নথিতে সম্ভাব্য জালিয়াতির তদন্তে তাঁর মোবাইল ফোন জব্দ করেছে ফেডারেল কর্তৃপক্ষ। একই তদন্তে তাঁর কয়েকজন আত্মীয়সহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের এক ডজনের বেশি গ্র্যান্ড জুরি সমন দেওয়া হয়েছে বলে তদন্ত সম্পর্কে অবহিত একটি সূত্রের বরাতে জানিয়েছে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস। গত সোমবার, ১২ অক্টোবর ওয়াশিংটন ডিসিতে ওমরের বাসায় তল্লাশি চালানো হয়। মিনেসোটায় একটি গ্র্যান্ড জুরি তদন্তের জন্য তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করছে বলে এপির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে তদন্তের পূর্ণ পরিধি এখনো স্পষ্ট নয়। ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল মার্কিন কর্মকর্তা ও তদন্তসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বরাতে জানিয়েছে, ওমরের নাগরিকত্ব বাতিল এবং শেষ পর্যন্ত তাঁকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কারের মামলা তৈরির লক্ষ্য নিয়ে তদন্ত চলছে। অনুসন্ধানের একটি অংশে তিনি কীভাবে নাগরিকত্ব পেয়েছিলেন এবং তাঁর প্রয়াত বাবার ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এটি তদন্তের উদ্দেশ্য সম্পর্কে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন, নাগরিকত্ব বাতিলের কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিচার বিভাগ জানিয়েছে, আদালতের অনুমোদিত সার্চ ওয়ারেন্টের ভিত্তিতে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ইনভেস্টিগেশনসের কর্মকর্তারা তল্লাশি চালিয়েছেন। সংস্থাটি আইসিইর অংশ। তদন্তসংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, ওমর শিশু থাকাকালে তাঁর বাবা পূরণ করেছিলেন, এমন ইমিগ্রেশন নথিও তদন্তের অন্তর্ভুক্ত। অন্যদিকে ওমর এই পদক্ষেপকে রাজনৈতিক ভয়ভীতি দেখানোর প্রচেষ্টা বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাঁর বক্তব্য, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরে তাঁকে ভিত্তিহীন অভিযোগের লক্ষ্য করেছেন। ফেডারেল আইনপ্রয়োগকারী ব্যবস্থাকে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। আগামী ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের কয়েক সপ্তাহ আগে এই তল্লাশি হয়েছে। মিনেসোটার প্রতিনিধি ওমর ওই নির্বাচনে পুনর্নির্বাচন চাইছেন। তাঁর বিরুদ্ধে ইমিগ্রেশনসংক্রান্ত তদন্তে প্রকাশ্যে কোনো ফৌজদারি অভিযোগ আনার ঘোষণা পাওয়া যায়নি। তদন্ত বা ফোন জব্দ হওয়া অপরাধ প্রমাণিত হওয়ার সমতুল্য নয়।
ইউনূসকে হেনস্তায় আওয়ামী লীগের চরিত্র প্রকাশ পেয়েছে: নাহিদ ইসলাম
ভোটের আগে যুক্তরাষ্ট্রে বড় আইনি অভিযান, নির্বাচনী অপরাধে ১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা
২০০৮ সালে সালাহউদ্দিনের সম্পদ ছিল ৬.৩ কোটি, ২০২৫ এ ৩০ কোটি এত সম্পদের উৎস কী!
ঢাকার মিরপুরে রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘিরে আলোচনায় থাকা বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি পদত্যাগ করেছেন। বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর তিনি স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের কাছে লিখিত পদত্যাগপত্র দেন। সংসদ সচিবালয় সংবিধানের ৬৭(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তাঁর নারী আসন-২৩ শূন্য ঘোষণা করেছে। বিকেলে স্পিকার সাংবাদিকদের বলেন, পদত্যাগপত্র পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আসনটি শূন্য হয়েছে এবং পদত্যাগ সেদিন থেকেই কার্যকর। শূন্য আসন পূরণের জন্য নির্বাচন কমিশনকে জানানো হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন, আইন অনুযায়ী ৯০ দিনের মধ্যে আসনটি পূরণের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একাধিক প্রার্থী থাকলে ভোট হবে; একক প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে পারেন। গত ২৪ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে মিরপুরের রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, লুটপাট ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, এতে চিকিৎসা সরঞ্জামসহ ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে মিষ্টির ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত কয়েকজনের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর তাঁর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। মিষ্টি আগে দাবি করেছিলেন, হামলা বা ভাঙচুরে তাঁর কোনো হাত নেই। বৃহস্পতিবার দুপুরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, মিষ্টির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্তে প্রাথমিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দলীয় সিদ্ধান্ত ও ফৌজদারি তদন্ত পৃথক বিষয় বলেও তিনি জানান। এদিকে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব নিশ্চিত করেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁকে সংসদ সদস্য পদ ছাড়তে নির্দেশ দিয়েছিলেন। স্পিকারের দপ্তর থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে মিষ্টি তখন পদত্যাগের কথা নিশ্চিত করেননি। তিনি তদন্ত হওয়ার কথা বলেন এবং দল যে সিদ্ধান্ত নেবে, সেটিই হবে বলে মন্তব্য করেন। পরে স্পিকারের বক্তব্য ও সংসদ সচিবালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে তাঁর পদত্যাগ আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হয়।
‘জান্নাতি দাদু’ বলে জামায়াত আমিরকে রাশেদের কটাক্ষ, মিরপুরে উচ্ছেদ ঘিরে উত্তাপ
তারেক-মোদির বৈঠক হবে ‘১২০ শতাংশ নিশ্চিত’, বললেন দীনেশ ত্রিবেদী
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে নিয়ে কটাক্ষ, এনসিপির ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টার
জামায়াতে ইসলামীর কাছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ১০০ কোটি টাকায় বিক্রি হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন। এনসিপির নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সমালোচনা করে দেওয়া এক ফেসবুক পোস্টে তিনি এই দাবি করেন। তবে অর্থ লেনদেনের অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা নিশ্চিত করা যায়নি। কালবেলা ও দেশ রূপান্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাশেদ ২০২৬ সালের ২৬ মে সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক হিসাবে পোস্টটি দেন। ফলে পাওয়া সূত্রে বক্তব্যটি মে মাসের; এটিকে নতুন বক্তব্য হিসেবে উপস্থাপনের ভিত্তি পাওয়া যায়নি। পোস্টে রাশেদ দাবি করেন, এনসিপির সঙ্গে জোট গঠনের জন্য নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী একসময় তার সঙ্গে আলোচনা করেছিলেন। এনসিপি, এবি পার্টি ও রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের শীর্ষ নেতাদের উপস্থিতিতে ওই আলোচনা হয়েছিল বলেও দাবি করেন তিনি। রাশেদের ভাষ্য, পরে সংবাদ সম্মেলনে তাকে নিয়ে সমালোচনামূলক বক্তব্য দেন পাটওয়ারী। এর জবাবে তিনি এনসিপির রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং জামায়াতের সঙ্গে দলটির সম্পর্ককে আক্রমণ করেন। নিজের রাজনৈতিক অবস্থানের ব্যাখ্যায় তিনি বলেন, গণঅধিকার পরিষদ ২০২২ সাল থেকেই বিএনপির সঙ্গে জোটে ছিল। নির্বাচনী অর্থায়নের প্রাসঙ্গিক তথ্য হিসেবে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের একটি প্রতিবেদনে দেখা যায়, নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হিসাবে এনসিপি দলীয় নির্বাচনী ব্যয় দেখিয়েছে ১২ লাখ ৮৪ হাজার টাকা। জামায়াতে ইসলামী দেখিয়েছে প্রায় সাড়ে চার কোটি টাকা। তবে দলগুলোর জমা দেওয়া ব্যয়ের হিসাব দিয়ে রাশেদের অর্থ লেনদেনের অভিযোগ প্রমাণ বা খণ্ডন করা যায় না। পর্যালোচিত প্রতিবেদনে ১০০ কোটি টাকা লেনদেনের কোনো নথি বা যাচাইযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এই নির্দিষ্ট অভিযোগ নিয়ে এনসিপি বা জামায়াতের সরাসরি প্রতিক্রিয়াও অনুসন্ধানে পাওয়া যায়নি। তাই বিষয়টি রাশেদ খাঁনের রাজনৈতিক অভিযোগ হিসেবেই উল্লেখযোগ্য, প্রতিষ্ঠিত ঘটনা হিসেবে নয়।
সীমান্তে ‘পুশ-ইন’ নীতি: মানবিক সংকট নাকি আঞ্চলিক আধিপত্যের রাজনীতি?
হাসনাতের ‘গণভিক্ষা’ ঘিরে তীব্র বিতর্ক, টাকা না দিতে হামিমের আহ্বান