বিশ্ব

আইআরজিসি নৌবাহিনীর কমান্ডার নিহত

ইসরায়েলি হামলায় আইআরজিসি নৌবাহিনীর কমান্ডার নিহত, নিশ্চিত করল ইরান

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৩০, ২০২৬ 0
আইআরজিসি নৌবাহিনীর কমান্ডার
আইআরজিসি নৌবাহিনীর কমান্ডার

ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) তাদের নৌবাহিনীর শীর্ষ কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল আলিরেজা তাংসিরির মৃত্যুর খবর আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে।
 

সোমবার (৩০ মার্চ) ইরানি গণমাধ্যমে প্রকাশিত আইআরজিসির এক বিবৃতিতে জানানো হয়, গত বৃহস্পতিবার ইসরায়েলি বিমান হামলায় তিনি নিহত হন।
 

আলিরেজা তাংসিরি আইআরজিসির একজন অভিজ্ঞ ও প্রভাবশালী সামরিক কর্মকর্তা ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ইরানের সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা ও কৌশল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছিলেন। তার মৃত্যু চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে ইরানের সামরিক নেতৃত্বের জন্য বড় ধরনের ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
 

মার্কিন ট্রেজারি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, তাংসিরির বিরুদ্ধে ২০১৯ ও ২০২৩ সালে দুই দফা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল। তিনি আইআরজিসি নৌবাহিনীর ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির তদারকি করতেন এবং সশস্ত্র ড্রোন উৎপাদন সংশ্লিষ্ট একটি প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ছিলেন।
 

তাংসিরির নেতৃত্বে ইরান কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে নিজেদের শক্ত অবস্থান তৈরি করে। বিশ্বের জ্বালানি তেলের প্রায় ২০ শতাংশ এই জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়, যা বৈশ্বিক বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
 

বিশ্লেষকদের মতে, তার মৃত্যু পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালিতে ইরানের নৌ তৎপরতায় সাময়িক প্রভাব ফেলতে পারে। তবে আইআরজিসি জানিয়েছে, এই ক্ষতি সত্ত্বেও তাদের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে এবং তাংসিরির দেখানো পথেই তারা এগিয়ে যাবে।
 

এদিকে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল জোটের মধ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই এই ঘটনা নতুন করে সংঘাতকে আরও তীব্র করে তুলেছে। ইরান ইতোমধ্যে এই হামলার প্রতিশোধ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে এবং দেশজুড়ে রাষ্ট্রীয় শোক পালন করছে।
 

বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত কেবল স্থল ও আকাশপথেই সীমাবদ্ধ নেই, সমুদ্রপথেও এর প্রভাব ক্রমেই বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে আইআরজিসির নতুন নেতৃত্ব কীভাবে দায়িত্ব নেবে, সে বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।
 
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

Advertisement

বিশ্ব

View more
ইসরায়েলের ওপর হিজবুল্লাহর সমন্বিত রকেট ও ড্রোন হামলা
এক মাসে মধ্যপ্রাচ্যের ৭ দেশে ৫ হাজার ৪৭১ বার হামলা চালিয়েছে ইরান

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের এক মাস পূর্ণ হয়েছে গত ২৮ মার্চ। এই রক্তক্ষয়ী এক মাসে মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি আমূল বদলে গেছে। ঢাকা পোস্টের এক বিশেষ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য—গত ৩০ দিনে মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের ৭টি দেশ (সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, কাতার, ওমান, বাহরাইন ও জর্ডান)-এ মোট ৫ হাজার ৪৭১ বার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। তেহরানের পক্ষ থেকে চালানো এই মুহুর্মুহু হামলা মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে তাসের ঘরের মতো গুঁড়িয়ে দিয়েছে বলে মনে করছেন সামরিক বিশ্লেষকরা।   প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে, এই হামলাগুলোর মূল লক্ষ্য ছিল ওই দেশগুলোতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো। ইরানের দাবি, যারা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে তাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের সুযোগ করে দিচ্ছে, তারা সবাই তেহরানের লক্ষ্যবস্তু। সবচেয়ে বেশি হামলার শিকার হয়েছে সৌদি আরব ও জর্ডান, যেখানে মার্কিন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ‘প্যাট্রিয়ট’ অধিকাংশ ক্ষেপণাস্ত্র রুখতে হিমশিম খেয়েছে। এই এক মাসে কেবল হামলাই নয়, বরং মধ্যপ্রাচ্যের আকাশপথে বিমান চলাচল এবং সমুদ্রপথে বাণিজ্যিকভাবে পণ্য পরিবহনও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের এই ব্যাপক মাত্রার হামলা প্রমাণ করে যে তারা দীর্ঘমেয়াদী এবং বহুমুখী যুদ্ধের জন্য আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিল। যদিও যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা পাল্টাপাল্টি হামলা চালিয়েছে, তবে ইরানের ড্রোন ও মিসাইল প্রযুক্তির নিখুঁত লক্ষ্যভেদ পেন্টাগনকে নতুন করে ভাবিয়ে তুলছে। এই সংঘাতের ফলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের বাজারে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তা গত কয়েক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ। এক মাস শেষেও যুদ্ধের সমাপ্তির কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না, বরং ইরানের এই হার্ডলাইন অবস্থান পুরো মধ্যপ্রাচ্যকে এক মহাপ্রলয়ের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৩০, ২০২৬ 0
আইআরজিসি নৌবাহিনীর কমান্ডার

ইসরায়েলি হামলায় আইআরজিসি নৌবাহিনীর কমান্ডার নিহত, নিশ্চিত করল ইরান

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ইসরায়েল আমাদের জ্ঞানশূন্য করতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে হামলা করছে: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ইসরাইলের নিরাপত্তা মন্ত্রণালয় লক্ষ্য করে ইরানের হামলা

৫০ তম 'ভূমি দিবস' : অধিকাংশ ভূমি হারিয়ে ফিলিস্তিনিদের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই

ডোনাল্ড ট্রাম্প ও মোজতবা খামেনি। ছবি: সংগৃহীত
৩১তম দিনে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ: তেহরানে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ও ব্ল্যাকআউট, তেলের দখল নিতে চান ট্রাম্প

ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার যুদ্ধ আজ ৩১তম দিনে পদার্পণ করেছে। সোমবার ভোরে রাজধানী তেহরানসহ ইরানের একাধিক শহরে শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী নিশ্চিত করেছে যে, তারা তেহরানজুড়ে ইরান সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে। এই হামলার ফলে তেহরানের বড় একটি অংশ বিদ্যুৎহীন (ব্ল্যাকআউট) হয়ে পড়েছিল, যদিও পরবর্তীতে তা আংশিক সচল করা হয়েছে বলে দাবি করেছে কর্তৃপক্ষ। এছাড়া তাবরিজের একটি পেট্রোকেমিক্যাল প্ল্যান্টেও অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়া গেছে।   কূটনৈতিক তৎপরতার আড়ালে ডোনাল্ড ট্রাম্পের এক বিস্ফোরক মন্তব্য নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। ‘দ্য ফিন্যান্সিয়াল টাইমস’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প সরাসরি বলেছেন, তিনি ইরানের তেলের নিয়ন্ত্রণ নিতে চান এবং প্রয়োজনে দেশটির প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র ‘খার্গ দ্বীপ’ দখল করার ইঙ্গিত দিয়েছেন। ট্রাম্পের দাবি, যুদ্ধের প্রথম দিকেই শীর্ষ নেতাদের মৃত্যুতে ইরানে কার্যত ‘রেজিম চেঞ্জ’ বা শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন ঘটে গেছে। তবে প্রকাশ্যে তিনি আলোচনার কথা বললেও নেপথ্যে স্থল অভিযানের প্রস্তুতি চলছে বলে অভিযোগ করেছে তেহরান।   এদিকে যুদ্ধের প্রভাব ছড়িয়ে পড়েছে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে। কুয়েত ও সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার খবর পাওয়া গেছে, যেখানে কুয়েতে একজন ভারতীয় শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের (Brent crude) দাম প্রায় ৩ শতাংশ বেড়ে ১১৫.৯৩ ডলারে পৌঁছেছে, যা ১৯৯০ সালের ইরাক-কুয়েত যুদ্ধের পরবর্তী সময়ের সর্বোচ্চ রেকর্ড। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় শান্তি আলোচনার চেষ্টা চললেও ইসরায়েল জানিয়েছে, কোনো সুনির্দিষ্ট চুক্তিতে পৌঁছানোর আগে তারা হামলা বন্ধ করবে না। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই যুদ্ধে এ পর্যন্ত ২ হাজারের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৩০, ২০২৬ 0
ইরানের অস্ত্র কারখানায় ৮০ টিরও বেশি বোমা নিক্ষেপ করেছে ইসরাইল। ছবি: সংগৃহীত

ইরানের অস্ত্র কারখানায় ইসরাইলের ৮০টির বেশি বোমা হামলা

ইউক্রেনে রুশ হামলায় নিহত ৫ জন

ইউক্রেনে রুশ হামলায় নিহত ৫ জন

জ্বালানি তেল। ছবি সংগৃহীত

তেলের দামে রেকর্ড ভাঙা লাফ! ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের শঙ্কায় বিশ্ববাজারে বড় অস্থিরতা

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফাইল ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের ১৫ দফার বেশিরভাগ শর্ত মেনে নিয়েছে ইরান: ডোনাল্ড ট্রাম্প

ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনা নিরসনে যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া ১৫ দফা দাবির বেশিরভাগই তেহরান মেনে নিয়েছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার (৩০ মার্চ) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।   যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, “তারা আমাদের বেশিরভাগ দাবি মেনে নিয়েছে। কেন নেবে না?” তিনি জানান, আলোচনা সরাসরি এবং মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে চলছে এবং তা ইতিবাচক অগ্রগতির পথে রয়েছে।   ট্রাম্প আরও দাবি করেন, ইরান তাদের আন্তরিকতার প্রমাণ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রকে তেল সরবরাহের প্রস্তাব দিয়েছে। তার ভাষ্য, “তারা আমাদের ২০ জাহাজভর্তি তেল দিয়েছে, যা আগামীকাল থেকে পাঠানো শুরু হবে।”   মার্কিন প্রস্তাবিত শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে ইরানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতায় সীমাবদ্ধতা আরোপ, আঞ্চলিক প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোর প্রতি সমর্থন বন্ধ করা এবং ইসরায়েল-কে স্বীকৃতি দেওয়া।   তবে সব শর্তে এখনো চূড়ান্ত ঐকমত্য হয়নি বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প। কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা চলমান রয়েছে।   এর আগে রোববার এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, পারস্য উপসাগরে অবস্থিত খারগ দ্বীপ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন বিকল্প বিবেচনা করছে। “হয়তো আমরা খারগ দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নেব, কিংবা নেব না। আমাদের হাতে অনেকগুলো বিকল্প রয়েছে,” যোগ করেন তিনি।   পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায়, তা এখনো স্পষ্ট না হলেও সংশ্লিষ্ট মহল এ আলোচনার অগ্রগতিকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৩০, ২০২৬ 0
ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ছবি: সংগৃহীত

লেবাননে যুদ্ধজড়িত পদক্ষেপ বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন নেতানিয়াহু

ডোনাল্ড ট্রাম্প ও মোজতবা খামেনি। ছবি: সংগৃহীত

ইরানের নতুন নেতৃত্ব নিয়ে ট্রাম্পের প্রকাশ্য বক্তব্য

টানা বৃষ্টির কারণে বেশ কয়েকটি বাড়ির ছাদ ধসে পড়ে। ছবি: সংগৃহীত

ভারি বৃষ্টির কারণে পাকিস্তানে ৯ জনের মৃত্যু

0 Comments