আমেরিকা

ইরানকে পরমাণু অস্ত্র বানাতে দেবে না যুক্তরাষ্ট্র: যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৩০, ২০২৬ 0
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।

ইরানে চলমান সামরিক উত্তজনা ও মার্কিন-ইসরায়েলি অভিযান নিয়ে আল জাজিরাকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। হাশেম আহেলবাররার সঙ্গে আলাপকালে রুবিও স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানকে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেওয়া হবে না। তিনি দাবি করেন, তেহরান বিশ্বকে ব্ল্যাকমেইল করার জন্যই পারমাণবিক শক্তির মালিক হতে চায়, যার ঝুঁকি যুক্তরাষ্ট্র কখনোই নেবে না।

 

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির তীব্র সমালোচনা করে বলেন, দেশটির তৈরি স্বল্পপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর একমাত্র উদ্দেশ্য হলো সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, কুয়েত ও বাহরাইনের মতো প্রতিবেশী দেশগুলোতে হামলা চালানো। রুবিও জোর দিয়ে বলেন, ইরানকে কেবল পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষাই নয়, বরং সব ধরনের ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি এবং ‘সন্ত্রাসবাদে অর্থায়ন’ অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।

 

সাক্ষাৎকারে রুবিও ইরানকে তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি ত্যাগের লক্ষ্যে সুনির্দিষ্ট ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান। ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে এটি একটি চূড়ান্ত বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে, যেখানে মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক নিরাপত্তা রক্ষায় ইরানকে তাদের সামরিক সক্ষমতা সংকোচনের জন্য সরাসরি চাপ দেওয়া হয়েছে।

 

সূত্র: আল জাজিরা

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

Advertisement

আমেরিকা

View more
ছবি: সংগৃহীত
ইরান যুদ্ধের প্রভাব মার্কিন চাকরির বাজারে, বাড়ছে অনিশ্চয়তা

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র-এর শ্রমবাজারে। এক বছরের স্থবিরতার পর বাজারে যে সামান্য স্থিতিশীলতার আশা দেখা যাচ্ছিল, নতুন করে শুরু হওয়া সংঘাত তা আবারও অনিশ্চয়তার মুখে ফেলেছে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।   ইরান ও ইসরায়েল-সংক্রান্ত উত্তেজনার জেরে গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি-তে সরবরাহব্যবস্থায় বিঘ্ন তৈরি হয়েছে। এর ফলে বৈশ্বিক বাজারে তেলের দাম বেড়েছে, যা জ্বালানি ব্যয় বাড়িয়ে মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা জোরদার করেছে।   অর্থনীতিবিদদের মতে, তেলের দাম দীর্ঘ সময় ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের ওপরে থাকলে তা বড় ধরনের অর্থনৈতিক চাপ তৈরি করতে পারে। এতে ব্যবসা ও বিনিয়োগে ধীরগতি আসার পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানগুলো নতুন করে কর্মী ছাঁটাই শুরু করতে পারে।   বর্তমানে শ্রমবাজারে একটি ‘অপেক্ষমাণ’ পরিস্থিতি বিরাজ করছে। নিয়োগ কম হলেও বড় আকারে ছাঁটাইও দেখা যাচ্ছে না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনিশ্চয়তার কারণে অনেক প্রতিষ্ঠান নতুন নিয়োগ পরিকল্পনা স্থগিত রাখছে। বিশ্লেষকদের ধারণা, বছরের প্রথমার্ধে চাকরি বৃদ্ধির হার সীমিত থাকবে এবং বেকারত্ব ধীরে ধীরে বাড়তে পারে। একই সঙ্গে মন্দার ঝুঁকিও প্রায় ৪০ শতাংশে পৌঁছেছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।   পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রে নতুন চাকরি সৃষ্টি হয়েছে মাত্র ১ লাখ ১৬ হাজার, যা সাম্প্রতিক সময়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম। যদিও মূল্যস্ফীতি হ্রাস, সুদের হার কমানো এবং নতুন করনীতির কারণে চলতি বছরে শ্রমবাজারে উন্নতির আশা তৈরি হয়েছিল।   তবে নতুন সংঘাত সেই সম্ভাবনাকে দুর্বল করে দিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের ভাষায়, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজার ‘স্থিতিশীল হলেও স্থবির’ অবস্থায় রয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ৩০, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে আল্টিমেটাম: ‘ভয়াবহ পরিণাম’ নিয়ে ইরানের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।

ইরানকে পরমাণু অস্ত্র বানাতে দেবে না যুক্তরাষ্ট্র: যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং মিশরীয় প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি।

তেলের দাম ২০০ ডলার ছাড়ানোর শঙ্কা! ট্রাম্পের কাছে সিসির জরুরি আর্তি

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত
বন্ধুহীন ট্রাম্প! ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে পাশে নেই ন্যাটো ও যুক্তরাজ্য

ইরানে সামরিক আগ্রাসন চালাতে গিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কার্যত একাকী হয়ে পড়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বারবার মিত্র রাষ্ট্রগুলোর সহযোগিতা চেয়েও এখন পর্যন্ত কোনো ইতিবাচক সাড়া পাননি তিনি। এমনকি সামরিক জোট ন্যাটোও এই যুদ্ধে সরাসরি অংশ নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে নিজের অবস্থান আরও স্পষ্ট করল দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ মিত্র যুক্তরাজ্য। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ইরানে কোনো ব্রিটিশ সেনা মোতায়েন করা হবে না।   আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী স্টারমার এই সংঘাত থেকে যুক্তরাজ্যকে দূরে রাখার ঘোষণা দিয়ে বলেছেন, ‘এটি আমাদের যুদ্ধ নয় এবং আমরা এতে জড়াতে যাচ্ছি না।’ তিনি জোর দিয়ে বলেন, ব্রিটিশ সরকার কেবল তার নাগরিক, জাতীয় স্বার্থ এবং আঞ্চলিক মিত্রদের রক্ষায় ‘প্রতিরক্ষামূলক পদক্ষেপ’ গ্রহণ করছে। ব্রিটেন হরমুজ প্রণালি পুনরায় সচল করার প্রচেষ্টায় সমর্থন দিলেও কোনোভাবেই সরাসরি যুদ্ধে ‘টেনে হিঁচড়ে’ জড়াতে চায় না।   তবে সরাসরি যুদ্ধে অংশ না নিলেও যুক্তরাষ্ট্রকে কৌশলগত কিছু সুবিধা দিচ্ছে যুক্তরাজ্য। হরমুজ প্রণালির হুমকির সঙ্গে জড়িত ইরানি লক্ষ্যবস্তুগুলোতে হামলার জন্য ব্রিটিশ ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে তারা। এছাড়া ইরান থেকে আসা সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন প্রতিহত করতে আকাশপথে ব্রিটিশ যুদ্ধবিমান মোতায়েন করা হয়েছে। মিত্রহীন ট্রাম্পের জন্য এটি একটি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে, কারণ বড় কোনো অভিযানে সাধারণত পশ্চিমা দেশগুলোর ঐক্যবদ্ধ সমর্থন প্রয়োজন হয়।   সূত্র: আল জাজিরা

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৩০, ২০২৬ 0
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প | ছবি: সংগৃহীত

ট্রাম্পের চরম হুঁশিয়ারি: চুক্তি না হলে ‘নিশ্চিহ্ন’ হবে ইরানের তেল ও বিদ্যুৎ কেন্দ্র!

ছবি: সংগৃহীত

ট্রাম্পের চাঞ্চল্যকর দাবি: 'উপহার' হিসেবে ২০টি তেলের জাহাজ পাঠাচ্ছে ইরান!

ছবি: সংগৃহীত

ইরানের হুমকির প্রেক্ষিতে বৈরুতের আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয় সশরীরে পাঠদান বন্ধ ঘোষণা

ছবি: সংগৃহীত।
জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বাতিল হলে যুক্তরাষ্ট্রে চরম বিশৃঙ্খলার আশঙ্কা

যুক্তরাষ্ট্রে কয়েক দশক ধরে চলে আসা জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব পাওয়ার বিধান বাতিলের লক্ষ্যে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশ নিয়ে শুরু হয়েছে তীব্র আইনি লড়াই। বিষয়টি বর্তমানে মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের বিবেচনাধীন রয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে দিয়েছেন যে, যদি এই আদেশ কার্যকর হয়, তবে নবজাতকদের নাগরিকত্ব প্রমাণ এবং নথিপত্র ব্যবস্থাপনায় দেশজুড়ে চরম বিশৃঙ্খলা বা ‘চাওস’ সৃষ্টি হতে পারে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের শুরুতেই স্বাক্ষরিত এই বিতর্কিত আদেশে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া সকল শিশু স্বয়ংক্রিয়ভাবে নাগরিকত্ব পাবে না—বিশেষ করে যাদের বাবা-মায়ের বৈধ অভিবাসন মর্যাদা নেই। ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, ১৮৯৮ সালের ‘ইউনাইটেড স্টেটস বনাম ওং কিম আরক’ মামলার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত বর্তমান আইনি ব্যাখ্যাটি ভুল এবং এটি অবৈধ অভিবাসনকে উৎসাহিত করছে। গত বছরের শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ব্রেট কাভানা এই আদেশের বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। তিনি প্রশ্ন তুলেছিলেন, যদি জন্ম সনদ (Birth Certificate) নাগরিকত্বের অকাট্য প্রমাণ হিসেবে আর কাজ না করে, তবে হাসপাতালগুলো নবজাতকদের কীভাবে নথিভুক্ত করবে? ফেডারেল কর্মকর্তারা কীভাবে নিশ্চিত করবেন কে নাগরিক আর কে নয়? বর্তমানে এই আইনি লড়াই ‘বারবারা বনাম ট্রাম্প’ (Barbara v. Trump) মামলার মাধ্যমে চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। আগামী ১ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্টে এই মামলার মৌখিক যুক্তি উপস্থাপন (Oral Argument) শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলো এবং ডেমোক্র্যাট শাসিত অঙ্গরাজ্যগুলো এই আদেশের তীব্র বিরোধিতা করছে। তাদের মতে, এটি মার্কিন সংবিধানের ১৪তম সংশোধনীর সরাসরি লঙ্ঘন। নাগরিক অধিকার রক্ষা সংগঠনগুলোর দাবি, এই নিয়ম কার্যকর হলে কয়েক হাজার শিশু আইনি জটিলতায় পড়বে, যা তাদের শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং সামাজিক নিরাপত্তার অধিকারকে বাধাগ্রস্ত করবে। ‘পাবলিক রাইটস প্রজেক্ট’-এর প্রধান জিল হ্যাবিগ বলেন, “এটি মার্কিন নাগরিকত্বের মৌলিক ধারণাকেই বদলে দেবে এবং একটি বিশাল আইনি বিভ্রান্তি তৈরি করবে।” উল্লেখ্য যে, এর আগে বিভিন্ন নিম্ন আদালত ট্রাম্পের এই আদেশকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করে স্থগিতাদেশ দিয়েছিলেন। তবে সুপ্রিম কোর্ট এখন এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে, যা ২০২৬ সালের জুন বা জুলাই মাসের মধ্যে আসতে পারে। আদালতের এই রায়ের ওপরই নির্ভর করছে যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী পরিবারের সন্তানদের ভবিষ্যৎ এবং শত বছরের পুরনো নাগরিকত্ব আইনের ভাগ্য।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ৩০, ২০২৬ 0

বিক্ষোভে ফুঁসছে যুক্তরাষ্ট্র: ৮০ লাখ মানুষের কণ্ঠে ট্রাম্প হঠানোর ডাক, জনপ্রিয়তায় রেকর্ড ধস

ছবি: সংগৃহীত

ইরান ইস্যুতে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র, ট্রাম্পবিরোধী ‘নো কিংস’ বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে দেশজুড়ে

ছবি: সংগৃহীত

আইসক্রিম খেয়ে ১৪ মিলিয়ন ডলারের মালিক বুনে গেলেন এক নারী

0 Comments