আন্তর্জাতিক

সাইরেন বাজার আগেই খবর দেবে ওয়েবসাইট ইসরায়েলে ‘আগাম আতঙ্ক’ প্রযুক্তি!

তাবাস্সুম মার্চ ৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

সম্ভাব্য রকেট বা ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আগাম সতর্কতা দিতে ইসরায়েলে একটি নতুন ওয়েবসাইট চালু হয়েছে। এই প্ল্যাটফর্মটি বিভিন্ন উন্মুক্ত তথ্য ও সতর্কতা ব্যবস্থার ডাটা বিশ্লেষণ করে সাইরেন বাজার আগেই সম্ভাব্য হামলার বিষয়ে ব্যবহারকারীদের সতর্ক করার চেষ্টা করে।

 

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওয়েবসাইটটি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, উন্মুক্ত ডাটা এবং রিয়েল-টাইম তথ্য বিশ্লেষণ করে সম্ভাব্য রকেট বা ড্রোন হামলার আগাম সংকেত দিতে পারে। ফলে ব্যবহারকারীরা সাইরেন বাজার আগেই পরিস্থিতি সম্পর্কে ধারণা পেতে পারেন।

 

এ বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম CNN। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে সম্ভাব্য হামলার সময় ও এলাকা সম্পর্কে আগাম সতর্কতা পাওয়া যেতে পারে, যদিও এটি সরকারি সতর্কতা ব্যবস্থার বিকল্প নয়।

 

নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, এমন প্রযুক্তি মানুষকে দ্রুত পরিস্থিতি বুঝতে সাহায্য করলেও জরুরি পরিস্থিতিতে নাগরিকদের অবশ্যই সরকারি সাইরেন ও নিরাপত্তা নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Advertisement

আন্তর্জাতিক

View more
পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস।
পশ্চিমবঙ্গ রাজনীতিতে বড় চমক: রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের পদত্যাগ

পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে বড়সড় রদবদল। আকস্মিকভাবে রাজ্যের রাজ্যপাল পদ থেকে ইস্তফা দিলেন সিভি আনন্দ বোস। বৃহস্পতিবার দিল্লি থেকে নিজের পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন তিনি। তার এই আচমকা সরে দাঁড়ানো নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। আনন্দ বোসের পদত্যাগের পরপরই কেন্দ্রের পক্ষ থেকে অন্তর্বর্তীকালীন রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তামিলনাড়ুর বর্তমান রাজ্যপাল আর এন রবিকে। উল্লেখ্য, নতুন দায়িত্ব পাওয়া আর এন রবির সঙ্গেও তামিলনাড়ুর এম কে স্ট্যালিন সরকারের সংঘাতের ইতিহাস রয়েছে, যা নিয়ে মামলা গড়িয়েছিল আদালত পর্যন্ত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিক্রিয়া ও রাজনৈতিক সমীকরণ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের সঙ্গে সিভি আনন্দ বোসের সম্পর্ক বারবারই তিক্ততার সম্মুখীন হয়েছে। তার পদত্যাগের খবরে মুখ্যমন্ত্রী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘এক্স’-এ লিখেছেন, পদত্যাগের প্রকৃত কারণ এখনো তার অজানা। তবে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর চাপে কোনো রাজনৈতিক ভূমিকা পালনের উদ্দেশ্যে যদি এই পদত্যাগ হয়ে থাকে, তবে তিনি অবাক হবেন না। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজভবনের এই পরিবর্তন অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এবং এটি রাজ্যের প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।

তাবাস্সুম মার্চ ৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতে প্রাণহানি ১৩০০ ছাড়াল, কোন দেশে কতজন নিহত?

ছবি: সংগৃহীত।

পারস্য উপসাগরে আটকা পড়েছেন ২০ হাজার নাবিক ও ১৫ হাজার পর্যটক

ছবি: সংগৃহীত

ইরানে হামলায় বেসামরিকদের লক্ষ্যবস্তু করেছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

ছবি: সংগৃহীত
ইরানে হামলায় বেসামরিকদের লক্ষ্যবস্তু করেছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

ইরান অভিযোগ করেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের সহযোগী ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে হামলা চালিয়ে বেসামরিক নাগরিকদের সরাসরি লক্ষ্যবস্তু করছে।   ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই হামলায় সারাদেশে ইচ্ছাকৃতভাবে বেসামরিক এলাকাগুলোতে আঘাত করা হচ্ছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, হামলাগুলো ইরানের বাইরেও অর্থনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি করছে।   বাঘাই বলেন, হামলার প্রভাব বিশ্ববাজারে দেখা যাচ্ছে; জ্বালানির দাম বেড়ে যাচ্ছে, মুদ্রার মান অস্থিতিশীল হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমছে। তবে ইরানের জনগণের জন্য এই প্রভাব বিশেষভাবে মারাত্মক। তিনি বলেন, ‘আমাদের জনগণকে নির্মমভাবে হত্যা করা হচ্ছে, কারণ আক্রমণকারীরা ইচ্ছাকৃতভাবে এমন স্থানগুলো লক্ষ্য করছে যেখানে সর্বোচ্চ কষ্ট এবং প্রাণহানি ঘটানো সম্ভব।’

তাবাস্সুম মার্চ ৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

সাইরেন বাজার আগেই খবর দেবে ওয়েবসাইট ইসরায়েলে ‘আগাম আতঙ্ক’ প্রযুক্তি!

ইসরাইলি বোমায় ধ্বংস হয়ে যাওয়া ইরানের জনপদ। ছবি অনলাইন

ইরানকে গাজার মতো ধ্বংস করতে চাইছে ইসরাইল: বিশ্লেষক

ছবি: সংগৃহীত

ইসরায়েলের সামরিক ঘাঁটিতে হিজবুল্লাহর ২৩ ড্রোন ও রকেট হামলার দাবি

ছবি: সংগৃহীত
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ইস্যুতে তুরস্ককে পূর্ণ সমর্থন যুক্তরাষ্ট্রের

ইরান থেকে ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ন্যাটোর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় ভূপাতিত হওয়ার পর তুরস্কের সার্বভৌমত্বের ওপর হামলাকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। তিনি তুরস্ককে যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ণ সমর্থনের আশ্বাসও দিয়েছেন।   রাষ্ট্রের পূর্ণ সমর্থনের প্রতিশ্রুতি দেন বলে জানিয়েছে ইউনাইটেড স্টেটস ডিপার্টমেন্ট অব স্টেট।   তুরস্ক জানায়, বুধবার ইরান থেকে উৎক্ষেপণ করা একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তাদের আকাশসীমার দিকে অগ্রসর হচ্ছিল। পরে ন্যাটোর আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সেটিকে প্রতিহত করে ধ্বংস করে দেয়।   ফোনালাপে মার্কো রুবিও হাকান ফিদানকে বলেন, তুরস্কের সার্বভৌম ভূখণ্ডে এ ধরনের হামলা অগ্রহণযোগ্য এবং এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র তুরস্কের পাশে থাকবে।   তুরস্কের কর্মকর্তাদের মতে, ইরান থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রটি ইরাক ও সিরিয়া হয়ে তুরস্কের আকাশসীমার দিকে আসছিল। পরে পূর্ব ভূমধ্যসাগরে মোতায়েন থাকা ন্যাটোর আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে সেটি প্রতিহত ও ধ্বংস করা হয়।   তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ক্ষেপণাস্ত্রটির নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তু সম্পর্কে কিছু জানায়নি। তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক তুর্কি কর্মকর্তা জানান, ক্ষেপণাস্ত্রটি মূলত গ্রিক সাইপ্রাসের একটি ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে ছোড়া হয়েছিল, তবে পরে এর গতিপথ পরিবর্তিত হয়।   দক্ষিণ তুরস্কের সিরিয়া সীমান্তের কাছে দোরতইয়োল জেলায় যে ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গেছে, তা ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধে ব্যবহৃত ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের অংশ বলে শনাক্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।   ফোনালাপে রুবিও ও ফিদান ইরান ও মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা করেন এবং দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের দৃঢ়তার বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করেন।   উল্লেখ্য, গত শনিবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলায় ইরানের বেশ কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিও রয়েছেন।

তাবাস্সুম মার্চ ৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

সামরিক বাজেট ৭ শতাংশ বাড়াচ্ছে চীন

ছবি: সংগৃহীত

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় জ্বলছে মার্কিন তেল ট্যাংকার

শোক বইতে স্বাক্ষর করছেন বিদেশ সচিব বিক্রম মিশ্রী।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনির মৃত্যুতে সমবেদনা জানাল ভারত

0 Comments