মার্কো রুবিও

ছবি: সংগৃহীত
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর স্পেনকে তোপ: আকাশসীমা ব্যবহার বন্ধে ক্ষোভ

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ন্যাটো মিত্রদের সমালোচনা করেছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন, ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের ইরানবিরোধী অভিযানে সহায়তা করতে তারা ব্যর্থ হয়েছে।   আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রুবিও বলেন, প্রয়োজনের সময় যুক্তরাষ্ট্র আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা ও স্বার্থ রক্ষা করতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে। তখনই আমরা দেখেছি, ন্যাটোর সদস্য দেশ স্পেন আমাদের আকাশসীমা ব্যবহার করতে দিচ্ছে না, এমনকি তাদের ঘাঁটিও ব্যবহার করতে অনুমতি দিচ্ছে না। এটি দেখে তারা গর্বও করছে।   রুবিও আরও উল্লেখ করেন, কিছু দেশ একই আচরণ করেছে। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে—যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থে এর ফল কী হবে?

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক মার্চ ৩১, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে আল্টিমেটাম: ‘ভয়াবহ পরিণাম’ নিয়ে ইরানের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ইরানে চলমান সামরিক অভিযান ও কৌশলগত হরমুজ প্রণালির অচলাবস্থা নিয়ে আল জাজিরাকে দেওয়া বিশেষ সাক্ষাৎকারে চূড়ান্ত বার্তা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। সোমবার (৩০ মার্চ) তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলি সামরিক অভিযান শেষ হওয়ার পর যেকোনো মূল্যে এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ পুনরায় খুলে দেওয়া হবে। রুবিও জোর দিয়ে বলেন, এটি হয় ইরানের সম্মতিতে হবে, অন্যথায় যুক্তরাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক সামরিক জোটের শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে।   মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি করেন, ইরানে ওয়াশিংটনের সামরিক লক্ষ্যগুলো অত্যন্ত সুনির্দিষ্ট এবং সেগুলো অর্জনে মাসের পর মাস নয়, মাত্র কয়েক সপ্তাহ সময় লাগবে। তিনি সতর্ক করে বলেন, অভিযান শেষেও যদি ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ রাখার হঠকারী সিদ্ধান্ত নেয়, তবে দেশটিকে এর ‘ভয়াবহ পরিণাম’ ভোগ করতে হবে। বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এই প্রণালি সচল করাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে বাইডেন-ট্রাম্পের উত্তরসূরি প্রশাসন।   সাক্ষাৎকারে রুবিও আরও ইঙ্গিত দেন যে, যুক্তরাষ্ট্র কেবল এককভাবে নয় বরং আন্তর্জাতিক মিত্রদের নিয়ে একটি শক্তিশালী জোট গঠনের মাধ্যমে হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। তেহরানের প্রতি এই কঠোর হুঁশিয়ারি মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়েছে।   সূত্র: আল জাজিরা

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৩০, ২০২৬ 0
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।
ইরানকে পরমাণু অস্ত্র বানাতে দেবে না যুক্তরাষ্ট্র: যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ইরানে চলমান সামরিক উত্তজনা ও মার্কিন-ইসরায়েলি অভিযান নিয়ে আল জাজিরাকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। হাশেম আহেলবাররার সঙ্গে আলাপকালে রুবিও স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানকে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেওয়া হবে না। তিনি দাবি করেন, তেহরান বিশ্বকে ব্ল্যাকমেইল করার জন্যই পারমাণবিক শক্তির মালিক হতে চায়, যার ঝুঁকি যুক্তরাষ্ট্র কখনোই নেবে না।   মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির তীব্র সমালোচনা করে বলেন, দেশটির তৈরি স্বল্পপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর একমাত্র উদ্দেশ্য হলো সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, কুয়েত ও বাহরাইনের মতো প্রতিবেশী দেশগুলোতে হামলা চালানো। রুবিও জোর দিয়ে বলেন, ইরানকে কেবল পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষাই নয়, বরং সব ধরনের ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি এবং ‘সন্ত্রাসবাদে অর্থায়ন’ অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।   সাক্ষাৎকারে রুবিও ইরানকে তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি ত্যাগের লক্ষ্যে সুনির্দিষ্ট ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান। ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে এটি একটি চূড়ান্ত বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে, যেখানে মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক নিরাপত্তা রক্ষায় ইরানকে তাদের সামরিক সক্ষমতা সংকোচনের জন্য সরাসরি চাপ দেওয়া হয়েছে।   সূত্র: আল জাজিরা

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৩০, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ইস্যুতে তুরস্ককে পূর্ণ সমর্থন যুক্তরাষ্ট্রের

ইরান থেকে ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ন্যাটোর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় ভূপাতিত হওয়ার পর তুরস্কের সার্বভৌমত্বের ওপর হামলাকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। তিনি তুরস্ককে যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ণ সমর্থনের আশ্বাসও দিয়েছেন।   রাষ্ট্রের পূর্ণ সমর্থনের প্রতিশ্রুতি দেন বলে জানিয়েছে ইউনাইটেড স্টেটস ডিপার্টমেন্ট অব স্টেট।   তুরস্ক জানায়, বুধবার ইরান থেকে উৎক্ষেপণ করা একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তাদের আকাশসীমার দিকে অগ্রসর হচ্ছিল। পরে ন্যাটোর আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সেটিকে প্রতিহত করে ধ্বংস করে দেয়।   ফোনালাপে মার্কো রুবিও হাকান ফিদানকে বলেন, তুরস্কের সার্বভৌম ভূখণ্ডে এ ধরনের হামলা অগ্রহণযোগ্য এবং এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র তুরস্কের পাশে থাকবে।   তুরস্কের কর্মকর্তাদের মতে, ইরান থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রটি ইরাক ও সিরিয়া হয়ে তুরস্কের আকাশসীমার দিকে আসছিল। পরে পূর্ব ভূমধ্যসাগরে মোতায়েন থাকা ন্যাটোর আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে সেটি প্রতিহত ও ধ্বংস করা হয়।   তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ক্ষেপণাস্ত্রটির নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তু সম্পর্কে কিছু জানায়নি। তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক তুর্কি কর্মকর্তা জানান, ক্ষেপণাস্ত্রটি মূলত গ্রিক সাইপ্রাসের একটি ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে ছোড়া হয়েছিল, তবে পরে এর গতিপথ পরিবর্তিত হয়।   দক্ষিণ তুরস্কের সিরিয়া সীমান্তের কাছে দোরতইয়োল জেলায় যে ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গেছে, তা ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধে ব্যবহৃত ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের অংশ বলে শনাক্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।   ফোনালাপে রুবিও ও ফিদান ইরান ও মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা করেন এবং দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের দৃঢ়তার বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করেন।   উল্লেখ্য, গত শনিবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলায় ইরানের বেশ কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিও রয়েছেন।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৫, ২০২৬ 0
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত
ট্রাম্পের বিরুদ্ধে নিজের দেশেই তীব্র প্রশ্ন উঠল

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও নতুনভাবে ব্যাখ্যা দিয়েছেন, কেন ইরানে সামরিক হামলা চালানো হয়েছিল। তিনি জানিয়েছেন, ইসরাইল ইরানে আঘাত হানার জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিল এবং হামলা শুরু হলে তেহরানের পাল্টা আঘাতের লক্ষ্যবস্তু মার্কিন বাহিনী হতো। এই আশঙ্কা থেকেই ট্রাম্প প্রশাসন আগেভাগে ইরানে অভিযান শুরু করার সিদ্ধান্ত নেয়।   ওয়াশিংটনে কংগ্রেসে অনুষ্ঠিত এক শুনানিতে রুবিও এসব কথা বলেন। সেখানে উপস্থিত ছিলেন সিআইএর পরিচালক জন র‍্যাটক্লিফ এবং জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান ড্যান কেইন। রুবিও বলেন, ইসরাইল পদক্ষেপ নেবে—এটি আগেই জানা ছিল, তাই মার্কিন বাহিনীর ওপর হামলার ঝুঁকি এড়াতে আগে আঘাত করা প্রয়োজন ছিল।   ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ফক্স নিউজকে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের মূল লক্ষ্য ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখা। তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট এই লক্ষ্য না পূরণ হওয়া পর্যন্ত থামবেন না। তবে প্রশাসনের মধ্যে ভ্যান্স আগে ইরানে সামরিক হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করেছিলেন।   সংঘাত শুরুর পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের বিভিন্ন স্থানে বিমান হামলা চালিয়েছে। জবাবে তেহরান মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘনিষ্ঠ দেশগুলোতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে। এসব হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনিসহ কয়েকজন শীর্ষ সামরিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। মার্কিন পক্ষও ছয়জন সেনাসদস্যের মৃত্যুর কথা স্বীকার করেছে। ইরানের রেড ক্রিসেন্টের তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে মৃতের সংখ্যা কমপক্ষে ৭৮৭ জন।   এই ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে বিভাজন আরও স্পষ্ট হয়েছে। রিপাবলিকানরা ট্রাম্পের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করলেও ডেমোক্র্যাটরা এটিকে অপ্রয়োজনীয় সংঘাত বলে সমালোচনা করছেন। সিনেটে ডেমোক্র্যাট নেতা চাক শুমার বলেন, এটি ট্রাম্পের বেছে নেওয়া যুদ্ধ, যার শেষ করার পরিকল্পনা স্পষ্ট নয়।   সিনেট ইন্টেলিজেন্স কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান মার্ক ওয়ার্নার উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ইসরাইল যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন জটিল যুদ্ধে জড়িয়ে ফেলেছে। তিনি মনে করেন, ইরানের হুমকি মূলত ইসরাইলের প্রতি ছিল; যুক্তরাষ্ট্রের ওপর সরাসরি হুমকি হিসেবে ধরা হলে পরিস্থিতি অনিশ্চিত হয়ে যাবে।   রুবিও বলেন, ইরানের ওপর হামলার মূল লক্ষ্য ছিল তাদের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ও নৌবাহিনী ধ্বংস করা। শুনানি শেষে মার্ক ওয়ার্নার মন্তব্য করেন, এই যুদ্ধের প্রকৃত লক্ষ্য ও সমাপ্তি পরিকল্পনা স্পষ্ট করা এবং প্রেসিডেন্টের কংগ্রেসের কাছে ব্যাখ্যা দেওয়া প্রয়োজন।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৩, ২০২৬ 0
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও
ইসরায়েলের কারণেই ইরানে হামলায় যোগ দিতে বাধ্য হয় যুক্তরাষ্ট্র: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে এক ভয়াবহ মোড় নিয়েছে ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত। সম্প্রতি ইরানে পরিচালিত যৌথ সামরিক অভিযান নিয়ে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।  তিনি প্রকাশ্যে স্বীকার করেছেন যে, ইসরায়েলি পরিকল্পনার সঙ্গে সমন্বয় করেই যুক্তরাষ্ট্র ইরানে ‘আগাম হামলা’ বা প্রি-এম্পটিভ স্ট্রাইক চালিয়েছে। ওয়াশিংটন আগে থেকেই জানত যে ইসরায়েল ইরানে আঘাত হানতে যাচ্ছে এবং সেই প্রেক্ষাপটেই নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় রণকৌশল সাজায় বাইডেন প্রশাসন। সোমবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মার্কো রুবিও জানান, ইসরায়েলি হামলার প্রতিক্রিয়ায় মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলো ইরানের লক্ষ্যবস্তু হতে পারে—এমন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতেই যুক্তরাষ্ট্র আগেভাগে আক্রমণ চালায়। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “আমরা জানতাম ইসরায়েল পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে এবং এতে আমেরিকান সেনাদের জীবন ঝুঁকিতে পড়বে। তাই বড় ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে আমরা ইরানের সামরিক সক্ষমতা ধ্বংস করার সিদ্ধান্ত নিই।” মার্কিন সামরিক বাহিনীর তথ্যমতে, এই সংঘাতের জেরে এখন পর্যন্ত ৬ জন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন। ইরানের পাল্টা হামলায় পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত একাধিক মার্কিন ঘাঁটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অন্যদিকে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ও শীর্ষ কর্মকর্তাদের মৃত্যুতে তেহরান ব্যাপক ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। ইরান ইতিমধ্যেই ড্রোনের মাধ্যমে উপসাগরীয় এলাকায় মার্কিন উপস্থিতিকে লক্ষ্য করে বড় ধরনের পাল্টা আক্রমণ শুরু করেছে। রুবিও দাবি করেছেন, এই অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং ড্রোন সক্ষমতা গুঁড়িয়ে দেওয়া। তবে তার একটি মন্তব্য আন্তর্জাতিক মহলে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে, যেখানে তিনি ইরানের শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। পরিস্থিতির ভয়াবহতা বিবেচনা করে যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের ১২টিরও বেশি দেশ থেকে তাদের নাগরিকদের দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। লেবানন, সিরিয়া, মিশর ও ইসরায়েলে অবস্থানরত মার্কিনীদের বাণিজ্যিক ফ্লাইটে দ্রুত এলাকা ত্যাগের আহ্বান জানানো হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই ত্রিভুজমুখী সংঘাত এখন আর কেবল তিন দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; বরং এটি একটি বৃহত্তর আঞ্চলিক যুদ্ধের দিকে ধাবিত হচ্ছে। দ্রুত কূটনৈতিক সমাধান না এলে বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতিতে দীর্ঘমেয়াদী অস্থিরতা তৈরি হতে পারে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৩, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

Top week

ছবি: সংগৃহীত
আমেরিকা

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা থাকলেই থাকা যাবে না—নতুন বার্তা মার্কিন দূতাবাসের

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ১২, ২০২৬ 0