নরওয়ে

নরওয়ের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস্পেন বার্থ এইড
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ নয়, কূটনৈতিক পথেই সমাধান চায় বৈশ্বিক জোট: নরওয়ে

হরমুজ প্রণালীর অচলাবস্থা নিরসনে ইরানের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের সামরিক শক্তি ব্যবহারের সম্ভাবনা সরাসরি নাকচ করে দিয়েছে বিশ্বজুড়ে কূটনীতিকদের একটি বড় জোট। সামরিক অভিযানের পরিবর্তে তারা এখন সংকট মোকাবিলায় কঠোর কূটনৈতিক পদক্ষেপের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। নরওয়ের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস্পেন বার্থ এইড এই সিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত করেছেন। সম্প্রতি ৪০টিরও বেশি দেশের কূটনীতিকদের নিয়ে আয়োজিত একটি ভার্চুয়াল ব্রিফিংয়ে হরমুজ প্রণালী বন্ধ হওয়ার ফলে সৃষ্ট অর্থনৈতিক ধস নিয়ে আলোচনা করা হয়। সেখানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এইড বলেন, "যুদ্ধ চলাকালীন সামরিকভাবে আসলে কতটুকু অর্জন করা সম্ভব, সে বিষয়ে আমাদের বাস্তববাদী হতে হবে। এই জোট ইরানের ওপর চাপ সৃষ্টির জন্য সরাসরি সামরিক পদক্ষেপের বদলে কূটনৈতিক পন্থায় অগ্রসর হবে।" নরওয়ের এই অবস্থানের সাথে একমত পোষণ করেছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ। তিনি ইরানের সাথে আলোচনার পক্ষ নিয়ে বলেন, এই গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক পথটি পুনরায় সচল করার জন্য সামরিক হস্তক্ষেপের চিন্তা করা "অবাস্তব"। উল্লেখ্য যে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মিত্র দেশগুলোকে যুদ্ধে অংশ না নেওয়ার জন্য সমালোচনা করেছিলেন এবং তাদের হরমুজ প্রণালী "দখল" করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। এমনকি তিনি ন্যাটো (NATO) থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে সরিয়ে নেওয়ার হুমকিও দেন। ট্রাম্পের এই বিতর্কিত অবস্থানের প্রতিক্রিয়ায় নরওয়ের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ন্যাটো জোটের কৌশলগত পার্থক্যের কথা মনে করিয়ে দেন। এস্পেন বার্থ এইড স্পষ্ট করে বলেন, "যখন কোনো সদস্য রাষ্ট্র নিজেদের পছন্দে অন্য কোথাও যুদ্ধ শুরু করে, তখন ন্যাটো সেই যুদ্ধে অংশ নিতে বাধ্য নয়। তবে ৯/১১ হামলার সময় আমাদের এক সদস্য আক্রান্ত হওয়ায় আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে যুক্তরাষ্ট্রের পাশে দাঁড়িয়েছিলাম।" বর্তমান পরিস্থিতিতে বিশ্ব নেতারা যুদ্ধের দাবানল আরও ছড়িয়ে না দিয়ে আলোচনার টেবিলেই সংকটের সমাধান খুঁজছেন।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ৩, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
হরমুজ প্রণালীতে নরওয়ের পতাকাবাহী জাহাজ চলাচলে নিষেধাজ্ঞা

মধ্যপ্রাচ্যের কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালীতে নিজেদের পতাকাবাহী সকল ধরনের জাহাজ চলাচল নিষিদ্ধ করেছে নরওয়ে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে বলে জানিয়েছে দেশটির সামুদ্রিক কর্তৃপক্ষ। সম্প্রতি এই অঞ্চলে বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর ক্রমবর্ধমান হামলার ঝুঁকি এবং ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা বৃদ্ধির প্রেক্ষিতেই এমন কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ওসলো।  নরওয়ের সামুদ্রিক কর্তৃপক্ষ এক জরুরি বার্তায় জানিয়েছে, বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি নরওয়েজীয় পতাকাবাহী জাহাজগুলোর জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। বিশেষ করে পারস্য উপসাগর এবং ওমান উপসাগরের মধ্যবর্তী এই সরু প্রণালীতে জাহাজগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এই মুহূর্তে প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। উল্লেখ্য, বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের এক-ষষ্ঠাংশ এবং এলএনজির এক-তৃতীয়াংশ এই হরমুজ প্রণালী দিয়ে পরিবাহিত হয়। নরওয়ের এই সিদ্ধান্তের ফলে বিশ্বজুড়ে পণ্য ও জ্বালানি পরিবহনে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১২, ২০২৬ 0
নরওয়ের রাজধানী অসলোতে মার্কিন দূতাবাসের কাছে বিস্ফোরণ
নরওয়ের রাজধানী অসলোতে মার্কিন দূতাবাসের কাছে বিস্ফোরণ

নরওয়ের রাজধানী অসলোতে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের কাছাকাছি এলাকায় একটি শক্তিশালী বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। তবে এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স।   বিস্ফোরণের কারণ কী এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত— এ বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। নরওয়ে পুলিশ জানিয়েছে, তারা নিয়মিতভাবে মার্কিন দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। ঘটনাস্থল এবং আশপাশের এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।   এদিকে ইরান, ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রকে ঘিরে চলমান উত্তেজনার কারণে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসগুলোতে উচ্চ সতর্কতা জারি রয়েছে। কিছু জায়গায় হামলার ঘটনাও ঘটেছে বলে জানা গেছে।   তবে অসলোতে মার্কিন দূতাবাসের কাছে যে বিস্ফোরণ ঘটেছে, তার সঙ্গে এই আঞ্চলিক উত্তেজনার কোনো সম্পর্ক আছে কি না— সে বিষয়ে এখনো কোনো মন্তব্য করেনি অসলো পুলিশ।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৮, ২০২৬ 0
Norway to probe Epstein
সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে নরওয়েতে দুর্নীতির তদন্ত শুরু

প্রয়াত মার্কিন ধনকুবের এবং যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টাইনের সঙ্গে যোগসাজশের অভিযোগে তোলপাড় শুরু হয়েছে ইউরোপজুড়ে। এই কেলেঙ্কারির জেরে এবার নরওয়ের সাবেক প্রধানমন্ত্রী থর্বজর্ন জাগল্যান্ডের বিরুদ্ধে ‘গুরুতর দুর্নীতির’ আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।   শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, সম্প্রতি মার্কিন বিচার বিভাগ এপস্টাইন সংক্রান্ত কয়েক মিলিয়ন পৃষ্ঠার নতুন নথি প্রকাশ করেছে। সেই নথিতে নরওয়ের প্রভাবশালী রাজনীতিবিদ, রাজপরিবারের সদস্য এবং কূটনীতিকদের সঙ্গে এপস্টাইনের গভীর সম্পর্কের তথ্য বেরিয়ে এসেছে।   তদন্তের মুখে যারা:   ১. থর্বজর্ন জাগল্যান্ড: নরওয়ের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং নোবেল কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি এপস্টাইনের কাছ থেকে উপহার, ভ্রমণ সুবিধা এবং ঋণ গ্রহণ করেছেন। নরওয়ের অর্থনৈতিক অপরাধ দমন ইউনিট (Okokrim) তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে। তার কূটনৈতিক দায়মুক্তি (immunity) বাতিলের জন্য দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ জানানো হয়েছে।   ২. ক্রাউন প্রিন্সেস মেটে-মারিট: নরওয়ের রাজবধু মেটে-মারিটের সঙ্গে এপস্টাইনের কয়েকশ ইমেইল বিনিময়ের তথ্য পাওয়া গেছে। এমনকি এপস্টাইনের ফ্লোরিডার বাসভবনে তার থাকার প্রমাণও মিলেছে। এই ঘটনায় তিনি প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়েছেন এবং একে ‘বিব্রতকর’ ও তার ‘ভুল বিচার’ বলে অভিহিত করেছেন।   ৩. বোর্জ ব্রেন্ডে: বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের (WEF) বর্তমান প্রধান এবং নরওয়ের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এপস্টাইনের সঙ্গে তার নৈশভোজ এবং যোগাযোগের বিষয়ে ডাবোসের এই সংস্থাটি অভ্যন্তরীণ তদন্ত শুরু করেছে।   ৪. মোনা জুল ও তেরজে রোড-লারসেন: বিখ্যাত ওসলো চুক্তির মধ্যস্থতাকারী এই প্রভাবশালী দম্পতির নামও নথিতে এসেছে। জর্ডানে নিযুক্ত নরওয়ের রাষ্ট্রদূত মোনা জুলকে এরই মধ্যে সাময়িকভাবে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।   ইউরোপে প্রভাব: নরওয়ের পাশাপাশি ইউরোপের অন্যান্য দেশেও এই কেলেঙ্কারির ধাক্কা লেগেছে। ফ্রান্সে সাবেক সংস্কৃতি মন্ত্রী জ্যাক ল্যাং এবং স্লোভাকিয়ার প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাও এপস্টাইন সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তদন্ত বা পদত্যাগের চাপের মুখে রয়েছেন।   নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী জোনাস গাহর স্টোর জানিয়েছেন, এই নতুন তথ্যগুলো অনেক প্রশ্ন জন্ম দিয়েছে যার উত্তর পাওয়া জরুরি। দেশটির সংসদও এই পুরো বিষয়টি তদন্তের জন্য একটি স্বতন্ত্র কমিশন গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছে।   ২০১৯ সালে কারাগারে আত্মহত্যাকারী জেফরি এপস্টাইনের এই কালো অধ্যায় এখন বিশ্বের অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তির ক্যারিয়ার ও সম্মানের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৬ 0
নরওয়ের রাজকুমারী মেত-মারিত
প্রকাশ্যে নরওয়ের রাজকুমারীর কুকীর্তি

বিশ্ব কাঁপানো ‘এপস্টেইন ফাইল’ যেন এক অন্ধকার জগতের প্যান্ডোরা বক্স! এবার সেই তালিকায় নাম এলো নরওয়ের রাজকুমারী তথা হবু রানি মেত-মারিতের। যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের সাথে তাঁর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক এবং ফ্লোরিডায় সেই বিতর্কিত বাড়িতে রাত কাটানোর চাঞ্চল্যকর নথিতে তোলপাড় শুরু হয়েছে ইউরোপজুড়ে। শুধু তাই নয়, এই তালিকায় নাম জড়িয়েছে নোবেল কমিটির সাবেক সদস্য এবং নরওয়ের সাবেক প্রধানমন্ত্রীরও, যা প্রশ্নবিদ্ধ করছে খোদ নোবেল শান্তি পুরস্কারের নিরপেক্ষতাকে।   এই ঘটনার গুরুত্বপূর্ণ কিছু দিক:   ১০০০ বারের বেশি নাম: ফাঁস হওয়া নথিতে নরওয়ের রানির নাম এসেছে ১০০০ বারের বেশি। ২০১১ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত তাদের মধ্যে ছিল গভীর যোগাযোগ।   অশ্লীল কথোপকথন ও ছবি: ইমেলে এপস্টেইনকে ‘সুইট হার্ট’ বলে সম্বোধন এবং বিভিন্ন নারীদের আপত্তিকর ছবি পাঠানোর প্রমাণ মিলেছে।   ফ্লোরিডায় ৪ দিন: ২০১৩ সালে এপস্টেইনের ফ্লোরিডার বাড়িতে টানা ৪ দিন সময় কাটিয়েছেন রানি মেত-মারিত।   নোবেল শান্তি পুরস্কার নিয়ে বিতর্ক: নোবেল কমিটির সাবেক সদস্য থর্বজর্ন জাগল্যান্ডের নামও এই ফাইলে আসায় পুরো নরওয়ে সরকার এখন অস্বস্তিতে।   রানির স্বীকারোক্তি: ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে রানি মেত-মারিত জানিয়েছেন, সেই সময় তাঁর বিচারবুদ্ধি লোপ পেয়েছিল এবং এই সম্পর্কের জন্য তিনি এখন অনুতপ্ত।   বিশ্বের প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বদের মুখোশ কি এভাবেই একের পর এক খুলে যাবে? আপনার মতামত কমেন্টে জানান।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

দেশের প্রথম ৪০ তলা ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর সম্পন্ন

বাংলাদেশের আবাসন শিল্পে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় নির্মিত দেশের প্রথম ৪০ তলা বিশিষ্ট আকাশচুম্বী বাণিজ্যিক ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে শান্তা হোল্ডিংস। ৫০০ ফুট উচ্চতার এই আইকনিক ভবনটি এখন দেশের সর্বোচ্চ সম্পন্ন হওয়া ইমারত। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভবনের ৪০তম তলায় আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি এহসান খানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ভূমি মালিক এবং গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তি:‘শান্তা পিনাকল’ শুধুমাত্র উচ্চতার কারণেই অনন্য নয়, বরং এটি আধুনিক নির্মাণশৈলী ও প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভবন যা পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিক ‘লিড প্ল্যাটিনাম’ (LEED Platinum) স্বীকৃতি পেয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘মেইনহার্ট’ (Meinhardt) এর সহায়তায় ভবনটির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ: উন্নত লিফট ব্যবস্থা: ভবনটিতে রয়েছে ৮টি দ্রুতগামী লিফট, যা প্রতি সেকেন্ডে ৪ মিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম। এটি দেশের দ্রুততম ভার্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা। পরিবেশ ও সুরক্ষা: ভবনে ব্যবহৃত হয়েছে ৩৬ মিমি পুরুত্বের ডাবল গ্লেজড গ্লাস, যা তাপ ও শব্দ নিরোধক। এছাড়া এটি দেশের প্রথম ‘উইন্ড টানেল টেস্ট’ করা ভবন, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায় এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। আইবিএমএস প্রযুক্তি: পুরো ভবনটি একটি ইন্টেলিজেন্ট বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (iBMS) দ্বারা পরিচালিত, যা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবে। অগ্নি নিরাপত্তা: আন্তর্জাতিক এনএফপিএ (NFPA) স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এখানে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর দেশের রিয়েল এস্টেট খাতের সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। এটি শুধুমাত্র তেজগাঁও নয়, বরং পুরো ঢাকার বাণিজ্যিক পরিবেশকে বিশ্বমানের স্তরে নিয়ে যাবে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার অ্যালুমিনিয়াম ফর্মওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র সাত দিনে এক একটি তলার ছাদ ঢালাইয়ের রেকর্ড গড়ে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকার আকাশসীমায় নতুন এই ল্যান্ডমার্ক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক নগরায়নের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

Top week

নাহিদা বৃষ্টি
আমেরিকা

নাহিদা বৃষ্টির লাশ পাওয়া নিয়ে শঙ্কা কেন? দুই কারণ জানাল পুলিশ

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ২৫, ২০২৬ 0