সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আন্তর্জাতিক

যুদ্ধের আগুনে পুড়ছে ইয়েমেন, এক হামলাতেই প্রাণ গেল ৫ শিশুসহ ৯ জনের

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: অক্টোবর ১৮, ২০২৬ ১৮:১২
যুদ্ধের আগুনে পুড়ছে ইয়েমেন
যুদ্ধের আগুনে পুড়ছে ইয়েমেন

ইয়েমেনের উত্তরাঞ্চলের সা'দা প্রদেশে ভয়াবহ বিমান হামলায় অন্তত নয়জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে পাঁচ শিশু ও দুই নারী রয়েছেন। এ ঘটনায় আরও ১৯ জন আহত হয়েছেন, যাঁদের মধ্যে ১১ শিশু রয়েছে। আহতদের কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

 

রোববার, ১৮ অক্টোবর প্রকাশিত বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়, সা'দা প্রদেশের সাহার জেলার একটি বাড়িতে হামলাটি চালানো হয়। হামলার পর উদ্ধারকর্মীরা ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া ব্যক্তিদের খোঁজে তল্লাশি চালান।

 

হুথি পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এ হামলার জন্য সৌদি আরবকে দায়ী করেছে। তবে সৌদি সরকারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে হামলার দায় ও পরিস্থিতি সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য আলাদাভাবে বিবেচনা করা জরুরি।

 

ইয়েমেনে দীর্ঘদিন ধরে চলা সংঘাত নতুন করে তীব্র হওয়ার প্রেক্ষাপটে এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। দেশটির বিভিন্ন এলাকায় সশস্ত্র গোষ্ঠী এবং সৌদি সমর্থিত বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষ বাড়ছে। এতে সাধারণ মানুষের জীবন, ঘরবাড়ি ও নিরাপত্তা ক্রমেই ঝুঁকির মুখে পড়ছে।

 

যুদ্ধের সবচেয়ে বড় মূল্য দিতে হচ্ছে শিশু, নারী এবং বেসামরিক মানুষকে। বাড়িঘরে হামলা হলে পরিবারের সদস্যদের প্রাণহানির পাশাপাশি অনেকে আহত হন, বাস্তুচ্যুত হন এবং চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হওয়ার ঝুঁকিতে পড়েন। সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে খাদ্য, পানি ও জরুরি চিকিৎসার সংকটও আরও গভীর হতে পারে।

 

বেসামরিক মানুষের সুরক্ষা নিশ্চিত করা আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নীতি। সংঘাতের সব পক্ষেরই বেসামরিক জনগণ ও তাঁদের বসতবাড়ি রক্ষার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। হামলার পরিস্থিতি ও দায় নির্ধারণে নিরপেক্ষ তদন্ত এবং নির্ভরযোগ্য তথ্য প্রকাশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

 

ইয়েমেনের সাম্প্রতিক এই প্রাণহানি আবারও মনে করিয়ে দিয়েছে, চলমান সংঘাতে সবচেয়ে অসহায় অবস্থায় রয়েছেন সাধারণ মানুষ। সংঘাত বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ, মানবিক সহায়তা পৌঁছানো এবং বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন অত্যন্ত জরুরি।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আন্তর্জাতিক

View more
ইউক্রেনকে আবার গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ঠেকাতে ইউক্রেনকে আবার গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্র আবারও ইউক্রেনকে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শনাক্ত ও প্রতিরোধে সহায়তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা তথ্য দেওয়া শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। এর আগে দুই দেশের মধ্যে গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদানে সাময়িক বিরতি তৈরি হয়েছিল। পরে সেই বাধা দূর হয়েছে বলে জানান তিনি।    জেলেনস্কির বক্তব্য অনুযায়ী, রাশিয়ার দ্রুতগতির ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করতে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা তথ্য ইউক্রেনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এসব তথ্যের সাহায্যে সম্ভাব্য হামলার বিষয়ে আগাম সতর্কতা পাওয়া এবং প্রতিরক্ষার প্রস্তুতি নেওয়া সহজ হয়।   ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট বলেন, গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান আবার চালু হওয়ায় তাঁরা কৃতজ্ঞ। রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মুখে ইউক্রেনের শহর ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো রক্ষায় এ ধরনের সহায়তা বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে এই সহায়তা পুনরায় চালু হওয়ার ফলে হামলা পুরোপুরি ঠেকানো যাবে—এমন নিশ্চয়তা নেই।    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এর আগে বলেছিলেন, ওয়াশিংটন ইউক্রেনকে গোয়েন্দা তথ্য দেওয়া অব্যাহত রেখেছে। তবে ইউক্রেনের কর্মকর্তারা কিছু রুশ হামলার বিষয়ে আগাম সতর্কতা না পাওয়ার কথা জানিয়েছিলেন। জেলেনস্কির সর্বশেষ বক্তব্যে সাময়িক বিরতির পর তথ্য আদান-প্রদান আবার চালুর বিষয়টি সামনে এসেছে।   রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধের ভবিষ্যৎ, ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা এবং যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা নিয়ে এ ঘটনা নতুন করে আন্তর্জাতিক মনোযোগ তৈরি করেছে। তবে যুদ্ধ বন্ধে কোনো নতুন চুক্তি হয়েছে—এমন তথ্য এই প্রতিবেদনে উদ্ধৃত সূত্রগুলোতে নেই।

প্রকাশ: অক্টোবর ১৮, ২০২৬ ১৯:২৭
যুদ্ধের আগুনে পুড়ছে ইয়েমেন

যুদ্ধের আগুনে পুড়ছে ইয়েমেন, এক হামলাতেই প্রাণ গেল ৫ শিশুসহ ৯ জনের

রাশিয়ায় স্মরণকালের অন্যতম বড় ড্রোন হা মলা ইউক্রেনের, আগুন সেন্ট পিটার্সবার্গের তেল টার্মিনালে

রাশিয়ায় স্মরণকালের অন্যতম বড় ড্রোন হা মলা ইউক্রেনের, আগুন সেন্ট পিটার্সবার্গের তেল টার্মিনালে

বহু চিউইং গামে থাকা প্লাস্টিকজাত উপাদান সহজে পচে না গিয়ে পরিবেশ দূষণ বাড়ায়। ছবি: সংগৃহীত

চিউইং গামের আড়ালে লুকিয়ে প্লাস্টিক! বিশ্বজুড়ে বছরে লাখ টন বর্জ্যের আশঙ্কা

১ বিলিয়ন ডলারের বেশি মুনাফার পর শাহ ক্যাপিটাল গুটাচ্ছেন ভারতীয়-মার্কিন বিনিয়োগকারী
১ বিলিয়ন ডলারের বেশি মুনাফার পর শাহ ক্যাপিটাল গুটাচ্ছেন ভারতীয়-মার্কিন বিনিয়োগকারী

টানা ২০ বছরের ঈর্ষণীয় সাফল্য এবং বিনিয়োগকারীদের জন্য বিপুল মুনাফা অর্জনের পর নিজের প্রতিষ্ঠিত 'শাহ ক্যাপিটাল' গুটিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন খ্যাতনামা ভারতীয়-মার্কিন বিনিয়োগকারী হিমাংশু শাহ। মাত্র ৩০ মিলিয়ন ডলার দিয়ে যাত্রা শুরু করা এই প্রতিষ্ঠানটি গত দুই দশকে ব্যবস্থাপনা ফি ও অন্যান্য খরচ বাদে ১ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি নিট বিনিয়োগ রিটার্ন তৈরি করেছে।   অসাধারণ এই সাফল্যের পরও হিমাংশু শাহ এখন বাইরের বিনিয়োগকারীদের অর্থ ব্যবস্থাপনার পাঠ চুকিয়ে একটি 'ফ্যামিলি অফিস' খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি তার ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে দক্ষতাভিত্তিক প্রশিক্ষণ এবং দীর্ঘ ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের উদ্ভাবনী সমাজসেবামূলক উদ্যোগে সময় ব্যয় করার পরিকল্পনা করেছেন।   বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশে লেখা ১ অক্টোবরের এক বিদায়ী চিঠিতে হিমাংশু শাহ এই সিদ্ধান্তকে তার জীবনের "অন্যতম কঠিন সিদ্ধান্ত" হিসেবে বর্ণনা করেছেন। চিঠিতে তিনি বলেন, নিজের পোর্টফোলিওতে থাকা অবমূল্যায়িত কোম্পানিগুলোর প্রতি তার যে আস্থা রয়েছে, আমেরিকার বৃহত্তম কোম্পানিগুলোর অতিমূল্যায়িত শেয়ারের ক্ষেত্রে তার ঠিক উল্টো সংশয় কাজ করছে।   মেগা-ক্যাপ স্টকগুলোর বর্তমান আকাশচুম্বী মূল্যের সমালোচনা করে তিনি বিনিয়োগকারীদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন। শাহ জানান, প্যাসিভ ইনডেক্স ইনভেস্টিং এবং মোমেন্টাম-চালিত ট্রেডিংয়ের কারণে মেগা-ক্যাপ কোম্পানিগুলো অত্যন্ত ব্যয়বহুল হয়ে উঠেছে। তাই বর্তমানে 'লোভী' হওয়ার চেয়ে 'সতর্ক' থাকাই বেশি জরুরি বলে তিনি বিশ্বাস করেন।   গত তিন বছর ধরেই বিনিয়োগকারীদের নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানিয়ে আসছিলেন হিমাংশু শাহ। আর্থিক উপদেষ্টা ব্যবসার সাথে জড়িত আইনি বাধ্যবাধকতা ও কমপ্লায়েন্সের চাপ থেকে মুক্ত হয়ে জীবনের পরবর্তী অধ্যায় শুরু করার লক্ষ্যেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।   বিদায়ী বার্তায় তিনি জানান, বিনিয়োগকারীদের অর্থ ব্যবস্থাপনা করা তার দীর্ঘ পেশাগত জীবনের একটি চমৎকার অভিজ্ঞতা ছিল। বর্তমানে তিনি তার সময়ের অন্তত ১০ শতাংশ সমাজসেবামূলক কাজে ব্যয় করতে চান, যা পরবর্তীতে ফ্যামিলি অফিস ফাউন্ডেশনের কাজ বৃদ্ধির সাথে সাথে আরও বাড়তে পারে বলে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন।

প্রকাশ: অক্টোবর ১৮, ২০২৬ ১২:২
ফ্রান্সের লিমোজ শহরের ১৪৩ বছরের পুরোনো পৌরভবনে অগ্নিসংযোগে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

ফ্রান্সে বিক্ষোভের মধ্যে আগুনে পুড়ল ১৪৩ বছরের ঐতিহাসিক পৌরভবন, ধসে পড়েছে ছাদ

ইসরায়েলের নির্বাচনে নেতানিয়াহু ছাড়া অন্য কেউ জিতলে ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রকে একাই লড়তে হবে: ট্রাম্প

ইসরায়েলের নির্বাচনে নেতানিয়াহু ছাড়া অন্য কেউ জিতলে ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রকে একাই লড়তে হবে: ট্রাম্প

বিশ্বের ব্যাংকিং খাতে চীনের আধিপত্য, ৭.৬৫ ট্রিলিয়ন ডলারের সম্পদে শীর্ষে আইসিবিসি

বিশ্বের ব্যাংকিং খাতে চীনের আধিপত্য, ৭.৬৫ ট্রিলিয়ন ডলারের সম্পদে শীর্ষে আইসিবিসি

দুর্গন্ধযুক্ত বায়ূত্যাগের কারণে চাকরি হারানো বাসচালকের মামলা খারিজ করল ব্রিটিশ আদালত
দুর্গন্ধযুক্ত বায়ূত্যাগের কারণে চাকরি হারানো বাসচালকের মামলা খারিজ করল ব্রিটিশ আদালত

যুক্তরাজ্যের ব্রিস্টলে কর্মক্ষেত্রে দুর্গন্ধ নিয়ে সহকর্মীর অভিযোগের পর চাকরি হারানো বাসচালক স্টেফানি ব্রায়ানের করা বৈষম্য ও হয়রানির মামলা খারিজ করেছেন কর্মসংস্থান ট্রাইব্যুনাল। ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, শারীরিক অক্ষমতার কারণে নয়, গাড়ি চালানোর মান সন্তোষজনক না হওয়ায় তাঁকে বরখাস্ত করা হয়েছিল।   ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিপেনডেন্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্টেফানি বৈদ্যুতিক বাস পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান দ্য বিগ লেমনে কাজ করতেন। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে যোগ দেওয়ার পর ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে তাঁর চাকরি শেষ হয়। পরীক্ষামূলক চাকরির মেয়াদ সফলভাবে শেষ করতে না পারার পর তিনি শারীরিক অক্ষমতাজনিত বৈষম্য ও হয়রানির অভিযোগ আনেন।    শুনানিতে জানানো হয়, স্টেফানির পালা শেষে দায়িত্ব নিতে এসে বাসের চালকের আসনের এলাকায় তীব্র দুর্গন্ধ পান সহকর্মী সামান্থা বিংহাম। তাঁর ধারণা হয়েছিল, স্টেফানির পোশাক নোংরা হয়ে থাকতে পারে। সামান্থা জানান, বাড়ি ফেরার পরও দুর্গন্ধ থাকায় তাঁকে ইউনিফর্ম ধুতে এবং গোসল করতে হয়।   এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্টেফানি বলেন, সবারই বায়ুত্যাগের প্রয়োজন হয়। পরে সামান্থা বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানান।    টিভিথ্রি বাংলার প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্টেফানি দাবি করেছিলেন, মূত্রথলির সমস্যার কারণে তাঁর সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণ করা হয়েছে। তবে ট্রাইব্যুনাল সামান্থার অভিযোগকে কর্মক্ষেত্রের একটি প্রকৃত উদ্বেগ হিসেবে বিবেচনা করেন। তাঁর পদক্ষেপের সঙ্গে স্টেফানির শারীরিক অক্ষমতাকে কেন্দ্র করে বৈষম্যের সম্পর্ক পাওয়া যায়নি।   বরখাস্তের বৈঠকে ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা নিয়ে আলোচনা হলেও ট্রাইব্যুনাল সিদ্ধান্তে জানান, স্টেফানির গাড়ি চালানোর মান নিয়ে উদ্বেগই চাকরি হারানোর মূল কারণ ছিল।

প্রকাশ: অক্টোবর ১৮, ২০২৬ ১০:৪৬
উত্তরাখণ্ডে পুলিশের তল্লাশি এড়াতে বাইক ঘুরিয়ে পালান স্বামী, সড়কে পড়ে যান স্ত্রী। ছবি: সংগৃহীত

পুলিশ দেখে জরিমানা ভয়ে রাস্তায় পড়ে যাওয়া স্ত্রীকে রেখেই পালালেন স্বামী, বিদ্রূপে ‘বর্ষসেরা স্বামী’

হুতিদের হা মলায় সৌদি সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্তের দাবি, নি হত ২

হুতিদের হা মলায় সৌদি সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্তের দাবি, নি হত ২

এক টুকরো পলিথিনে মেসির নাম, আর তাতেই বদলে গেল আফগান শিশু মুরতাজার জীবন

এক টুকরো পলিথিনে মেসির নাম, আর তাতেই বদলে গেল আফগান শিশু মুরতাজার জীবন

0 Comments