বিশ্ব

৫ হাজার ৪৭১ বার হামলা চালিয়েছে ইরান

এক মাসে মধ্যপ্রাচ্যের ৭ দেশে ৫ হাজার ৪৭১ বার হামলা চালিয়েছে ইরান

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৩০, ২০২৬ 0
ইসরায়েলের ওপর হিজবুল্লাহর সমন্বিত রকেট ও ড্রোন হামলা
ইসরায়েলের ওপর হিজবুল্লাহর সমন্বিত রকেট ও ড্রোন হামলা

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের এক মাস পূর্ণ হয়েছে গত ২৮ মার্চ। এই রক্তক্ষয়ী এক মাসে মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি আমূল বদলে গেছে। ঢাকা পোস্টের এক বিশেষ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য—গত ৩০ দিনে মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের ৭টি দেশ (সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, কাতার, ওমান, বাহরাইন ও জর্ডান)-এ মোট ৫ হাজার ৪৭১ বার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। তেহরানের পক্ষ থেকে চালানো এই মুহুর্মুহু হামলা মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে তাসের ঘরের মতো গুঁড়িয়ে দিয়েছে বলে মনে করছেন সামরিক বিশ্লেষকরা।

 

প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে, এই হামলাগুলোর মূল লক্ষ্য ছিল ওই দেশগুলোতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো। ইরানের দাবি, যারা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে তাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের সুযোগ করে দিচ্ছে, তারা সবাই তেহরানের লক্ষ্যবস্তু। সবচেয়ে বেশি হামলার শিকার হয়েছে সৌদি আরব ও জর্ডান, যেখানে মার্কিন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ‘প্যাট্রিয়ট’ অধিকাংশ ক্ষেপণাস্ত্র রুখতে হিমশিম খেয়েছে। এই এক মাসে কেবল হামলাই নয়, বরং মধ্যপ্রাচ্যের আকাশপথে বিমান চলাচল এবং সমুদ্রপথে বাণিজ্যিকভাবে পণ্য পরিবহনও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে।

 

বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের এই ব্যাপক মাত্রার হামলা প্রমাণ করে যে তারা দীর্ঘমেয়াদী এবং বহুমুখী যুদ্ধের জন্য আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিল। যদিও যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা পাল্টাপাল্টি হামলা চালিয়েছে, তবে ইরানের ড্রোন ও মিসাইল প্রযুক্তির নিখুঁত লক্ষ্যভেদ পেন্টাগনকে নতুন করে ভাবিয়ে তুলছে। এই সংঘাতের ফলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের বাজারে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তা গত কয়েক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ। এক মাস শেষেও যুদ্ধের সমাপ্তির কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না, বরং ইরানের এই হার্ডলাইন অবস্থান পুরো মধ্যপ্রাচ্যকে এক মহাপ্রলয়ের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

Advertisement

বিশ্ব

View more
পাকিস্তানে চার দেশের বৈঠক, হরমুজ প্রণালি খুলতে তোড়জোড়

এক মাস ধরে চলমান যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল-ইরান সংঘাতের ভয়াবহ প্রভাব কাটিয়ে উঠতে মধ্যপ্রাচ্যের চার শক্তিধর মুসলিম দেশ একজোট হয়েছে। রোববার (২৯ মার্চ) পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে তুরস্ক, সৌদি আরব, মিসর ও পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের মধ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের জরুরি বৈঠক শুরু হয়েছে। দুই দিনব্যাপী এই আলোচনার মূল লক্ষ্য হলো ওয়াশিংটন ও তেহরানকে সরাসরি আলোচনার টেবিলে ফিরিয়ে আনা এবং বিশ্ব অর্থনীতির লাইফলাইন হিসেবে পরিচিত ‘হরমুজ প্রণালি’কে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য নিরাপদ করা।   বৈঠক সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এটি বর্তমান যুদ্ধের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে সমন্বিত আঞ্চলিক কূটনৈতিক প্রচেষ্টা। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই চার দেশ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছে যাতে করে যুদ্ধের দাবানল পুরো অঞ্চলে ছড়িয়ে না পড়ে। প্রথম দিনের আলোচনা শেষে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার সংবাদমাধ্যমকে জানান, আঞ্চলিক শক্তিগুলো যুদ্ধের একটি দ্রুত ও স্থায়ী সমাধানের উপায় খুঁজছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সরাসরি সংলাপের পরিবেশ তৈরি করা এখন তাদের প্রধান অগ্রাধিকার।   কূটনৈতিক এই তৎপরতার গুরুত্ব বোঝা যায় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের মধ্যকার নিবিড় যোগাযোগে। বৈঠকের মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে দুই দেশের শীর্ষ নেতা প্রায় ৯০ মিনিট ফোনালাপ করেন, যা গত পাঁচ দিনের মধ্যে তাদের দ্বিতীয় দফার কথা। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইসলামাবাদে শুরু হওয়া এই চতুর্পক্ষীয় বৈঠক যদি সফল হয়, তবে তা বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের অস্থিরতা কমাতে এবং মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা ফেরাতে এক ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৩০, ২০২৬ 0
ইসরায়েলের ওপর হিজবুল্লাহর সমন্বিত রকেট ও ড্রোন হামলা

এক মাসে মধ্যপ্রাচ্যের ৭ দেশে ৫ হাজার ৪৭১ বার হামলা চালিয়েছে ইরান

আইআরজিসি নৌবাহিনীর কমান্ডার

ইসরায়েলি হামলায় আইআরজিসি নৌবাহিনীর কমান্ডার নিহত, নিশ্চিত করল ইরান

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ইসরায়েল আমাদের জ্ঞানশূন্য করতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে হামলা করছে: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ইসরাইলের নিরাপত্তা মন্ত্রণালয় লক্ষ্য করে ইরানের হামলা
৫০ তম 'ভূমি দিবস' : অধিকাংশ ভূমি হারিয়ে ফিলিস্তিনিদের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই

আজ ৩০ মার্চ, ফিলিস্তিনিদের ঐতিহাসিক 'ভূমি দিবস' (Land Day)-এর ৫০তম বার্ষিকী। তবে এমন এক সময়ে এই দিবসটি পালিত হচ্ছে যখন অধিকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিরা তাদের অধিকাংশ ভূমি হারিয়ে এক চরম সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। আল জাজিরার এক বিশেষ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে, গত কয়েক বছরে ইসরায়েলের অবৈধ বসতি স্থাপন এবং ভূমি দখলের হার নজিরবিহীনভাবে বেড়েছে। বিশেষ করে ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ৫৫,০০০ দুনাম জমি নতুন করে বাজেয়াপ্ত করেছে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ, যা ফিলিস্তিনিদের বসবাসের জায়গাকে আরও সংকুচিত করে ফেলেছে।   ১৯৭৬ সালের ৩০ মার্চ ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ গ্যালিলি অঞ্চলে ফিলিস্তিনিদের বিশাল জমি দখলের ঘোষণা দিলে শুরু হয় প্রতিবাদ ও ধর্মঘট। সেই আন্দোলনে ছয়জন ফিলিস্তিনি প্রাণ হারান, যার স্মরণে প্রতি বছর এই দিনটি পালিত হয়। তবে ৫০ বছর পর এসে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। পশ্চিম তীরের 'এরিয়া সি' (Area C) অঞ্চলে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী এবং বসতি স্থাপনকারীদের হামলা ও উচ্ছেদের কারণে পুরো বেদুইন গ্রামগুলো বিলীন হয়ে যাচ্ছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত তিন বছরে প্রায় ৪,৭৬৫ জন ফিলিস্তিনি তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন।   ভূমি দখলের এই প্রক্রিয়ায় ফিলিস্তিনি কৃষকদের জীবন-জীবিকাও হুমকির মুখে পড়েছে। অনেক কৃষক তাদের কয়েক দশকের পুরনো জলপাই গাছ নিজ হাতে কেটে ফেলতে বাধ্য হচ্ছেন যেন ইসরায়েলি বুলডোজার সেগুলো উপড়ে না ফেলে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইসরায়েলের এই 'ডি ফ্যাক্টো অ্যানেক্সেশন' বা কার্যত দখলদারিত্বের ফলে একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের সম্ভাবনা দিন দিন ক্ষীণ হয়ে আসছে। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা এই ভূমি দখলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানালেও মাঠ পর্যায়ে ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদ ও লাঞ্ছনা অব্যাহত রয়েছে, যা এই অঞ্চলে দীর্ঘমেয়াদী সংঘাতের জন্ম দিচ্ছে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৩০, ২০২৬ 0
ডোনাল্ড ট্রাম্প ও মোজতবা খামেনি। ছবি: সংগৃহীত

৩১তম দিনে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ: তেহরানে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ও ব্ল্যাকআউট, তেলের দখল নিতে চান ট্রাম্প

ইরানের অস্ত্র কারখানায় ৮০ টিরও বেশি বোমা নিক্ষেপ করেছে ইসরাইল। ছবি: সংগৃহীত

ইরানের অস্ত্র কারখানায় ইসরাইলের ৮০টির বেশি বোমা হামলা

ইউক্রেনে রুশ হামলায় নিহত ৫ জন

ইউক্রেনে রুশ হামলায় নিহত ৫ জন

জ্বালানি তেল। ছবি সংগৃহীত
তেলের দামে রেকর্ড ভাঙা লাফ! ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের শঙ্কায় বিশ্ববাজারে বড় অস্থিরতা

ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য স্থল অভিযানের আশঙ্কায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের বাজারে চরম অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। তেহরানের পক্ষ থেকে ওয়াশিংটনকে দেওয়া কঠোর হুঁশিয়ারির পর আজ সোমবার (৩০ মার্চ) আন্তর্জাতিক বাজার খোলার সঙ্গে সঙ্গেই তেলের দাম লাফিয়ে বাড়তে শুরু করেছে।   যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার দাবি করেছিলেন, কিন্তু তেহরানের অনমনীয় অবস্থান বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বড় ধরনের উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে আজ সকালে পাওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ৩.১৪ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১১৬ ডলার ১০ সেন্টে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে ডব্লিউটিআই (WTI) ক্রুডের দাম ২.৬৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ব্যারেলপ্রতি ১০২ ডলার ৩০ সেন্টে কেনাবেচা হচ্ছে। অয়েল প্রাইজ ডটকমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতাই মূলত বাজারকে অস্থিতিশীল করে তুলেছে। এর আগে গত রোববার ইরানের সংসদের স্পিকার এক বক্তব্যে জানান যে, তাদের বাহিনী মার্কিন সেনাদের মোকাবিলা করার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত হয়ে অপেক্ষা করছে। অন্যদিকে, হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা পার হলেও গত শুক্রবার ট্রাম্প জানান যে আলোচনার পথ এখনও খোলা রয়েছে। মূলত মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের দামামা এবং হরমুজ প্রণালিতে তেল সরবরাহে বিঘ্ন ঘটার শঙ্কায় বিশ্ববাজারে তেলের এই অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি ঘটছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকরা। সূত্র: অয়েল প্রাইজ ডটকম ও আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৩০, ২০২৬ 0
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফাইল ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের ১৫ দফার বেশিরভাগ শর্ত মেনে নিয়েছে ইরান: ডোনাল্ড ট্রাম্প

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ছবি: সংগৃহীত

লেবাননে যুদ্ধজড়িত পদক্ষেপ বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন নেতানিয়াহু

ডোনাল্ড ট্রাম্প ও মোজতবা খামেনি। ছবি: সংগৃহীত

ইরানের নতুন নেতৃত্ব নিয়ে ট্রাম্পের প্রকাশ্য বক্তব্য

0 Comments