সচিবালয়

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ফাইল ছবি
ই-হেলথ কার্ড চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

জনগণের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে ‘ই-হেলথ’ কার্ড চালুর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (৪ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ নির্দেশনা দেন।   প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, ই-হেলথ কার্ড বাস্তবায়নের কাজ শুরু করতে স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সরকারের নীতিমালা অনুযায়ী স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে মন্ত্রণালয়কে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে বলা হয়েছে।   বৈঠকে সরকারি বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার পরিত্যক্ত ভবন চিহ্নিত করে সেগুলো স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে এনে স্বাস্থ্যকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের বিষয়েও আলোচনা হয়। জানানো হয়, কেবল এলজিইডিরই ১৭০টি পরিত্যক্ত ভবন রয়েছে। এসব ভবন ক্লিনিক ও স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।   দেশে প্রতিবছর ৩৪ লাখ নবজাতক জন্ম নেওয়ার পরিসংখ্যান তুলে ধরে জনসংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। এ প্রেক্ষিতে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে মন্ত্রণালয়কে সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।   বিএনপির নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ—যার মধ্যে ৮০ শতাংশ নারী ও ২০ শতাংশ পুরুষ—এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের শূন্য পদে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের বিষয়েও আলোচনা হয়। দুর্গম এলাকায় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসকদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে তাগিদ দেন প্রধানমন্ত্রী।   বৈঠকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিতসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৪, ২০২৬ 0
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সচিবালয়ে তৃতীয় দিনেও সময়ানুবর্তিতার তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান টানা তৃতীয় দিনের মতো সচিবালয়ে তার কার্যালয়ে অফিস করেছেন। সেখানে তিনি মন্ত্রিসভার সদস্য ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের উপস্থিতি এবং সময়ানুবর্তিতার বিষয়ে খোঁজখবর নেন এবং নির্ধারিত সময়ে সবাইকে অফিসে উপস্থিত থাকার নির্দেশনা দেন।   রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রী সকাল ৯টা ৫ মিনিটে সচিবালয়ে পৌঁছান। এত সকালে প্রধানমন্ত্রীকে অফিসে দেখে অনেকেই অভিভূত হন বলে তিনি উল্লেখ করেন।   তিনি আরও জানান, সচিবালয়ে এসে প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপদেষ্টারা কারা কারা অফিসে এসেছেন, সে বিষয়ে খোঁজ নেন এবং মৌখিকভাবে নির্দেশ দেন, যাতে সবাই নির্দিষ্ট সময়ে অফিসে উপস্থিত থাকেন।   উল্লেখ্য, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন তারেক রহমান। পরদিন তিনি সচিবালয়ে দাপ্তরিক কাজ শুরু করেন এবং টানা দুই দিন সেখানে অফিস করেন। এর মধ্যেই শনিবার সরকারি ছুটির দিন হওয়া সত্ত্বেও তিনি তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অফিস করেন।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
সরকারি গাড়ি নয়, নিজের গাড়ি ও জ্বালানিতে চলবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সরকারি গাড়ির পরিবর্তে নিজস্ব গাড়ি, নিজের ক্রয় করা জ্বালানি এবং নিজস্ব চালক ব্যবহার করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিএনপির মিডিয়া সেল সদস্য আতিকুর রহমান রুমন এ তথ্য জানিয়েছেন।   তিনি জানান, বুধবার সকালে গুলশানের বাসা থেকে নিজের সাদা টয়োটা গাড়িতে চড়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে যান এবং শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। যানজটের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তার গাড়িবহরের সংখ্যা কমানো হয়েছে। আগে যেখানে বহরে ১৩ থেকে ১৪টি গাড়ি থাকত, সেখানে এখন তা কমিয়ে ৪টি করা হয়েছে।   প্রধানমন্ত্রী পতাকাবিহীন গাড়ি ব্যবহার করছেন বলেও জানান আতিকুর রহমান রুমন। তবে রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান কিংবা বিদেশি মেহমানদের সফর উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িতে পতাকা ব্যবহৃত হবে।   তিনি আরও বলেন, এখন থেকে মন্ত্রিসভার বৈঠক সচিবালয়ে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বৈঠক হলে সচিবালয় থেকে মন্ত্রীদের যাতায়াতে যানজট সৃষ্টি হয় এবং ভিআইপি চলাচলের কারণে সাধারণ মানুষ ভোগান্তিতে পড়ে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   এছাড়া রাজধানীতে প্রধানমন্ত্রীর যাত্রাপথে সড়কের দুই পাশে পোশাকধারী পুলিশের অবস্থানের বিধান বন্ধ করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬ 0
আইন মেনেই বিমানের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছি শেখ বশিরউদ্দীন
আইন মেনেই বিমানের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছি: শেখ বশিরউদ্দীন

বাংলাদেশ বিমানের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান হিসেবে নিজের নিয়োগ নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্ককে ভিত্তিহীন বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্য ও বেসামরিক বিমান পরিবহন উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। তিনি বলেছেন, তার নিয়োগ সম্পূর্ণভাবে আইনসম্মত এবং এ বিষয়ে বিভ্রান্তির কোনো সুযোগ নেই।   রোববার সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, বাংলাদেশ বিমানের ইতিহাসে তিনি ২৩তম চেয়ারম্যান এবং তার আগেও মন্ত্রী ও উপদেষ্টারাই এই দায়িত্ব পালন করেছেন। সিভিল এভিয়েশন আইনেও এমন কোনো বিধান নেই যা তার চেয়ারম্যান পদে থাকার ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করে বলে তিনি উল্লেখ করেন।   সংবাদ সম্মেলনে বিমান উপদেষ্টা দাবি করেন, কাঠামোগত সংস্কারের ফলে বিমানের টিকিটের ভাড়া উল্লেখযোগ্য হারে কমানো সম্ভব হয়েছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন রুটে প্রতিযোগিতা বাড়ায় ভাড়া প্রায় অর্ধেক পর্যন্ত নেমে এসেছে। বর্তমানে ২০ হাজার টাকায় টিকিট বিক্রির মাধ্যমে বিমান প্রায় ১২০ কোটি টাকা অতিরিক্ত মুনাফা অর্জন করতে পারবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।   একটি ইংরেজি দৈনিকে প্রকাশিত ‘লর্ড অব উইংস’ শিরোনামের প্রতিবেদন নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন শেখ বশিরউদ্দীন। তিনি বলেন, হেলিকপ্টারের ডানা নেই—এই মৌলিক বিষয় না জেনেই এমন শিরোনাম দেওয়া হয়েছে। তার ব্যক্তিগত হেলিকপ্টারটি প্রায় ১৪ বছর আগে কেনা এবং সেটি ব্যবহার করে কোনো ধরনের প্রভাব খাটানো হয়নি বলে দাবি করেন তিনি। রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনে নিজের খরচে হেলিকপ্টার ব্যবহার করেছেন এবং সরকার থেকে কোনো গাড়ি বা বাসভবন নেননি বলেও জানান তিনি।   স্বজনপ্রীতির অভিযোগ প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ ৩৯ জনের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে, যেখানে তার পরিবারের দুই সদস্যও অন্তর্ভুক্ত। এতে প্রমাণ হয় যে আইন প্রয়োগে কোনো ধরনের পক্ষপাতিত্ব করা হয়নি।   তিনি আরও জানান, বিমানের পরিচালনা পর্ষদে ডিজিটাল প্রযুক্তি ও আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যাতে টিকিট বুকিংয়ের অনিয়ম, ডিজিটাল প্রতারণা এবং ব্যবস্থাপনাগত দুর্বলতা দূর করা যায়। জিডিএস ব্যবস্থায় অতিরিক্ত ব্যয় কমিয়ে বিমানকে দীর্ঘমেয়াদে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।   স্বার্থের সংঘাত সংক্রান্ত অভিযোগ প্রসঙ্গে শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, বিষয়টি আইন লঙ্ঘনের নয়, বরং নৈতিকতার সঙ্গে সম্পর্কিত। এ লক্ষ্যে ট্রাভেল এজেন্সির বি-টু-বি কার্যক্রম বন্ধ করা হয়েছে, টিকিটে মূল্য উল্লেখ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এবং ওপেন টেন্ডারের মাধ্যমে বিমান লিজ সংক্রান্ত নীতিমালায় পরিবর্তন আনা হয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

Top week

বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?
আমেরিকা

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক মার্চ ২৫, ২০২৬ 0