জাতীয়

বাগেরহাট-১ আসনের ভোট পুনর্গণনার নির্দেশ

তাবাস্সুম মার্চ ৫, ২০২৬ 0
ফাইল ছবি।
ফাইল ছবি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাট-১ সংসদীয় আসনের ভোট পুনর্গণনার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বিচারপতি জাকির হোসেনের একক নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল বেঞ্চ এ নির্দেশ দেন। আদেশটি আসে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী কপিল কৃষ্ণের করা আবেদনের শুনানির পর।

 

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বাগেরহাট-১ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা মশিউর রহমান ১ লাখ ১৭ হাজার ৯৬৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কপিল কৃষ্ণ পান ১ লাখ ১৪ হাজার ৫৯০ ভোট। আসনটিতে তিনটি উপজেলা এবং ১৪৭টি ভোটকেন্দ্র ছিল।

 

ভোটের ফলাফল প্রকাশের পর কপিল কৃষ্ণ কয়েকটি কেন্দ্রের ফলাফলে আপত্তি জানান এবং নির্বাচন কমিশনের কাছে প্রতিকার চেয়েও সন্তুষ্ট হননি। এর পর তিনি হাইকোর্টের নির্বাচনি ট্রাইব্যুনালে আবেদন করে ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করেন। আদালত এই আবেদনের শুনানি শেষে ভোট পুনর্গণনার নির্দেশ দিয়েছেন।

 

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে বাগেরহাটের চারটি সংসদীয় আসনের মধ্যে তিনটিতে জামায়াতের প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। বাগেরহাট-২ (সদর ও কচুয়া) আসনে জামায়াতের শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ এবং বাগেরহাট-৪ (মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা) আসনে জামায়াতের আব্দুল আলিম জয়ী হন। বাগেরহাট-৩ (রামপাল-মোংলা) আসনে বিএনপির শেখ ফরিদুল ইসলাম বিজয়ী হয়েছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Advertisement

জাতীয়

View more
সংগৃহীত ছবি
টয়োটার এমডি ও দুই কর্মকর্তা আত্মসমর্পণ করে জামিন

প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় টয়োটা বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রেমিত সিংসহ তিন কর্মকর্তা জামিন পেয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে তারা আইনজীবীর মাধ্যমে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। পরে আদালত প্রত্যেকের ১ হাজার টাকা মুচলেকায় জামিন মঞ্জুর করেন এবং মামলাটি বিচারের জন্য বদলির আদেশ দেন।   অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন টয়োটা টুশো এশিয়া প্যাসিফিকের ভাইস প্রেসিডেন্ট জাপানি নাগরিক আকিও ওগাওয়া এবং টয়োটা টুশো কর্পোরেশনের জেনারেল ম্যানেজার আসিফ রহমান। আদালতের সহকারী আশুতোষ ভৌমিক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।   মামলাটি দায়ের করা হয় ২০২৫ সালের ৯ জুলাই নাভানা লিমিটেডের পক্ষে শফিউল ইসলাম বাদী হয়ে। অভিযোগে বলা হয়, টয়োটা টুশো কর্পোরেশনের কর্মকর্তারা নাভানা লিমিটেডের একক ডিস্ট্রিবিউটরশিপ ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা ও পক্ষপাতদুষ্ট প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন। ফলে নাভানার ব্যবসায়িক সক্ষমতা ও সুনাম ক্ষুণ্ন হয়।   পিবিআই তদন্তে বলা হয়েছে, অভিযুক্তরা গ্রাহকদের অর্ডারকৃত যানবাহনের উৎপাদন বিলম্বিত করেছেন এবং কাস্টমস ক্লিয়ারেন্সের জন্য প্রয়োজনীয় ‘ম্যানুফ্যাকচারার ইনভয়েস’ সরবরাহে বাধা সৃষ্টি করেছেন। এর ফলে নাভানা লিমিটেড আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ে এবং প্রতিষ্ঠানটির সুনাম ক্ষুণ্ণ হয়।

তাবাস্সুম মার্চ ৫, ২০২৬ 0
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী: দুর্নীতিমুক্ত কর্মকর্তা ছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পবিত্রতা ফিরবে না

ফাইল ছবি।

বাগেরহাট-১ আসনের ভোট পুনর্গণনার নির্দেশ

ফাইল ছবি

এমপিও শিক্ষকদের উৎসব ভাতা বাড়ানোর প্রস্তাব

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
প্রধানমন্ত্রীর সফরে বিমানবন্দরে থাকবে না মন্ত্রী–আমলাদের লম্বা লাইন

প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরে যাওয়া এবং দেশে ফেরার সময় বিমানবন্দরে মন্ত্রী, সচিব ও বিভিন্ন বাহিনীর কর্মকর্তাদের দীর্ঘ লাইনে উপস্থিত থাকার প্রচলিত দৃশ্যে পরিবর্তন আসছে। এ বিষয়ে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।   বুধবার (৪ মার্চ) জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর সরকারি ও রাষ্ট্রীয় সফরের সময় এবং দেশে প্রত্যাবর্তনের সময় বিমানবন্দরে নির্ধারিত কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি উপস্থিত থাকবেন।   নির্দেশনা অনুযায়ী, মন্ত্রিসভার জ্যেষ্ঠতম সদস্য একজন মন্ত্রী, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ, মন্ত্রিপরিষদ সচিব এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব বিমানবন্দরে উপস্থিত থাকবেন।   মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, এ বিষয়ে পূর্বে জারি করা ২০২৪ সালের ২৮ আগস্টের একটি সার্কুলার বাতিল করে নতুন নির্দেশনা কার্যকর করা হয়েছে।   এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। এর মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা অধিদপ্তর, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং সংসদ সচিবালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে অনুলিপি পাঠানো হয়েছে।

তাবাস্সুম মার্চ ৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।

ভূমি প্রতিমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শনে তালাবদ্ধ অফিস: ৩ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা

তারেক রহমান। ফাইল ছবি

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে অর্ধেক লাইট-এসিতেই চলছে প্রধানমন্ত্রীর অফিসে

সরকারি চাকরিজীবীরা ঈদে উপভোগ করতে পারেন টানা ১২ দিনের ছুটি

সরকারি চাকরিজীবীরা ঈদে উপভোগ করতে পারেন টানা ১২ দিনের ছুটি

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর
মধ্যপ্রাচ্য সংকটের প্রভাবে ৬ দিনে ঢাকা থেকে বাতিল ২১০ ফ্লাইট

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি ও নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে আকাশপথ বন্ধ থাকায় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ফ্লাইট চলাচলে বড় ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে। গত ছয় দিনে বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের মোট ২১০টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।   বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) ষষ্ঠ দিনের মতো আকাশসীমা বন্ধ থাকায় আজ এক দিনেই ৩৪টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) মুহাম্মদ কাউছার মাহমুদ।   বেবিচকের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরান, ইরাক, কুয়েতসহ মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের আকাশসীমা বন্ধ রয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশ থেকে পরিচালিত আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে।   পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রথম দিনে ঢাকা থেকে ২৩টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়। এরপর ১ মার্চ ৪০টি, ২ মার্চ ৪৬টি, ৩ মার্চ ৩৯টি এবং ৪ মার্চ ২৮টি ফ্লাইট বাতিল হয়।   আজ ৫ মার্চ বাতিল হওয়া ৩৪টি ফ্লাইটের মধ্যে কাতার এয়ারওয়েজ, কুয়েত এয়ারওয়েজ, জাজিরা এয়ারওয়েজ এবং শারজাহভিত্তিক এয়ার অ্যারাবিয়ার একাধিক ফ্লাইট রয়েছে। এর মধ্যে এয়ার অ্যারাবিয়ার সর্বোচ্চ ১০টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এছাড়া এমিরেটস, গালফ এয়ার, ফ্লাই দুবাই এবং দেশীয় বেসরকারি এয়ারলাইন্স ইউএস-বাংলার ফ্লাইটও বাতিলের তালিকায় রয়েছে।   এদিকে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স জানিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত ৫ মার্চ পর্যন্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহ, সৌদি আরবের দাম্মাম, কাতারের দোহা এবং কুয়েতগামী সব নিয়মিত ফ্লাইট স্থগিত রাখা হয়েছে।   মধ্যপ্রাচ্যের ইরান, ইরাক, বাহরাইন ও জর্ডানের মতো দেশগুলো সাময়িকভাবে তাদের আকাশসীমা বন্ধ রাখায় বিকল্প পথে ফ্লাইট পরিচালনার সুযোগও সীমিত হয়ে পড়েছে। এর ফলে হাজার হাজার প্রবাসী শ্রমিক ও সাধারণ যাত্রী চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন।   বিমান চলাচল বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের এই অস্থিরতা দীর্ঘায়িত হলে বাংলাদেশের বিমান পরিবহন খাত বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে পারে। বিশেষ করে জনশক্তি রপ্তানি ও রেমিট্যান্স প্রবাহে এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।   বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে বিশেষ ব্যবস্থায় আটকে পড়া যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ৫, ২০২৬ 0
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

পহেলা বৈশাখে ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

অধিকাংশ পুলিশ সদস্যের মত পুরোনো পোশাকের পক্ষে। ছবি: সংগৃহীত

পুলিশের পুরোনো পোশাকে ফিরতে চান অধিকাংশ পুলিশ সদস্য

দেশের ৯ উপজেলায় শুরু হচ্ছে প্রাথমিক কৃষি কার্ড কর্মসূচি

দেশের ৯ উপজেলায় শুরু হচ্ছে প্রাথমিক কৃষি কার্ড কর্মসূচি

0 Comments