বিএনপি সরকার

ছবি: সংগৃহীত
বিএনপির বিরুদ্ধে সংকট সৃষ্টির অভিযোগ জামায়াত সেক্রেটারি পরওয়ারের

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার অভিযোগ করেছেন, বিএনপি সরকার গঠন করেই দেশে নতুন রাজনৈতিক সংকট তৈরি করেছে। তিনি সরকারকে সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, জুলাই আন্দোলনের শহীদদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে বর্তমান সংসদ গঠিত হয়েছে, তাই দিল্লির প্রেসক্রিপশনে দেশের ভেতরে বিভেদ সৃষ্টি না করে ‘জুলাই সনদের’ ভিত্তিতে জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলুন।   সোমবার (৬ এপ্রিল) বিকেলে বগুড়া সদরের বাঘোপাড়া শহীদ দানেশ উদ্দিন স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে এক উপ-নির্বাচনী গণসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বগুড়া-৬ (সদর) আসনে জামায়াতসহ ১১ দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী আবিদুর রহমান সোহেলের সমর্থনে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়।   মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, “জুলাই আন্দোলনে ছাত্র-জনতা একটি বৈষম্যহীন ও মানবিক বাংলাদেশ চেয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী নিজে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে বলেছিলেন, কিন্তু এখন সেই পাঁচ কোটি ভোটারের ম্যান্ডেট অস্বীকার করে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করছেন। অন্তর্বর্তী সরকারের গণভোট আদেশ বাতিল করা জাতির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতার শামিল।” তিনি আরও যোগ করেন, শেখ হাসিনা যেভাবে ক্ষমতা আঁকড়ে ধরতে চেয়েছিলেন, বিএনপিও সব প্রতিষ্ঠানে নিজেদের খবরদারি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে।   বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এনসিপির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেন, “বিএনপি তাদের নিজেদের দেওয়া ‘৩১ দফা’র সঙ্গেই প্রতারণা করছে। তারা মুখে সংবিধান সংস্কারের কথা বলে ক্ষমতায় এসে এখন গণভোটের রায় মানতে চাইছে না।” তিনি আরও অভিযোগ করেন, সরকার চাটুকারদের ভিসি নিয়োগ দিয়ে শিক্ষা ব্যবস্থা এবং ঋণখেলাপিকে গভর্নর বানিয়ে দেশের অর্থনীতি ধ্বংস করছে।   সমাবেশে উপস্থিত নেতারা আসন্ন উপ-নির্বাচনে প্রশাসনকে নিরপেক্ষ থাকার আহ্বান জানান এবং ভোটারদের ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে ভোট দিয়ে বৈষম্যমুক্ত রাষ্ট্র গড়ার লড়াইয়ে শামিল হওয়ার অনুরোধ করেন। বিকেলে শহরের শহীদ খোকন পার্কেও জামায়াতের আরেকটি বিশাল নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ৬, ২০২৬ 0
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খালিলুর রহমান। ফাইল ছবি
পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রথম দিল্লি সফর: আলোচনায় ফিরছে হাসিনা ও মাসুদের প্রত্যর্পণ ইস্যু

পারস্পরিক সম্মান ও দ্বিপক্ষীয় স্বার্থের ভিত্তিতে সম্পর্ক পুনর্গঠনের লক্ষ্য নিয়ে মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ভারত সফরে যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খালিলুর রহমান। বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই বাংলাদেশের কোনো মন্ত্রীর প্রথম দিল্লি সফর। ঢাকা এই সফরকে ‘শুভেচ্ছা সফর’ হিসেবে বর্ণনা করলেও কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এতে দুই দেশের অমীমাংসিত ও সংবেদনশীল বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে ফলপ্রসূ আলোচনা হবে।   সফরকালে ড. খালিলুর রহমান ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্করের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বসবেন। এ ছাড়া ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল এবং পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসমন্ত্রী হরদীপ সিং পুরির সঙ্গেও তার আলাদা বৈঠকের কথা রয়েছে। নতুন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতির ভিত্তিতে দিল্লির সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েন কাটিয়ে পারস্পরিক লাভজনক অবস্থানে পৌঁছানোই এই সফরের মূল লক্ষ্য।   পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এই সফরে বাংলাদেশ সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং শরীফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার অন্যতম অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদের মতো ব্যক্তিদের দ্রুত প্রত্যর্পণের অনুরোধ পুনর্ব্যক্ত করবে। এ ছাড়া সীমান্ত হত্যা বন্ধে কার্যকর সমন্বয় এবং ভিসা সেবা, বিশেষ করে চিকিৎসা ভিসার কার্যক্রম পুরোপুরি চালুর বিষয়ে ভারতকে ইতিবাচক পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হবে। জ্বালানি সহযোগিতা, সীমান্তবর্তী বিদ্যুৎ বাণিজ্য এবং আঞ্চলিক সংযোগ জোরদার করার বিষয়গুলোও আলোচনায় গুরুত্ব পাবে।   দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা তিস্তা পানিবণ্টন চুক্তি এবং গঙ্গা পানি চুক্তি নবায়ন নিয়েও ঢাকা জোরালো অবস্থান তুলে ধরবে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী মঙ্গলবার দুপুরে দিল্লির উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন এবং সেখান থেকে মরিশাসে অনুষ্ঠিতব্য ভারত মহাসাগর সম্মেলনে অংশ নিতে যাবেন। এই গুরুত্বপূর্ণ সফরে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরও তার সঙ্গে থাকছেন।  

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ৬, ২০২৬ 0
ফাইল ছবি
বিশাল ঋণের বোঝা নিয়ে শুরু বিএনপি সরকারের পথচলা

প্রায় ২৩ লাখ ৮৫ হাজার কোটি টাকার বিশাল ঋণের বোঝা ঘাড়ে নিয়ে যাত্রা শুরু করতে হচ্ছে নতুন বিএনপি সরকারকে। চড়া মূল্যস্ফীতি, খেলাপি ঋণের ভারে নাজুক আর্থিক খাত এবং আস্থাহীন পুঁজিবাজার সামাল দেওয়াই এখন সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।   ২০২৪ সালের আগস্টে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বৈদেশিক ঋণ, লাগামহীন মূল্যস্ফীতি, রিজার্ভ সংকট, ডলার বাজারের অস্থিরতা, বাণিজ্য ঘাটতি এবং তারল্য সংকট মোকাবিলার দায় পড়ে অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর। তবে অর্থনীতিবিদদের নিয়ে গঠিত সেই সরকারও শেষ পর্যন্ত ঋণনির্ভরশীল হয়ে পড়ে।   সর্বশেষ হিসাবে, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশি-বিদেশি মিলিয়ে সরকারের মোট ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৩ লাখ ৮৪ হাজার ৯৬৮ কোটি টাকা, যা ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে ছিল ২১ লাখ ৫১ হাজার ১৭৪ কোটি টাকা।   অর্থনীতিবিদ ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, আগের সরকারের রেখে যাওয়া ঋণ ও দায়ের পরিস্থিতিকে অন্তর্বর্তী সরকার আরও নাজুক করে তুলেছে। ফলে সবচেয়ে বড় ঋণের ভার বহন করতে হচ্ছে বর্তমান বিএনপি সরকারকে। এর পাশাপাশি কোটি গ্রাহকের আমানত ফেরত দেওয়া এবং নিত্যপণ্যের উচ্চমূল্য নিয়ন্ত্রণের চাপও রয়েছে সরকারের ওপর।   বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, আর্থিক কাঠামো শক্তিশালী করতে শক্ত আইনি ভিত্তি নিশ্চিত করে দ্রুত সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নিতে হবে। অন্যদিকে, পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান ড. জাইদি সাত্তার বৈদেশিক বাণিজ্য ব্যবস্থাপনা ঢেলে সাজানোর পরামর্শ দেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফেরাতে আইনের কার্যকর প্রয়োগ, জবাবদিহিতা এবং অর্থপাচার রোধই হবে সরকারের প্রধান চ্যালেঞ্জ।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬ 0
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ভাষণে সন্তুষ্ট সাধারণ মানুষ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় নিয়ে সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া প্রথম ভাষণকে স্বাগত জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ। তারা বলছেন, দেশের মানুষ এখন একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও দুর্নীতিমুক্ত নতুন বাংলাদেশ দেখতে চায়।   বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী জানান, দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং দুর্নীতি কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। দলীয় বা রাজনৈতিক প্রভাব-প্রতিপত্তি কিংবা জোরজবরদস্তির পরিবর্তে আইনের শাসনই হবে রাষ্ট্র পরিচালনার মূল ভিত্তি।   সাধারণ মানুষ বলেন, অতীতে দুর্নীতি, চাঁদাবাজি এবং প্রশাসনকে দলীয়করণের মাধ্যমে রাষ্ট্রের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। তাই নতুন সরকারের কাছে তাদের প্রধান প্রত্যাশা গণতান্ত্রিক অধিকার অক্ষুণ্ণ রাখা, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এবং একটি দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গড়ে তোলা।   পাশাপাশি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সহনীয় রাখা, গুম-খুনের আতঙ্ক দূর করা, মামলা বাণিজ্য ও চাঁদাবাজি বন্ধ করা এবং সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়ার দাবি জানান তারা। মানুষের মৌলিক অধিকার যাতে কেউ হরণ করতে না পারে, সেই নিশ্চয়তার পাশাপাশি জনপ্রতিনিধিদের জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন নাগরিকরা।   তাদের প্রত্যাশা, বিএনপি সরকারের নেতৃত্বে বাংলাদেশ আরও এগিয়ে যাবে এবং বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬ 0
বুধবার রাতে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
অনাচার-অনিয়মের সব সিন্ডিকেট ভেঙে দিতে বদ্ধপরিকর সরকার: প্রধানমন্ত্রী

অনাচার-অনিয়মের সব সিন্ডিকেট ভেঙে দিতে সরকার বদ্ধপরিকর বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি বলেন, হাজারো প্রাণের বিনিময়ে একটি মাফিয়া সিন্ডিকেটের পতন ঘটিয়ে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার নিয়েই সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে।   রমজান উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রমজান আত্মশুদ্ধির মাস। এই মাসে মানুষের ভোগান্তি বাড়ানো উচিত নয়। ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে তিনি আহ্বান জানান, রমজানের পবিত্রতা রক্ষায় এই মাসকে অতিরিক্ত মুনাফা লাভের সময় হিসেবে বিবেচনা না করতে। দ্রব্যমূল্য যেন সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে না যায়, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।   প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার ব্যবসায়ী ও ক্রেতা সাধারণ উভয়ের স্বার্থ রক্ষা করেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে চায়। বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বা ক্রেতা-বিক্রেতার স্বার্থ রক্ষায় যেকোনো ধরনের পরামর্শ ও অভিযোগ গ্রহণে সরকার প্রস্তুত। তিনি বলেন, এই সরকার জনগণের সরকার, ভোটের মাধ্যমেই জনগণ সরকারকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে।   রমজানে ইফতার, তারাবি ও সেহরির সময় নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস, পানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি অপচয় রোধে কৃচ্ছ্রসাধনের আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিনা প্রয়োজনে কিংবা অতিরিক্ত গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানি ব্যবহার পরিহার করাও ইবাদতের অংশ।   তিনি আরও বলেন, সরকারের মন্ত্রী ও বিএনপির এমপিদের দিয়ে কৃচ্ছ্রসাধনের দৃষ্টান্ত স্থাপন করা হয়েছে। বিএনপির সংসদীয় দলের প্রথম সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে, বিএনপি থেকে নির্বাচিত কোনো এমপি সরকারি সুবিধা নিয়ে ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি আমদানি করবেন না এবং প্লট সুবিধাও নেবেন না। এসব সিদ্ধান্ত মহানবীর ন্যায়পরায়ণতার আদর্শ অনুসরণের প্রতিফলন বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

Top week

ছবি: সংগৃহীত।
আমেরিকা

যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষা ও কর্মসংস্থান ভিসায় বড় পরিবর্তন: বিপাকে পড়তে পারেন বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৯, ২০২৬ 0