সারাদেশ

বিশাল ঋণের বোঝা নিয়ে শুরু বিএনপি সরকারের পথচলা

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬ 0
ফাইল ছবি
ফাইল ছবি

প্রায় ২৩ লাখ ৮৫ হাজার কোটি টাকার বিশাল ঋণের বোঝা ঘাড়ে নিয়ে যাত্রা শুরু করতে হচ্ছে নতুন বিএনপি সরকারকে। চড়া মূল্যস্ফীতি, খেলাপি ঋণের ভারে নাজুক আর্থিক খাত এবং আস্থাহীন পুঁজিবাজার সামাল দেওয়াই এখন সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

 

২০২৪ সালের আগস্টে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বৈদেশিক ঋণ, লাগামহীন মূল্যস্ফীতি, রিজার্ভ সংকট, ডলার বাজারের অস্থিরতা, বাণিজ্য ঘাটতি এবং তারল্য সংকট মোকাবিলার দায় পড়ে অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর। তবে অর্থনীতিবিদদের নিয়ে গঠিত সেই সরকারও শেষ পর্যন্ত ঋণনির্ভরশীল হয়ে পড়ে।

 

সর্বশেষ হিসাবে, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশি-বিদেশি মিলিয়ে সরকারের মোট ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৩ লাখ ৮৪ হাজার ৯৬৮ কোটি টাকা, যা ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে ছিল ২১ লাখ ৫১ হাজার ১৭৪ কোটি টাকা।

 

অর্থনীতিবিদ ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, আগের সরকারের রেখে যাওয়া ঋণ ও দায়ের পরিস্থিতিকে অন্তর্বর্তী সরকার আরও নাজুক করে তুলেছে। ফলে সবচেয়ে বড় ঋণের ভার বহন করতে হচ্ছে বর্তমান বিএনপি সরকারকে। এর পাশাপাশি কোটি গ্রাহকের আমানত ফেরত দেওয়া এবং নিত্যপণ্যের উচ্চমূল্য নিয়ন্ত্রণের চাপও রয়েছে সরকারের ওপর।

 

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, আর্থিক কাঠামো শক্তিশালী করতে শক্ত আইনি ভিত্তি নিশ্চিত করে দ্রুত সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নিতে হবে। অন্যদিকে, পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান ড. জাইদি সাত্তার বৈদেশিক বাণিজ্য ব্যবস্থাপনা ঢেলে সাজানোর পরামর্শ দেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফেরাতে আইনের কার্যকর প্রয়োগ, জবাবদিহিতা এবং অর্থপাচার রোধই হবে সরকারের প্রধান চ্যালেঞ্জ।

জনপ্রিয় সংবাদ
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো প্রকাশ: বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বণ্টনের খসড়া তালিকা

ঢাকা: দেশের সম্ভাব্য নতুন সরকার গঠনকে সামনে রেখে প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো সংবলিত একটি আনুষ্ঠানিক কমিউনিক্যে প্রকাশিত হয়েছে। এতে রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের দায়িত্ব বণ্টনের একটি খসড়া তালিকা তুলে ধরা হয়েছে।   কমিউনিক্যে বলা হয়েছে, এটি সরকারি নথি ও আনুষ্ঠানিক রেফারেন্সের উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করা একটি প্রস্তাবিত কাঠামো, যেখানে প্রতিষ্ঠিত সরকারি প্রোটোকল অনুযায়ী সম্ভাব্য নিয়োগ ও দায়িত্ব বণ্টনের বিষয়গুলো উল্লেখ রয়েছে।   প্রস্তাবিত দায়িত্ব বণ্টন অনুযায়ী—     •    রাষ্ট্রপতি: ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন     •    জাতীয় সংসদের স্পিকার: অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন / নিতাই রায় চৌধুরী     •    প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী: তারেক রহমান      •    স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর     •    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: সালাহউদ্দিন আহমেদ প্রতিমন্ত্রী: শহীদ উদ্দিন চৌধুরী (অ্যানি)     •    পররাষ্ট্রমন্ত্রী: আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী: ড. হুমায়ুন কবির     •    অর্থমন্ত্রী: ড. এ. বি. মির্জা আজিজুল ইসলাম / ড. রেজা কিবরিয়া (তালিকায় উল্লেখিত অনুযায়ী)     •    শিক্ষামন্ত্রী: আনাম এহসানুল হক মিলন, প্রতিমন্ত্রী: সাঈদ আল নোমান     •    আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী: মো. আসাদুজ্জামান     •    তথ্যমন্ত্রী: আন্দালিব রহমান পার্থ, প্রতিমন্ত্রী: ড. মাহদি আমিন     •    পরিকল্পনামন্ত্রী: ড. আব্দুল মঈন খান     •    বাণিজ্যমন্ত্রী: আব্দুল মুক্তাদির     •    শিল্পমন্ত্রী: আব্দুল আউয়াল মিন্টু     •    নৌপরিবহন মন্ত্রী: মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ     •    শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী: নজরুল ইসলাম খান     •    পানি সম্পদ মন্ত্রী: আসাদুল হাবিব দুলু     •    মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী: ফজলুর রহমান     •    সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী: আমানউল্লাহ আমান     •    সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী: জোনায়েদ সাকি     •    স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী: ড. এ. জেড. এম. জাহিদ হোসেন     •    যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী: আলী আজগর লবি     •    ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী: শামীম কায়সার লিংকন     •    বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী: আলতাফ হোসেন চৌধুরী     •    বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী: ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু     •    কৃষিমন্ত্রী: শামসুজ্জামান দুদু     •    গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী: মির্জা আব্বাস     •    ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী: নুরুল হক নুর     •    রেলপথমন্ত্রী: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়     •    জনপ্রশাসন মন্ত্রী: ড. ইসমাইল জাবিউল্লাহ     •    সমাজকল্যাণ মন্ত্রী: রুহুল কবির রিজভী     •    পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী: দীপেন দেওয়ান   কমিউনিক্যে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এটি একটি প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো—চূড়ান্ত ঘোষণা, নিয়োগ এবং শপথ গ্রহণ সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় প্রক্রিয়া অনুযায়ী সম্পন্ন হবে।

Advertisement

সারাদেশ

View more
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন | ছবি: সংগৃহীত
নকলের মতো মাদক ও দুর্নীতিমুক্তির যাত্রাও শুরু হবে কচুয়া থেকে: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, নকলের বিরুদ্ধে আন্দোলনের মতো মাদক ও দুর্নীতিমুক্তির যাত্রাও শুরু হবে চাঁদপুরের কচুয়া থেকে। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো নিজ নির্বাচনী এলাকা চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলা সফরে গিয়ে উপজেলা পরিষদে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।   তিনি বলেন, রাষ্ট্রনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে সুন্দর আগামীর বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে। এ লক্ষ্যে মাদক ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া হবে এবং সমাজ থেকে এসব অনিয়ম দূর করতে সম্মিলিতভাবে কাজ করা হবে।   এ সময় জেলা প্রশাসক মো. নাজমুল ইসলাম সরকার, পুলিশ সুপার মো. রবিউল হাসান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান রাসেলসহ প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তা ও বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬ 0
ফাইল ছবি

বিশাল ঋণের বোঝা নিয়ে শুরু বিএনপি সরকারের পথচলা

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন

ডিএনসিসির মশক নিধন তালিকায় মৃত ব্যক্তি! তদারকিহীন ঢাকায় মশার রাজত্ব

ছবি: সংগৃহীত

জামিনে কারামুক্ত সাবেক আওয়ামী লীগ এমপি দবিরুল ইসলাম

ছবি: সংগৃহীত
হেলিকপ্টারে চড়ে চীনা কনের গ্রামে আগমন, দেখতে মানুষের ঢল

পরিবারের পক্ষ থেকে কাউকে কিছু জানানো না হলেও হেলিকপ্টারে চড়ে চীনের কনে গ্রামে আসছেন—এই খবর গোপন থাকেনি। জানাজানি হয়ে যায় আশপাশের গ্রামেও। হেলিকপ্টার ও কনেকে দেখতে গ্রামের মেঠোপথ ও মাঠ পেরিয়ে অনেকেই ছুটে আসেন বরের বাড়ির কাছের মাঠে। নারী-পুরুষ ও শিশুসহ নানা বয়সের মানুষের ভিড়ে উৎসবমুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।   বৃহস্পতিবার বিকেল চারটার দিকে মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার কামারচাক ইউনিয়নের টিকরপাড়া গ্রামে হেলিকপ্টারে চড়ে আসেন চীনের কনে। বর চীনপ্রবাসী টিকরপাড়ার সেন বাড়ির প্রয়াত স্বপন কুমার সেন ও শিল্পী রানি সেনের ছেলে সুকান্ত সেন এবং কনে চীনের সাংহাইয়ের বাসিন্দা ক্রিস হোয়ে।   এর আগে বিকেল তিনটার দিকে বরের বাড়ির সড়ক ও আশপাশের অলিগলি সাদা ও রঙিন কাপড়ে সাজানো হয়। বাড়ির পাশের মাঠে লাল পতাকা টাঙিয়ে হেলিকপ্টার অবতরণের প্রস্তুতি নেওয়া হয়। বেলা সাড়ে তিনটার আগেই বিভিন্ন দিক থেকে মানুষ জড়ো হতে শুরু করেন। সবার চোখ ছিল আকাশের দিকে—কখন হেলিকপ্টার নামবে।   বিকেল চারটার দিকে খড়কুটো ও ধুলা উড়িয়ে হেলিকপ্টার মাঠে অবতরণ করে। কনে, কনের মা ও বর হেলিকপ্টার থেকে নেমে এলে বাড়ির লোকজন ফুল দিয়ে তাঁদের বরণ করে নেন। এরপর প্রদীপের আলো জ্বালিয়ে বর-বধূকে ঘরে প্রবেশ করানো হয়। বাড়িতে আত্মীয়স্বজন ও প্রতিবেশীদের ভিড় জমে ওঠে।   সুকান্ত সেন ও তাঁর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটি থেকে স্নাতকোত্তর শেষে প্রায় আট বছর আগে তিনি চীনে যান। পরে সাংহাই মেরিটাইম ইউনিভার্সিটি থেকে আরেকটি স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নিয়ে আমদানি-রপ্তানির ব্যবসা শুরু করেন। ২০২৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি চীনে তাঁদের বিয়ে হয়। পরে হিন্দুধর্মীয় রীতিতে আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে গ্রামে এই আয়োজন করা হয়েছে।   কনে ক্রিস হোয়ে বলেন, এটি তাঁর দ্বিতীয়বার বাংলাদেশ সফর। সবাই বন্ধুভাবাপন্ন এবং উষ্ণ অভ্যর্থনা দিয়েছেন। হেলিকপ্টারে আসার অভিজ্ঞতাকে তিনি ব্যতিক্রমী ও উপভোগ্য বলে জানান।   বরের পরিবার জানিয়েছে, ২১ ফেব্রুয়ারি গায়েহলুদ, ২২ ফেব্রুয়ারি বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা এবং ২৪ ফেব্রুয়ারি বৌভাতের আয়োজন করা হয়েছে। আত্মীয়স্বজন ও গ্রামবাসীদের নিমন্ত্রণ করা হয়েছে।

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬ 0
সংবাদ সম্মেলনে সড়ক পরিবহন, রেল ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। বৃহস্পতিবার সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ে। ছবি: সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সৌজন্যে

পরিবহনে চাঁদাবাজিকে ‘সমঝোতা’ বলে মন্ত্রী কি তবে বৈধতা দিলেন?

ছবি: সংগৃহীত

কুড়িগ্রামে মোটরসাইকেলের সঙ্গে সংঘর্ষে বিকল ট্রেন, ৫ ঘণ্টা বন্ধ রেল চলাচল

‘সড়কে চাঁদা’ নিয়ে পরিবহন মন্ত্রীর বক্তব্যে যা বললেন তাসনিম জারা

‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর চূড়ান্ত প্রক্রিয়া শুরু, গঠন হলো মন্ত্রিসভা কমিটি

প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের মানুষের সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর চূড়ান্ত প্রক্রিয়া শুরু করেছে সরকার। এই কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে একটি উচ্চপর্যায়ের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়েছে। অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে গঠিত ১৫ সদস্যের এই কমিটিতে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, সরকারের উপদেষ্টা ও সচিবরা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।   মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, প্রাথমিকভাবে দেশের আটটি বিভাগের আটটি উপজেলায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির পাইলটিং কার্যক্রম শুরু হবে। তবে নির্দিষ্ট উপজেলাগুলোর নাম এখনো চূড়ান্ত হয়নি। সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিকে আরও আধুনিক, সমন্বিত ও যথাযথ জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছে দিতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।   কমিটির কার্যপরিধিতে বলা হয়েছে, আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ‘ফ্যামিলি কার্ড’-এর উপযুক্ত ডিজাইন ও সুবিধাভোগী নির্বাচন পদ্ধতির প্রাথমিক প্রতিবেদন জমা দিতে হবে। পাশাপাশি নারীদের জন্য বিদ্যমান অন্য কোনো কার্ডকে ভিত্তি হিসেবে ব্যবহারের সম্ভাবনাও যাচাই করা হবে। সুবিধাভোগীদের নির্ভুল ডাটাবেজ তৈরির লক্ষ্যে জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) এবং ন্যাশনাল হাউজহোল্ড ডাটাবেজের ডিজিটাল তথ্যভাণ্ডার ব্যবহার করা হবে।   ১৫ সদস্যের এই কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী এবং স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী। এছাড়া উপদেষ্টাদের মধ্যে রয়েছেন রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর ও মাহদী আমিন। কমিটিকে প্রয়োজনীয় সাচিবিক সহায়তা প্রদান করবে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬ 0

রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তনে আন্তর্জাতিক উদ্যোগ জোরদারের আহ্বান

রমজানে সুলভ দামে দুধ-ডিম-মাংস বিক্রি

ইফতারির স্বাদে জমজমাট পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী চকবাজার

0 Comments